All posts by jitu

মে’তে সড়কপথে নিহত ১০২৯, শিক্ষার্থী ৪৪৪

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

২০২২ সালের ১ মে থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ৪ হাজার ৬৩১ টি সড়কপথ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৯৪ জন এবং নিহত হয়েছেন ১ হাজার ২৯ জন। নিহতদের মধ্যে ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সের ৭৭২ এবং ৪৪৪ জনই শিক্ষার্থী। ২৪১ জন নারী, শিশু ৯৭ এবং ৮১ জন ষাটোর্ধ্ব। শিক্ষার্থী এবং তরুণদের অধিকাংশের মৃত্যু হয়েছে দ্রুত গতিতে মোটর সাইকেল চালানোর কারণে গতি হারিয়ে। অন্যান্য বাহনগুলোতেও প্রায় একই সমস্যা চিহ্নিত হয়েছে; অর্থাৎ নির্ধারিত গতির চেয়েও অনেক বেশি গতিতে চলার কারণে প্রাইভেট কার, বাস ও ট্রাক দুর্ঘটনাগুলো ঘটেছে। এই সব বাহনের অধিকাংশ চালকের বয়সই ১৮ থেকে ৪০-এর মধ্যে।

বাংলাদেশের ২৬ টি জাতীয় দৈনিক, বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা ও ইলেকট্রনিক্স চ্যানেলে প্রকাশিত-প্রচারিত তথ্যর পাশাপাশি সারাদেশে সেভ দ্য রোড-এর স্বেচ্ছাসেবিদের তথ্যানুসারে- দ্রুত গতিতে মোটর সাইকেল চালানোর পাশাপাশি নিয়ম না মানা এবং হেলমেট ব্যবহারে অনীহার কারণে ১ হাজার ৩৬৭ টি দুর্ঘটনায় আহত ৯৯৪ এবং নিহত হয়েছে ২৭৫ জন; অসাবধানতা ও ঘুমন্ত চোখে-ক্লান্তিসহ দ্রুত চালানোর কারণে ৮৩২ টি ট্রাক দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন ৬৩৭ এবং নিহত হয়েছে ১২১ জন; খানা খন্দক, অচল রাস্তা-ঘাট আর সড়কপথ নৈরাজ্যের কারণে ১ হাজার ১১৬ টি বাস দুর্ঘটনায় আহত হয়েছে ১ হাজার ১০৬ জন এবং নিহত হয়েছে ৫২০ জন; পাড়া-মহল্লা-মহাসড়কে অসাবধানতার সাথে চলাচলের কারণে লড়ি-পিকআপ-নসিমন-করিমন-ব্যাটারি চালিত রিক্সা-সাইকেল ও সিএনজি দুর্ঘটনা ঘটেছে ১ হাজার ১১৬ টি আহত হয়েছে ৮৫৭ জন এবং ২২২ জন নিহত হয়েছে। এছাড়াও ১ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত নৌপথ দুর্ঘটনা ঘটেছে ১৪৪ টি। আহত ৫২১ জন, নিহত হয়েছে ২৩ জন; রেলপথ দুর্ঘটনা ঘটেছে ২১২ টি। আহত হয়েছে ২৮৬ জন, নিহত হয়েছে ২১ জন। আকাশপথে কোন দুর্ঘটনা না ঘটলেও বিমানবন্দরের অব্যবস্থাপনার কারণে অসুস্থ্য হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে হয়েছে ৫৬ জনকে।

