All posts by jitu

নোয়াখালীতে মন্দিরে চুরি, গ্রেফতার ৩

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সেনবগা উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দিরে চুরির ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। এ সময় গ্রেফতারকৃত আসামিদের থেকে চোরাই মালামাল ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলো, উপজেলার শ্যামেরগাঁও গ্রামের হাছান আলী বাড়ির মৃত আব্দুর রবের ছেলে এমদাদুল হক মানিক (৩০) মধ্যম বীজবাগ গ্রামের চৌকিদার বাড়ির আবুল কাশেমের ছেলে আজহারুল ইসলাম মোহন (২৪) একই গ্রামের নুরুন নবীর ছেলে মো. নুরুজ্জামান মানিক (৩৩)।

সোমবার (১৭ জুলাই) দুপুরের দিকে আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়। এর আগে, গতকাল রোববার রাতে উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়ন থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, উপজেলার বীজবাগ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ চোরাই মালামাল ও নগদ টাকা সহ তিনি আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় দুটি পিতলের থালা, দুটি পিতলের গ্লাস, দুটি পিতলের ঘট, ১টি পিতলের প্রদীপ, ১টি পিতলের আগরদানী, ১টি পিতলের হাতলযুক্ত পাঁজাল/ধূপদানী, দুটি তামার কুশ বা চামুচ, চোরাইকৃত নগদ ১৯ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন পাটোয়ারী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

 

 

 

কুমিল্লার আড়াইশ বছরের পুরনো হাতি পুকুর ভরাট, পরিবেশ অধিদপ্তরের মামলা

স্টাফ রিপোর্টার:

ব্যাংক ও ট্যাঙ্কের নগরী খ্যাত কুমিল্লার সেই ট্যাঙ্ক বা দিঘী আর আগের মতো নেই। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কায়দায় ভরাট হয়ে গেছে এসব দিঘী বা পুকুর। ভরাট হতে হতে অল্প কিছু দিঘী বা পুকুর টিকে আছে শহরের বুকে। সেই দিঘীগুলো এখন হুমকির মুখে। সুযোগ পেলেই ভরাট করার পায়তারা করছেন মালিকেরা।

এবার কুমিল্লা নগরীর ১৭ নং ওয়ার্ডের ২য় মুরাদপুর এলাকায় অবস্থিত আড়াইশ বছরের পুরনো হাতি পুকুরের একাংশ ভরাটের পর পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে ভরাট কার্যক্রম বন্ধ ও ভরাটকৃত মাটি অপসারণ না করার কারনে কোতয়ালী মডেল থানায় ফৌজদারী আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

জানা যায়, গত ১৪ জুলাই পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয়ের পরিদর্শক নূর উদ্দিন বাদী হয়ে কুমিল্লা নগরীর ২য় মুরাদপুর হাতি পুকুরের উত্তর-পূর্ব পাড়ের সোনা মিয়ার ছেলে আবদুল জলিল, ২য় মুরাদপুর হাতি পুকুরের পূর্ব পাড়ের মৃত এস এম নুর আলম এর ছেলে এস এম চঞ্চল সহ অজ্ঞাত আসামীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

কুমিল্লা পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, হাতি পুকুরটি ২য় মুরাদপুর রোডের মুরাদপুর মোজার ২৪৮৩ এবং ৩০০ নম্বর খতিয়ানের অন্তর্ভূক্ত ৭৬ নম্বর দাগের ২.৩১২৫ একর আয়তনের। গত মে মাসের ২৮ তারিখ পুকুরের ৫ শতাংশ জায়গা ভরাটের লিখিত অভিযোগ পায় পরিবেশ অধিদপ্তর। অভিযোগ পাওয়ার দিনই পরিদর্শন শেষে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে পুকুরের ভরাটকৃত অংশের মাটি সরিয়ে পূর্বের অবস্থায় ফিরানোর নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দেশনা না মানায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ৪(২), ৬(ঙ) ও ১২ ধারা লঙ্ঘনের অপরাধে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর কুমিল্লা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মোসাব্বের হোসেন মুহাম্মদ রাজীব বলেন, পুকুর রক্ষায় আমরা যতেষ্ট আন্তরিক। পুকুর বা জলাশয় কোনভাবেই ভরাট করার সুযোগ নেই। আমরা এর আগেও পুকুর ভরাটের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছি। পুকুর ভরাটে কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা।

 

