দেশে ফিরে একটি ফুলের ভালােবাসা জুটল না মাবিয়ার!
স্পাের্টস ডেস্ক: কত উচ্ছ্বাস, কত আহ্লাদ, কত আবেগ কোথায় গেল সবকিছু! টেলিভিশনে যে মেয়েটির কান্নার দৃশ্য গোটা দেশের হৃদয় নাড়িয়ে দিয়েছিল। মাবিয়া আকতার সীমান্তর যে আনন্দাশ্রুতে ‘আমার সোনার বাংলা…’ সুর গৌহাটির বাতাস মুখর করে তুলেছিল, এসএ গেমসের সেই স্বর্ণকন্যাকে কি একটি ফুল দিয়েও বরণ করা উচিত ছিল না? একটি শুকনো শুভেচ্ছাবার্তাও কি তার প্রাপ্য ছিল না? কৃতজ্ঞ জাতি হিসেবে বাংলাদেশিদের যে গর্ব তবে কি তা হারিয়ে যেতে শুরু করেছে? প্রশ্ন জাগে নীরবে ঢাকায় ফেরা স্বর্ণকন্যার শুকনো মুখটি দেখে। শহরের ঘিঞ্জি মহল্লার টিনের ঘরে এখনও যে জীবনসংগ্রাম চালিয়ে যেতে হচ্ছে তাকে।
বুধবার তামাবিল সীমান্ত দিয়ে যখন দেশে ফেরেন মাবিয়া, ভেবেছিলেন ফুল নিয়ে কেউ না কেউ অপেক্ষা করবে তার জন্য! অথচ কেউ খোঁজও নেয়নি তার। এটা কি সম্ভব হতো, যদি ক্রিকেট দল দেশের বাইরে থেকে কোনো ট্রফি জিতে আসত? কিংবা ফুটবল দল জিতে আসত কোনো ম্যাচ? প্রশ্নটা অভিমানী মাবিয়ার, যার উত্তর জানা নেই কারও।
অভাবের সংসারে সংগ্রাম করে বড় হতে হতে এখন আর কারও ওপর আক্ষেপ বা অভিমান হয় না মাবিয়ার। শুধু কষ্ট হয়, ‘যদি আমার বাবা-মাকে একটু ভালো জায়গায় রাখতে পারতাম, একটু ভালো পরিবেশে থাকতে পারতাম…।’ বলতে বলতে থেমে যান মাবিয়া। খিলগাঁওয়ের সিপাহীবাগের এক ঘিঞ্জি এলাকার দুই কামরার একটি টিনের ঘর। অনটনের সংসারে বাবার ছোট্ট মুদি দোকানটাই ভরসা।
মেয়ে ভারোত্তোলক বলে কোচের পরামর্শ মেনেই অনেক প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হয়। মেনে চলতে হয় অনেক কিছু! কিন্তু মুদি দোকানি বাবার পক্ষে সেটা সম্ভব হয়ে ওঠে না, অর্থের অভাবে পড়ালেখাও বন্ধ হয়ে যায় একসময়। কিন্তু যার ভাগ্যে আছে স্বর্ণমুকুট, সে কি দমে থাকতে পারে! তাই পেটে অল্প কিছু দিয়েই মাবিয়া চলে যান ভারোত্তোলন ফেডারেশনে, কিছু সুহৃদের চেষ্টায় এখনও এ গেমটি চালিয়ে যেতে পারছেন মাবিয়া।
আনসার থেà