,

বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে ট্রানজিট: আমাদের অর্থনীতির নতুন সম্ভাবনা

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
December 11, 2019
news-image

 

কৃষ্ণ কুমার সাহা :
২০০৯ সালে ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঢাকা-দিল্লী সম্পর্কের উপর জোর দিয়েছিলেন এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের বলেছিলেন এ সম্পর্ককে একটি নতুন দিগন্তে নিয়ে যেতে। বাংলাদেশ ও ভারতের কৌশলগত সম্পর্ক বর্তমানে তারও ঊর্ধ্বে উঠে গেছে। ২০১০ সালের নভেম্বরে এই সম্পর্কের প্রথম আউটপুটটি আসে। এই সময়, ভারত ও বাংলাদেশ প্রথমবারের মত ট্রানজিট চুক্তি স্বাক্ষর করে।

২০১৫ সালে এই চুক্তির জন্য প্রথম প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়। এই প্রটোকল অনুসারে ভারত বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে চারটি নদীপথ ব্যবহারের অনুমতি পাচ্ছে, যা কলকাতা এবং মুর্শিদাবাদকে আসাম, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের সাথে যুক্ত করবে। যদিও এই নদীপথগুলো ব্যবহারের জন্য যে সব সড়ক ও বন্দর প্রয়োজন সেগুলো এখনও প্রস্তুত নয় এবং ভারতীয় ব্যবসায়ীরাও এই রুট নিয়মিত ব্যবহার করছেন না।

২০১৬ সালের জুন মাসে কলকাতা-আশুগঞ্জ-আখাউড়া নদীপথ চালু হয়। চালু হবার পর মাত্র ১৩টি পণ্যবাহী জাহাজ এই রুট ব্যবহার করে এবং তার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ২৮ লাখ টাকা দেয় ট্রানজিট ফি হিসেবে। ২০১৯ সালের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময়, মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ান থেকে রাজশাহী হয়ে ত্রিপুরার সোনামুরা পর্যন্ত একটি নদীপথ ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দুই দেশ।

অন্যদিকে, এই দুই দেশ ২০১৫ সালে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে এবং ২০১৮ সালে ভারত কর্তৃক চট্টগ্রাম এবং মংলা বন্দর ব্যবহারের বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে। ভারত কৌশলগতভাবে তার তিনটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় স্থলবেষ্টিত রাজ্য আসাম, ত্রিপুরা এবং মেঘালয়ে যোগাযোগ স্থাপনের পরিকল্পনা করছে। ২০১৯ সালের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফà¦