সেভ দ্য রোড-এর চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জেড এম কামরুল আনাম, প্রতিষ্ঠাতা মোমিন মেহেদী, মহাসচিব শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান বিকাশ রায়, জিয়াউর রহমান জিয়া, আইয়ুব রানাসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ৩১ মে পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে মে মাসের এই প্রতিবেদনে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি আলোচ্য তা হলো- ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সী তরুণদের বেপরোয়া বাহন চালনার কারণে নির্মম মৃত্যুর সংখ্যা অন্যান্য মাসগুলোর চেয়ে বেড়েছে মে মাসে। সেই সাথে সরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের পরিবহনগুলোও পথদুর্ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বাড়িয়ে তুলছে। বিশেষ করে সিটি কর্পোরেশনের ময়লার গাড়িতে কেবল ঢাকা নগরীতে আহত হয়েছেন ২৯ জন; এবং মৃত্যু বরণ করেছে মে মাসেই ২ জন। ট্রাফিক বিভাগ, বিআরটিএসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে এখনই বেপরোয়া বাহন চালানো থেকে চালকদেরকে নিবৃত করতে আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতা তৈরিতে সকলকে স্ব স্ব অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার প্রতিও গুরুত্ব দিয়েছেন সেভ দ্য রোড-এর গবেষণা সেল সদস্যগণ।

যুবতীর অশ্লীল ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, যুবক গ্রেফতার

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সদর উপজেলায় যুবতীর অশ্লীল ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় আসামির দেহ তল্লাশী করে ৩টি মোবাইল ও ১৩ হাজার টাকা উদ্ধার করে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত আব্দুল কাদের ওরফে কবির (৪০) উপজেলার ৪নং কাদির হানিফ ইউনিয়নের মৃত আলী বাহারের ছেলে।

বুধবার (১ জুন) সকালে গ্রেফতারকৃত আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার ৩১ মে সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে উপজেলার কাদির হানিফ ইউনিয়নের কাদির হানিফ গ্রামের নুরুল আমিনের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম বলেন,গত ২২ মে ভুক্তভোগী যুবতী এসপি বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, প্রতারণার মাধ্যমে কবির তাকে বিয়ে করা ও তার ছোট ভাইকে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর থেকে ১১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে যায়। পরে টাকা ফেরত দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কবির তার ব্যবহৃত মোবাইলে ভিকটিমের অশ্লীল ভিডিও চিত্র ধারণ করে। পরবর্তীতে ভিকটিম টাকা ফেরত চাইলে ভিকটিমের ভিডিও চিত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয়ভীতি প্রদর্শন সহ আরো টাকা দাবি করে কবির।

এসপি আরো জানায়, এ ঘটনায় ভিকটিমের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সুধারাম মডেল মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

দাউদকান্দিতে গাজা ও ফেনসিডিলসহ মাদক বহনকারী আটক

 

জাকির হোসেন হাজারীঃ

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দির গৌরীপুরে ৫০ বোতল ফেনসিডিল ও ১৪ কেজি গাঁজাসহ মোঃ পলাশ খান (২৬) নামে এক মাদক বহনকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার(১ জুন) রাত পৌনে ৮টায় গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডের বিআরটিসি বাস কাউন্টারের সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়।

পলাশ খান জেলার কোতয়ালী থানার আড়াইউড়া গ্রামের বারেক খানের ছেলে।

গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্য মোঃ রাকিবুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপ-পরিদর্শক রাজিব কুমারসহ গৌরীপুর বাসস্ট্যান্ডে থেকে পলাশ খানকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতের সাথে থাকা চটের বস্তায় প্লাস্টিকের কাগজ দিয়ে মোড়ানো ১ কেজি গাজা এবং কাধের ব্যাগে থাকা ৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। তিনি আরো জানান, পলাশ খান মূলত মাদক বহনকারী। পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে কুমিল্লা থেকে ঢাকায় নিয়ে যাচ্ছিলেন। আটককৃতের নামে মাদক আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

৮ নং ওয়ার্ডে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন কাউন্সিলর প্রার্থী রাজন পাল

 

শাহ ইমরান:

আগামী ১৫ জুন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের তৃতীয় বারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচনে মেয়র এবং কাউন্সিলর প্রার্থীরা ব্যস্ত প্রচারণায়।

নানারকম নির্বাচনী গান আর মাইকিংয়ে চলছে প্রচারণা। প্রার্থীরাও দিচ্ছেন নানারকম প্রতিশ্রুতি। তবে ব্যতিক্রমী প্রচারণার কারণে ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছেন কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন ( কুসিক) নির্বাচনে ৮ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর  প্রার্থী রাজন পাল (মিষ্টি কুমড়া) প্রতিক নিয়ে।