ব্যাংক ও ট্যাঙ্কের নগরী খ্যাত কুমিল্লার সেই ট্যাঙ্ক বা দিঘী আর আগের মতো নেই। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কায়দায় ভরাট হয়ে গেছে এসব দিঘী বা পুকুর। ভরাট হতে হতে অল্প কিছু দিঘী বা পুকুর টিকে আছে শহরের বুকে। সেই দিঘীগুলো এখন হুমকির মুখে। সুযোগ পেলেই ভরাট করার পায়তারা করছেন মালিকেরা।

কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার দায়ে দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় চাঞ্চল্যকর অটোরিকশা চালক সুমন মিয়াকে হত্যার দায়ে দুইজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। ১৭ জুলাই (সোমবার) দুপুরে কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন। যাহার দায়রা মামলা নং-৪৬৫/২১।

মৃত্যু দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ফরদাবাদ গ্রামের মোঃ নুরুল ইসলাম এর ছেলে মোঃ শরীফ মিয়া এবং একই উপজেলার দড়িকান্দি গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে আঃ কাদের জিলানী।

মামলার বিবরণে জানাযায়- ২০২০ সালের ৬ মার্চ সন্ধ্যায় মোঃ ইসমাইল এর ছেলে অটোরিকশা চালক সুমন মিয়া (১৯) এর অটোরিকশাটি বাঞ্ছারামপুর ফরদাবাদ রবির বাজার হতে রামচন্দ্রপুর বাজারে যাওয়ার কথা বলে আসামি মোঃ শরীফ মিয়া ও আব্দুল কাদের জিলানী ভাড়া করে কুমিল্লা জেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন বড় পিপড়িয়া ঠাকুর বাড়ী টু উত্তর পেন্নাই পুরাতন বাজার নতুন সড়ক সংলগ্ন জৈনিক ইব্রাহিম মিয়ার ফসলি জমির পাশে খালের পাড়ে নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরষ্পর যোগসাজশে গলায় ও মুখে গামছা পেচিয়ে শ্বাসরোধ করিয়া হত্যা করে লাশ কচুরিপানা ও বালি দিয়ে ঢেকে লাশ গুম করিয়া অটোরিকশাটি ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে ভিকটিম সুমন মিয়া বাড়ীতে ফিরে না আসায় অনেক খোজাখুজি করে না পেয়ে ভিকটিমের পিতা বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় জিডি করিলে থানাপুলিশের সহযোগিতায় বাঙ্গরা বাজার থানাপুলিশকে সঙ্গে নিয়ে আসামি আবদুল কাদের জিলানীকে তার বাড়ী থেকে আটক করিলে সে ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং জিলানীর দেখানো মতে সুমনের লাশ উদ্ধার করেন বাঙ্গরা বাজার থানাপুলিশ।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণ বাড়ীয়া জেলার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার পূর্বহাটি মধ্যপাড়ার নিবাসী ভিকটিম সুমন মিয়ার পিতা বাদী হয়ে মোঃ শরীফ মিয়া (২৫) ও আব্দুল কাদের জিলানী (২৪) কে আসামি করে দণ্ডবিধির ৩৯৪/৩০২/২০১/৩৪ ধারার বিধানমতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করিলে আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র পক্ষে আনীত অভিযোগ প্রমাণিতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অমর চন্দ্র দাশ ২০২০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন (যাহার নং-৭৯)। পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য আসিলে আসামিগণের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জ গঠন করেন আদালত।

তৎপর রাষ্ট্রপক্ষে ১১জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে আসামিদের স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি পর্যালোচনাক্রমে আসামি মোঃ শরীফ মিয়া ও আব্দুল কাদের জিলানীর বিরুদ্ধে দণ্ড বিধির ৩০২/২০১/৩৯৪/৩৪ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় প্রত্যেককে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০১ ধারায় ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদণ্ড এবং ৩৯৪ ধারায় ৭ বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থ দণ্ড অনাদয়ে আরো ০৩ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করেন বিজ্ঞ আদালত।

এ রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, রায়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও এজাহারকারী খুশি। আমরা আশা করছি মহামান্য হাইকোর্ট এ রায় বহাল রেখে দ্রুত কার্যকর (বাস্তবায়ন) করবেন।

আসামিপক্ষের বিজ্ঞ কৌশলী বলেন……. এ রায়ে আসামি পক্ষ ক্ষুব্ধ। রায়ের কপি হাতে পেলে আসামি পক্ষ উচ্চ আদালতে আপীল করবে।

