All posts by jitu

বুড়িচংয়ে গৃহবধূ হত্যা, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে আসামি গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলায় গৃহবধূ লিপি আক্তার (৪০) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে বাংলাদেশ র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রধান আসামি মো. সুমনকে (৩০) গ্রেফতার করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১ সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৩০ মে) ভোর ৩টা ৪৫ মিনিটে র‌্যাব-১১ সিপিসি-২ ও র‌্যাব-১ সিপিসি-১-এর যৌথ অভিযানে গাজীপুর সদর থানার ধীরাশ্রম বুড়ি বটতলা এলাকা থেকে সুমনকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার শাহাগোদা গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে গাজীপুরে ভাড়া বাসায় থাকতেন।

র‌্যাব আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে সুমন নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। লিপি আক্তার ছিলেন আসামির দ্বিতীয় স্ত্রী। সুমন ঘটনার রাতে লিপির বাসায় ছিলেন। পরদিন ভোরে সুমন লিপির মোবাইলফোন নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে এ নিয়ে তাদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তি হয়। একপর্যায়ে তিনি লিপিকে বিছানায় ফেলে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে গ্রেফতার এড়াতে আত্মগোপনে চলে যান।

র‌্যাব জানান, গত ২৮ মে ঈদের দিন বুড়িচং উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় একা থাকা লিপি আক্তারের সঙ্গে তার মেয়ের দেখা হয়। বিকেলে মেয়ে শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন সকালে মুঠোফোনে খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে এসে খাটের ওপর তার মায়ের মরদেহ দেখতে পান।

এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে বাদী হয়ে শুক্রবার (২৯ মে) বুড়িচং থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলার পর গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে র‌্যাব।

এ ছাড়া র‌্যাব জানায়, গ্রেফতার হওয়া সুমন মাদকাসক্ত। তার কাছ থেকে নিহতের ব্যবহৃত মোবাইলফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলেও জানিয়েছে র‌্যাব-১১।

সামাজিক বন্ধনকে সুদৃঢ় করার যাত্রায় ‘ফ্রেন্ডস ইনফিনিটি অব চৌদ্দগ্রাম’

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ‘এসো মিলি প্রাণের টানে’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে বন্ধু সংগঠন ‘ফ্রেন্ডস ইনফিনিটি অব চৌদ্দগ্রাম’।

গতকাল ভিটা ওয়ার্ল্ড রিসোর্টের অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।

অনুষ্ঠানে আহ্বায়ক কাজী ইসরাফিলের সভাপতিত্বে এবং এমরান হোসেন ভুঁইয়া মাসুদের সঞ্চালনায় সংগঠনের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাবেক ছাত্রনেতা মমতাজ উদ্দিন শামীম।

অনুষ্ঠানে সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ঘোষণা করা হয় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদ্য বিদায়ী কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার আল মামুন রাসেলকে।

এছাড়াও সংগঠনের সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করা হয় সাবেক ছাত্রনেতা মমতাজ উদ্দিন শামীমকে। সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পায় সাবেক ছাত্রনেতা এমরান হোসেন ভুঁইয়া মাসুদ।

সংগঠনের অন্যান্য উপদেষ্টারা হলেন; রবিউল করিম শামীম, সাখাওয়াত হোসেন শামীম, জোবায়ের হোসেন মাসুম, জাহাঙ্গীর হোসেন, ফরিদুজ্জামান রুবেল, কফিল উদ্দিন এবং লিয়াকত শিকদার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম পৌরসভাসহ উপজেলার তের ইউনিয়নের বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক ছাত্রনেতাবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলেই সংগঠনটির সফলতা কামনা করেন এবং সামাজিক সম্প্রীতি, বন্ধুত্ব ও মানবিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