বুধবার(১লা জুন) কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ৮ নং ওয়ার্ডে সাধারণ আসনের কাউন্সিলর প্রার্থী রাজন পাল
ঠাকুরপাড়া,নোনাবাদ কলোনীর বাসায় বাসায় গিয়ে জনগণের সাথে হাত মিলান এবং ভোট চান তার জন্য। বিভিন্ন রাস্তার অলিগলিতে হাতে হ্যান্ডমাইক আর লিফলেট নিয়ে জনসংযোগ চালাচ্ছেন কাউন্সিলর প্রার্থী রাজন পাল। নির্বাচিত হলে এলাকার উন্নয়নে নিজের প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়ে ভোটারদের হাতে তুলে দিচ্ছেন নিজের লিফলেট।

এ সময় তিনি বলেন- ক্ষমতা পেতে নয়, অপনাদের সেবা করতে এসেছি। কাউন্সিলর নয়, মানুষের সেবক হিসেবে থাকতে চাই।ওয়ার্ডবাসীর সুখ-দুঃখের ভার নিতে চাই। দুর্নীতিমুক্ত আধুনিক ওয়ার্ড হিসেবে রূপান্তর করতে চাই। সকালে নগরীর ঠাকুরপাড়া,নোনাবাদ কলোনীর বিভিন্ন শ্রেনি-প্রেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় কালে এ সব কথা বলেন তিনি।

রাজন‌ পাল একজন ব্যবসায়ীক মানুষ। এ ছাড়াও বহু সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে সম্পৃক্ত। তিনি বিশ্বব্যাপি নোবেল করোনা ভাইরাস এর করাল গ্রাসে পৃথিবীর মানুষ যখন থমকে দাঁড়িয়েছে তখন তিনি ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন সহায়তার।

তিনি জানান, ওয়ার্ডবাসীর অনুরোধে এ বছর নির্বাচন করতে যাচ্ছি। এছাড়া সরেজমিনে গিয়ে ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকাঘুরে জানা যায়, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রাজন পাল এর প্রতি রয়েছে সাধারণ মানুষের গভীর আস্থা ও ভালোবাসা। উক্ত ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের মধ্যে এক অন্যরকম আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। লক্ষ মানুষের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ফুটে উঠে গণসংযোগের প্রতিটি মুহূর্তে।

আগামীকাল মেঘনা নামেই বিভাগ ঘোষণা হচ্ছে

 

স্টাফ রিপোর্টার:

চট্টগ্রাম বিভাগ ভেঙে বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালীর ছয় জেলা নিয়ে মেঘনা নদীর নামানুসারে ‘মেঘনা’ নামে একটি নতুন বিভাগ করা হচ্ছে। মেঘনা বিভাগের সদর দফতর হবে কুমিল্লায়।

এছাড়া ঢাকা বিভাগ ভেঙে বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচ জেলা নিয়ে পদ্মা নদীর নামানুসারে ‘পদ্মা’ নামে নতুন বিভাগ হচ্ছে। একইভাবে এই প্রথম দেশের প্রধান দুটি নদী পদ্মা-মেঘনার নামে নতুন দুটি বিভাগ হতে যাচ্ছে। প্রস্তাবিত পদ্মা বিভাগের সদর দফতর হবে ফরিদপুরে ।

আগামীকাল সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে তাঁর কার্যালয়ে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে এ বিভাগ দুটির অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করার কথা। এ ছাড়া ওই বৈঠকে একটি নতুন পৌরসভা ও আরেকটি পৌরসভার সীমানা নির্ধারণসহ মোট ছয়টি এজেন্ডা উপস্থাপন করা হতে পারে।

