কুমিল্লার চৌয়ারা এলাকায় দীঘিতে বিষ প্রয়োগে কোটি টাকা মূল্যের মৎস্য নিধন
স্টাফ রিপোর্টারঃ
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় প্রায় ৬ একর জায়গায় অবস্থিত একটি দীঘিতে রাতের আধারে বিষ প্রয়োগের মাধ্যমে কোটি টাকারও বেশি মূল্যের মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে।
জানা যায়, সিঙ্গাপুর ফেরত প্রবাসী মো. মোবারক হোসেন গত ৬ মাস আগে জেলার সদর দক্ষিণ উপজেলার চৌয়ারা এলাকায় ৬ একর জায়গা জুড়ে ফুলতলী দিঘীটি ইজারা নেন। পরে মহিউদ্দিন এন্টারপ্রাইজ নামে একটি মৎস্য চাষ প্রকল্প শুরু করেন তিনি। রবিবার (২২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতের আঁধারে দীঘিটিতে বিষ প্রয়োগ করে কোটি টাকারও বেশি মূল্যের মৎস্য নিধন করে দুর্বৃত্তরা। সোমবার ভোরে দীঘিটিতে মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখে ভিড় জমায় এলাকাবাসী।
তবে প্রবাসী মোবারক হোসেন অভিযোগ করেন, গত প্রায় ৫ বছর ধরে তার আপন ভগ্নিপতি জহিরুল হকের সাথে বিভিন্ন এলাকায় পুকুর ইজারা নিয়ে মৎস্য চাষ করে আসছেন। কিন্তু দায়িত্বে থাকা ভগ্নিপতি জহিরুল হক মাছ ধরা শেষে সেগুলোকে বাজারের আড়ৎদারদের কাছে বিক্রির সময় হিসেবে গড়মিল করে আসছিলো। এনিয়ে উভয়ের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হলে, ভগ্নিপতি জহিরুল শ্যালক মোবারক হোসেনকে মারধর করে এবং প্রাণে মেরে ফেলার হুমকিসহ পুকুরে বিষ প্রয়োগের হুমকি দেন। পরে মোবারক হোসেন বাদী হয়ে ভগ্নিপতি জহিরুল হকের বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। এরই জের ধরে জহিরুল হক দীঘিটিতে বিষ প্রয়োগ করেছেন বলে অভিযোগ করেন মোবারক।
তবে বিষয়টি দেখতে দুপুরে সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ভাইস চেয়ারম্যান, মৎস্য কর্মকর্তাসহ পুলিশ প্রশাসনের লোকজন ঘটনাস্থলে আসে।
সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সদর দক্ষিণ উপজেলা নির