নোয়াখালীতে ইশরাকের বহরে হামলা, বিএনপির ১৪৯ নেতাকর্মির বিরুদ্ধে মামলা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেনের গাড়ি বহরে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মিদের হামলায় ঘটনায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১৪৯ নেতাকর্মির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার (১৫জুলাই) বিকেলে ছাত্রলীগ কর্মি সজিবুল ইসলাম বাদী হয়ে সোনাইমুড়ী থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে ১০০/১২০জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেন সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউল হক। তিনি বলেন, তবে এ মামলার কোনো আসামিকে এখনো গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয় একাধিক বিএনপি নেতা জানায়, গত নোয়াখালীতে বিএনপির পদযাত্রা সমাবেশে যোগ দিতে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন গত বৃহস্পতিবার ১৩জুন বিকেলে গাড়ি বহর নিয়ে সোনাইমুড়ী বাইপাস সড়ক হয়ে নোয়াখালী জেলা শহরে আসছিলেন। যাত্রা পথে সোনাইমুড়ী বাইপাস সড়কের সামনে আসলে উপজেলা ছাত্রলীগের একাংশের সভাপতি আরিফ হোসেনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মিরা ইশরাকের গাড়িবহরে হামলা চালায়। একপয়ায়ে সেখানে একটি মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ ও ৩ জন ছাত্রদল ও যুবদল নেতাকে গুরুতরে আহত করে। ঘটনার দুই দিন পর উল্টো বিএনপির ১৪৯ জন নেতাকর্মির বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে।

সোনাইমুড়ী উপজেলা ছাত্রলীগের একাংশের সভাপতি আরিফ হোসেন অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, তার নেতৃত্বে কোনো হামলা হয়নি। ইশরাকের গাড়ি বহর থেকে আমাদের দলের নেতাদের নিয়ে অশ্লীল স্লোগান দেওয়া হয়। এরপর স্থানীয় এমপি সহ দলীয় নেতাদের রাস্তার পাশে থাকা ফেস্টুন ভেঙ্গে ফেলে বিএনপির নেতাকর্মিরা। পরে বাইপাস সড়ক এলাকায় আসলে ছাত্রলীগ প্রতিবাদ করে। এ সময় বিএনপির নেতাকর্মিরা ছাত্রলীগের নেতাকর্মিদের ওপর হামলা চালায়। সেখানে ৪-৫জন ছাত্রলীগ কর্মি আহত হয়। আহতদের মধ্যে থেকে সজিবুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলায় কেন্দ্রীয় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্ল্যা বুলুর ছেলে মোহাম্মদ সানিকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া সোনাইমুড়ী পৌরসভা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক মেয়র মোতাহার হোসেন মানিক, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রেজায়ে রাব্বি মাহবুব, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক আবুল মনসুর সেলিম, সোনাইমুড়ী পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক হেলাল উদ্দিন টুটুল, উপজেলা যুবদল সভাপতি জসিম উদ্দিন,সাবেক উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি মোস্তাফিজ ভূঁইয়া, পৌর যুবদল সভাপতি মারুফুর রহমান,উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি নাজিম উদ্দীন রনি, সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ সাদ্দাম, পৌর ছাত্রদল সভাপতি আলা উদ্দিন রাজু, সাধারণ সম্পাদক সোহেল উদ্দিন সজিবসহ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ২৯ নেতাকর্মির নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাত ১০০/১২০ জনকে আসামি করা হয়।

নির্বাচনের আগে নোয়াখালীতে বিএনপির নেতাকর্মিদের মাঠ ছাড়া করতে সরকার আবার বিএনপির নেতাকর্মিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন নোয়াখালী জেলা যুবদলের সভাপতি মন্জুরুল আজিম সুমন ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান। তারা অভিযোগ করে বলেন, অবাক লাগে তারা হামলা চালালো এরপর উল্টো আবার মিথ্যা মামলা দিল। আমরা সোনাইমুড়ী ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মিদের সন্ত্রাসী হামলা ও এই মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দাও প্রতিবাদ জানাই। একই সাথে রাজনৈতিক শিষ্টাচার বর্জিত এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলার থেকে বিরত থাকার আহবান জানাই।