বৃহত্তর কুমিল্লার তিন জেলা কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর এবং বৃহত্তর নোয়াখালীর তিন জেলা নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুরসহ মোট ছয় জেলা নিয়ে মেঘনা নদীর নামে ‘মেঘনা’ বিভাগ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। এর সদর দফতর হবে কুমিল্লায়। তবে বিভাগ সংক্রান্ত গণশুনানিতে নোয়াখালীর নেতারা প্রস্তাবিত মেঘনা বিভাগে থাকার ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছেন। অন্যদিকে কুমিল্লার সর্বস্তরের জনগণ তাদের বিভাগের নাম কুমিল্লা নামেই করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে একাধিকবার অনুরোধ করেছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিষয়ে সম্মতি দেননি। সর্বশেষ গত বছরের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি-একনেক সভায় কোনো জেলার নামে নয়, নতুন দুটি বিভাগ পদ্মা ও মেঘনা নদীর নামেই হবে বলে জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একনেকের বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানিয়েছিলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

জানা গেছে, বর্তমানে বৃহত্তর কুমিল্লা ও বৃহত্তর নোয়াখালীর ছয়টি জেলায় প্রায় ২ কোটি জনসংখ্যা রয়েছে। ওই ছয় জেলার আয়তন প্রায় ১৩ হাজার বর্গকিলোমিটার, যা ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত সিলেট, বরিশাল ও রংপুর বিভাগের চেয়ে জনসংখ্যা ও আয়তনের প্রায় দ্বিগুণ। কুমিল্লায় সরকারের প্রায় সব ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণের লক্ষ্যে কুমিল্লায় বিভাগ হলে ঢাকা ও চট্টগ্রামের ওপর জনগণের চাপ কমবে। ঢাকা শহরে বাড়তি লোকের চাপ হবে না। সেখানে যানজটও কমে আসবে। ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যবর্তী স্থানে কুমিল্লার অবস্থান। একটি পরিপূর্ণ আবাসিক জেলা হিসেবে কুমিল্লার সুনাম রয়েছে। রাজধানী ও বন্দরনগরের ওপর চাপ কমাতে এ শহর বেশ ভূমিকা রাখবে। বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালীর ছয় জেলার মধ্যবর্তী স্থানেও কুমিল্লার অবস্থান। ভৌগোলিক ও উন্নত যোগাযোগব্যবস্থার কারণে কুমিল্লা খুবই সমৃদ্ধ জনপদ। এ ছয় জেলার মানুষের সঙ্গে সড়ক, রেল ও নদীপথে যোগাযোগ অত্যন্ত মসৃণ। দাফতরিক বেশির ভাগ কাজেই ছয় জেলার মানুষ কুমিল্লায় জড়ো হন। এখানে দিনে এসে দিনে কাজ করে বাড়ি ফিরে যাওয়া সম্ভব। ছয় জেলার মানুষের আঞ্চলিক ভাষাও কাছাকাছি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা বিভাগ ভেঙে প্রস্তাবিত বৃহত্তর ফরিদপুরের পাঁচ জেলা ফরিদপুর, শরীয়তপুর, রাজবাড়ী, গোপালগঞ্জ ও মাদারীপুর নিয়ে পদ্মা নদীর নামানুসারে এ বিভাগ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। আর এর সদর দফতর হবে ফরিদপুরে। ফরিদপুর জেলার আয়তন ২ হাজার ৭৩ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১৯ লাখ ৮৮ হাজার ৬৯৭। গোপালগঞ্জ জেলার আয়তন ১ হাজার ৪৬৮ দশমিক ৭৪ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১১ লাখ ৭২ হাজার ৪১৫। রাজবাড়ীর আয়তন ১ হাজার ১১৮ দশমিক ৮০ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১০ লাখ ১৫ হাজার ৫১৯। শরীয়তপুরের আয়তন ১ হাজার ৩৬৩ দশমিক ৭৬ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১১ লাখ ৫৫ হাজার ৮২৪। মাদারীপুরের আয়তন ১ হাজার ১২৫ দশমিক ৬৯ বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যা ১২ লাখ ১২ হাজার ১৯৮। ফলে পদ্মা বিভাগের মোট আয়তন হবে ৭ হাজার ১৪৯ দশমিক ৯৯ বর্গকিলোমিটার। মোট জনসংখ্যা ৬৫ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫৩। সাক্ষরতার হার ৪৮ দশমিক ৯ ভাগ।

দুই মহাদেশের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই : চ্যাম্পিয়ন হবে কে, আর্জেন্টিনা না ইতালি?

