,

আটক ৮ জন যেভাবে জেএমবিতে জড়িত হলেন

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
April 11, 2017
news-image

 

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু ঃ

কুমিল্লা ও নারায়নগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে জিহাদী বই ও বিস্ফোরকসহ জেএমবির (সরোয়ার-তামিম গ্র“পের) ৮ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করেছে কুমিল্লা ও নারায়নগঞ্জ র‌্যাব-১১ সদস্যরা। তারা র‌্যাবের অভিযানে আটক হওয়ার পর বের হয়ে আসে জেএমবিতে তাদের যোগদানের বৃত্তান্ত।

র‌্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল নারায়নগঞ্জ এর সিদ্ধিরগঞ্জ উপজেলার সাইনবোর্ড এবং কুমিল্লার গৌরিপুর এলাকা হতে জেএমবি সদস্য শরিয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার মোঃ জামাল ওরফে রাসেল জিহাদী (৩৫), ঢাকার কদমতলী থানার খন্দকার আবু নাঈম ওরফে নাঈম জিহাদী (৪৯), ডেমরা থানার মোঃ নুরুল আবছার (২৭), মাদারীপুর জেলার শিবচর থানার মোঃ মহসিন (৫২), বাগেরহাট জেলার মোড়লগঞ্জ উপজেলার মোঃ জাবির হাওলাদার (২২), কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার মোঃ আক্তারুজ্জামান @ মারুফ (৩২), মুরাদনগর উপজেলার হাফেজ মাওলানা ওমর ফারুক (৩২) ও তিতাস উপজেলার মোঃ কাশেম মুন্সিকে (৩১) আটক করে।

আটক হওয়া মোঃ জামাল উদ্দিন ওরফে রাসেল জিহাদী পেশায় একজন ব্যবসায়ী। সে এসএসসি পাস করার পর ২০০১ সালে বক্সীবাজার নিডাসা থেকে ক¤িপউটার হার্ডওয়ারের উপর ২ বছর ব্যাপী ডিপ্লোমা স¤পন্ন করে। সে মূল দলটির প্রধান সমন¡য়কারীর দায়িত্ব পালন করে ও এমএলএম কো¤পানীটি পরিচালনা করে থাকে। সে ছাত্রাবস্থা হতে শিবিরের সঙ্গে জড়িত। ২০১৫ সালের শেষের দিকে কথিত বড় ভাই/হুজুরের মাধ্যমে জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্র“পে অন্তর্ভূক্ত হয়। পরে ২০১৬ সালের মাঝামাঝিতে বিস্ফোরক তৈরীর উপর চট্টগ্রামে প্রশিক্ষণ গ্রহন করে। তার মাধ্যমে সোহেল, আবু নাঈম, নুরুল আবছার ও জাবির হাওলাদার জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ হয়। সে তাদের দলের জনৈক সোহেলকে হাতে কলমে বিস্ফোরক তৈরী ও ব্যবহারের উপর প্রশিক্ষণ দিয়েছে বলে জানায়।

খন্দকার আবু নাঈম ওরফে খন্দকার আবু সাঈদ ওরফে খন্দকার আবু সাইয়ুম ওরফে নাঈম জিহাদী জেএমবি সারোয়ার-তামিম গ্র“পের একজন সক্রিয় সদস্য। সে একজন গ্রাজুয়েট এবং জমি ক্রয়-বিক্রয় ব্যবসা বা দালালীর সঙ্গে জড়িত। ২০১৬ সালের মাঝাম