চরে জমে থাকা পানিতে হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী
ডেস্ক রিপোর্টঃ
বর্ষা মৌসুম শেষে চর জেগেছে আড়িয়াল খাঁ নদে। আগামী বর্ষার আগ পর্যন্ত জেগে থাকবে এ চর। চরের একপাশে কিছু জায়গাজুড়ে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।
শিবচরের ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের আড়িয়াল খাঁ নদের হাজী শরিয়তউল্লাহ সেতুর উত্তর প্রান্তে নদীর জেগে ওঠা চরের একপাশে যে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে সেখানে হাঁস পালন করছেন বিপ্লব নামে স্থানীয় এক ব্যক্তি।
প্রায় তিন মাস আগে গড়ে ওঠা খামারটিতে হাঁস রয়েছে এক হাজারের বেশি। ইউটিউবে হাঁসের খামার দেখে এরকম খোলা স্থানে নদীর জলাবদ্ধতায় হাঁসের খামার তৈরি করেছেন তিনি।
সরেজমিনে হাঁসের খামার ঘুরে দেখা গেছে, আড়িয়াল খাঁ সেতুর উত্তর-পূর্ব পাড়ে চর জেগে পানি শুকিয়ে গেলেও নদীর ঠিক পাড়েই কিছু গভীর অংশে পানি আটকে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। ওই অংশটুকু বেশ গভীর থাকায় শুকনো মৌসুমেও শুকায় না পানি। মূল নদীর সঙ্গে এর কোনো সংযোগও নেই। এরকম একটি স্থানের চারপাশে হালকা নীল রঙের জাল দিয়ে বেষ্টনী তৈরি করে পালন করা হচ্ছে হাঁস। জলাবদ্ধ ওই জায়গার মধ্যেই সাঁতরে বেড়াচ্ছে অসংখ্য হাঁস। তার পাশেই চরের উপর নিচু করে তৈরি করা হয়েছে আলাদা তিনটি ঘর। দু’টিতে রাতে হাঁস রাখা হয়। অন্যটিতে হাঁস দেখাশোনা করার লোক থাকে।
১০ দিন বয়সী ‘খাঁকি ক্যাম্বল’ জাতের প্রায় দেড় হাজার হাঁস নিয়ে খামারটি শুরু করেন বিপ্লব। বর্তমানে হাঁসের বয়স প্রায় তিন মাস। এই হাঁসের বয়স সাড়ে তিন মাস হলে ডিম পাড়া শুরু করে, জানান তিনি।
আলাপকালে হাঁসের খামারি বিপ্লব জানান, নদীর স্থানটি খোলামেলা। পর্যাপ্ত রোদ, বাতাস আছে। আর জলাবদ্ধ অংশে পানিও রয়েছে পর্যাপ্ত। এরকম খোলামেলা পরিবেশে বেশ দ্রুত বেড়ে উঠছে হাঁসগুলো। হাঁস পালনের জন্য এরকম স্থান উপযুক্ত বলে জানান তিনি।
‘খাঁকি ক্যাম্বল’ প্রজাতির এ হাঁস পুকুর, জলাশয়, ডোবা-নালা যেকোনো স্থানেই পালনের উপযুক্ত। তবে নদীর খোলা চর হলে প