,

নুসরাতের প্রতিবাদের মশাল হোক নববর্ষের প্রতিপাদ্য বিষয় : সেলিনা হোসেন

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
April 13, 2019
news-image

ডেস্ক রিপোর্ট :

শেষ নিঃশ্বাস ফেলার আগেও নুসরাত জাহান রাফি যে প্রতিবাদের মশাল জ্বালিয়ে গেল তা আমাদের সামনে এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত। সামনে বর্ষবরণ উৎসব। এ উৎসব নুসরাতের সাহস ও দৃপ্ত চেতনার প্রতি উৎসর্গ করা হোক।

আমাদের মঙ্গল শোভাযাত্রায় নুসরাতের প্রদীপ্ত মুখটি সবার হাতে হাতে থাকুক, তৈরি করা হোক তার মুখের শিল্পকর্ম। নুসরাত এভাবে আমাদের মাঝে চিরকালীন হবে। বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন এক দৈনিক পত্রিকায় সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন। সেলিনা হোসেন বলেন, নুসরাত যে প্রতিবাদের মশাল জ্বালিয়ে গেল আমাদের দায়িত্ব এই প্রতিবাদী মশালকে প্রজ্বলিত রেখে সমাজ পরিবর্তনের যাত্রা বহমান রাখা। আর তা না হলে আমরা বারবারই এমন বর্বর আচরণের শিকার হব।

নুসরাত যে বাণীটি আমাদের সামনে রেখে গেল তা ধারণ করা আমাদের জন্য একটি জরুরি দায়িত্ব। আমরা চাই না এই সমাজ ব্যবস্থায় আরও অনেক নুসরাতের জীবন এভাবে নিভে যাক। তিনি বলেন, নুসরাতের জানাজা পড়িয়েছেন তার বাবা। বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত ও প্রচারিত খবরে নুসরাতের ভাইকে দেখেছি, ছেলেটি বিভিন্নভাবে তার বোনের পাশে কতটা সচেতনভাবে দাঁড়িয়েছে, কত তীব্র বেদনায় ছেলেটি ভেঙে পড়েছে।

আমরা চাই সমাজের প্রতিটি মানুষ এভাবে সচেতন হোক। যে লক্ষ লোক নুসরাতের জানাজায় শামিল হয়েছে, যারা প্রতিবাদে আন্দোলনে নিজেদের যুক্ত করেছে এই