কুমিল্লায় ডাকাতিয়া নদী থেকে নিখোঁজ কলেজছাত্র শিহাবের মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় বন্ধুদের সাথে সাঁতরিয়ে ডাকাতিয়া নদী পার হওয়ার সময় গতকাল শুক্রবার দুপুরে নিখোঁজ হওয়া চট্রগ্রামের বিএন কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্র শিহাবের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

আজ শনিবার (৩০ মে) সকাল সাড়ে ৭ টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরি দল।

গতকাল শুক্রবার দুপুর আনুমানিক ১টায় চৌদ্দগ্রাম ও নাঙ্গলকোট উপজেলার সংযোগস্থল জাকজোর-নারান্দিয়া ব্রিজ সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীতে নিখোঁজ হয় শিহাব।

শিহাব নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রামের জহির আহমেদ শিপনের ছেলে।

সিহাবের মামা আসিফ করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার দুপুরে সিহাব তার অপর দুই বন্ধুকে নিয়ে নারান্দিয়া গ্রাম থেকে পার্শ্ববর্তী জাকজোর গ্রামে যায় তালের আঁটি খাওয়ার জন্য। জুম্মার নামাজের সময় হওয়ায় সেখান থেকে দ্রুত সাঁতার কেটে মসজিদে আসার জন্য নদীতে নামে তিন বন্ধু। এসময় অপর দুই বন্ধু সাঁতার কেটে নদী পার হলেও শিহাব নদীতে হারিয়ে যায়।

চাঁদপুর থেকে মোঃ আলীর নেতৃত্বে ডুবুরি টিম এসে বিকেল থেকে আনুমানিক এক ঘন্টা চেষ্টা করেও নিখোঁজ শিহাবকে উদ্ধার করতে পারেনি। পরে সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় নিখোঁজ কার্যক্রম স্থগিত রাখে তারা এবং আজ সকালে উদ্ধার কার্যক্রম আবারো শুরু করে নিখোঁজ সিহাবের মরদেহ তারা উদ্ধার করেন।

চৌদ্দগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

সাঁতরে জুমার নামাজে আসার সময় ডাকাতিয়া নদীতে কলেজ ছাত্র নিখোঁজ

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বন্ধুদের সাথে সাঁতার কেটে নদী পার হতে গিয়ে মোহাম্মদ শিহাব (১৮) নামে এক কলেজছাত্র নিখোঁজ হয়েছে।

শুক্রবার (২৯শে মে) দুপুর আনুমানিক এক ঘটিকায় চৌদ্দগ্রাম ও নাঙ্গলকোট উপজেলার সংযোগস্থল জাকজোর-নারান্দিয়া ব্রিজ সংলগ্ন ডাকাতিয়া নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

নিখোঁজ শিহাব পার্শ্ববর্তী নাঙ্গলকোট উপজেলার ঢালুয়া ইউনিয়নের নারান্দিয়া গ্রামের রোগের আহমেদ শিফনের ছেলে। সে চট্টগ্রাম বি.এন কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র।

নিখোঁজ সিহাবের মামা আসিফ করিম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, শুক্রবার দুপুরে সিহাব তার অপর দুই বন্ধুকে নিয়ে নারান্দিয়া গ্রাম থেকে পার্শ্ববর্তী জাকজোর গ্রামে যায় তালের আঁটি খাওয়ার জন্য। জুমার নামাজের সময় হওয়ায় সেখান থেকে দ্রুত সাঁতার কেটে মসজিদে আসার জন্য নদীতে নামে তিন বন্ধু।

এ সময় অপর দুই বন্ধু সাঁতার কেটে নদী পার হলেও শিহাব নদীতে হারিয়ে যায়। এখনো শিহাবের সন্ধান পায়নি পরিবার।

চৌদ্দগ্রাম ফায়ার স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিদারুল আলম জানান, আমরা দুপুর আনুমানিক ১.২৫ ঘটিকায় কলেজছাত্র শিপনের নিখোঁজ হওয়ার খবর পাই।

