,

বাংলাদেশে বাড়ছে আইপিটিভি ব্যবহার

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
May 9, 2019
news-image

 

নিজস্ব প্রতিবেদক.
আইপিটিভি হচ্ছে ইন্টারনেটভিত্তিক ভিডিও সম্প্রচার মাধ্যম। প্রচলিত টিভির বিকল্প হলেও কারিগরি দিকে এই টিভি অনেক সহজলভ্য। এর পুরো নাম-ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন, ওয়েব টিভি নামেও এটি পরিচিত। ইন্টারনেটে যুক্ত যে কেউ এই টিভি দেখতে পাবে।

ইন্টারনেটে সহজেই মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট বা অডিও-ভিডিও আদান-প্রদান করা যায়। এ সুবিধাটিই কাজে লাগানো হয়েছে আইপিটিভিতে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে নতুন নতুন আইপিটিভি খোলা হচ্ছে। বাংলাদেশেও বাড়ছে আইপিটিভি ব্যবহার।

বাংলাদেশে ইন্টারনেট টিভি সম্প্রচার করার অনুমতি পেয়েছে ২৩টি কোম্পানি। নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সাড়ে চার মাসের মাথায় এই অনুমতি দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। অনুমতি প্রাপ্তদের মধ্যে রেডিয়েন্ট ও বিডিকম ওটিজি আইপিটিভি সেবা চালু করলেও আরও পাঁচটি কোম্পানি পরীক্ষামূলকভাবে চালুর প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

আইপিটিভি খুলতে খরচ কম। এর জন্য স্যাটেলাইট সিগন্যাল, টেরেস্ট্রিয়াল, কেব্‌ল, টেলিভিশনের দরকার হয় না। কেবল ইন্টারনেট সংযোগ, ইন্টারনেট উপযোগী ডিভাইস ও সফটওয়্যার হলেই হয়। এ টিভিতে রিয়াল-টাইম ট্রান্সপোর্ট প্রটোকল (আরটিপি) ও রিয়াল-টাইম কন্ট্রোল প্রটোকল (আরটিসিপি) প্রযুক্তি ব্যবহার হয়। সম্প্রতি বিভিন্ন দেশে আন্দোলন-বিক্ষোভ বা বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সরাসরি সম্প্রচারে আইপিটিভি ব্যবহার হচ্ছে।

স্মার্টফোনে ইন্টারনেটযুক্ত যে কেউ এ ধরনের টিভি দেখতে পারবে। স্মার্টফোনে টিভি দেখার অ্যাপ বিনা খরচেই পাওয়া যায় অ্যাপ স্টোরগুলোতে। ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ায় অনেক দেশেই আইপিটিভি জনপ্রিয় হচ্ছে। বাংলাদেশের ইন্টারনেট পোর্টালগুলোও ইন্টারনেটভিত্তিক এই সম্প্রচার মাধ্যমটির প্রতি ঝুঁকছে। ১৯৯৫ সালে প্রথম আইপিটিভির ব্যবহার শুরু হয়। বাংলাদেশে রেডিয়েন্ট নামে একটি আইপিটিভি চলছে।

বিশেষ সুবিধা কী এই আইপি টিভিতে ?

ক্যাবল টিভà