কুমিল্লা সদরের পূর্বাঞ্চল মাদক ব্যবসার বড় হাট, বেপরোয়া কিশোর গ্রুপ
ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:
কুমিল্লা জেলা এখন মাদকের স্রোতে ভাসছে। বলা যায় এ জেলা এখন উর্বর ভূমি। কিশোর-যুবক থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সব বয়সী মানুষই মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে কুমিল্লার পূর্বাঞ্চল এলাকাগুলো মাদকের করাল গ্রাসে আক্রান্ত। সম্প্রতি যোগদান করা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ জেলায় মাদক বিস্তার রোধে বেশ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। গত ২০ বছর ধরে মাদক এ জেলার রন্ধে রন্ধে নিজের অবস্থান শক্ত করে নিয়েছে। ফলে হাত বাড়ালেই মাদক পাওয়া যাচ্ছে। মাদক নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনের আজ প্রথম পর্বে থাকছে “সদরের পূর্বাঞ্চল পরিস্থিতি”।
পূর্বাঞ্চল এলাকাগুলোর মাদকের স্পটগুলো হলো -কুমিল্লা নগরীর ১৫ নং ওয়ার্ডের কাশারীপট্টি, কাশারীপট্টি চৌমুহনী, চকবাজার, বাসস্ট্যান্ড, পুরাতন মৌলভীপাড়া, কাটাবিলের গদার মার কলোনী, হযরতপাড়া মাঠ, বেবি স্ট্যান্ড, পৌর মার্কেট, বজ্রপুর, ৬ নং ওয়ার্ডের গর্জনখোলা, ধোয়াপট্টি, ১৮ নং ওয়ার্ডের নুরপুর, তেলিকোনা, ১৭ নং ওয়ার্ডের সুজানগর, টিক্কাচর, পাথুড়িয়াপাড়া, জগন্নাথ মন্দির, গোবিন্দপুকুরপাড়, ১৬ নং ওয়ার্ডের সংরাইশ, নবগ্রাম, মুক্তার বাড়ির গলি, চক্ষু হসপিটালের সামনে, কলের পুকুর পাড়, ১২ নং ওয়ার্ডের নানুয়াদিঘীর দক্ষিণ ও পূর্ব পাড়। এছাড়া গোমতী ব্রিজ, পাচঁথুবি ইউনিয়ন, জগন্নাথপুর ইউনিয়ন মাদকের উর্বর ভূমি। এ সব এলাকায় মাদকের সাথে জড়িত রয়েছে কমপক্ষে ২ শতাধিক কিশোর-যুবক ও মহিলা।
এসব এলাকায় দিনে দুপুরে মাদক বিক্রি হচ্ছে অবাধে। ফেনসিডিল, বিশেষ করে হেরোইন, গা