All posts by jitu

সমকালীন ভাবনা: বৌভাত, সুন্নতে খৎনা এবং ব্যবসায়

সাইদুল হাসান:

বৌভাত। বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ে চালু হওয়া প্রচলিত অনুষ্ঠানটির নাম ‘বৌভাত’। বর্তমান সময়ে শুধু হিন্দু সম্প্রদায়ে নয়, মুসলিম সম্প্রদায়েও এটি খুবই পপুলার একটি অনুষ্ঠানের নাম। এই সেগমেন্টটি ছাড়া আজকাল বেশিরভাগ বিয়েই হচ্ছে না। অর্থাৎ এসময়ে বিয়ের ক্ষেত্রে এই অনুষ্ঠানটির গুরুত্ব ব্যাপক। যদিও ইসলামী রীতি রয়েছে বিয়ে ও বিয়ের অনুষ্ঠানকে ঘিরে। সাধারণত বিয়ের এক দিন কিংবা দুই দিন পর বরের বাড়িতে বৌভাত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যে প্রোগ্রামে বরের শ্বশুরবাড়ির মানুষজনসহ নিজের আত্মীয়স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীদের দাওয়াত দেওয়া হয়ে থাকে এবং নানারকম সুস্বাদু খাবারের সমারোহ ঘটে। প্রোগ্রামটির অন্য নাম ‘প্রীতি ভোজ’। অতিথিরা এসব অনুষ্ঠানে এটেন্ড করেন এবং হরেক রকম উপহার প্রদান করে থাকেন কনে’কে। এসব অনুষ্ঠানের সবচে’ বৈচিত্র্যপূর্ণ দৃশ্যটি হচ্ছে ‘প্যান্ডেলের পাশে অথবা সামনে চেয়ার-টেবিল বসিয়ে, খাতা-কলম নিয়ে টাকা আদায় করা’। এই পার্ট’টির মানে কি? মানে হচ্ছে যেহেতু দাওয়াত খেতে এসেছেন, সুতরাং দাওয়াত খাওয়ার পর টাকা কিংবা উপহার দিয়ে যান। একজন বসে থাকেন ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে। যিনি প্রাপ্ত উপহার কিংবা টাকার পরিমাণ ও প্রদানকারীর নাম খাতায় লিপিবদ্ধ করেন। টেবিলটিতে সাজানো থাকে পান-সুপারি, জর্দা এবং টিস্যু। অর্থাৎ হাত মুছার জন্য হলেও ঐ টেবিলের সম্মুখে আপনাকে দাঁড়াতে হবে। তখন হাত মুছে কিছু না দিয়ে চলে আসবেন? চক্ষুলজ্জ্বার কারণে এমনটা করতে সক্ষম হবেন না। অর্থাৎ টাকা না দিয়ে আসা মানে মানসম্মান বিলিয়ে দিয়ে আসা, বরপক্ষ এটা নিয়ে সমালোচনা করবে। অনেক দরিদ্র মানুষ আছেন যারা তিন বেলা খাবার যোগাড় করতে হিমশিম খান। তাদেরকেও ঐসব অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ করা হয়। অথচ অর্থকড়ির অভাবে উনারা এসব দাওয়াত থেকে বঞ্চিত হোন। (সকল বৌভাত প্রোগ্রামে কিন্ত এমন নিয়ম ফলো করে না।)

