বুড়িচংয়ে জরাজীর্ণ টিনের ঘরে ঝুঁকি নিয়ে চলছে প্রাথমিকের পাঠদান
ডেস্ক রিপোর্টঃ
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের পাইকোঠা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নানা সংকট নিয়ে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। বিদ্যালয়টিতে নেই পর্যাপ্ত শিক্ষক ও ভবন। আর শিক্ষার্থীরা যেখানে ক্লাস করছে, সেটি জরাজীর্ণ টিনের ঘর। আর সেই ঘরেই ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের মধ্যে একমাত্র বিদ্যাপীঠ পাইকোঠা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। ২০০৮ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই টিনের ঘর দিয়ে শুরু করে শিক্ষা কার্যক্রম। এখনো ওই ঘরেই চলছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান। বিদ্যালয়ের ঘরগুলো পরিত্যক্ত হওয়ায় চার কক্ষবিশিষ্ট একটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হয়। বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন না থাকায় পূর্বের টিনের ঘরেই ঝুঁকির মধ্যেই শিক্ষা কার্যক্রম চলছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তুলনায় সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত রাজাপুর ইউনিয়নের পাইকোঠা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি। বিদ্যালয়ে বর্তমানে শতাধিক শিক্ষার্থী থাকলেও সোমবার শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ছিল মাত্র ১৮ জন। ৫ম শ্রেণিতে উপস্থিত ছিল মাত্র পাঁচজন শিক্ষার্থী, চতুর্থ শ্রেণির সাতজন। তৃতীয় শ্রেণিতে ছয়জন। এই স্কুলটিতে শিক্ষার মান খুবই দুর্বল। চারজন শিক্ষকের মধ্যে উপস্থিত পাওয়া গেছে দুজন শিক্ষককে। স্কুলটির প্রতিষ্ঠাতা বীর মুক্তিযোদ্ধা ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম বলেন, শিক্ষকরা রীতিম