এ সময় আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিখোজ শিপনকে উদ্ধারের চেষ্টা করি। তাৎক্ষণিক আমরা চাঁদপুর থেকে ডুবুরি টিমকেও খবর পাঠাই।

মোহাম্মদ আলীর নেতৃত্বে চাঁদপুরের ডুবুরি টিম এসে বিকেল থেকে আনুমানিক এক ঘন্টা চেষ্টা করেও নিখোঁজ শিহাবকে উদ্ধার করতে পারেনি। পরে সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় নিখোঁজ কার্যক্রম স্থগিত রাখে তারা এবং আগামীকাল সকালে উদ্ধার কার্যক্রম আবারো শুরু করবে বলে জানায়।

নাঙ্গলকোটে দাম না পেয়ে পুঁতে ফেলেন চামড়া, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ক্ষোভ

নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি :

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে কোরবানি পশুর চামড়ার দাম না পেয়ে গর্ত করে পুঁতে ফেলার চিত্র দেখা গেছে। শুক্রবার উপজেলার গোমকোট ও তেজের  বাজারের পাশে গরুর চামড়া পুঁতে ফেলা হয়েছে। এনিয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা লোকশান দিয়ে ফেসবুকে চামড়া দাফন করা হচ্ছে ভিডিও পোস্ট করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়,  ঈদুল আযহার দিন বিভিন্ন এলাকায় গরুর চামড়া সংগ্রহ করে একস্থানে জমাট করে অস্থায়ী কিছু ক্ষুদ্র চামড়া ব্যবসায়ী। ওইখান থেকে বড় ব্যবসায়ীরা এসে চামড়া কিনবেন এ আশা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের মাঝে। ব্যবসায়ীরা রাতে ঘুম না গিয়ে বসে বসে চামড়ার পাহারায় ছিলো। কিন্তু কোনো বড় পাইকার না আসায় ক্ষুব্ধ হয় তারা। মাঝে মাঝে অন্য উপজেলার ছোট পাইকার এসে ৫০-১শ টাকা দামে কিনে নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। কোন বড় ব্যবসায়ী চামড়া ক্রয় করতে না আসায় অনেকে রাস্তার পাশে চামড়া রেখে চলে যায়। পরে শুক্রবার দুপুরের দিকে বিভিন্ন জায়গায় চামড়া পুঁতে ফেলা হয়।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ নিয়ে আরো জানা যায়, অস্থায়ী ব্যবসায়ীরা বাজার বা গ্রামের দোকানের সামনে চামড়া জমাট করে রাখে। এবার চামড়ার দাম একদম কম। বড় ব্যবসায়ীদের অপেক্ষায় রয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। আবার অনেক লবণ দিয়ে চামড়া রেখে দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাই চামড়ায় লেগে থাকা মাংস অপসারণের কাজও চলছে। অনেক এলাকার ব্যবসায়ীরা দিশেহারা হয়ে খালে বা ভেকু মেশিন দিয়ে পুঁতে ফেলেছে এবং আর কখনও গরুট চামড়া ব্যবসা করবেন না মন্তব্য করেন।

এবিষয়ে মোড্ডা গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জসিম জানান, নগদ টাকা দিয়ে গরুর চামড়া কিনে বিপাকে পড়েছি। কিছু ব্যবসায়ী এসে চামড়ার দাম ৫০-১শ টাকা বলেছে। শেষ পর্যন্ত চামড়া পুঁতে ফেলেছি।

অপরিদকে গোমকোট গ্রামের অস্থায়ী ব্যবসায়ী ওসমান বলেন, ভাই দাম পাওয়ার আশায় নগদ টাকা দিয়ে মানুষদের কাছ থেকে বাড়ী বাড়ী গিয়ে চামড়া সংগ্রহ করেছি। কিন্তু চামড়ার দাম ঠিকভাবে বলেনি। তাই চামড়া গর্ত করে পুঁতে ফেলছি। চামড়া ক্রয়ের সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আহবান করছি।

এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু রায়হান বলেন, যারা জাতীয় সম্পদ নষ্ট করেছে ঠিক করেনি। আমরা প্রত্যেক মাদ্রাসায় লবণ পৌঁছে দিয়েছি চামড়া সংরক্ষণের জন্য। কেউ যদি আমাদেরকে অবগত করতো তাহলে দ্রুত লবন পৌঁছে দিতাম।

রাজধানীতে ৬ নবজাতকের ক্লাস্টার মৃত্যু: সম্ভাব্য কারণ, বিশ্লেষণ ও করণীয়

কর্নেল ডা. নাজমুল হুদা খান (অব.):

রাজধানীর মগবাজারে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের একটি ওয়ার্ডে ৬ নবজাতকের ক্লাস্টার মৃত্যুর ঘটনা সারা দেশে ও শিশুগুলোর পরিবারে শোকাবহ অবস্থার উদ্ভব ঘটিয়েছে। এসির গ্যাস লিকেজ থেকে ছয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মতে, তাদের পোস্ট অপারেটিভ ওয়ার্ডে এই দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হয়েছে, সেখানে ১১ জন মা ছিলেন, আর সদ্য ভূমিষ্ঠ শিশু ছিল ছয়জন। তাদের বয়স একদিন-দুইদিন। ঠান্ডা অনুভব করায় এক মা এসি বন্ধ রাখার অনুরোধ করেন। পরে এক নার্স প্রায় এক ঘণ্টার মতো এসি বন্ধ রাখেন। গরম লাগলে এসি চালু করতে বললে দুই শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে। এর কিছুক্ষণ পর বাকি চার শিশুও অসুস্থ হয়। এক পর্যায়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছয় শিশুর মৃত্যু ঘটে।

চিকিৎসা বিজ্ঞান ও হাসপাতাল নিরাপত্তা ব্যবস্থার দৃষ্টিকোণ থেকে এ ঘটনাকে “Cluster Neonatal Death” বা “Sentinel Event”। এ ধরনের ঘটনায় তড়িঘড়ি করে কোনো একটি কারণ নির্ধারণ না করে পূর্ণাঙ্গ বৈজ্ঞানিক তদন্ত করা অত্যন্ত জরুরি।

ক্লাস্টার মৃত্যু কী?

একই সময় ও একই স্থানে একাধিক রোগীর আকস্মিক মৃত্যু বা গুরুতর অসুস্থতাকে “Cluster Death” বলা হয়। বিশেষ করে নবজাতক, ICU বা পোস্ট-অপারেটিভ রোগীরা অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় সামান্য প্রযুক্তিগত বা পরিবেশগত ত্রুটিও প্রাণঘাতী হতে পারে।

এ সম্ভাব্য ক্লাস্টার মৃত্যুর সম্ভ্যাব্য কারণসমূহ-

১। মেডিকেল গ্যাস পাইপলাইনের ত্রুটি

হাসপাতালে কেন্দ্রীয় পাইপলাইনের মাধ্যমে অক্সিজেন, মেডিকেল এয়ার ও অন্যান্য গ্যাস রোগীদের প্রয়োজনে সরবরাহ করা হয়। রক্ষণাবেক্ষণ বা মেরামতের সময় ত্রুটিপূর্ণ সংযোগ, গ্যাস অদলবদল বা পাইপলাইনে দূষণ রোগীদের স্বাস্থ্যের মারাত্মক বিপর্যয়ের কারন হতে পারে।

ত্রুটিসমূহ

  • অক্সিজেন লাইনে নাইট্রোজেন চলে যাওয়া
  • কমপ্রেসড এয়ার প্রবেশ
  • ক্রস কানেকশন
  • সেন্ট্রাল গ্যাস ম্যানিফোল্ডে ত্রুটি

বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

মানবদেহ বিশেষ করে নবজাতকের মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্র অক্সিজেনের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। অক্সিজেনের পরিবর্তে অন্য গ্যাস প্রবাহিত হলে দ্রুত রক্ত ও দেহ কোষে অক্সিজেন স্বল্পতার সৃষ্টি হয়। ফলে নবজাতকদের অক্সিজেনের অভাবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যেতে পারে।