এবার আসি, সুন্নতে খৎনা অনুষ্ঠান বিষয়ে। বাঙালিসহ সারা বিশ্বের মুসলমান পুরুষদের মধ্যে এই রীতির প্রচলন। সুন্নতে খৎনা’কে ঘিরে নানান দেশে নানান ভোজের আয়োজন করা হয়ে থাকে। এদেশে যদিও বৌভাত এবং সুন্নতে খৎনার বিষয় কিংবা ঘটনা ভিন্ন তবুও দাওয়াতের পরিবেশ অনেকটা মিল। অর্থাৎ বৌভাত অনুষ্ঠানের মতো এটাতেও আত্নীয়স্বজন এবং পাড়াপড়শিদের আমন্ত্রণ করা হয়। যেখানে প্যান্ডেল কিংবা বাসার গেইটে টেবিল-চেয়ার বসিয়ে টাকা তোলা হয়। টেবিলে পান-সুপারি, জর্দা, খয়ার ও টিস্যু রাখা হয় এবং একটি খাতা রাখা হয় যা ইউজ করা হয়ে থাকে টাকা এবং উপহারের হিসেব রাখতে। উপহার প্রদানকারী এবং টাকা প্রদানকারীর নামও লেখা থাকে সিরিয়ালে। তারমানে এখানেও সেইম কাহিনী ঘটে বৌভাত অনুষ্ঠানের মতো। দাওয়াত খেয়ে টাকা কিংবা উপহার দিয়ে যান। কিছু না দিয়ে মাথা নিচু করে কোথায় যান?

এবার জানব ব্যবসায় সম্পর্কে। প্রথমে জানা দরকার ব্যবসায় কী? সাধারণত মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্য বৈধ উপায়ে পণ্য বা সেবাকর্ম ক্রয়-বিক্রয়ের কাজ-ই হলো ব্যবসায়। অর্থাৎ ব্যবসায় প্রথম এবং প্রধান উদ্দেশ্যই হচ্ছে মুনাফা অর্জন। এই একটি লক্ষ্য কিংবা উদ্দেশ্যকে ঘিরেই পৃথিবীর প্রতিটি ব্যবসায় পরিচালিত হয়ে থাকে। প্রাচীনকালে দ্রব্যের সাথে দ্রব্য আদান-প্রদানের মাধ্যম ব্যবসায় সংগঠন হতো। মানুষ তখন ঢালের সাথে শাকসবজির বিনিময় করতো। অর্থাৎ যার যেটা দরকার ছিল সে সেটা অন্যের থেকে নিতো তার কোনো একটি দ্রব্য প্রদানের মাধ্যমে। এর আগেও স্বর্ণমুদ্রার বিনিময় হতো ব্যবসায় কারবারে।

এবার আসি মূল কথায়, বৌভাত এবং সুন্নতে খৎনা অনুষ্ঠানে চেয়ার-টেবিল বসিয়ে টাকা তোলাকে আপনি কিসের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচনা করবেন? প্রোগ্রাম শেষে সন্ধ্যা কিংবা রাতে প্রাপ্ত উপহার ও টাকার হিসেব করা হয় এবং লাভ-ক্ষতির পরিমাণও বের করা হয়। যদিও লস বা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। অনুষ্ঠানে যত টাকা খরচ হয় তারচে’ প্রায় দ্বিগুণ পরিমাণের টাকা ওঠে এসব অনুষ্ঠানগুলোতে। তাছাড়া প্রতিটি পরিবারে এক জন করে ইনভাইট করে অনেকগুলো পরিবারের সদস্যকে ইনভাইট করা হয়ে থাকে। যেখানে একজন খেতে এসেও সর্বনিম্ন পাঁচশত প্রদান করেন। আসুন একটু হিসেব করি। মনে করি, একজন মেহমান সর্বোচ্চ ২০০ টাকার খাবার ভক্ষণে সক্ষম হলেন কিন্তু তিনি টাকা কিংবা উপহার দিলেন ৫০০-৫০০০ টাকার। এক্ষেত্রে লাভবান কে হলেন? অর্থাৎ খরচের চেয়ে দ্বিগুণ, তিনগুণ কিংবা চারগুণ হারে মুনাফা অর্জিত হয় এসব অনুষ্ঠানে। তাছাড়া পরিকল্পনা করেই এসব হিসেব কষে বরপক্ষ এবং সুন্নতে খৎনা অনুষ্ঠানের আয়োজনকারীরা চেয়ার-টেবিল, খাতা-কলম নিয়ে টাকা ওঠায়। এখানে আমি চমৎকার একটি কৌশলগত ব্যবসায় লক্ষ্য করলাম। যেখানে লস হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম তবে লাভ হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এসব ব্যবসায়ে মান-মর্যাদায় কোনো কমতি ঘটে না। ভদ্রবেশে হাজার-লাখ টাকা উপার্জন করা যায়। তাছাড়া সম্পর্কেরও কোনো ব্যাঘাত ঘটে না। সবদিক মিলিয়ে একটি কৌশলগত ব্যবসায়ের উৎকৃষ্ট উদাহারণ হিসেবে বিবেচনা করা যায় বৌভাত এবং সুন্নতে খৎনা নামক ব্যবসায়কে। যেখানে পূর্বানুমান, পরিকল্পনা, সংগঠন ও কর্মীসংস্থানের মতো ব্যবস্থাপনার কার্যাবলীও সংগঠিত হয়। পরিশেষে বলা যায়, বৌভাত, সুন্নতে খৎনাসহ অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠানে চেয়ার-টেবিল বসিয়ে খাতা-কলম নিয়ে টাকা তোলা ভদ্রবেশে কৌশলগত ব্যবসায়ের অন্তর্ভুক্ত।

