,

কুমিল্লা জুড়ে চিরভাস্বর নজরুল

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
May 25, 2017
news-image

 

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু ঃ

“আমার অন্তর্যামী জানেন,
তোমার জন্য আমার হৃদয়ে কি গভীর ক্ষত,
কি অসীম বেদনা!
কিন্তু সে বেদনার আগুনে আমিই পুড়েছি
তা দিয়ে তোমায় কোনদিন দগ্ধ করতে চাইনি।
তুমি এই আগুনের পরশ মানিক না দিলে আমি
“অগ্নিবীণা” বাজাতে পারতাম না,
আমি ‘ধুমকেতু’র বিস্ময় নিয়ে উদিত হতে পারতাম না।”

প্রিয়তমা স্ত্রী নার্গিস আশার খানমের উদ্দেশ্যে লেখা নজরুলের এ কবিতা কুমিল্লায় নজরুলের গভীর প্রেম, ভালবাসা, বিচ্ছেদ ও সাহিত্য কর্মের অবাধ বিচরণের স্বাক্ষ্য বহন করে। মানবতা, সাম্য ও বিদ্রোহের যুগস্রষ্টা কবি নজরুলের সাথে কুমিল্লার মাটি ও জনপদের রয়েছে চিরস্থায়ী বন্ধন। বাংলা সাহিত্যে ধুমকেতুর মত উদ্ভাসিত বিস্ময়কর কবি নজরুলের ইংরেজ বিরোধী সংগ্রাম, সংগীত-সাহিত্য চর্চা, প্রেম, বিবাহ ও বিচ্ছেদসহ অসংখ্য স্মৃতি জড়িয়ে আছে উপমহাদেশের প্রাচীন নগরী কুমিল্লার সাথে। মূলত সব্যসাচী নজরুলের বিশাল সাহিত্যের পরিধি বিকশিত হওয়ার পেছনে কুমিল্লা রেখেছে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা। কুমিল্লার জনগণ কবি নজরুলের স্মৃতিকে সযতেœ লালন করছেন পরম ভালবাসায় । অন্যায়,অত্যাচার, নির্যাতন, নিপীড়ন, শোষণ বঞ্চনা এক সাম্রাজ্যবাদীদের ভয়াল থাবার বিরুদ্ধে কবি নজরুলের লেখনী শক্তি চিরকালেই ছিল আপোষহীন। কুমিল্লা জুড়ে চিরভাস্বর বিদ্রোহের সারথী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ওরফে দুখু মিয়ার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নিয়ে এ প্রতিবেদন।


বিদ্রোহী নজরুলের আগমনঃ
বিদ্রোহের চেতনায় শাণিত অগ্নিপুরুষ নজরুল প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯১৭ সালে নজরুল যুদ্ধে গিয়েছিলেন । তিনি ব্যাটালিয়ন কোয়ার্টার মাস্টার ছিলেন। তখন কুমিল্লার বাসিন্দা ক্যাপ্টেন আলী আকবর খাঁর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। ১৯১৯ সালে যুদ্ধ শেষ হয়ে যায়। সে সময় আলী আকবর খানের সঙ্গে নজরুলের হƒদ্যতা গড়ে ওঠে। আলী আকবর নজরুলের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে তà¦