All posts by jitu

কাদের মির্জা ও বাদল গ্রুপের দ্বন্দ্ব-সংঘাতে কোনঠাসা নোয়াখালি আ’লীগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল অনুসারীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ ও পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনায় স্থবির হয়ে পড়ে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের কার্যক্রম।

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে জড়িয়ে আসস্মিক সংঘাতে জড়িয়েছে বহুমবার দুই পক্ষ। এক পর্যায়ে এটি রূপ নেয় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। গত ১ বছর সংগঠনটির বিবদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় বিপযস্ত হয়ে পড়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন গুলো।

অবশেষে শান্তি ফেরাতে এক বছর ধরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে বিবদমান দ্বন্ধের জেরে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি দায়ের করা মামলা প্রত্যাহারে সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের বাসায় ও কোম্পানীগঞ্জ থানায় দুই ধাপে এ সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল অনুসারী মধ্যে এসব দ্বন্দ্ব সংঘাত ও পাল্টাপাল্টি মামলার ঘটনা ঘটে। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের অনুসারী।

দুই গ্রুপের এ দ্বন্ধ সংঘাতে কাদের মির্জার প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে দাঁড়ায় তাঁরই আপন তিন ভাগনে। তাঁরা হলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু,ফখরুল ইসলাম রাহাত ও সিরাজিস সালেকিন রিমন। তিন ভাগনে কাদের মির্জার ৪৮ বছরের রাজনীতির ক্যারিয়ারকে টেক্কা দিয়ে শক্ত হাতে নেতৃত্ব দেয় তাঁর প্রতিপক্ষ গ্রুপকে। এক পর্যায়ে কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ শিবিরের আশ্রয়স্থল হয়ে দাঁড়ায় তারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের নেতৃত্বে দুই পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে মামলা প্রত্যাহারে সমঝোতা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ গ্রুপের অনত্যম নেতা উপজেলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আজম পাশা চৌধুরী রুমেল, চরফকিরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জায়দল হক কচি, রামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজিস সালেকিন রিমন,চরকাঁকড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো.মাহবুবুর রহমান আরিফ। এ সময় কাদের মির্জার পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ ইউনুছ, এডভোকেট শংকর ভৌমিক ও এডভোকেট শাহেদুর রহমান তুহিন। এ ছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কামরুল হাসান ও কোম্পানীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো.সাজ্জাদ রোমন।

বসুরহাট পৌরসভা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক সামছুউদ্দিন নোমান বলেন, সমঝোতা বৈঠক খবর চাউর হলে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মিদের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দেয়। শান্তি ফেরাতে এ বৈঠককে সর্বস্তরের জনগণের সমর্থন আছে বলেও মাঠ পর্যায়ে এ নেতা মন্তব্য করেন।

বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ তাঁর ভাগনে রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরজিস সালেকিন রিমনের বলেন, গত প্রায় দেড় বছর ধরে কোম্পানীগঞ্জে চলমান পরিস্থিতির আলোকে সেতুমন্ত্রীর নির্দেশে উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের স্বমনয়ে উপজেলার পরিবেশকে শান্ত করে সবাই যাতে অবাধে চলাচল ও রাজনীতি করতে পারে এ জন্য সমঝোতা বৈঠকের প্রথম ধাপে রাজনৈতিক মামলা গুলো প্রত্যাহরের সমঝোতা বৈঠক হয়েছে। উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের নেতৃবৃন্দ থেকে শুরু করে সাধারণ জনগণও এখনো ভয়ভীতিতে অবাধে বসুরহাট বাজারে চলাচল করতে পারেনা। গুটি কয়েক বখাটে নেতৃবৃন্দকে দেখলে এখনো গালমন্দ করে ইভটিজিং করে নানা ভাবে অপদস্ত করতে চায়। তারপর বাসস্ট্যান্ডের সমস্যা। বসুরহাট হাইস্কুল এবং সরকারি মুজিব কলেজে এক পেশে রাজনীতিসহ রাজনৈতিক বৈষম্য। সব মিলিয়ে এসব সমস্যা গুলোকে স্থিতিশীল করতে বৈঠকে তুলে ধরা হয়।

তিনি আরও বলেন, দুই গ্রুপের মধ্যে গত দেড় বছরের দ্বন্দ্ব সংঘাতে ২টি হত্যা মামলা,৮টি পুলিশ অ্যাসল্ট মামলাসহ পাল্টাপাল্টি প্রায় ৬০টি মামলা হয়। এ ছাড়া কাদের মির্জার বিরুদ্ধে তাঁর প্রতিপক্ষরা কোম্পানীগঞ্জ থানায় ২৮টি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সমস্যা গুলো বিহিত করার জন্য প্রশাসন আন্তরিক। এরপর কোন পক্ষের অনুসারী গন্ডগোল সৃষ্টি করলে তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে প্রশাসন।