এগুলো সামাজিক অনুষ্ঠানের নামে ন্যাক্কারজনক ব্যবসায়। তবে আসুন, আমরা স্ব স্ব অবস্থান থেকে এসব সামাজিক অনুষ্ঠান বর্জন করি এবং নিজেরাও এরকম ব্যবসায় থেকে বিরত থাকি। কারণ এসব ব্যবসায়ে আমাদের মধ্যবিত্ত, নিম্নবিত্ত মানুষেরা টিকে থাকতে পারে না। অর্থের অভাবে গরিবরা এসব অনুষ্ঠানে দাওয়াত খাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়।

বি.দ্র. যে ব্যক্তির নগদ অর্থ কিংবা অন্যান্য উপহার দেওয়ার সামর্থ্য আছে, তিনি অবশ্যই নিজ থেকে বরপক্ষ এবং যার সুন্নতে খৎনা হয়েছে তাকে খোঁজে উপহার প্রদান করবেন। এটাই তো সুন্দর নিয়ম। সামর্থ্যবানরা এগিয়ে আসবেন। তাছাড়া গরিবরা নির্দ্বিধায় দাওয়াত খাবেন। এমন সুন্দর নিয়ম চালু হোক প্রতিটি সামাজিক অনুষ্ঠানে।

জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধিতে গুলশান বনানীর মানুষেরও ঝুঁকি আছেঃ কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক

মোঃ উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল:

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশে আগে সরষে তৈল আমাদের প্রধান তৈল জ্বাতীয় ফসল ছিল। এক সময় এটাই মানুষ খেতো। তখন আমরা ফাম ওয়েল, সয়াবিনও চিনতাম না। বর্তমানে আমরা ৯০ ভাগ ভোজ্য তেল বিদেশের ওপর নির্ভরশীল। প্রতি বছর যেখানে আমরা দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি ভোজ্য তেলে খরচ করি। আমরা কর্মসূচি নিয়েছি আগামী ৩ বছরের মধ্যে তৈল জাতীয় ফসলের নির্ভরশীলতা আমরা ৫০ শতাংশে নামিয়ে আনবো।

তিনি আরও বলেন, কুমিল্লাসহ সারা দেশে ফসল উৎপাদন বাড়ছে। আমরা আন্তর্জাতিক বাজারে শাকসবজি রপ্তানি করার ব্যবস্থা করছি। যা আমাদের অর্থনীতির চাকাকে আরো শক্তিশালী ও সম্মৃদ্ধশালী করবে।

রবিবার (৭ আগস্ট) কুমিল্লা শিল্পকলা একাডেমিতে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং রাঙ্গামাটি অঞ্চলের বিদ্যমান শস্য বিন্যাসে তৈল ফসলের অর্ন্তভুক্তি এবং ধান ফসলের অধিক ফলনশীল জাতসমূহের উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে কৃষিতে অবশ্যই এটার প্রভাব পড়বে। চাষীরা কষ্ট করে হলেও চাষ করবে। তারা এবার লাভ কম করে হলেও চাষ করবেন। কারণ খরচ বৃদ্ধি পাবে। তাই লাভ কম হলেও উৎপাদন কমবে না। এদেশের কৃষকরা এত ত্যাগী, তারা বউয়ের গলার হার, কানের দুল বিক্রি করেও চাষাবাদ করে। তারা গরু ছাগল বিক্রি করে সার কিনে ফসল উৎপাদন করে।

