All posts by jitu

জীবিকার সন্ধানে লন্ডনে গিয়ে ১৪ দিনেই লাশ হলেন বাংলাদেশি যুবক

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

লন্ডনের সেডনবার্গ শহরে অগ্নিকাণ্ডে মো. মিজানুর রহমান (৪১) নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। মাত্র ১৪ দিন আগে জীবিকার সন্ধানে লন্ডনে গিয়েছিলেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে লন্ডনের রয়াল হসপিটালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত মিজানুর রহমান নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মোহাম্মদপুর গ্রামের আবদুর রব মেম্বারের ছেলে।

নিহতের বাবা আবদুর রব মেম্বার বলেন, মিজানুর রহমান দীর্ঘদিন সৌদি আরবে ছিল। ২০১৯ সালের প্রথম দিকে দেশে আসে মিজান। এরপর থেকে সে বাড়িতে ছিল। ধারদেনার মাধ্যমে ১৬ লাখ টাকা খরচ করে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দেশ থেকে লন্ডনে যায় সে।

লন্ডনের সেডনবার্গ শহরে অন্য বাংলাদেশিদের সঙ্গে একটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন মিজান। শনিবার (৪ মার্চ) রাতে কাজ শেষে নিজ বাসায় এসে অন্যদের সঙ্গে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ১২টার দিকে বাসায় থাকা একটি মোটরচালিত সাইকেলের ব্যাটারির বিস্ফোরণ ঘটে। এতে বাসায় থাকা গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণ হয়ে পুরো বাসায় আগুন ধরে যায়। পরে ঘরে থাকা মিজানসহ ২৪ জন অগ্নিদগ্ধ হয়ে আহত হন।

আহতদের উদ্ধার করে লন্ডনের রয়াল হসপিটালে ভর্তি করা হয়। সেখানে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

এদিকে মিজানের মৃত্যুতে তার দেশের বাড়ি সেনবাগে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাকে হারিয়ে পাগলপ্রায় স্ত্রী খাদিজা আক্তার খুকি, ছেলে ইরফানুর রহমান রাফি ও মেয়ে নুসরাত জাহান সুরাইয়া। দ্রুত সময়ের মধ্যে মিজানুর রহমানের মরদেহ দেশে আনার বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা চেয়েছে তার পরিবার।

কুমিল্লা বোর্ডের এইচএসসিতে ১৭১ জনের ফল পরিবর্তন, ফেল থেকে পাস ৪৪

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে এইচএসসির পুনঃনিরীক্ষণে ১৭১ জনের ফল পরিবর্তন হয়েছে।

শুক্রবার কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ড. মো. আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, এবার পুনঃনিরীক্ষণের জন্য ছয় হাজার ৭৭৫ জন শিক্ষার্থী আবেদন করে। অনেক শিক্ষার্থী একাধিক পত্রে আবেদন করে। বিষয়ভিত্তিক আবেদন পড়ে ২১ হাজার ৮৫৪টি। সবগুলো খাতা পুনঃনিরীক্ষণে ১৭১ জনের ফল পরিবর্তন হয়। নতুন করে জিপিএ-৫ পায় ৩৩ জন। ফেল থেকে পাস করে ৪৪ জন। এছাড়া পূর্বে পাস করা ১৩৬ জনের জিপিএ পরিবর্তন হয়।

২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল গত ৮ ফেব্রুয়ারি ঘোষিত হয়। পরীক্ষায় কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ছিল ৯০ দশমিক সাত দুই শতাংশ। ৮৫ হাজার ৮৮০ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। পাস করে ৭৭ হাজার ৯০৭জন। জিপিএ-৫ পায় ১৪ হাজার ৯৯১ জন শিক্ষার্থী। পুনঃনিরীক্ষণে জিপিএ-৫ প্রাপ্তির সংখ্যা ১৫ হাজার ছাড়ালো।