 

স্পোর্টস ডেস্ক:

একদল জিতেছে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ শিরোপা, অন্যদল জিতেছে কোপা আমেরিকা। ফুটবল বিশ্বে রাজত্ব করা দুই মহাদেশ ইউরোপ এবং লাতিন আমেরিকার সেরা দুই দল আর্জেন্টিনা এবং ইতালিকে নিয়ে এবারের আয়োজন, ফাইনালিসিমা। অর্থ্যাৎ চ্যাম্পিয়নদের চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ করা।

দুই মহাদেশের দুই চ্যাম্পিয়ন- আর্জেন্টিনা এবং ইতালির মধ্যে সেরা কে, তা নির্ধারণ হবে আজ রাতে, লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশ সময় আজ রাত পৌনে ১টায় টেন ওয়ান সরাসরি দেখাবে ম্যাচটি।

ঘরোয়া ফুটবলের মৌসুম আপাতত শেষ। নতুন মৌসুম শুরু হতে আরও এক-দেড় মাসের অপেক্ষা। কাতারে বিশ্বকাপ আয়োজন না হলে হয়তো এখন এই বৈশ্বিক আসরটি নিয়েই ব্যস্ত থাকতো সবাই।

তবে, নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্বকাপের অপেক্ষা হলেও, এই সময়ে ফুটবল ভক্তদের হতাশ হওয়ার সুযোগ থাকছে না। যেহেতু দুই মহাদেশের দুই সেরার আয়োজন, সে কারণে বেশ কয়েকদিন ধরেই এই ম্যাচটি নিয়ে উত্তেজনার পারদ চড়াচ্ছে অনেক বেশি।

দুই দলের ফুটবলারদের দিকে তাকালেই ফুটবলীয় উত্তেজনাটা বেশ টের পাওয়া যায়। একইসঙ্গে দুই দলের র‌্যাংকিং। যদিও ইউরো চ্যাম্পিয়ন ইতালি এবারের কাতার বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতাই অর্জন করতে পারেনি। অন্যদিকে বেশ দাপটের সঙ্গেই কাতার বিশ্বকাপে জায়গা করে নিয়েছে আর্জেন্টিনা।

নিজেদের আগের আন্তর্জাতিক ম্যাচে তুরস্ককে ৩-২ গোলে হারিয়ে ইতালি অবশ্য নিজেদেরকে ট্র্যাকেই রেখেছে। রবার্তো মানচিনির অধীনে চেষ্টা করছে আবারও নিজেদের বিশ্বসেরা হিসেবে তুলে ধরার। বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন না করতে পারলেও কোচ মানচিনিকেই ধরে রেখেছে আজ্জুরিরা।

অন্যদিকে লিওনেল স্কালোনির অধীনে গত দু’তিনটা বছর বেশ ভালোই কাটাচ্ছেন আর্জেন্টাইনরা। টানা ৩০টিরও বেশি ম্যাচ অপরাজিত থাকার রেকর্ড তাদের। যদিও নিজেদের সর্বশেষ ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছে আলবিসেলেস্তারা। তবুও লিওনেল মেসিরা আজও ফেবারিট থাকবে ইতালির ওপর।

তবে হেড টু হেডে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে ইতালি। মোট ১৬বার মুখোমুখি হয়েছে দু’দল। এর মধ্যে ৬বার জিতেছে ইতালি এবং ৫বার জিতেছে আর্জেন্টিনা। ৫টি ম্যাচ হয়েছে ড্র। এর মধ্যে আবার আর্জেন্টিনাকে ইতালি হারিয়েছে সর্বশেষ ১৯৮৭ সালে। এরপর চারবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে তিন ম্যাচেই জিতেছে আর্জেন্টিনা।