মন্ত্রী এসময় আরো বলেন, সারা দেশের মানুষেরই কষ্ট হচ্ছে। হয়তো মানুষ ভাবে গুলশান বনানীর মানুষের কি কষ্ট। বড় বড় শিল্পপতিদের কি কষ্ট। কিন্তু না। তাদের জন্যেও ঝুঁকি আছে। তেলের ব্যবহার তো সর্বত্র বিদ্যমান। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধ হলে তেলের দাম কমিয়ে আনবেন। আমরা আবার তেলের দাম কমিয়ে নিয়ে আসবো। দেশকে তো আমরা ঝুঁকির মুখে দিতে পারিনা। যদি আরও ভূর্তকি দেই তাহলে সরকারের রিজার্ভ একধম কমে যাবে। তার চেয়ে বরং আমরা এখন থেকেই সতর্ক হই। যুদ্ধ তো আর সারা বছর চলবে না। যুদ্ব শেষ হলে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবো।

উক্ত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ সায়েদুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন মেয়র আরফানুল হক রিফাত। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন চেয়ারম্যান এ এফ এম হায়াতুল্লাহ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বেনজির আলম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট মহাপরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট মহাপরিচালক ড. শাহজাহান কবীর, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরিচালক হাবিবুর রহমান চৌধুরী।

কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সিলেট, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম এবং রাঙ্গামাটি অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালকগণ সহ বিভিন্ন জেলা থেকে আগত নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

চৌদ্দগ্রামের শ্রীপুর ইউনিয়নে সন্ত্রাসীদের হামলা: নারীসহ আহত ৮ জন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের শ্রীপুর ইউনিয়নে পূর্বের মামলার জেরে হামলায় ২ নারীসহ ৮ জন আহত হয়েছে ।

শুক্রবার (৫ আগষ্ট) বিকালে ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মেম্বার বজলুর রহমান ও হাফজ রশিদের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী গোপাল নগরের নাছির ডিলারের বাড়ীতে হামলা চালায় । এ সময় সন্ত্রাসীরা কুপিয়ে নাছির উদ্দীন ডিলার, তার স্ত্রী রহিমা বেগম, ছেলে মোবারক হোসেন, মোতাহের হোসেন, চাচা আলী মিয়া,আবুল কালাম, ফাতেমা বেগম ও মাইন উদ্দিনকে কুপিয়ে জখম করে। এর মধ্যে গুরুতর আহত রহিমা, ফাতেমা ও আলী মিয়াকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

আহতরা কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। আহতরা সবাই ইউপি চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদারের সমর্থক ।

আহতরা জানায়, চাঁদাবাজির মামলা করার জের ধরে এই সংঘর্ষ হয়। এর আগে সন্ত্রাসীরা নাছির ডিলারের কাছে চাঁদা দাবি করে, না দেয়ায় হামলা করে ও টাকা পয়সা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে মামলা করলে তারা ক্ষিপ্ত হয় এবং আবারো হামলা করে।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদার জানান, এভাবে একটা এলাকা চলতে পারে না। প্রতিনিয়ত সংঘর্ষ-হামলার ঘটনা ঘটছে। মানুষ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। আমরা শান্তিতে বসবাস করতে চাই। আশা করি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এলাকায় শান্তি রক্ষায় দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন।

উল্লেখ্য যে, স্থানীয় সাংসদ মুজিবুল হক মুজিবের সাথে দ্বন্দ্বের জেরে ইউপি চেয়ারম্যান শাহজালাল মজুমদার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পরও এখনও নিজ কার্যালয়ে যেতে পারেন নি। তার কার্যালয় তালাবদ্ধ করে রেখেছে এমপি সমর্থিত কর্মীরা। ফলে জনগণও কাংখিত সেবা পাচ্ছে না। এছাড়া বেশ কয়েকবার ইউপি চেয়ারম্যান ও তার নেতাকর্মীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