কুমিল্লায় র‌্যাবের অভিযানে গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লায় অভিযান পরিচালনা করে এরশাদ মিয়া (৩৫) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৯ মার্চ গভীর রাতে কোতয়ালী মডেল থানাধীন জালুয়াপাড়া এলাকা থেকে ১০ কেজি গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত এরশাদ উত্তর বাঘবেড় গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১০ মার্চ) কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কুমিল্লা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে ১৫ পদের মধ্যে ১২টিতে আ’লীগের জয়

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ সাদা প্যানেল নিরঙ্কুশ জয়ী হয়েছে। কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৩-২৪ সালের নির্বাচনে ১৫টি পদের বিপরীতে আওয়ামী লীগ পন্থী সাদা প্যানেল, বিএনপি ও জামায়াতপন্থী নীল প্যানেল এবং বিদ্রোহীসহ মোট ৩০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

ফলাফলে সাদা প্যানেল থেকে এডভোকেট মোঃ আহছান উল্লাহ খন্দকার সভাপতি এবং এডভোকেট আবু তাহের সাধারণ সম্পাদকসহ ১২ জন নির্বাচিত হয়েছেন। ১৫টি পদের মধ্যে বাকি ৩টি পদে বিএনপি-জামায়াতপন্থী নীল প্যানেলের প্রার্থীরা জয়লাভ করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) সারাদিন ভোটগ্রহণের পর শুক্রবার (১০ মার্চ) সকালে ভোট গণনা শেষে কাঙ্ক্ষিত ফল ঘোষণা করেন আইনজীবী সমিতির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক এডভোকেট শাহাজাহান সিরাজ।

সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা জেলা আইনজীবী সমিতির ২০২৩-২০২৪ সালের নির্বাচনে ১৫টি পদের বিপরীতে ৩০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন। এই নির্বাচনে সমিতির ১ হাজার ২২১ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৪৯ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। ঘোষিত ফল অনুযায়ী ৫৮৮ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে নির্বাচিত হন এডভোকেট মোঃ আহছান উল্লাহ খন্দকার । এ পদে প্রতিদ্বন্দ্বি এডভোকেট তারেক আবদুল্লাহ পান ৫৪৪ ভোট।সহ-সভাপতি পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মাহাবুবুর রহমান পেয়েছেন ৬০৫ ভোট ও শাহ আলম মজুমদার পেয়েছেন ৫৯৭ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়াহিদুর রহমান সরকার পেয়েছেন ৪৮৯ ভোট ও মো: এয়াকুব আলী পেয়েছেন ৪৭০ ভোট, সাধারণ সম্পাদেক পদে অ্যাডভোকেট আবু তাহের ৬২৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন, এই পদে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এডভোকেট খন্দকার মিজানুর রহমান পান ৪৭৫ ভোট, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে বিএনপি-জামাতপন্থী ইয়াকুব আলী চৌধুরী পেয়েছেন ৬৪৭ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাকির হোসেন পেয়েছেন ৪৮৭ ভোট, ট্রেজারার পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এডভোকেট নবেন্দু বিকাশ সর্বাধিকারী দোলন ৬১০ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কাজী মফিজুল ইসলাম পেয়েছেন ৫২৫ ভোট, লাইব্রেরি সেক্রেটারি পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এডভোকেট সঞ্জয় কুমার সরকার ৫৭৭ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোশারফ হোসেন পাখি পেয়েছেন ৫১২ ভোট, এনরোলমেন্ট সেক্রেটারি পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সৈয়দ সাহিদুল আহসান টিপু ৬০৬ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মনির হোসেন পাটোয়ারী পেয়েছেন ৫১৯ ভোট, আইটি পদে বিএনপি-জামাতপন্থী সমর্থিত প্রার্থী শাহাজাহান ভূইয়ান পেয়েছেন ৬০৮ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মহসিন ভূঁইয়া পেয়েছেন ৫১০ ভোট, রিক্রিয়েশন সেক্রেটারি পদে বিএনপি-জামাতপন্থী কাজী আব্দুল কাইয়ুম মিন্টু পেয়েছেন ৬৫৯ ভোট এবং তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এডভোকেট আছিয়া মাহজাবিন খান নিশু পেয়েছেন ৪৬৩ ভোট।

