মাওলানা জালাল উদ্দিন রুমি’র জীবনী
সাহিত্য ডেস্ক•
পুরো নাম “জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ বালখী” বা “জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমি”। রুমি জন্মগ্রহণ করেন স্থানীয় ফার্সি ভাষী মাতাপিতার কাছে, যারা মুলত বালখ্ এর বাসিন্দা যা বর্তমানে আফগানিস্থান। তিনি হয় ওয়ালখ্স যা বৃহৎ বালখ্ সম্রাজ্যের বালখ্স নদীর কাছে একটি গ্রাম যেটি বর্তমানে তাজাকিস্তান, অথবা তিনি বালখ্ শহরে বর্তমান আফগানিস্থান এ জন্মগ্রহণ করেন।
বৃহৎ বালখ্ তখন ছিল ফার্সি সংস্কৃতি সূফী চর্চার মধ্যবিন্দু। যেটি বেশ কয়েক শতাব্দী ধরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রুমির পিতা ছাড়াও রুমির উপর সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছেন তখনকার ফার্সি কবি আত্তার এবং সানাই। রুমি তাঁদের গুণগ্রাহিতা করেছেনঃ “আত্তার হচ্ছে আত্না, সানাই হচ্ছেন তাঁর দু’চোখ, এবং সময় এরপরে, আমরা তাঁদের ট্রেনে ছিলাম” এবং আরেকটি কবিতাতে স্মৃতিচারণ করেছেন “আত্তার ভালবাসার সাতটি নগরই ভ্রমন করেছেন আর আমি এখনও একটি গলির প্রান্তে অবস্থান করছি”।
তাঁর পৈতৃক দিক থেকে তিনি নাজিম উদ্দিন কুবরা এর বংশদর ছিলেন। তিনি তাঁর জীবনের বেশিরভাগ সময় রুম সালাতানাত এর পারশ্যতে কাটিয়েছেন। যেখানে তিনি তাঁর কাজ রচিত করেছেন এবং ১২৭৩ ঈসায়ীতে ইন্তেকাল করেছেন। তাঁকে কোনিয়ায় সমাহিত করা হয় এবং সেটি এখন একটি তীর্থস্থান হয়ে উঠেছে। রুমির মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে সুলতান ওয়ালাদ এবং তাঁর অনুসারীরা “মৌলভী ক্রম” স্থাপন করে, এটিকে ঘূর্ণায়মান দরবেশও বলা হয়, যেটি সুফী নৃত্যে “সামা” এর জন্য বিখ্যাত।
তাঁকে তাঁর পিতার কাছে শায়িত করা হয় এবং তাঁর দেহাবশেষ এ একটি জমকাল দরগাহ নির্মাণ করা হয়। শামস উদ্দিন আহমদ আফলাকী এর “মানকিব উল-আরিফিন”(১৩১৮ এবং ১৩৫৩ এর মধ্যে লেখা)তে এর বিস্তারিত রয়েছে। এই ঐতিহাসিক জীবনীগ্রন্থকে অত্যন্ত মূল্যবান বলা হয় কারণ এতে রুমি সম্পর্কে কিংবদন্তী এবং সত্য রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ,ইউনিভার্সিটি অব শিকাগো এর প্রফেসর ফ্রাঙ্কলিন লুইস এর লেখা রুমি এর জীবনী গ্রন্থে ইহা সম্