কুমিল্লায় আখের ভালো দামে খুশির ঝিলিক
স্টাফ রিপোর্টারঃ
প্রতি বছরই বাড়ছে আখের চাষ। বরুড়ার মাটি আখ চাষের উপযোগী হওয়ায় এখানকার আখ খেতে যেমন সুস্বাদু তেমনি দেখতেও সুন্দর। ফলনও বেশ ভাল হয়।
বরুড়ার সুমিষ্ট আখের কদর রয়েছে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মাঝে। এখানকার উৎপাদিত আখ কুমিল্লার চাহিদা মিটিয়ে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ হয়ে থাকে। চৈত্র মাসে লাগানো হয় আখের চারা, আর আষাঢ়ের পর থেকে পরিপক্ব হয়। এ চার মাস বরুড়ার কৃষকরা ব্যস্ত থাকে আখ চাষ নিয়ে।
বরুড়া উপজেলার কৃষি অফিসার নজরুল ইসলাম জানান, ২০১৮ সালে বরুড়ায় ১১০ হেক্টর জমিতে আখ চাষ করা হয়েছিলো। এ মৌসুমেও আমরা একই পরিমাণ জমিতে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিলাম। কিন্তু এবার লক্ষ্যমাত্রা ডিঙ্গিয়ে ১২০ হেক্টর জমিতে আখ চাষ করা হয়েছে। প্রতি বছরই এই উপজেলায় আখ চাষের জমির পরিমাণ বাড়ছে। প্রতি হেক্টর জমিতে ১১০ মেট্রিক টন আখ চাষ হয়। প্রতি হেক্টর জমি আখ চাষ করতে খরচ হয় ৩০ হাজার টাকা। আর এই পরিমাণ জমির আখ বিক্রি করা হয় প্রায় ৭০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকায়।
বরুড়ার উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরো জানান, এই উপজেলার কৃষকদের আখ চাষের প্রতি আগ্রহ দেখে তিনি ২২ কৃষককে সরকারি খরচে আখ চাষের উপর প্রশিক্ষণ দেন।
কুমিল্লার এই বরুড়া উপজেলা আখ চাষে বেশ প্রসিদ্ধ। এখানকার প্রতিটি ইউপিতে কম-বেশি আখ চাষ হয়। বিশেষ করে দরগাহ নামা, বিজয়পুর, বাতাইছড়ি, ঝালগাও, এগারগ্রাম, বৈরিয়া, কামেড্ডা, শালুকীয়া, দেওড়া, ঝলম, ডেউয়াতলী, মেড্ডা, আমড়াতলী, ফলকামুড়ি, লাইজলা, দিগলগাও গ্রামে অনেক আখের চাষ হয়। এসব এলাকার আখ চাষে ফলনও হয় অনেক বেশি।
বরুড়ার অধিকাংশ কৃষক এখন আখ চাষ করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। যার ফলে কৃষকের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। আখের প্রতি শলা উৎপাদন করতে কৃষকের খরচ হয় ২৫ থেকে ৩০ টাকা। প্রতি শলা বিক্রি হয় ৯০ থেকে ১০০ টাকা। বেশীর ভাগ আখ জমিতেই বিক্রি করে দেন কৃষকরা। বেপারীরা সময় সুযোগ করে, প্রয়োজন অনুযায়ী জমি থেকে আখ সংগ্রহ করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে।
উপজেলার লক্ষ্মীপà§