সদস্য ৫টি পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এডভোকেট রাশেদা বেগম ৬২২ ভোট, এডভোকেট জামিল আহাম্মেদ টিপু ৬১৮ ভোট, মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন ৫৮৬ ভোট, সুলতানা সালেহ চৌধুরী লাভলী ৫৮০ ভোট, এবং মোহাম্মদ খোরশেদ আলম ৫৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

কুমিল্লায় ডিবির পৃথক অভিযানে পিস্তল,২ রাউন্ড গুলি ও গাঁজাসহ আটক ৩

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লায় পৃথক অভিযান পরিচালনা করে একটি পিস্তল, ২ রাউন্ড গুলি ও ২১ কেজি গাঁজাসহ ৩ জনকে আটক করেছে গোয়েন্দা পুলিশের একটি টিম।

বৃহস্পতিবার (৯ মার্চ) নগরীর মোগলটুলির নিজ বাসা থেকে মোঃ সামছুদ্দিনকে (৪৮) আটক করা হয়। এসময় তার শোয়ার কক্ষে থাকা খাটের উপর বালিশের নিচ থেকে একটি হাতে তৈরী বিশেষায়িত দোনালা পিস্তল, যাহার ডাবল ব্যারল, ডাবল ট্রিগার এবং ২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।

সামছুদ্দিন (৪৮) মোগলটুলির ৫নং ওয়ার্ডের মোছলেম উদ্দিনের ছেলে। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে কোতয়ালী মডেল থানায় একটি অস্ত্র মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এছাড়াও ৮ মার্চ বুড়িচং ও সদর দক্ষিণ উপজেলায় ডিবির দুইটি টিম পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ২১ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করে। এ বিষয়ে বুড়িচং এবং সদর দক্ষিণ থানায় পৃথক দুইটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়েছে।

সেলফি রোড

 

আহমেদ হানিফঃ

তোমার রূপের নেশায় মুগ্ধ আমি হয়ে যাই পাগলপারা। বাংলার যে দিকে তাকাই না কেনো মুগ্ধতার আবেশনে বাঁধা পড়তেই হয়। এই চিরযৌবনা বাংলার রূপ কীর্তনে লেখকের চিন্তারাজ্যের কথা ফুরিয়ে যেতে পারে ,তবে এই বাংলার চিরাচরিত রূপের মাধুর্যতার একটুও লোপ পাবে না।

কবির দেশে বাংলার রূপের যে কদর তা এদেশের মানুষের নজর এড়ায়নি। জীবনানন্দ দাশের লেখা কিংবা জসীম উদ্দীনের লেখনীতে বারংবার উঠে আসে বাংলা মায়ের মোহনীয় রূপের বর্ণনা।
ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইলের দেহটায় সবদিকে ছড়িয়ে আছে নানান ঢঙে সাজানো অপরূপ সৌন্দর্য্যের মায়াবতী স্থান সমূহ।

ঘুরে বেড়ানোর অভিপ্রায়ে যখন এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়াই তখন দৃষ্টিগোচর হয় বাংলার নানান রূপের। তেমনি একটা স্থান নিয়ে দু’কলম লেখার আয়োজনে বসেছি-

সেলফি রোড:-
বর্তমান প্রজন্মের মানুষেরা ‘সেলফি’ নামক এই প্রত্যয়ের সাথে পরিচিত, সামাজিক অনুষ্ঠান, বিয়ে,মিলনমেলার আয়োজনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো সেলফি তোলা।মুঠোফোনের সামনের ক্যামেরার ব্যবহারে যত্রতত্র সেলফি তুলতে পারলেও আপনি এই সেলফি রোডের সন্ধান পেতে বেড়িয়ে পড়তে হবে আপন আঙিনা ছেড়ে। চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়ি উপজেলার দাঁতমারা ইউনিয়নের হেয়াকো আসলেই আপনি সেলফি রোডের সন্ধান পাবেন।

