কুমিল্লায় আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশু নির্যাতন
ডেস্ক রিপোর্টঃ
কুমিল্লা সাম্প্রতিককালে শিশু নির্যাতন বেড়েছে আশঙ্কাজনক হারে। সর্বশেষ মনোহরগঞ্জ উপজেলায় বিপুলাসার নূরানী হাফেজীয়া ইসলামি একাডেমির প্রথম জমাতের পাঁচ বছরের এক শিশু ছাত্রকে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন করলো মাদ্রাসা শিক্ষক। কুমিল্লায় মাহবুবুর রহমান নামের এক ভণ্ড কবিরাজের আস্তানায় ৩ বছরের শিশুর দুষ্টুমি কমানোর নামে নির্যাতন চালিয়ে হত্যার ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে গ্রেফতার করেছে।
কুমিল্লার মনোহরগঞ্জে শিমু আক্তার (১০) নামে এক কন্যা শিশুকে ধর্ষণের পর দা ও বটি দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুবৃর্ত্তরা। এ ঘটনার পর ওই এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় হয়। দ্রুত আসামীদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। গত ১৭ এপ্রিল লাকসামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাকিব (৮) নামের এক এতিম শিশুকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। লাকসাম উপজেলার আজগরা ইউনিয়নের লোলাই দীঘিরপাড় গ্রামে।
সাম্প্রতিককালে সংঘটিত মনোজরগঞ্জের শিমু হত্যা এবং মনোহরগঞ্জের শিশু নোমান আলোচিত ঘটনা, যা দেশব্যাপী রীতিমতো আলোড়ন তোলে। সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে প্রবল ক্ষোভ ও ঘৃণা। দুটো ঘটনায় দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। সঙ্গত কারণেই আশা করা গিয়েছিল যে শিশু নির্যাতনকারীরা আইনের শাসনের ভয়ে তটস্থ থাকবে। বাস্তবে আদৌ এর কোন প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না, এটা দুঃখজনক। পৃথিবীকে যা কিছু সুন্দর ও বাসোপযোগী করে তোলে, তার মধ্যে মা ও শিশু অন্যতম। সেই মা ও শিশুই যখন কারণে-অকারণে সময়ে-অসময়à