রোববার সকালে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু কনভেনশন সেন্টারে বাংলাদেশ চা প্রদর্শনীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
চায়ের গুণগত মান বৃদ্ধিতে গবেষণা ও নতুন বাজার তৈরি করতে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিবে সরকার বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকে শুধু চা মালিক নয় শ্রমিকদের জন্যও বহুমুখী কল্যাণের জন্য পদক্ষেপ হাতে নিয়েছে সরকার। চা-শ্রমিকরা যেন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়, তাদের সন্তানরা যেন শিক্ষাসহ উন্নত জীবন যাপন করতে পারে তা নিশ্চিত করতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
চা আমাদের জীবনের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। যদিও চা আমাদের কোনও আদি অভ্যাস নয়। ব্রিটিশরাই প্রথম চায়ের আবিষ্কার করে। প্রথমে তারা বিনা পয়সায় চা খাওয়াত। বিনা পয়সায় চা ধরিয়ে দিয়ে আমাদের অভ্যাস করিয়েছে। এরপর বাংলাদেশে চা উৎপাদনকারী ও রপ্তানিকারী একটি দেশে পরিণত হয়।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, চা আজকে একটি জনপ্রিয় পানীয়। চায়ের অনেক বৈচিত্রও দেখা যায়। ১৮৫৪ সালে ব্রিটিশরা বাংলাদেশে চা চাষ প্রথম শুরু করেছিলো সিলেটের মালনি ছড়ায়। চা চাষের মধ্য দিয়ে যেমন কর্ম সংস্থান হয়েছে তেমনি বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধি পায়। তার সাথে সাথে গ্রামীণ দরিদ্র হ্রাস তার জন্য চা একটি বিরাট অবদান রেখেছে।
তিনি বলেন, চা শ্রমিকদের উরিষ্যা বিহার থেকে এনে তাদের চা বাগানে কাজ করাতো কিন্তু তাদের কোনো