সমঝোতা বৈঠকের বিষয়ে জানতে বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার ফোনে কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন মামলা প্রত্যাহারে সমঝোতা বৈঠকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিবদমান দুই পক্ষকে নিয়ে গত কয়েক দিন কয়েক বার সমঝোতা সভার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়। দুই গ্রুপের যতগুলো মামলা আছে সব মামলা গুলো সমাঝতার মাধ্যমে শেষ করা হবে। এখন থেকে নতুন করে কেউ কোনো প্রকার ঝগড়া পাষাদ মারামারি বা কাউকে কেউ অপমান করতে পারবে না । আমরা সবাই সমঝোতা চাচ্ছি। সবাই মিলে মিশে একসাথে কোম্পানীগঞ্জে থাকব। কোম্পানীগঞ্জে শান্তি প্রতিষ্ঠা করে মানুষের জান মালের হেফাজত করা হবে।

তিনি আরও বলেন, গতকাল নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার উপস্থিতিতে এক যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয় । ওনারা আশ্বস্ত করেছেন সমাঝতার জন্য সব ধরনের সহযোগিতা করবেন। ওনাদের পরামর্শ নতুন করে কোন বিরোধ করা যাবে না। কেউ নতুন করে কিছু করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যাবস্থা নিবেন। এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যান নতুন করে কাউকে কোনো প্রকার ঝগড়া পাষাদে না জড়াতে সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আকরামুল হাসান বৈঠকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমার সভাপতিত্বে কোম্পানীগঞ্জে পুনরায় শান্তি ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। দুই পক্ষ দ্বন্দ্ব সংঘাত থেকে বিরত থাকলে প্রশাসন তাদেরকে আইনানুগ সহযোগিতা করবে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৫০ সিরিজ: উদ্ভাবনী প্রযুক্তি আর দুর্দান্ত পারফরমেন্সের এক অনন্য সিরিজ

ডেস্ক রিপোর্ট:

বর্তমানে, সকল ক্ষেত্রে প্রযুক্তি নির্ভরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সামাজিক যোগাযোগ, অফিসের কাজ, পড়াশোনা ও বিনোদনের জন্য স্মার্টফোনে উদ্ভাবনী ফিচারের প্রয়োজনীয়তা বেড়েছে। বিশেষ করে, তরুণরা সাশ্রয়ী মূল্যের স্মার্টফোনে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি পেতে চায়। সর্বস্তরের মানুষের কাছে উদ্ভাবনী প্রযুক্তি পৌঁছে দিতে অনেকদিন যাবত কাজ করছে দক্ষিণ কোরীয় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান স্যামসাং। এ লক্ষ্যে গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিবছরই স্যামসাং নিয়ে আসছে নিত্য নতুন স্মার্টফোন। আর এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের শুরুতে স্যামসাং বাজারে আনে অসাম গ্যালাক্সি এ৫০ সিরিজ।

সাশ্রয়ী মূল্যের ডিভাইসে ফ্ল্যাগশিপ ফোনের ফিচার সমন্বয়ের মাধ্যমে গ্যালাক্সির উদ্ভাবনী প্রযুক্তি সবার হাতের নাগালে আনাই ছিলো গ্যালাক্সি এ৫০ সিরিজ চালুর মূল উদ্দেশ্য। এই সিরিজের ফোনগুলোতে নিরবিচ্ছিন্ন গেমিংয়ের জন্য শক্তিশালী প্রসেসর যুক্ত করার পাশাপাশি ফ্যাশনসচেতন তরুণদের কথা মাথায় রেখে গুরুত্ব দেয়া হয় ট্রেনডি ডিজাইনে। এসব ফোনের প্রিমিয়াম লুক আর দুর্দান্ত পারফরমেন্স ব্যবহারকারীদের নিঃসন্দেহে অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাখে।

২০১৯ সালের শুরুতে গ্যালাক্সি এ৫০ উন্মোচনের মাধ্যমে স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৫০ সিরিজ চালু করে স্যামসাং। মিডরেঞ্জের ফোনে আল্ট্রা ওয়াইড লেন্সের সাথে ট্রিপল ক্যামেরা, অন স্ক্রিন ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলকিং, ১৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা যুক্ত ৪,০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ারের বিশাল ব্যাটারি মুগ্ধ করে প্রযুক্তিপ্রেমীদের। কেবল ২০১৯ সালেই ফোনটির শিপমেন্টের পরিমাণ ছিলো ১.২ কোটি। কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চ অনুসারে, সে বছরের সবচেয়ে সফল স্মার্টফোন ছিলো এটি।