তবে ইতালির জন্য দুঃসংবাদ হলো, ডোমেরিকো বেরার্দি, সিরো ইমোবিলে, ফেডেরিকো চিয়েসা এবং গাইতানো ক্যাস্ট্রোভিলি রয়েছেন ইনজুরিতে। যে কারণে তাদেরকে বাদ দিয়েই দল গঠন করতে হয়েছে রবার্তো মানচিনিকে। জিওর্জিও চিয়েল্লিনিকে দলে রাখা হয়েছে এবং সম্ভবত, আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এই ম্যাচটিই হতে পারে ইতালির জার্সিতে তার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ।

অন্যদিকে আর্জেন্টিনা দলে ইনজুরির শঙ্কা নেই। ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর হালকা চোট আছে। এছাড়া বাকি সবাই ফ্রেশ। স্কালোনির স্কোয়াডে মেসি, ডি মারিয়া এবং লওতারো মার্টিনেজরা শুরু থেকেই থাকবেন।

গায়ক কেকে’র অজানা ১০ তথ্য

বিনোদন ডেস্ক:

গায়ক কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ। তিনি ‘কেকে’ নামেই বেশি পরিচিত। জনপ্রিয় এই গায়ক হঠাৎ করেই চলে গেছেন না ফেরার দেশে। তবে, তার গান বেঁচে থাকবে অনন্তকাল।

তিনি ‘রইস’, ‘জান্নাত’, ‘ওম শান্তি ওম’ ও ‘কাইটস’র মতো সিনেমাতে কণ্ঠ দিয়েছিলেন। কলকাতার এক কনসার্টে পারফর্ম করার সময় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেন।

বলিউডের এই কিংবদন্তি গায়কের ১০ অজানা তথ্য জেনে নিন:

* বলিউডে গান গাওয়ার পাশাপাশি সাড়ে ৩ হাজারের বেশি জিঙ্গেলে কণ্ঠ দিয়েছেন এই কিংবদন্তি গায়ক। ১৯৮৫ সালে তিনি জিঙ্গেল দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন।

* কেকে’র গানের যাত্রা তার মায়ের মালায়ালাম গান শোনার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল। যে গানটি তার বাবা টেপ রেকর্ডারে রেকর্ড করেছিলেন।

* ১৯৭৩ সালে ‘রাজা রানি’ সিনেমার ‘জব আন্ধেরা হোতা হে’ গানটি মঞ্চে গেয়ে দারুণ প্রশংসিত হন কেকে। তখন থেকে তিনি গানের প্রতি আরও মনোযোগী হন। গানটির মূল শিল্পী ছিলেন ভূপিন্দর সিং ও আশ ভোঁসলে।

* কেকে তার ছেলেবেলার বান্ধবী জ্যোতি কৃষ্ণকে বিয়ে করেন। তবে, তাকে বিয়ে করার পথ তার জন্য মোটেও সহজ ছিল না। কারণ তার কোনো চাকরি ছিল না। তাই তিনি ৬ মাস সেলসম্যানের কাজ করেন। পরে চাকরিটি ছেড়ে দেন। তারপর স্ত্রী ও বাবা তাকে সংগীতে ফিরতে রাজি করান এবং আবার জিঙ্গেলে কাজ শুরু করেন।

* কেকে অনেক চার্টবাস্টার বলিউড গান গেয়েছিলেন। কিন্তু, তা সত্ত্বেও তিনি খুব বেশি পুরষ্কার পাননি। তিনি শুধু ২০০৯ সালে বাচনা অ্যায় হাসিনোতে ‘খোদা জানে’ গানের জন্য একটি বড় পুরষ্কার পান। তখন বলেছিলেন, তিনি পুরষ্কারের জন্য কারো পেছনে ঘোরেন না।

* কেকের গান শ্রোতাদের মধ্যে জনপ্রিয় হলেও তিনি মনে করতেন, বেশির ভাগ মানুষই তাকে চিনতেন না।

* কেকে কখনো পেশাদার বাদ্যযন্ত্র প্রশিক্ষণ নেননি এবং শাস্ত্রীয়ভাবে প্রশিক্ষিত গায়ক ছিলেন না।