শেখ কামালের জন্মদিনে বরুড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজন

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠপুত্র ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছোটভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। শুক্তবার (৫ আগস্ট) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বরুড়া উপজেলা শাখা আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদ সদস্যদের আত্মার শান্তি ও মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বরুড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছিমুল আলম চৌধুরী (নজরুল) এমপি। বক্তব্যে এমপি নজরুল বলেন, চিরতারুণ্যের প্রতীক অনন্য শেখ কামাল ছিলেন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং মুক্তি বাহিনীর গেরিলা যুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীর এডিসি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নিয়েও শেখ কামাল খুবই সাধারণ জীবনযাপন করতেন। তিনি ছিলেন একাধারে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সংগঠক। তিনি যেমন ছায়ানটে সেঁতার বাজিয়েছেন, তেমনি আবাহনী ক্রীড়াচক্র নামক ঐতিহ্যবাহী ফুটবল ক্লাব প্রতিষ্ঠা করেছেন। এছাড়া বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী শেখ কামাল ছিলেন ঢাকা থিয়েটার ও স্পন্দন শিল্পীগোষ্ঠীর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক। তারুণ্যের প্রতীক শেখ কামাল বেঁচে থাকলে হয়তো বর্তমান বাংলাদেশ যুব, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে আরও আধুনিক ও প্রগতিশীল অবস্থানে আসীন থাকতো। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধুসহ পুরো পরিবারের সঙ্গে শেখ কামালকেও আমরা হারিয়েছি।

শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা অনুষ্ঠানে তার ক্রীড়া ক্ষেত্রে অবদান নিয়ে আলোকপাত করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. নাসির উদ্দীন লিংকন। এ সময় পৌরসভার মেয়র মো. বকতার হোসেন বখতিয়ারসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও স্থানীয় নেতাকর্মীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লায় যাত্রীদের থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়

মোঃ উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল:

জ্বালানি তেলের দাম হঠাৎ বৃদ্ধির খবরে নির্দেশনার ছাড়া পূর্বের নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ তুলেছে যাত্রীরা। শনিবার (৬ আগষ্ট) কুমিল্লা নগরীর চকবাজার, শাসনগাছা, জাঙ্গালিয়া, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় এ দূর্ভোগ দেখা গিয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে ৫০ টাকা বেশি ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ তুলে যাত্রীরা। যাত্রীদের থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি ভাড়া নিচ্ছে বাসগুলো। যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন শুক্রবার (৫ আগষ্ট) রাত ১০ টার দিকে তেলের বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করার পর থেকে গাড়ি ভাড়া বাড়ানো হয়েছে।

কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী দুরপাল্লার যানবাহন মিয়াম্মী ( এসি) পরিবহন পূর্বের ভাড়া ২৫০ টাকার পরিবর্তে নিচ্ছে ৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েল কোচ, তিশা প্লাস সহ প্রত্যেক পরিবহন গুলো ও যাত্রীদের কাছ থেকে ৫০ টাকা বেশি ভাড়া নিচ্ছে।

এ ব্যাপারে বাস হেল্পার কন্ট্রাকটাররা জানায় গতকাল রাত থেকে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে। আমাদের ও বেশি দাম কিনতে হয়েছে। তাই ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। ডিজেলর দাম কমিয়ে দেওয়া হোক আমরা ও ভাড়া কমিয়ে দিবো।

ঢাকাগামী রাশেদ মজুমদার জানান, সকালে ঢাকার উদ্দেশ্য বের হয়। বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখি আগের দামে কোনো কাউন্টারে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না টিকেট। এসি থেকে শুরু করে নন এসি সকল বাস গুলো কাউন্টারে একই অবস্থা। কর্মের জন্য যাওয়া লাগবে ঢাকায় তাই বাধ্য হয়ে ৫০ টাকা বেশি দিয়ে টিকেট কিনলাম।

