দোয়া কবুলের উত্তম সময়
ডেস্ক রিপোর্টঃ
রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া কখনও আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না। (তাদের অন্যতম) যখন রোজাদার ইফতার করে। অন্য বর্ণনায় এসেছে রোজাদার ব্যক্তি যতক্ষণ ইফতার না করে।’ (তিরমিজি)
অফুরন্ত কল্যাণে ভরপুর রমজানুল মুবারক একদিকে যেমন বিপুল পুণ্য অর্জন ও পাপ থেকে আত্মশুদ্ধি অর্জনের পথ প্রশস্ত করে, অন্যদিকে কল্যাণের এই মাসে আল্লাহ তার বান্দাদের জন্য দোয়া কবুলের এক সুবর্ণ সুযোগ রেখেছেন। দোয়া আল্লাহর এক পরম প্রিয় আমল। মহান আল্লাহপাক চান যে তার বান্দারা তার কাছে বেশি বেশি দোয়া করে। এই সংকীর্ণ পৃথিবীর বাস্তবতার দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাই, মানুষের কাছে বেশি চাইলে তারা বিরক্ত হয়। দূরে সরে যেতে চায়। কিন্তু পরম করুণাময় আল্লাহ তায়ালার বেলায় সম্পূর্ণই ব্যতিক্রম। আল্লাহর কাছে দোয়া বা প্রার্থনা না করলে আল্লাহ তার বান্দার প্রতি রাগান্বিত হন। বেশি দোয়া বা প্রার্থনা করলে তিনি খুব খুশি হন। আল্লাহর সঙ্গে বান্দার সম্পর্ক আরও মজবুত থেকে মজুবত হয়।
পবিত্র কোরআন ও হাদিসে আল্লাহ বান্দাদের তার কাছে দোয়া করার জোর তাগিদ দিয়েছেন। ‘আমার সম্বন্ধে আমার বান্দা যখন তোমাকে জিজ্ঞেস করে, তখন তুমি বল, আমি তো কাছেই আছি। যখন কোনো প্রার্থনাকারী আমাকে ডাকে, আমি তার ডাকে সাড়া দিই।’ (সূরা বাকারা : ১৮৬)। আয়াতে মহান আল্লাহ প্রার্থনাকারীর ডাকে সাড়া দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
আল্লাহ তার বান্দার দোয়া সবসময়ই কবুল করেন। মোমিন বান্দার দোয়া কখনোই বৃথা যায় না। আর মাহে রমজানে মহান আল্লাহ তার বান্দার দোয়া কবুলের সুযোগকে বহুগুণে বিস্তৃত করেছেন। আল্লাহর দেওয়া সব মাসের মধ্যে রমজান মাসই হলো আল্লাহর কাছে চাওয়ার সর্বশ্রেষ্ঠ সময়। রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘রমজান মাসে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয় এবং জাহান্নামের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।’ (বোখারি)। অন্য বর্ণনায় রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তির দোয়া কখনও আল্লাহ ফিরিয়ে দেন না। (তাদের অন্যতম) যখন রোজাদার ইফতার করে। অন্য বর্ণনায় এসেছে রোজাদার ব্যক্তি যতক্ষণ ইফতার না করে।’ (তিরমিজি)।
আমাদের জীবনে চাওয়া-পাওয়ার কত বেদনা রয়েছে। মাহে রমজানে প্রতিটি মুহূর্ত দোয়া কবুলের এক মাহেন্দ্র সুযোগ। আমরা মাহে রমজানের এই দোয়া কবুলের সময়কে কাজে লাগিয়ে মহান আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করব। ফরজ সালাতের পর নফল সালাতের মধ্যে সর্বোত্তম নামাজ হলো তাহাজ্জুদের নামাজ। সারা বছর আমাদেà¦