বিএনপির নেতাকর্মিদের ওপর হামলার পর মামলা নেওয়া হয়েছে এমন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি জিয়াউল হক বলেন, বিএনপির নেতাকর্মিরা আমাদের কাছে এমন কোনো অভিযোগ করেনি। যারা অভিযোগ করেছে তাদের মামলা নেওয়া হয়েছে। বিএনপির অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লায় মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় মাদক মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন কুমিল্লার আদালত। ১৬ জুলাই (রবিবার) বিকেলে কুমিল্লার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ পঞ্চম আদালতের বিচারক জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন। যাহার দায়রা মামলা নং-১৪২৬/১১।

মামলার বিবরণে জানাযায়- ২০১১ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত পৌনে ১০টার সময় বিশেষ অভিযান পরিচালনাকালে জেলার ব্রাহ্মণ পাড়া থানাধীন অনন্তপুর দক্ষিণ তেতাভূমি আসামিদের নিজ বাড়িতে ফেনসিডিল ক্রয়বিক্রয় করাকালীন সময়ে আসামি মোঃ শানু মিয়া (৪৫) ও শানু মিয়ার ছেলে আসামি মোঃ ওমর ফারুক (২১) ধৃত করে বসত ঘর তল্লাশী করে কাঁচের ২৮ ও প্লাস্টিকের ২৩ বোতল ফেনসিডিল মোট ৫১ বোতল ফেনসিডিল জব্দ করেন জঅই-১১, সিপিসি-২, শাকতলা, কুমিল্লা। এ বিষয়ে ১৭ সেপ্টেম্বর জঅই-১১ এর হাবিলদার (৪৫৩৪৫) মোঃ জাহিদ শিকদার বাদী হয়ে ১৯৯০ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯(১) এর ৩ (খ) ধারার বিধানমতে ব্রাহ্মণ পাড়া থানায় এজাহার দায়ের করিলে আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র পক্ষে আনীত অভিযোগ প্রমাণিতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মোঃ ইয়াহিয়া খান ২০১১ সালের ১৫ অক্টোবর বিজ্ঞ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন (যাহার নং-১৭৪)। পরবর্তীতে মামলাটি বিচারের জন্য আসিলে ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারী পলাতক আসামিগণের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় চার্জ গঠন করেন। এরপর রাষ্ট্রপক্ষে ১১জন মানীত সাক্ষীর মধ্যে ৭জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে যুক্তিতর্ক শুনানি অন্তে পলাতক আসামি মোঃ ওমর ফারুককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। উল্লেখ্য যে, মামলা চলাকালীন সময়ে আসামি মোঃ শানু মিয়া মৃত্যু বরণ করায় তাঁকে মামলার দায় হতে অব্যাহতি প্রদান করেন আদালত।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অনন্তপুর দক্ষিণ তেতাভূমি সাকিনের মৃত মোঃ শানু মিয়ার ছেলে মোঃ ওমর ফারুক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট মোঃ মিজানুর রহমান এবং আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন এডভোকেট মোঃ মাহবুবুর রহমান।

পশ্চিম জোড়কাননে জালভোট দেয়ার সময় ২ জন আটক

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদর দক্ষিণের পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়নের উপ-নির্বাচনে প্রমিন্যান্ট চাইল্ড একাডেমি ভোটকেন্দ্রে জালভোট দেয়ার সময় নৌকা প্রতিকের দুই ভোটারকে আটক করা হয়েছে।

রবিবার (১৭ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আটক হওয়া দুইজনের নাম জানায়নি ম্যাজিষ্ট্রেট। তাদেরকে পুলিশের ভ্যানে তুলে দেয়া হয়েছে।

জোড়কানন ইউপির সুবর্ণপুর কেন্দ্রে এজেন্টকে মারধর

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদর দক্ষিণের পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়নের উপ-নির্বাচনে সুবর্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোটকক্ষে প্রবেশ করে এক চেয়ারম্যান প্রার্থীর এজেন্টকে মারধর করে রক্তাক্ত করেছে বহিরাগতরা।

আহত এজেন্টের নাম মো: আলী। তিনি অটোরিক্সা প্রতিকের প্রার্থীর এজেন্ট।

রবিবার (১৭ জুলাই) সকাল ১০ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে ম্যাজিষ্ট্রেট কেন্দ্রে যান। ম্যাজিস্ট্রেটকে দেখে বহিরাগতরা পালিয়ে যান।

পশ্চিম জোড়কাননের কালিকাপুর কেন্দ্রের বাইরে ৯টি ককটেল বিস্ফোরণ, চেয়ার-টেবিল ভাংচুর