কুমিল্লা থেকে ঢাকা গামী মিয়াম্মী বাসের যাত্রী মিজানুর রহমান জানান কালকেই ঢাকা যাওয়ার কথা ছিল। কর্মব্যস্ততায় আর যাওয়া হয় নাই। একদিনের ব্যবধানে ৫০ টাকা বেশি ভাড়া দিয়ে যেতে হচ্ছে

এ বিষয়ে কুমিল্লা বাসমালিক সমিতির মহাসচিব তাজুল ইসলাম জানান, গতকাল তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে, কিন্তু ভাড়া বাড়ার বিষয়ে আমাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা বা নোটিশ দেওয়া হয় নাই। যেসব বাস কতৃপক্ষ বাড়তি ভাড়া নেওয়া শুরু করছে তারা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে করতেছে। কালকে কেন্দ্রীয় ভাবে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদি সিদ্ধান্ত আসে তাহলে আমাদের পক্ষ থেকে সকল কতৃপক্ষকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য ভোক্তা পর্যায়ে লিটারপ্রতি ডিজেল ১১৪ টাকা, কেরোসিন ১১৪ টাকা, অকটেন ১৩৫ টাকা এবং পেট্রোলের দাম ১৩০ টাকা নির্ধারণ করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। শুক্রবার (৫ আগস্ট) রাত ১০টায় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

এতদিন কেরোসিন ও ডিজেল প্রতি লিটার ৮০ টাকা, অকটেন ৮৯ টাকা প্রতি লিটার ও পেট্রোল ৮৬ টাকা প্রতি লিটারে বিক্রি হচ্ছিল।

সদর দক্ষিণে গাঁজাসহ একজন আটক

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বারাইপুর এলাকা হতে ৬ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ সদস্যরা।

নিয়মিত টহলের অংশ হিসাবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল গত ৫ আগস্ট রাতে এ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ী হলেন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানার বারাইপুর গ্রামের মোঃ শফিকুল ইসলাম এর ছেলে আঃ জলিল (২৮)।

এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক অতিঃ পুলিশ সুপার আশরাফুজ্জামান অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কুমিল্লা জেলাজুড়ে জুলাই মাসে সড়কে ঝরেছে ৩০ প্রাণ

নেকবর হোসেন :
কুমিল্লায় জুলাই মাসে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেছে অন্তত ৩০ জন। এরমধ্যে ঈদ উল আযহার ছুটিতেই সড়ক-মহাসড়কে প্রাণ হারিয়েছেন ১২ জন।

সংশ্লিষ্ট থানা ও বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রাপ্ত পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। কুমিল্লা জেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহসড়ক, কুমিল্লা-নোয়াখালী, কুমিল্লা-চাঁদপুর এবং কুমিল্লা- সিলেট মহাসড়কে এসব দুর্ঘটনার সংখ্যা যেমন বেশি, তেমনি প্রাণহানিও বেশি।

সূত্র বলছে, জুলাই মাসের এক তারিখে ব্রাহ্মণপাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১ জন, ৬ জুলাই দাউদকান্দিতে মাইক্রোবাস চাপায় ২ পথচারী নিহত হন। ৮ জুলাই কুমিল্লা পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জন নিহত হয়েছেন। পরে ৯ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ঈদের ছুটিতে কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন জায়গায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১২ জন। ঈদের ছুটি শেষে ১৫ জুলাই জেলার দাউদকান্দি ও বুড়িচংয়ে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করেন ২ জন। ১৮ তারিখে বরুড়ায় ১ জন, ১৯ তারিখে লাকসাম-বুড়িচংয়ে ২ জন এবং ২০ তারিখে বুড়িচংয়ে ১ জন মারা যান। অপরদিকে ২১ তারিখে দেবিদ্বারে ৩ জন এবং চান্দিনায় ১ জন মৃত্যুবরণ করেন সড়ক দুর্ঘটনায়। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দেবিদ্বার এলাকায় একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু হয়।
হাইওয়ে পুলিশ ও সড়ক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, যানবাহনের অতিরিক্ত গতি এবং পথচারীদের অসচেতনতার কারণেই এসব দুর্ঘটনায় প্রাণহানির সংখ্যা বেশি। এগিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে সড়ক দুর্ঘটনায় আরো এক যুবকের (৪০) মৃত্যু হয়েছে। গত মঙ্গলবার দুপুরে দাউদকান্দির বেকিনগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ওই যুবকের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। পুলিশ ওই যুবকের লাশ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (কুমেক) ময়নাতদন্ত শেষে আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামে হস্তান্তরের মাধ্যমে দাফন সম্পন্ন করেন।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানার পুলিশ জানান, দাউদকান্দি হাইওয়ের ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ঢাকামুখী লেনে বেকিনগর এলাকায় বেপরোয়া একটি গাড়ি রাস্তার পাশে চলাচলকারী পথচারী ওই যুবককে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই ওই যুবকের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয়রা ৯৯৯ কল দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশ উদ্ধার করে। তাৎক্ষনিক অনেক চেষ্টা করেও ওই যুবকের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। তবে তাঁর কাধে একটি ব্যাগ পাওয়া। ওই ব্যাগে পরিচয় শনাক্ত হওয়ার মত কিছু পাওয়া যায়নি।

