দুদকের ভয়ে দেশ ছেড়েছেন সিনহা: বিচারপতি মানিক
ডেস্ক রিপোর্টঃ
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানরত বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের চাপের মুখে দেশ ছাড়ার এবং পদত্যাগ করার যে দাবি করেছেন, সেটি ঠিক নয় বলে বলে মন্তব্য করেছেন সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।
তিনি বলেছেন, সিনহার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত শুরু করার কারণেই তিনি বিদেশে পাড়ি দিয়েছেন। তিনি মনে করেন, নির্বাচনের আগমুহূর্তে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে বইটি তড়িঘড়ি করে প্রকাশ করা হয়েছে। এটি আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে প্রচারণার দলিল।
বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিচারপতি মানিক আরো বলেন, আপিল বিভাগের পাঁচজন বিচারক সিনহার সঙ্গে কাজ করতে অস্বীকৃতি জানালে প্রধান বিচারপতির পদত্যাগ করা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।
নির্বাচনের আগমুহূর্তে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে সিনহা বইটি প্রকাশ করেছেন বলে দাবি বিচারপতি মানিকের। বলেন, ‘আমি বইটি পড়েছি। আমার দৃঢ় বিশ্বাস এটি আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে প্রচারণার একটি দলিল। নির্বাচনে যাতে আওয়ামী লীগকে হেস্তনেস্ত করা যায় সেই উদ্দেশ্যেই এই বইটি তিনি লিখেছেন।’
তিনি বলেন, প্রধান বিচারপতি অত্যন্ত ক্ষমতাধর একজন ব্যক্তি। তাঁকে বের করে দেওয়া তো চাট্টিখানি কথা না। প্রধান বিচারপতি অনেক কিছু করতে পারেন। বিচারপতি মানিকের ভাষ্য, উনাকে (সিনহা) আপনি দেশ ছেড়ে চলে যান আর উনি চলে যাবেন- আমিও নিজেও বিচারপতি ছিলাম এটা আমি বিশ্বাস করতে নারাজ। প্রধান বিচারপতি তো দূরের কথা একজন হাইকোর্টের বিচারপতিকেও এভাবে দেশ থেকে বিতাড়ন সম্ভব নয়।
দেশে ত্যাগে বাধ্য করা নিয়ে সিনহা তার বেইতে যে বর্ণনা দিয়েছেন সেটিকেও অসত্য বলে দাবি করেন বিচারপতি মানিক। তার মতে, সিনহার বিরুদ্ধে দভিযোগগুলো আসার পর আপিল বিভাগের পাঁচ জন বিচারপতি অভিযোগগুলোর নথিপত্র দেখে দৃঢ়ভাবে সিদ্ধ