কুমিল্লায় ভয়ঙ্কর রক্ত খেলায় আতঙ্কিত জনপদ, থমথমে এলাকা
অনলাইন ডেস্কঃ
ঘাতক রিকসা চালক মোখলেছ কর্তৃক ভয়ঙ্কর রক্তখেলায় আতঙ্কিত দেবীদ্বার উপজেলার রাধানগর গ্রামের জনপদে এখনো থমথমে বিরাজ করছে। দিনের আলোতে বাড়ির লোকজন খুব একটা দেখা না গেলেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত লোকজনের উপস্থিতি ছিল সীমিত। স্থানীয় বিদ্যালয়গুলোতেও শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে গেছে।
শনিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে ওই এলাকায় যেয়ে এমন চিত্রই দেখা যায়। ঘাতক মোখলেছের বাড়িতে কাউকে পাওয়া যায়নি। নিহত তিন পরিবারের বেঁচে থাকা কয়েকজন সদস্য ও স্বজনকে পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক, হতাশা ও ক্ষোভ দেখা যায়।
মৃত’ নাজমা বেগম (৪০) ঘরে যেয়ে দেখা যায়, নাজমার ছোট ভাই ও হত্যা মামলার বাদী মোঃ রুবেল (২৪) বোনের শোকে কাতর, একটু পর পর চিৎকার করে বোনের পরিবারের ভবিষ্য কি হবে তাই ভাবছেন আর বলছেন, কে এ পরিবারের শিশুদের দায়িত্ব নেবে। সে উপজেলার জাফরাবাদ (মনিপুর) গ্রামের মো: তমিজ উদ্দিন ফকির’র পুত্র। তার ভগগ্নীপতি আহত রিকসা চালক নূরুল ইসলামের অবস্থাও সংকটাপন্ন, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ৬ জনের মধ্যে আহত নূরুল ইসলামের মা’ মাজেদা বেগম (৬৫) অবস্থাও আরো সংকটাপন্ন। তাকে কুমেক হাসপাতালের ১৫ নম্বর বেডে অক্সিজেন ও সেলাইন দিয়ে রাখা হয়েছে।
মামলার বাদী রুবেল চিৎকার করে বলেন, ঘাতক মোখলেছ পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এ পরিকল্পনার অংশিদার মোখলেছের স্ত্রী রাবিয়া বেগম (৩০), মোখলেছের ভাই মোহাম্মদ হোসেন, তার স্ত্রী জেসমিন আক্তার, অপর ভাই হারুনের স্ত্রী মরিয়ম বেগম। তাদেরকে মামলায় আসামি করা হয়নি। তাদের গ্রেফতারপূর্বক জিজ্ঞাসাবাদ করলেই সকল তথ্