* কেকে আরেক কিংবদন্তি কেকে ওরফে কিশোর কুমারের ডাইহার্ড ফ্যান ছিলেন।

* কেকে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্যে স্নাতক ছিলেন। তিনি একজন বহুমুখী গায়ক ছিলেন এবং তার একটি বহুমুখী কণ্ঠস্বর ছিল। তার কণ্ঠস্বর সব ভাষায় গাওয়া গানের সঙ্গে মানানসই ছিল।

সূত্র: পিঙ্কভিলা

গান গাইতে গাইতে চিরবিদায় নিলেন কেকে

ডেস্ক রিপোর্ট:

বলিউডের অন্যতম শ্রোতাপ্রিয় গায়ক কৃষ্ণকুমার কুন্নাথ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তিনি কেকে নামে সর্বাধিক পরিচিত। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেকে কলকাতায় একটি অনুষ্ঠানে পারফর্ম করছিলেন। তখন তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। সঙ্গে সঙ্গে কলকাতা মেডিকেল রিসার্চ ইনস্টিটিউটে (সিএমআরআই) নেওয়া হলে সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জানা গেছে- রাত সাড়ে ১০টার দিকে এই গায়ককে সিএমআরআই নেওয়া হয়। তিনি দক্ষিণ কলকাতার একটি অডিটোরিয়ামের নজরুল মঞ্চে পারফর্ম করছিলেন এবং স্টেজে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

‘আঁখো মে তেরি’খ্যাত গায়ক ইনস্টাগ্রামে তার মঞ্চে পারফরম্যান্সের ছবি পোস্ট করেন। তিনি লেখেন, নজরুল মঞ্চে আজ রাতে সুরের স্পন্দন হবে। বিবেকানন্দ কলেজ!! সবাইকে ভালোবাসি।

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম এই বহুমুখী গায়ক হিন্দি, তামিল, তেলেগু, কন্নড় এবং বাংলাসহ বেশ কয়েকটি ভাষায় গান গেয়েছেন।

কেকের মৃত্যুতে টুইটারে অনেকেই শোক প্রকাশ করেছেন। অনেকে তার আকস্মিক মৃত্যুকে মানতে পারছেন না।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করেন, কেকে নামে পরিচিত প্রখ্যাত গায়ক কৃষ্ণকুমার কুন্নাথের অকাল প্রয়াণে শোকাহত। তার গানের মাধ্যমে আমরা তাকে সব সময় মনে রাখব। তার পরিবার ও অনুরাগীদের সমবেদনা জানাই।

ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার বীরেন্দ্র শেহওয়াগ টুইট করেন, কলকাতায় পারফর্ম করার সময় অসুস্থ হয়ে কেকে’র মৃত্যুর খবর শুনে আমি শোকাহত। এই মৃত্যু আবারও মনে করিয়ে দিল জীবন কতটা ক্ষণস্থায়ী। তার পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি সমবেদনা জানাই।

গায়ক রাহুল বৈদ্য টুইট করেন, মাত্র শুনলাম কেকে স্যার মারা গেছেন। কেকে স্যার ছিলেন আমার পছন্দের সুন্দর মানুষদের একজন। তিনি দ্রুতই চলে গেলেন। শ্রদ্ধা স্যার।

গায়ক ও সঙ্গীত পরিচালক আরমান মালিক টুইট করেন, এই মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। আমাদের জন্য আরেকটি বড় ক্ষতি। আমি এটা বিশ্বাস করতে পারছি না যে, আমাদের কেকে স্যার আর নেই। আমি মানতে পারছি না।

অভিনেতা অক্ষয় কুমার লেখেন, কেকে’র দুঃখজনক প্রয়াণের খবরে আমি মর্মাহত। এটা শিল্পের অনেক বড় ক্ষতি।

ট্রাক, অটোরিকশা ও প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৬ জন নিহত

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া আঞ্চলিক মহাসড়কে ট্রাক, অটোরিকশা ও প্রাইভেটকারের ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও দুজন।

বুধবার (১ জুন) সকাল পৌনে ৯টার দিকে মহাসড়কের কালুখালী চাঁদপুর ফায়ার স্টেশনের সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ মো. সরাজ মিয়া  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।