আগাম কাউন্সিলের পথে আওয়ামী লীগ !
ডেস্ক রিপোর্ট:
আগামীকাল আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক। ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়েছে। দলে বিদ্রোহী প্রার্থীর ছড়াছড়ি এবং বিদ্রোহী প্রার্থীদের কাছে আওয়ামী লীগের ভরাডুবি হয়েছে। ১৩১ টি ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেনি। তারা বিজয়ী তো নয়, দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয়ও হতে পারেনি। আবার দ্বিতীয় দফার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪২ শতাংশ ইউনিয়ন পরিষদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা পরাজিত হয়েছে। এই অবস্থা আওয়ামী লীগের জন্য একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন যে, পরিস্থিতি খুবই নাজুক হয়ে পড়েছে। তাছাড়া তৃণমূলের নেতারা এখন কেন্দ্রীয় নেতাদের কথা শুনছেন না। দলের ভিতরে কোন শৃঙ্খলা নেই। ফ্রি স্টাইলে চলছে সবকিছু। এখন পর্যন্ত দুই দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মারা গেছে ৪০ জনের বেশি। আহত হয়েছে ৫ সহস্রাধিক।
পরিস্থিতিকে সামাল দেওয়ার কৌশল নির্ধারণের জন্য আগামীকাল কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠকে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নীতিনির্ধারণী দিকনির্দেশনা দেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় একাধিক নেতা মনে করছেন, আওয়ামী লীগের যে পরিস্থিতি সেই পরিস্থিতি থেকে উদ্ধারের একটাই সমাধান তা হল আগাম কাউন্সিল করা। আগাম কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি এবং নতুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ তার অন্তঃকলহ থেকে মুক্ত হতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগ বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত। যদিও ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ইস্যুটি সামনে আসছে, কিন্তু আওয়ামী লীগের নেতারা বলছেন ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হচ্ছে তৃণমূলের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। তৃণমূল আগে থেকেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বিভিন্ন বিষয়ে ক্ষুব্ধ ছিল এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে তৃণমূলের এক ধরনের প্রকাশ্য দূরত্ব তৈরি হয়েছিল।
আওয়ামী লীà