কুমিল্লার ৭শ’৫৭টি পূঁজা মণ্ডপে ব্যাপক প্রস্তুতি
মহিউদ্দিন ভূইয়া :
শারদীয় দুর্গোত্সবের পুণ্যলগ্ন। পিতৃপক্ষের শেষে দেবীপক্ষের শুরু। পুরানমতে এদিন দেবী দুর্গার আবির্ভাব ঘটে।
মহালয়ার মাধ্যমে দেবী দুর্গা পা রেখেছেন মর্ত্যলোকে। অশুভ অসুর শক্তির কাছে পরাভূত দেবতারা স্বর্গলোকচ্যুত হওয়ার পর চারদিকে শুরু হয় অশুভ শক্তির পরাক্রম। এই অশুভ শক্তিকে বিনাশ করতে একত্র হন দেবতারা। তখন দেবতাদের তেজরশ্মি থেকে আবির্ভূত হন অসুরবিনাশী দেবী দুর্গা।শরতের কাশফুলের সাদা শুভ্রতা মনে করিয়ে দেয় বিপদনাশিনী দেবী দূর্গার আগমনী বার্তা।
মহালয়া’র মধ্যদিয়ে শুরু হলো দূর্গোৎসবের অনুষ্ঠানিকতা। উৎসবকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে বিভিন্ন আমেজ বইতে শুরু করেছে। বাঙালী হিন্দু সনাতন ধর্ম্মালম্বীদের সর্ববৃহৎ শারদীয়া দূর্গোৎসব আসছে ১৪ অক্টোবর রবিবার ষষ্ঠী তিথিতে দেবী দূর্গার বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের মধ্যদিয়ে শুরু হবে আর ১৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিজয়া দশমীর পর প্রতিমা বির্সজনের মধ্যদিয়ে শেষ হবে।সারাদেশের ন্যায় এবারও কুমিল্লা জেলা শহরসহ ১৬ উপজেলায় প্রায় ৭’শ ৫৭টি পূজামন্ডপে চলছে দূর্গাপুজোর ব্যাপক প্রস্তুতি।
নর-নারী, তরুণ-তরুণীদের এমনকি বৃদ্ধ-বৃদ্ধারাও দেবীর আর্শিবাদ পাওয়ার আশায় প্রতিজ্ঞায় প্রহর গুন্ছে পুজার এই শুভ লগ্নে। কুমিল্লার ১৬ উপজেলায় প্রায় ৭’শ ৫৭টি পূজামন্ডপের মধ্যে কুমিল্লা মহানগর এলাকায় ৪৮টি ও আদর্শ সদর উপজেলায় ২৪টি, মুরাদনগর উপজেলায় ১শ’ ৫৩টি, নাঙ্গলকোট উপজেলায় ৮টি, লাকসাম উপজেলায় ৩৪টি, হোমনা উপজেলায় ৪৩টি, ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় ১৪টি, বুড়িচং উপজেলায় ৩৯টি, চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় ২৪টি, দাউদকান্দি উপজেলায় ৫৪টি, সদর দক্ষিণ উপজেলায় ৩১টি, দেবিদ্বার উপজেলায় ৮৫টি, মনোহরগঞ্জ উপজেলায় ১৩টি, বরুড়া উপজেলায় ৮৬টি, চান্দিনা উপজেলায় ৬৭টি, তিতাস উপজেলায় ১১টি ও মেঘনা à