২। অক্সিজেন সরবরাহ ঘাটতি
হাসপাতালের কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থায় ত্রুটি হলে একইসাথে বহু রোগী আক্রান্ত হতে পারে।

বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

মানবদেহ বিশেষ করে নবজাতকের মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্র অক্সিজেনের ওপর সম্পূর্ণ নির্ভরশীল। অক্সিজেনের পরিবর্তে অন্য গ্যাস প্রবাহিত হলে দ্রুত রক্ত ও দেহ কোষে অক্সিজেন স্বল্পতার সৃষ্টি হয়। ফলে নবজাতকদের অক্সিজেনের অভাবে কয়েক মিনিটের মধ্যেই হৃদযন্ত্র বিকল হয়ে যেতে পারে।

২। অক্সিজেন সরবরাহ ঘাটতি
হাসপাতালের কেন্দ্রীয় অক্সিজেন ব্যবস্থায় ত্রুটি হলে একইসাথে বহু রোগী আক্রান্ত হতে পারে।

সম্ভাব্য কারণ-

  • অক্সিজেন ট্যাংক খালি হয়ে যাওয়া
  • ম্যানিফোল্ডে ত্রুটি
  • অক্সিজেনের চাপ হ্রাস
  • পাইপলাইনে লিকেজ
  • বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর বন্ধ হওয়া

অক্সিজেন ঘাটতির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া-

স্বাভাবিক বাতাসে অক্সিজেন প্রায় ২১% থাকে। অক্সিজেন কমে গেলে:

  • ১৬% → শ্বাসকষ্ট
  • ১০–১২% → অজ্ঞান
  • ৬% এর নিচে → দ্রুত মৃত্যু

নবজাতকদের ক্ষেত্রে আরও দ্রুত- হৃদপিণ্ডের গতি হ্রাস, রক্তে অক্সিজেনের ঘাটতি, বিপাক প্রক্রিয়ায় জটিলতা শ্বাস ও হৃদযন্ত্র বিকলের মত ঘটনা ঘটতে পারে।

৩। রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস লিকেজ
এসি পুনরায় চালুর সময় রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস লিক হলে বদ্ধ কক্ষে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যেতে পারে।

প্রচলিত রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস যথাঃ R-৩২, R-৪১০এ, R-১৩৪এ, ও ফ্রিওন গ্যাস উৎপত্তি ঘটতে পারে।

সম্ভাব্য ক্ষতি

  • অক্সিজেনের ঘনত্ব হ্রাস
  • মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা হ্রাস
  • হৃদযন্ত্রের ছন্দপতন
  • হৃদযন্ত্রে ক্রিয়া বন্ধ

ঝুঁকি বাড়ার কারন

  • ছোট ও বদ্ধ কক্ষ
  • ভেন্টিলেশন খারাপ থাকা
  • বেশীমাত্রার গ্যাস লিক হওয়া

নবজাতক বা অক্সিজেন-নির্ভর রোগী থাকা
তবে শুধুমাত্র এসি গ্যাস লিকেজ হয়ে ক্লাস্টার মৃত্যু তুলনামূলক কম বলে চিকিৎসা ইতিহাসে দেখা গেছে।

৪। কার্বন মনোক্সাইড জাতীয় বিষাক্ত গ্যাস বা পরিবেশগত দূষণ

সম্ভাব্য উৎস

  • জেনারেটরের ধোঁয়া
  • কার্বন মনোক্সাইড (CO) উৎপত্তি
  • অ্যানেস্থেটিক গ্যাস
  • জীবাণুনাশক কেমিক্যালস
  • ফিউমিগেশন গ্যাস

কার্বন মনোক্সাইড কেন বিপজ্জনক?

