কুসিকের ‘তিক্ত শিক্ষায়’ সতর্ক আ.লীগ
বিশেষ প্রতিবেদনঃ
কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পরাজয় ভাবনায় ছিল না ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের। নির্বাচনের আগে দলীয় জরিপে জয়ের জন্য দরকার ছিল শুধু আফজাল-বাহার ঐক্য। সেটা শেষ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি বলে কুসিকে আরও একবার ব্যর্থতার তিক্ত স্বাদ নিতে হলো ক্ষমতাসীন এ দলটিকে।
কুসিকে দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের পর আওয়ামী লীগের অন্যান্য নির্বাচনী হিসাবটা নতুন ভাবে ভাবতে শুরু করেছে দলটি। এমনকি আগামী ২০১৯ সালের জাতীয় নির্বাচনের জন্য ঠিক করা রূপরেখারও পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়া হচ্ছে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে।
কেন্দ্রীয় নেতারা বলছেন, কুমিল্লায় নৌকার ভোট বেশি হলেও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা প্রবীণ রাজনীতিবিদ অ্যাডভোকেট আফজল খান ও বাহার উদ্দীনের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কারণেই সেখানে হারতে হয়েছে আওয়ামী লীগকে। ভোটের আগে আফজাল-বাহারের দ্বন্দ্ব মেটাতে চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম সার্বক্ষণিক দুই নেতাকে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন।
এরপর দলের সিনিয়র নেতা প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহর নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় নেতারাও এ দুজনকে নিয়ে সমঝোতার চেষ্টা করেছেন। এমনকি দলের সভাপতি শেখ হাসিনার সাথেও তাদের স্বাক্ষাৎ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী দুজনকেই বিরোধ মিটিয়ে নৌকার পক্ষে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আর দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও বিষয়টি তদারকি করেছেন। কিন্তু কিছুতেই কোন্দল মেটেনি। আর তারই সরাসরি প্রভাব পড়েছে ভোটে।
সূত্র বলছে, দলের ভাবনায় পরিবর্তন আনা হয়েছে ও হচ্ছে। কুসিক থেকে শিক্ষা নিয়ে অভ্যন্তরীণ কোন্দল নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে ক্ষমতাসীন দলটি। এ জন্য আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদকরা প্রতিটি জেলায় দলের সার্বিক অবস্থান নিয়ে রিপোর্ট করবেন দলীয় সভানেত্রীর কাছে। দলীয় বিশ্বস্ত সূত্র এমন তথ্যই জানিয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, হাই-কমান্ডের নির্দেশের পর কেন্দ্রীয় নেতারা তৃণমূলকে সংঘবদ্ধ করতে সাংগঠনিক কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করছে। সেজন্য জেলায় জেলায় নেতার সঙ্গে কর্মীর এবং এম