বাংলাদেশ-ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়ন-সহযোগিতায় ভারতীয় হাইকমিশন
ডেস্ক রিপোর্টঃ
১৯৪৫ সালে ব্রিটিশশাসিত ব্রিটিশ ইন্ডিয়া ভেঙে বাঙালি জাতিকে বিভক্ত করে তৈরি হয় ভারত পাকিস্তান নামের দেশ। উপমহাদেশের এক অন্যতম প্রভাবশালী জাতি হিসেবে বাঙালিরা শেষ পর্যন্ত এক স্বাধীন সার্বভৌম জাতি ও দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে। স্বাধীনতার পর থেকে এই বাঙালি জাতির সাথে ভারত সরকারের সম্পর্কের হিসাব-নিকাশ অনেক দূর গড়িয়েছে। হয়েছে সুদৃঢ় থেকে সুদৃঢ়তর। দীর্ঘ এ-সময়ে ভারতীয় হাইকমিশনের অবদান কতটুকুÑ সেটাই সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরার চেষ্টা হবে এই বাতায়নে।
বাংলাদেশ নামের স্বাধীন রাষ্ট্রের জন্মলগ্নে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রতিবেশী দেশ ভারত সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের যে সূচনা করেছিল, বর্তমানে তার ‘স্বর্ণযুগ’ চলছে বলে অনেকেই মনে করছেন। বিশেষ করে, ২০০৮ সালের পর থেকে গত কয়েক বছরে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। তবে, দেশি-বিদেশি কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, সম্পর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উন্নতি ঘটেছে ২০১৫ সালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরকালে। তার ওই সফরের মধ্য দিয়েই দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রতিবেশী দুটি দেশের মধ্যে অমীমাংসিত থাকা ছিটমহল, ভূমি ও সমুদ্রসীমা বিরোধের নিষ্পত্তি ঘটে। সেখান থেকেই কার্যত দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্র পরস্পরের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের ‘স্বর্ণযুগে’ যাত্রা শুরু করে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নিজেও দুদà