কার্বন মনোক্সাইড রক্তের হিমগোগ্লোবিনের সাথে অক্সিজেনের তুলনায় ২০০–২৫০ গুণ বেশি পরিমানে ও দ্রুত যুক্ত হতে পারে। ফলে শরীরে অক্সিজেন পরিবহন বন্ধ হয়ে যায় এবং দ্রুত শরীরে অক্সিজেনের শূন্যতা তৈরি হয়।

৫। ভেন্টিলেশন বা বৈদ্যুতিক সমস্যা

এসি চালুর সময়:

  • বিষাক্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়া
  • জেনারেটরের গ্যাস ঢুকে যাওয়া
  • ইনকিউবেটর/মনিটর কাজ না করা
  • ভেন্টিলেশন বন্ধ হয়ে যাওয়া

এসবও ক্লাস্টার মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

৬। সংক্রমণ বা পূর্ববর্তী গুরুতর অসুস্থতা
নবজাতকদের মধ্যে:

  • সেপসিস বা রক্তে গুরুতর সংক্রমণ
  • অকালে জন্মগ্রহন
  • জন্মগত ত্রুটি

শ্বাসপ্রশ্বাস জটিলতা ইত্যাদি থাকতে পারে। তবে একইসাথে সবার দ্রুত অবনতি সাধারণত পরিবেশগত বা সিস্টেমজনিত কারণের দিকেই ইঙ্গিত করে।

নবজাতকদের ঝুঁকির কারন

  • ফুসফুস অপরিপক্ব থাকে
  • দেহে অক্সিজেন রিজার্ভ কম থাকে
  • শ্বাস প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ দুর্বল থাকে
  • রক্তের বিশুদ্ধকরন প্রক্রিয়া দুর্বল
  • মস্তিষ্ক পুরোপুরি কর্মক্ষম থাকেনা
  • প্রতিরোধ কক্ষমতা কম থাকে

ফলাফল:

দ্রুত অক্সিজেন শূন্যতা সৃষ্টি
বিপাক জটিলতা
মস্তিষ্কে ইনজুরি
হৃদযন্ত্রে ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

ক্লাস্টার মৃত্যুতে জরুরি তদন্তে কী কী দেখতে হবে?

ক্লিনিক্যাল

  • কার কখন অবস্থা খারাপ হয়েছে
  • ভাইটাল সাইনসমুহ
  • রক্তের ABG রিপোর্ট
  • রিসাসিটেশন নথি
  • শিশুদের মা ও চিকিৎসাকর্মীদের উপসর্গ

মেডিকেল – ইঞ্জিনিয়ারিং তদন্ত

  • এসি ও ভেন্টিলেশন পরীক্ষা
  • রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস লিক টেস্ট
  • সেন্ট্রাল গ্যাস লাইন পরীক্ষা
  • অক্সিজেনের ঘনত্ব ও বিশুদ্ধতা পরীক্ষা।
  • বায়োমেডিক্যাল যন্ত্রপাতির সঠিকতা

ফরেনসিক ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষা

  • পরিবেশ বিশ্লেষণ
  • কার্বন মনোক্সাইডের উপস্থিতি
  • কক্ষে অক্সিজেনের ঘনত্ব
  • প্রয়োজনে ময়নাতদন্ত

প্রশাসনিক তদন্ত

  • মেইনটেনেন্স রেকর্ড
  • সিসিটিভি ফুটেজ রিভিউ
  • ডিউটি রোস্টার চেক
  • টাইম লাইন বিশ্লেষণ
  • সংশ্লিষ্টদের সাক্ষাৎকার

করণীয়

তাৎক্ষণিক করণীয়

  • সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড সিলগালা করা
  • সকল মেডিকেল গ্যাস লাইন পরীক্ষা করা
  • ভেন্টিলেশন ও এসি সিস্টেমের ফরেনসিক পরীক্ষা
  • শিশুদের মা ও চিকিৎসাকর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা
  • মূল কারন তদন্তে কমিটি গঠন