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় রাবার বাগানটাকে নিয়ে কথিত সেলফি রোডের আত্মপ্রকাশ। রাস্তার দু’পাশের সারি সারি রাবার গাছের মাঝ দিয়ে পাহাড়ি আবহে সাপের মতো এঁকেবেঁকে চলা একটা রাস্তাই সেলফি রোড। এখানে আপনি হারিয়ে যেতে পারবেন মুগ্ধকর এক কল্পরাজ্যে যেখানে সবুজের সমারোহে মিলন ঘটবে প্রাণের সাথে সবুজের।

বিখ্যাত বনে যাওয়া রোড:-
যান্ত্রিক নগরে মানুষকে একটু যানজটের চাপ থেকে বাঁচানোর জন্য বর্তমান সরকারের আমলে এই সেলফি রোডের নির্মাণ কাজ হয়।বাইপাস হয়ে রাবার বাগান দিয়ে রাবার ও মালবাহী ট্রাকগুলো চলে যায় রামগড়-বারইয়ারহাট ও হাটহাজারীর দিকে।

জনমানবহীন এলাকা হওয়ার এলাকার মানুষেরা মোটরসাইকেল চালানো শেখার জন্য এটা বেচে নিয়েছিলো,এক দুই করে করে হাজার হাজার মানুষের গমন শুরু হতে থাকে।
এলাকার এক কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের কল্যাণে অল্প সময়ের মধ্যে এই রাস্তার দু’পাশের সৌন্দর্যের চিত্র পৌঁছে যায় ভ্রমণ পিপাসুদের নজরে।
মানুষজনের আনাগোনায় অখ্যাত একটা সাধারণ রোড হয়ে যায় বিখ্যাত ও পর্যটক আকৃষ্ট এক রাস্তায়।

সেলফি রোডের সৌন্দর্য:-
দাঁতমারার ইসলামপুর নামক স্থান থেকে শুরু হয় মূলত এই রোডের সৌন্দর্যের দৃশ্যগুলো। যেদিকে তাকাবেন আপনার চোখ আটকে যাবে সারি সারি রাবার গাছের দিকে।একদম সকালে গেলেই চোখে পড়বে রাবার বাগানে কর্মরত শ্রমিকদের রাবার গাছের কষ তোলার দৃশ্য।
দুই পাশের গাছ গুলোর ডালপালা গুলো যেন পরস্পর নিজেকে আবদ্ধ করার নেশায় মজে রাস্তাটাকে ছায়ার প্রেমে আবদ্ধ করে রাখে।
বাগান হতে একটু এগিয়ে গেলে যেমন মিলবে চা বাগানের অপরূপ রূপ তেমনি পাশের টিনের ছাউনির ঘর গুলো আপনাকে গ্রাম বাংলার রূপ আস্বাদনে বাধ্য করবে।

দর্শনার্থী ও জীবিকা:-
লোকমুখে এই সৌন্দর্যের প্রকাশ ঘটতে ঘটতে এই রাস্তাটা হয়ে উঠে দর্শনীয় স্থান হিসেবে। প্রতিবছর ঈদের দিনগুলোতে বাংলাদেশের নানা স্থান থেকে মানুষ এখানে বেড়াতে আসে।প্রতি শুক্রবারে এখানে মানুষের ঢল নামে।

এই রাস্তাকে কেন্দ্র করেই এখন বহু মানুষের জীবিকার সংস্থান হয়েছে-
চটপটি, ফুসকা ও ঝালমুড়িওয়ালাদের জীবিকার সংস্থান হয় এখানে আগত দর্শনার্থীদের কাছে বিক্রি করার মাধ্যমে। মৌসুমি অনেক ফলও আপনি সহজে এখানে পেতে পারেন। পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসা মানুষজনদের কথা চিন্তা করে এখানে গড়ে উঠেছে ছোটখাটো দোকানপাটের।

নিজেকে বিলিয়ে দিতে যদি চান সবুজের সমারোহে তবে আপনি আসতে পারেন এই সেলফি রোড়ে।প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য আপনাকে হারিয়ে যেতে বাধ্য করবে সুন্দরে।

