বিজয়পুরের মৃৎশিল্প যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের ১৮ টি দেশে
ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু ঃ
শিক্ষা, সংস্কৃতি, লোকজ ঐতিহ্য ও প্রতœতাত্ত্বিক নিদর্শনের পথিকৃৎ কুমিল্লা জেলার কালোর্ত্তীণ শিল্পকর্মের মধ্যে এ জেলার লালমাই-ময়নামতির পোড়া মাটির ফলকগুলো উল্লেখ্যযোগ্য। এ পোড়া মাটির ফলক কুমিল্লা জেলার মৃৎশিল্পীদের অসামান্য নৈপুণ্যের স্বাক্ষর বহন করছে। আধুনিক সভ্যতার এ সময়ে দেশের ঐতিহ্যবাহী অনেক শিল্প হারিয়ে গেলেও বিলুপ্ত হয়ে যায়নি কুমিল্লার মৃৎশিল্প। মৃৎশিল্পের এ ঐতিহ্য ধারাবাহিকতায় কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের জেলখানা বাড়ি এলাকার মৃৎশিল্প এখনও সারা দেশে ব্যাপকভাবে সমাদৃত। মৃৎ শিল্পীদের নিপুণ হাতের তৈরি মাটির জিনিসপত্র দেশের গন্ডি পেরিয়ে এখন এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের প্রায় ১৮টি দেশে রপ্তানি করে উপার্জন হচ্ছে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা।

৬০-এর দশকে যখন এ অঞ্চলের তথা বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প প্রায় ধ্বংসের পথে, দেশের সমবায় রেজিষ্টেশনভুক্ত একমাত্র এ সমবায় সমিতির জনক বার্ড প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান কুমিল্লা-চাঁদপুর মহাসড়কের প¬িশ্à