নোয়াখালীতে অস্ত্র হাতে যুবলীগ নেতার ছবি ভাইরাল

নোয়াখালী প্রতিনিধি :
নোয়াখালী সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ইসমাইলের অস্ত্র হাতে ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যুবলীগ নেতার এই ছবি নিয়ে চলছে নানা সমালোচনা। প্রশ্ন ওঠছে অস্ত্র হাতের ওই যুবকের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা কে?

যুবলীগ নেতা মো. ইসমাইল ধর্মপুর ইউনিয়নের পূর্ব শুল্লুকিয়া গ্রামের মোহাম্মদ উল্যাহর ছেলে এবং নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরীর সক্রিয় অনুসারী বলে জানা গেছে।

ধর্মপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খলিল কোম্পানী জানান, স্থানীয় লোকজন থেকে শুনেছি ইসমাইল মানুষকে কথায় কথায় অস্ত্রের ভয় দেখাতো। এখন নাকি তার হাতে অস্ত্রসহ ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এটা প্রশাসন খতিয়ে দেখা উচিৎ।

যুবলীগ নেতা মো. ইসমাইল বলেন, এ বিষয়ে আমার কোন বক্তব্য নাই। এটা নির্বাচনের সময় আমার পুলিশ কনস্টেবল বন্ধু একটা ছিল, তার অস্ত্র। দুষ্টামি করে তার হাত থেকে নিয়েছি। আমরা বন্ধু-বান্ধব মানুষ। এখন উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ফেসবুকে দিয়ে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, আমি এ ধরনের কোন ছবি দেখিনি। এ ব্যাপারে খোঁজখবর নেওয়া হবে।

নোয়াখালীতে ৩ দিন ধরে মাদ্রাসা ছাত্র হাসান নিঁখোজ

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের উত্তর নাজিরপুর ইসলামিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার ছাত্র মাহমুদুল হাসান (১৬) নিঁখোজ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) দুপুরের দিকে নিখোঁজ ছেলের সন্ধান পেতে ভিকটিমের মা আছিয়া খাতুন বেগমগঞ্জ মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। যাহার জিডি নং-২২৩। গত তিন দিন ধরে নিঁখোজ ছেলের খোঁজে মরিয়া পরিবারের সদস্যরা।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানায়, নিখোঁজ মাহমুদুল হাসান বেগমগঞ্জ উপজেরার উত্তর নাজিরপুর ইসলামিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসার মোতাফার রেকার ছাত্র। গত মঙ্গলবার (২ আগস্ট) বিকেল ৪টার দিকে মাদ্রাসা থেকে বাড়ি যাওয়ার কথা বলে বের হয়ে যায়। ঘটনার পরদিন বুধবার ছেলে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে বলে ফোন দেয় একটি প্রতারক চক্র। চিকিৎসার জন্য মোটা অংকের টাকা দাবি করে পরিবারের নিকট। নিরুপায় হয়ে ভিটটিমের পরিবার কিছু টাকা বিকাশের মাধ্যমে পাঠায়। প্রতারক চক্রের তথ্যà§