দীর্ঘমেয়াদি করণীয়

  • মেডিকেল গ্যাস লাইন অডিট বাধ্যতামূলক করা
  • নিয়মিত অক্সিজেনের ঘনত্ব ও বিশুদ্ধতা মনিটরিং ।
  • বায়োমেডিক্যাল নিরাপত্ত প্রটোকল জোরদার করা
  • এনআইসিইউ নিরাপত্তা চেকলিস্ট চালু
  • ডিজিটালাইজ মেইনটেনেন্স রেকর্ড চালু করা
  • সেন্টিনেল ইভেন্ট মনিটরিং সিস্টেম তৈরি করা
  • হাসপাতালগুলোতে emergency simulation drill চালু করা

রাজধানীতে একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬ নবজাতকের ক্লাস্টার মৃত্যুর ঘটনা আমাদের স্বাস্থ্যখাতের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে।

ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা প্রতিরোধে হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত মেডিকেল গ্যাস পাইপলাইন অডিট, অক্সিজেন বিশুদ্ধতা পরীক্ষা, ভেন্টিলেশন প্রক্রিয়ার মূল্যায়ন, বায়োমেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট মনিটরিং এবং জরুরি সিমুলেশন ড্রিল বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। NICU ও নবজাতক ওয়ার্ডে পরিবেশগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে উন্নত অ্যালার্ম সিস্টেম ও গ্যাস মনিটরিং ব্যবস্থাও অত্যন্ত জরুরি।

ছয় নবজাতকের এই মৃত্যু কেবল একটি হাসপাতালের ট্র্যাজেডি নয়; এটি পুরো স্বাস্থ্যব্যবস্থার জন্য একটি সতর্কবার্তা। দেশে অনেক হাসপাতাল ও ক্লিনিকে নিজস্ব বন্দোবস্তে আইসিইউ, এনআইসিইউ, পিআইসিইউ ব্যবস্থা রয়েছে।

সর্বত্র প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা, জবাবদিহিতা ও মানবিক দায়িত্ব নিশ্চিত না হলে ভবিষ্যতেও এ ধরনের মর্মান্তিক ঘটনা ঘটতে পারে। তাই প্রকৃত কারণ উদঘাটন, দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা এবং স্বাস্থ্যসেবার নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করাই এখন সময়ের দাবি।

 

কর্নেল ডা. নাজমুল হুদা খান (অব.):

জনস্বাস্থ্য ও হাইপারবেরিক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

পরিচালক, মেডিক্যাল সার্ভিসেস, বিআরবি হাসপাতাল

কুমিল্লায় বিপুল পরিমাণ জালনোটসহ চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জালনোটসহ জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১ এর সিপিসি-২।

বৃহস্পতিবার বিকালে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২, কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি অধিনায়ক মিঠুন কুমার কুন্ডু এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার (২৭ মে) রাতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানার অশোকতলা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে মোট ১ লাখ ৯৭ হাজার ৬শ’ টাকা সমমূল্যের জালনোট উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে ৫শ’ টাকার ২০২টি এবং ২শ’ টাকার ৪৮৩টি জাল নোট ছিল।

এ সময় জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের ২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- নোয়াখালী সদর উপজেলার লক্ষীনারায়ণপুর এলাকার গোলাম হোসেনের ছেলে নিশান ইসলাম (২৭) এবং কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার পাথুরিয়াপাড়া এলাকার মৃত খবির মিয়ার ছেলে সোহেল আরমান (৪৪)।

র‌্যাব জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তাররা জালনোট ব্যবসায়ী চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করেছেন।

তারা দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় জালনোট সরবরাহ করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন।

বিশেষ করে পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির পশুর হাট ও বিভিন্ন মার্কেটে জাল টাকা ছড়িয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করার পরিকল্পনা ছিল বলেও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

