,

বিবর্ণ হচ্ছে কৃষক পরিবারের ঈদের আনন্দ

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
May 30, 2019
news-image

ডেস্ক রিপোর্ট :

সরকারিভাবে ধান বিক্রি করতে না পেরে ঈদের আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটের কৃষকরা। সরকারিভাবে ধান ক্রয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হলেও তালিকা জটিলতায় গুদামে যাচ্ছে না কৃষকদের ধান। সামান্য কিছু কৃষক ধান দিলেও এখনো পায়নি টাকা।

লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে প্রায় ৪৮ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে প্রায় তিন লাখ মেট্রিক টন ধান উৎপাদন হয়েছে বলে দাবি কৃষি বিভাগের। যার মধ্যে ২৬ টাকা কেজি দরে মাত্র এক হাজার ৪৯৩ মেট্রিক টন ধান, ৩৬ টাকা কেজি দরে ১০ হাজার ৭৩১ মেট্রিক টন সিদ্ধ চাল ও ৩৫ টাকা কেজি দরে ৩৪৫ মেট্রিক টন আতপ চাল কিনবে সরকার। অধিক সংখ্যক কৃষকের ধান ক্রয়ের জন্য কৃষক প্রতি ৪৮০ কেজি ধান সরকারের কাছে বিক্রির অনুমোদন দিয়েছে ক্রয় কমিটি।

জেলার সাতটি গুদামে বৃহস্পতিবার (৩০ মে) পর্যন্ত প্রায় ১০০ মেট্রিক টন ধান ক্রয় করা হয়েছে। সব গুদামে আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রয়ের উদ্বোধন করা হলেও পুরো দমে ধান ক্রয় কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি সরকারি এ দফতরটি।

পাটগ্রাম উপজেলায় ৯ মে হারুন ও মিলন নামে দুই কৃষকের মাত্র ৯৬০ কেজি ধান কিনে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হলেও আর কোনো কৃষকের ধান এখন পর্যন্ত গুদামে যায়নি। ধান বিক্রির ১০ দিন হলেও ধানের টাকা পাননি কৃষক হারুন ও মিলন। ফলে ধান বিক্রি করেও বিবর্ণ হচ্ছে এ দুই কৃষক পরিবারের ঈদের আনন্দ।

সরকারিভাবে প্রতি মণ ধানের বিক্রয় মূল্য এক হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হলেও স্থানীয় বাজারে বিক্রি হচ্ছে মাত্র ৪৫০-৪৮০ টাকা দরে। সরকারি গুদামে চাল দিতে চালকল মালিকরাও বাজারে ধান ক্রয় শুরু করেননি। ফলে ধানের বাজারে আসছে না কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন। আসন্ন ঈদ উৎসবে পরিবারের চাহিদা মেটাতে অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে পানির দামে তাদের কষ্টে অর্জিত সোনার ফসল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

কিছু কিছু কৃষক সরকারি মূল্যে ধান বিক্রি করতে ছুটছেন জনপ্রতিনিধি থেকে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের দু