তবে হ্যাঁ- এই সেলফি রোডের সৌন্দর্য অবলোকন করতে করতে মজতে পারবেন সেলফি তোলার আয়েশে।

ধারের টাকা ফেরত চাওয়ায় কুমিল্লার ছেলে তানভীরকে হত্যা

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ধারের টাকা ফেরত চাওয়ায় ঋণদাতার ওপর প্রতিশোধ নিতে তার ৯ বছরের শিশু তানভীর আহমেদকে হত্যা করেছে ঋণগ্রহীতা।

বুধবার (৮ মার্চ) সন্ধ্যায় আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ি এলাকা থেকে হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-৪।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আনোয়ার হোসেন (২৪), তামজিদ আহমেদ রাফি (১৪) ও সাকিব হোসেনকে (১৬)

গ্রেফতারকৃতরা সবাই ওই এলাকায় ভাড়া থাকত বলে জানা গেছে। ৩ জনকে আজ ভোরে আশুলিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিহত শিশু তানভীর কুমিল্লা জেলার লাঙ্গলকোট উপজেলার মোঃ সালাউদ্দিনের ছেলে। তার বাবা আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ি এলাকার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম হিসাবে দায়িত্ব পালনের সুবাদে বাবা-মায়ের সাথে মসজিদের কোয়াটারেই থাকত শিশু তানভীর ।

র‌্যাব জানায়, আনোয়ারের কাছে নিহত শিশুর বাবা সালাউদ্দিন ধারের ২০ হাজার টাকা পেতেন। সেই টাকার জন্য সালাউদ্দিন আনোয়ারের চাপ দিয়ে আসছিলেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আনোয়ার ও তার দুই সহযোগী ৭ মার্চ শবে বরাতের নামাজ শেষে কৌশলে তানভীরকে অপহরণ করে। পরে তাকে আছড়ে আহত করার পর ইট দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করে হত্যার পর ময়লার ড্রেনের পাশে বস্তাবন্দি করে ফেলে দেয়। পরে বিকেলে আশুলিয়ার টঙ্গাবাড়ি এলাকার ড্রেনের পাশ থেকে বস্তাবন্দি শিশু তানভীরের নিথর দেহ উদ্ধার করে র‌্যাব।

নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

কুবিতে ছাত্রলীগ নেতার উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

কুবি সংবাদদাতাঃ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শাখা ছাত্রলীগের তিন নেতার উপর প্রকাশ্যে মারধরের ঘটনায় হামলাকারীদের গ্রেফতার, অছাত্র এবং বহিরাগতদের বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা, আহত শিক্ষার্থী এনায়েত উল্লাহ এবং মো: সালমান চৌধুরীর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রদান পূর্বক নিরাপদ ক্যাম্পাস সুনিশ্চিত, এবং হামলায় ইন্ধনদাতা হিসেবে বিশ্ববিদ্যায়ের প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকীর অপসারণের দাবীতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার ০৯ মার্চ বিকাল সাড়ে তিনটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সাধারণ শিক্ষার্থী এবং শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় নেতাকর্মীরা দাবী জানিয়ে বলেন, আপনারা সবাই দেখেছেন কিভাবে দিনে দুপুরে বহিরাগত এবং যুবদলের নেতাকে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষর্থীদের মারধর করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে বহিরাগত এবং অছাত্রদের অস্ত্রসহ প্রবেশের পরও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের ভুমিকা প্রশ্নবিদ্ধ। নিয়মিত ঘটতে থাকা এসকল ঘটনায় দোষীদের বিষয়ে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো শিক্ষার্থীদের বহিস্কার করে প্রশাসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলন থেকে শিক্ষার্থীরা দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত নিয়মিত কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এরমধ্যে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঘটনার বিচারের দাবিতে প্রতিকী প্রতিবাদ মিছিল হয়েছে
আগামী ১২ মার্চ ২০২৩ বিশ্ববিদ্যালয়ে অছাত্র এবং বহিরাগত সন্ত্রাসী মুক্ত ক্যাম্পাসের দাবিতে এবং অন্য সকল দাবী পূরণের নিমিত্তে মানববন্ধন এবং উপাচাযর্কে স্মারকলিপি প্রদান, আগামী ১৩ মার্চ সোমবার বিক্ষোভ মিছিল এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে উল্লেখিত দাবী আদায় পর্যন্ত নিয়মিত কর্মসূচী থাকবে।