৩০ মে তিতাসে বদলে যাচ্ছে রাজনৈতিক সমীকরন

বিশেষ প্রতিবেদনঃ

৩০ মে শনিবার, তিতাস উপজেলায় ঘটতে পারে এক রাজনীতির নতুন মেরুকরণ। ফলে বদলে যেতে পারে তিতাসের রাজনৈতিক সমীকরণ। এমন কথাই এখন গোটা তিতাসের জন মানুষের মুখে মুখে।

বৃহত্তর দাউদকান্দির উত্তরান্চলের প্রসিদ্ধ জনপদ বাতাকান্দি বাজার। রাজনৈতিক ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জনপদ। এই বাতাকান্দিতে জন্মে ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠা কালীন কুমিল্লা উত্তর জেলা বিএনপির কোষাধ্যক্ষ বিশিষ্ট শিল্প পতি আধুনিক বাতাকান্দি বাজারের রুপকার মরহুম বেলায়েত হোসেন সরকার। যিনি অবিভক্ত দাউদ কান্দির উত্তরান্চলের এক অবহেলিত এলাকায় থেকেও জেলা বিএনপির নেতৃত্ব দিয়ে গেছেন।

তারও আগে এই বাতাকান্দি গ্রামে জন্মেছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর মরহুম জেড হক,মরহুম ধনমিয়া সাহেব, আঃ বারিক ডাক্তারসহ অসংখ্য গুণিজন। রাজনৈতিক ভাবে উর্বর জনপদ আধুনিক বাতাকান্দি বাজারটি বর্তমানে নব গঠিত তিতাস উপজেলার জগতপুর,সাতানি ও বলরামপুর ইউনিয়নসহ মোট ৩ টি ইউনিয়নের কেন্দ্রস্থল।

ভৌগোলিক, সামাজিক এবং প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে একটি আধুনিক সুবিধা সম্পন্ন অঞ্চল এই বাতাকান্দি। অত্র অঞ্চলের গুনীজনরা আলোকিত করেছেন বাতাকান্দি নামক বাজার এলাকাকে।

কালের পরিবর্তে এই বাতাকান্দি বাজার কমিটির সভাপতি অত্র গ্রামেরই কৃতি সন্তান আলহাজ্ব মোঃ মাইন উদ্দিন। সময়ের প্রেক্ষাপটে তাঁরই বুদ্ধিমত্তায় ৩০ মে ২০২৬ তিতাসের রাজনীতিতে ঘটতে যাচ্ছে এক অভিনব কৌশলের আবির্ভাব।

যে কৌশলের মাধ্যমে পাল্টে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তিতাস বিএনপির সাংগঠনিক একক আধিপত্য। ম্লান হয়ে যেতে পারে সাংগঠনিক নেতৃত্বের অবৈধ প্রভাব । এমন ধারনাই করছেন রাজনৈতিক সচেতন মহল। যা তিতাসের রাজনীতিতে এক উজ্জ্বল মাইলফলক হয়ে থাকবে।

৩০ মে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকি। এ দিনটিতে শহীদ জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনায়,দুস্থদের মাঝে খাদ্য বিতরন, আলোচনা সভা, দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের আয়োজক ঢাকাস্থ তিতাস উপজেলা জাতীয়তাবাদী ফোরামের সহসভাপতি, বাতাকান্দি বাজার উন্নয়ন কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব মোঃ মাইন উদ্দিন।

অত্র আসনের এমপি বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভুইয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বলে জানাযায়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন ঢাকাস্থ তিতাস উপজেলা জাতীয়তাবাদী ফোরামের প্রধান পৃষ্ঠ পোষক এফ আর সি এর চেয়ারম্যান ( সিনিয়র সচিব) ড. সাজ্জাদ হোসেন ভুইয়া এবং ফোরামের আরেক উপদেষ্টা বি সি আই সির পরিচালক মোঃ দেলোয়ার হোসেন।

ঢাকাস্থ তিতাস উপজেলা জাতীয়তাবাদি ফোরামের সভাপতি ও সাধারন সম্পাদকসহ কার্যকরি কমিটির প্রায় সকল নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বà¦