কুমিল্লার খান সাহেব হাছানুজ্জামান
আজিম উল্যাহ হানিফ:
কুমিল্লা জেলার তৎকালীন লাকসাম থানার অধীন নাঙ্গলকোট ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামে ১৯০০ খ্রিষ্টাব্দে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন খান সাহেব হাজী মৌলভী হাসানুজ্জামান । পিতা-মো: আরিফুর রহমান, মাতা সৈয়দেন্নেছা বেগম। ওনাদের ওই প্রথম সন্তানের নাম রাখলেন হাসানুজ্জামান। অর্থ্যাৎ যুগের আলো। পিতা-আরিফুর রহমান সাহেব ছিলেন জ্ঞানী ও গুনি ব্যক্তি এবং পরম ধর্মানুরাগী। তিনি চট্টগ্রামের ইসলামিয়া মাদরাসায় সেই যুগে দীক্ষিত হন। তিনি ব্যতীত তৎকালীন আর কেহ তদাঞ্চলে বিশেষ লেখাপড়া করার সুযোগ পাননি। তিনি ইসলামি শিক্ষার আলোকে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার লক্ষ্যে হাসানুজ্জামান খানের বাবা আরিফুর রহমান সাহেব ১৮৯২ সালের ৫ এপ্রিল তার গ্রাম হরিপুরে প্রথম মাদ্রাসা স্থাপন করেন এবং পরিচালনার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। শুধু মাদ্রাসা স্থাপনই নয় তদুপরি তিনি গ্রামে গ্রামে ঘুরে ঘুরে জনসাধারণের কাছে ইসলামি শিক্ষার বক্তব্য রাখতেন। তার স্ত্রী সৈয়দেন্নেছা স্থানীয় কাজী বংশের কণ্যা ছিলেন। তিনিও ছিলেন অত্যন্ত গুনবতী রমনী এবং মহিলারা তার কাছ হতে ইসলামের অনেক প্রেরণা পেতেন। ১৯২৩ সালে আরিফুর রহমান ইন্তেকাল করেন।
শৈশবে হাসানুজ্জামান তার বাবার সান্নিধ্যে থেকে শিক্ষায় দিক্ষিত হন এবং তিনি বাবার কাছে প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করে পরে স্থানীয় উচ্চ প্রাইমারী কেন্দ্রীয় পরীক্ষায় কৃতিত্বের সহিত পাশ করেন। পরে চট্টগ্রাম সিনিয়র মাদ্রাসায় পড়ার জন্য উদগ্রীব হন ও ভর্তি হন। চট্টগ্রাম হতে তৎকালীন এন্ট্রান্স পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করে সবার প্রশংসার সৌভাগ্য অর্জন করেন। শিক্ষানুরাগী হাছান,খান বাহাদুর ওয়াজউদ্দিন (তৎকালীন সিরাজগঞ্জ কলেজের অধ্যক্ষ) সাহেবের নজরে পড়েন এবং ঐ কলেজে আই এ ক্লাশে ভর্তি হন। পরিবারের প্রথম সন্তান হিসেবে তার উপর পরিবারের দায়িত্ব বর্তিত হয়। কাজেই উপায়ান্তর না দেখে সিরাজগঞ্জেà