পপসম্রাট আজম খানের বিদায়ের একদশক
ডেস্ক রিপোর্টঃ
বীর মুক্তিযোদ্ধা হলেও আজম খানকে মানুষ মানতো ‘গুরু’ বলে, দাবি করতো ‘পপসম্রাট’ বলে।
আজ (৫ জুন) সেই আকাশছুঁই জনপ্রিয়তা পাওয়া মাটির মানুষটি চলে যাওয়ার ১০ বছর।
২০১০ সালে ক্যানসারে আক্রান্ত হন তিনি। ২০১১ সালের ৫ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননার মাধ্যমে তাকে সমাহিত করা হয় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে।
না, এই দিনটিকে স্মরণে রেখে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য কোনও সাংস্কৃতিক/সংগীত সংগঠন বিশেষ কোনও আয়োজন করেনি। কারণ করোনাকাল।
১৯৫০ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকার আজিমপুর সরকারি কলোনির ১০নং ভবনে জন্ম নেন আজম খান। তার পুরো নাম মাহবুবুল হক খান। বাবা আফতাব উদ্দিন আহমেদ ও মা জোবেদা খাতুন। তার শৈশবের পাঁচ বছর কাটে আজিমপুর কলোনিতে। তারা ৪ ভাই ও এক বোন ছিলেন। ১৯৫৫ সালে তিনি প্রথমে আজিমপুরের ঢাকেশ্বরী স্কুলে ভর্তি হন। ১৯৫৬ সালে তার বাবা কমলাপুরে বাড়ি বানালে সেখানে চলে যান পরিবারসহ।
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ে আজম খান পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তখন তিনি ক্রান্তি শিল্পীগোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে গণসংগীত প্রচার করেন।

১৯৭০ সালে টিঅ্যান্ডটি কলেজ থেকে বাণিজ্য বিভাগে এইচএসসি উত্তীর্ণ হন তিনি। ১৯৭১ সালে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন আজম খান। কুমিল্লার সালদায় প্রথম সরাসরি যুদ্ধ করেন। আজম খান ছিলেন দুই নম্বর সেক্টরের একটি সেকশনের ইনচার্জ। তিনি সেকশন কমান্ডার হিসেবে ঢাকা ও এর আশপাশে বেশ কয়েকটি গেরিলা আক্রমণে অংশ নেন।
মুক্তিযুদ্ধের পর তার ব্যান্ড ‘উচ্চারণ’ দেশব্যাপী সংগীত জগতে আলোড়ন সৃষ্টি করে। ১৯৭২ সালে বন্ধু নিলু আর মনসুà