,

কুমিল্লা-চাঁদপুর মহাসড়কে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
August 24, 2026
news-image

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের দুইপাশে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান শুরু করেছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। যানজট নিরসন ও সরকারি জায়গা দখলমুক্ত করতে তিন দিনব্যাপী এ অভিযান চালানো হচ্ছে।

সোমবার (২৪ আগস্ট) প্রথম দিনেই চাঁদপুর-কুমিল্লা-ফরিদগঞ্জ মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখল করে নির্মাণ করা দোকান, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে দেওয়া হয়।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চাঁদপুর-কুমিল্লা-ফরিদগঞ্জ মহাসড়কের খাজুরিয়া থেকে বর্ডার বাজার পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে ছয় শতাধিক অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করা হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব স্থাপনা গড়ে ওঠায় সড়কের প্রশস্ততা কমে যাওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ বাজার ও জনবহুল এলাকাগুলোতে এসব অবৈধ স্থাপনার কারণে নিয়মিত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে।

চাঁদপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহা. ইউনুস আলী বলেন, মহাসড়কের দুই পাশে অবৈধভাবে দখল করে থাকা স্থাপনা সরিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট দখলদারদের আগেই নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নোটিশ দেওয়ার পরও অনেকেই স্থাপনা সরিয়ে না নেওয়ায় নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযানের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আপাতত তিন দিন এ অভিযান চলবে। পর্যায়ক্রমে চিহ্নিত সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।

তিনি বলেন, উচ্ছেদ শেষে উদ্ধার হওয়া সরকারি জায়গাগুলো আর যাতে পুনরায় দখল না হয়, সে বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারের পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপণের কর্মসূচির অংশ হিসেবে দখলমুক্ত জায়গাগুলোতে বৃক্ষরোপণ করা হবে।

নির্বাহী প্রকৌশলী আরও বলেন, বাবুরহাট এলাকায় প্রায় সময়ই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। উচ্ছেদের পর সেখানে উদ্ধার হওয়া জায়গায় ইন্টারসেকশন করা হবে। এতে সড়কের জায়গা আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করা সম্ভব হবে এবং যানবাহন চলাচলে স্বাভাবিক গতি ফিরে আসবে। পাশাপাশি ওই এলাকায় যানজটও অনেকটা কমে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুদ রানা বলেন, সড়ক বিভাগের দখলকৃত জায়গা উদ্ধারে জেলা প্রশাসন ও সড়ক বিভাগ যৌথভাবে এ অভিযান পরিচালনা করছে। অভিযানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করছেন। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।