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদর দক্ষিণের  পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়নের উপ-নির্বাচনে মুরাদ কালিকাপুর আর্দশ ইসলামিয়া মাদ্রাসা ভোটকেন্দ্রের বাইরে  প্রায় ৮/৯টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ  সময় এক প্রার্থীর চেয়ার টেবিল ভাংচুর করা হয়।

রবিবার (১৭ জুলাই) সকাল সোয়া ৯ টার দিকে এসব ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে বিজিবি ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছেছে।

এ ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ভোটারদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। অনেক ভোটার  ভোট না দিয়ে কেন্দ্র ছেড়ে চলে যায়।

 

নোবিপ্রবিতে প্লাস্টিক বোতলের পরিবর্তে মিলছে গাছের চারা

মোঃআবদুল্লাহ আল নাঈম,নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) তে কোস্টাল এনভায়রনমেন্ট নেটওয়ার্ক (কোয়েন) এর উদ্যোগে প্লাস্টিক বোতল এর পরিবর্তে গাছ প্রদান করা হয়েছে।

১৬ ই জুলাই ( রবিবার) বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৩ এর প্রতিপাদ্য বিষয় আর এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আয়োজনের উদ্যোগ নেন পরিবেশ বিষয়ক ক্লাবটি।

উক্ত কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ছিলেন মাননীয় উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. আব্দুল বাকী। এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নোবিপ্রবির বিজ্ঞান অনুষদের ডিন জনাব প্রফেসর ড.মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ভুঁইয়া, নোবিপ্রবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) জনাব অধ্যাপক ড. এস এম মাহাবুবুর রহমান, ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম হলের প্রভোস্ট ড. আনিসুজ্জামান রিমন, ইএসডিএম বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক জনাব ড. মো: আব্দুস সালম ও শাহরিয়ার মোহাম্মদ আরিফুর রহমান, সঞ্জয় সাহা সনেট, মোহাম্মদ কামরুজ্জামান তুষার স্যার৷

কোয়েনের উদ্যোগে প্লাস্টিক বোতলের পরিবর্তে গাছ প্রদান
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের চেয়ারম্যান জনাব ড.মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান। এছাড়াও বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন এ আয়োজনে৷

বিশেষ অতিথি বক্তব্যে প্রফেসর ড.মোহাম্মদ আতিকুর রহমান ভুঁইয়া বলেন, এ রকম আয়োজন আমাদের সকলকে অনুপ্রানিত করে৷ বর্তমান সময়ের যে পরিবেশ দূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব আমরা পরিলক্ষিত করি তার জন্য এমন উদ্যোগ নেয়া আসলেই প্রয়োজন বলে আমি মনে করি৷এ রকম আয়োজনে জন্য আমি কোয়েনকে সাধুবাদ জানাই৷

অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে জনাব ড.মোহাম্মদ মহিনুজ্জামান বলেন, আমি সব সময় এ ধরনের আয়োজনকে অনুপ্রানিত করি ও সাধুবাদ জানাই। আমরা সবাই যদি এ রকম আয়োজন সব সময় করতে পারি তাহলে পরিবেশ রক্ষা সহজ হয়ে উঠবে৷

অনুষ্ঠানের আয়োজক কোস্টাল এনভায়রনমেন্ট নেটওয়ার্ক (কোয়েন) এর সভাপতি মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রথম থেকেই আমরা চিন্তা করেছিলাম প্লাস্টিক দূষণ রোধে অংশগ্রহণ মূলক কি করা যেতে পারে। তখনি আমরা সবাই মিলে এই উদ্যোগ হাতে নিই। এতে করে বৃক্ষ রোপন যেমন হয়েছে তেমনি এখানে সেখানে পরে থাকা প্লাস্টিক বোতলও সংগ্রহ হয়েছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভার্সিটির প্রায় সব প্লাস্টিক বোতল কালেক্ট করে আমাদের দিয়েছে। আমরা ৫ জুন প্রায় ৩৫ কেজি প্লাস্টিক বোতল সংগ্রহ করেছি তার বিনিময়ে ১৫০ টি গাছের চারা প্রদান করেছি। পরিবেশ রক্ষায় সামনে আরো এরকম ব্যতিক্রমি উদ্যোগ আমরা গ্রহন করবো।

এ বিষয়ে কোয়েন এর সাধারণ সম্পাদক মায়িশা মিশকাত বলেন, ” বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৩ এ, আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল ব্যাতিক্রমধর্মী উদ্যোগের মাধ