এর আগে, ৮ মার্চ দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বিসমিল্লাহ কনফেকশনারীর বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৭ সালে শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজা-ই-এলাহী সমর্থিত স্থানীয় যুবদল নেতা রনি হত্যা মামলার আত্মস্বীকৃত আসামী বিপ্লব চন্দ্র দাস, সাবেক শিক্ষার্থী ইকবালসহ ১২-১৫ জনের হামলায় গুরুতর আহত হন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালমান হৃদয়, বিজ্ঞান অনুষদ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সাইদুল ইসলাম রোহান।

শিক্ষার্থীদের দাবীর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন জানান, আমার কাছে অভিযোগ আসলে আমি সে বিষয়ে ব্যাবস্থা নিব। কোন ছাত্র যদি অপকর্ম করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে। আর হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে আমরা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি তারা ব্যাবস্থা গ্রহণ করবে। তবে অভিযুক্ত হত্যা মামলার আত্মস্বীকৃত আসামী বিপ্লব চন্দ্র দাস বিশ্ববিদ্যালয়ের সান্ধ্যকালীন কোর্সের শিক্ষার্থী এ বিষয়ে অবস্থান জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি শারীরিকভাবে অসুস্থ্য। সব বিষয়ে কথা বলতে হলে তুমি আমার অফিসে আসো।

তবে এবিষয়ে কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান জানান, আমি গতকাল রাতের মধ্যে গ্রেপ্তারের আশ্বাস দিয়েছিলাম, চেষ্টা অব্যাহত আছে। অতি শীঘ্রই হয়ে যাবে।

দেশের একদিকে দ্বগ্ধ মানুষেরা কষ্টে কাতরাচ্ছে অন্যদিকে আনন্দ ফুর্তি চলছে: জিএম কাদের

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সংসদে বিরোধীদলীয় উপনেতা জিএম কাদের এমপি বলেছেন, রাজধানীর সিদ্দিকবাজারে ভয়াবহ বিস্ফোরণে হতাহতের ঘটনায় দেশের মানুষ শোকাহত। যারা স্বজন হারিয়েছেন তাদের আহাজারি চলছে। স্বজনহারাদের প্রতি সহানুভূতি না জানিয়ে দেশে আনন্দ ফুর্তি চলছে। দেশের একদিকে আহাজারি অন্যদিকে আনন্দ ফুর্তি।

জি এম কাদের বলেন, যখন হাসপাতালের বেডে দ্বগ্ধ মানুষ অসহনীয় কষ্টে কাতরাচ্ছেন, তখন রাজনৈতিক নেতারা এটা নিয়ে একে-অপরের বিরুদ্ধে দোষারোপের রাজনীতি শুরু করছে। দুর্ঘটনা ঘটলেই দোষারোপের রাজনীতি শুরু হয়।

সরকারি দলের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বিরোধী পক্ষ আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে নাশকতা করছে কিনা-তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি নাশকতা হয়েই থাকে, তাহলে সরকার নাশকতা ঠেকাতে পুরোপুরি ব্যর্থ। নাশকতা ঠেকাতে যারা ব্যর্থ হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?

