কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে তারাবি আদায়ে মানা হচ্ছে না সরকারি নির্দেশনা
ডেস্ক রিপোর্টঃ
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) এর পরিস্থিতিতে সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইমাম, মুয়াজ্জিন ও দুইজন হাফেজসহ প্রতি মসজিদে সর্বোচ্চ ১২ জন মুসল্লির অংশ গ্রহণে তারাবি নামাজ পড়ার কথা থাকলেও কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে মানা হচ্ছে না সরকারি নির্দেশনা ও বিধি নিষেধ।
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে প্রথম তারাবিতে সরকারি নিদের্শনা অমান্য করে লোক সমাগম ছিল চোখে পড়ার মতো। উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে অন্তত ২০ থেকে ৫০ মুসল্লি একসাথে তারাবি আদায় করার খবর পাওয়া গেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মসজিদের ইমাম বলেন, নামাজরত অবস্থায় কেউ কাতারে এসে দাঁড়িয়ে গেলে তাকে মসজিদ থেকে বের করে দেয়া যায় না। এতে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
উপজেলা সদরের দিশাবন্দ গ্রামের চেয়ারম্যান বাড়ি মসজিদের ইমাম আবদুর নূর জানান, নামাজে দাঁড়ানোর পর হঠাৎ মসজিদে মুসল্লি বেড়ে যায়। তখন মানবিক কারণে কাউকে মসজিদ থেকে বের করে দেয়া হয়নি। তবে পরবর্তী সময়ে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক নামাজ পড়ানোর কথা মুসল্লিদের স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়।
মুসল্লি ১২ জন হয়ে গেলে মূল ফটকে তালা বন্ধ করে নামাজ পড়ানোর কথা জানান মনোহরগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আবদুর রব।
তিনি বলেন, উদ্ভুদ্ধ পরিস্থিতি অবশ্যই সরকারের নির্দেশনা মেনে চলা উচিত।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন মনোহরগঞ্জ শাখার সুপারভাইজার মাওলানা ওবায়েদুল হক তারেক বলেন, সরকারি নিদের্শনার বিষয়টি মসজিদ কর্তৃপক্ষ অবগত আছেন। মসজিদগুলোতে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে খতম তারাবি বন্ধ করে সীমিত আকারে নামাজ পড়ার ব্যাপারে নিদের্শনা দেয়া হয়েছে। জà