দেশে ‘স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপি সেবা’র উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি
স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলা ভাষার মৌখিক ও অমৌখিক প্রয়োগে প্রকৃত স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপির ব্যবস্থা গ্রহণ এবং দক্ষ ও যোগ্য লাইসেন্সড স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্ট নিয়োগ অত্যন্ত জরুরি। ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসকে সামনে রেখে ১৯ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) রাতে আয়োজিত ‘হায়দারস টকশো’ নামক বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এমন মন্তব্য করেন।
নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের আইন ও বিচার বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড. মো. নায়ীম আলীমুল হায়দারের সঞ্চালনায় হায়দারস টক শো নামের ওয়েবিনারে এবারের বিষয়বস্তু ছিল ‘বাংলা ভাষায় মৌখিক ও অমৌখিক যোগাযোগ সমস্যা ও সম্ভাব্য প্রতিকার’। অনুষ্ঠানে বক্তারা সর্বত্র বাংলা ভাষার সার্বজনীন ব্যবহার নিশ্চিতকরণে মৌখিক ও অমৌখিক যোগাযোগ উভয়ের গুরুত্ব তুলে ধরেন। পাশাপাশি তারা বলেন, ইশারা ভাষাই একমাত্র অমৌখিক ভাষা তা নয় বরং আরো অনেক ধরনের সংকেত ভাষা যেমন হাতে লেখা, মুখভঙ্গি, শরীরের অন্যান্য অঙ্গভঙ্গি রয়েছে।
অনুষ্ঠানে সোসাইটি অব স্পিচ অ্যান্ড ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপিস্টস’র (এসএসএলটি) প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও সভাপতি এবং বেসরকারি সংস্থা বিটিআরএফ’র নির্বাহী পরিচালক ফিদা আল–শামস বলেন, “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে যে ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী’। এই অনুচ্ছেদ ছাড়াও সংবিধানের মৌলিক অধিকার অনুচ্ছেদে