বৃহস্পতিবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যানের বনানীর কার্যালয় মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাতীয় মহিলা পার্টি আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় জি এম কাদের এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও জাতীয় মহিলা পার্টির আহবায়ক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি।

সভায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান আরও বলেন, ভয়াবহ দুর্ঘটনা থেকে দেশের মানুষকে রক্ষা করতে না পারলে রাষ্ট্র তো শোক প্রকাশ করতে পারে। দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে স্বজনহারাদের প্রতি সহানুভ‚তিটুকু জানানো যেত।

এখন ব্যর্থতা ঘোচাতে অপরকে দোষারোপ করা হচ্ছে। আমরা নিহতদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে দাবি জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, যারা ভয়াবহ দুর্ঘটনার জন্য দায়ী তাদের চিহ্নিত করা হচ্ছে না। যাদের ব্যর্থতা, অবহেলা, দায়িত্বহীনতা এবং দুর্নীতির কারণে এমন ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

তিনি বলেন, একটি দুর্ঘটনা ঘটলে তা থেকে শিক্ষা নিতে হয়, যাতে এমন দুর্ঘটনা আর না ঘটে। দুর্ঘটনা ঘটলে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু তদন্ত রিপোর্ট কেউ জানে না। তদন্ত কমিটি কী সুপারিশ করলো কেউ জানে না।

জিএম কাদের বলেন, দুর্ঘটনার জন্য কে দায়ী বা দায়ীর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে-তা কেউ জানতে পারে না। এখন সব কিছুতেই গলদ। ভবন তৈরি হয় বিল্ডিং কোড মানা হচ্ছে না। গ্যাসের লাইন বৈধ না অবৈধ তার ঠিক নেই। এগুলো দেখাশোনার দায়িত্বে যারা, তাদের খোঁজ নেই। এত বড় বড় দুর্ঘটনা ঘটছে কিন্তু কারণ উদঘটনা করা সম্ভব হচ্ছে না। এর চেয়ে বড় ব্যর্থতা আর হতে পারে না।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, নারী-পুরুষের বৈষম্য স্বাভাবিকভাবেই দূর হয়ে যাচ্ছে। তবে সবার আগে দেশের মানুষের মধ্যে ক্ষমতার বৈষম্য দূর করতে হবে। ক্ষমতার ভারসাম্য সৃষ্টি করতে হবে।

দেশের মানুষের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে হবে। ক্ষমতা এখন একটি গোষ্ঠী বা এক ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভ‚ত হয়ে পড়েছে। ক্ষমতা থাকলেই অধিকার নিশ্চিত হয়। দেশের মানুষের হাত থেকে ক্রমেই ক্ষমতা দূরে সরে যাচ্ছে। তাই দেশের মানুষ অধিকার বঞ্চিত হচ্ছে।

জিএম কাদের বলেন, ১৯৭১ সালে দেশের মানুষ বৈষম্য থেকে মুক্তি চেয়েছিল। মুক্তির জন্য দেশের মানুষ মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ নিয়েছে। আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, পতাকা পেয়েছি, ভূখণ্ড পেয়েছি এবং একটি সংবিধান পেয়েছি। কিন্তু, সেই সংবিধানে যা লেখা ছিলো তা থেকে আমরা আস্তে আস্তে দূরে সরে গেছি।

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করতে হলে আগে ক্ষমতার বৈষম্য দূর করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করতে পারলেই দেশ থেকে বৈষম্য দূর করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ক্ষমতার বৈষম্য কমছে না, বরং দিন দিন বাড়ছে। ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ার কারণে এক শ্রেণির মানুষ ধনী থেকে আরও ধনী হচ্ছে। আর দরিদ্র আরও দরিদ্র হচ্ছে। এক শ্রেণি এত ধনী হচ্ছে যে তারা দরিদ্রদের চিনতেই পারছেন না। সাধারণ মানুষের কাছে অধিকার বলতে কিছুই নেই। নাগরিক হিসেবে মানুষের যে অধিকার থাকার কথা ছিলো তা এখন আর নেই। মানুষকে তার অধিকার ফিরিয়ে দিতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় জাতীয় পার্টি মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেন, নারীদের ক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে নারীদের অগ্রণী ভূমিকা রাখতে হবে।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বলেন, দেশের সব উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে নারীর অবদান অনস্বীকার্য। আন্দোলন সংগ্রামে নারীদের আরো এগিয়ে আসতে হবে।

জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি বলেন, নারীকে বাদ দিয়ে আন্à