এরপর, একই বছরের ডিসেম্বরে স্যামসাং বাজারে নিয়ে আসে স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৫১। ৩০ হাজারেরও কম মূল্যের এই ফোরজি ফোনের নজরকাড়া গ্লসি ডিজাইন, ৬.৫ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস সুপার অ্যামোলেড ইনফিনিটি ও ডিসপ্লে, দুর্দান্ত অক্টা-কোর এক্সিনস ৯৬১১ প্রসেসর আর কোয়াড ক্যামেরা খুব কম সময়ের মধ্যে বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলে। ফলস্বরূপ, ২০২০ সালের প্রথম পাক্ষিকে বিশ্বের সর্বাধিক বিক্রিত অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের খেতাব অর্জন করে ফোনটি। এই পাক্ষিকে সারা বিশ্বে গ্যালাক্সি এ৫১ এর শিপমেন্টের পরিমাণ ছিলো ৬০ লাখ ইউনিট। গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্ট্র্যাটেজি অ্যানালিটিক্সেও প্রতিবেদন অনুসারে, ডিভাইসটি সমগ্র স্মার্টফোন বাজারের ২.৩ শতাংশ শেয়ার দখল করে। ২০২০ সালের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফোন ছিলো গ্যালাক্সি এ৫১।

করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের ফলে অনলাইনে কাজ করার প্রবণতা তৈরি হওয়ায় সারা বিশ্বে যখন স্মার্টফোনের চাহিদা তুঙ্গে, ঠিক তখন গত বছরের মার্চে শক্তিশালী উদ্ভাবনীর সাথে স্যামসাং বাজারে নিয়ে আসে এ৫০ সিরিজের নতুন ফোন গ্যালাক্সি এ৫২। ফোনের দীর্ঘস্থায়িত্বের কথা বিবেচনা করে এই সিরিজের ফোনে প্রথমবারের মতো পানি ও ধুলো থেকে সুরক্ষা দিতে নিশ্চিত করা হয় আইপি৬৭ রেটিং, আর গরিলা গ্লাস ৫। ঝকঝকে ছবি আর ভিডিও ধারণের জন্য এই ফোনে গুরুত্ব দেয়া হয় ক্যামেরার ওপর। ৬৪ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা আর ফোরকে ভিডিও ধারণ সুবিধা এই ফোনকে স্মার্টফোন বাজারে অনন্য করে তোলে। আর এ৫১ থেকে ব্যাটারিলাইফও বাড়ানো হয় এ৫২-তে। এতে রয়েছে ২৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিংয়ের সাথে ৪,৫০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি।

স্যামসাং গ্যালাক্সি এ৫২ স্মার্টফোনপ্রেমীদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগানোর পর, গ্রাহকদের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরো উন্নত করে তুলতে এবং ফাইভজি প্রযুক্তির জগতে প্রবেশের সুযোগ করে দিতে স্যামসাং নিয়ে আসে গ্যালাক্সি এ৫২এস ৫জি। এর ফাইভজি ফিচার ব্যবহারকারীদের সামনে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে। স্ন্যাপড্রাগন ৭৭৮জি অক্টা-কোর প্রসেসর যুক্ত গ্যালাক্সি এ৫২এস ফাইভজি ব্যবহারের ক্ষেত্রে দেয় স্বাচ্ছন্দ্য ও দ্রুতগতির সম্পূর্ণ নিশ্চয়তা। এর ৬.৫-ইঞ্চির সুপার অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট সম্পন্ন স্ক্রিন ব্যবহারকারীদের দেয় মসৃণ স্ক্রল এবং দুর্দান্ত গেমিংয়ের অভিজ্ঞতা।

প্রাযুক্তিক উৎকর্ষের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে স্যামসাং লঞ্চ করেছে এ৫০ সিরিজের নতুন ফোন গ্যালাক্সি এ৫৩। স্যামসাংয়ের বিশেষ এআই ক্যামেরার পাশাপাশি ফোনের দ্রুততর পারফরমেন্স নিশ্চিত করতে এতে থাকছে একবারে নতুন এক্সিনোস ১২৮০ প্রসেসর। এছাড়াও, এতে থাকছে হাইপারফাস্ট ফাইভজি।

ডিভাইসটির ৬.৫ ইঞ্চির এস অ্যামোলেড এফএইচডি প্লাস ডিসপ্লে ও ১৭০ ডিগ্রি পর্যন্ত ভিউয়িং অ্যাঙ্গেলের সাথে ভিডিও কনটেন্ট আরও ভালোভাবে উপভোগ করা যাবে। ৫ ন্যানোমিটার চিপসেট থাকায় দীর্ঘক্ষণ ফোন চালালেও ডিভাইস গরম হবে না, আর দ্রুত ব্যাটারি শেষ হওয়ার ঝামেলাও পোহাতে হবে না। এআই গেম বুস্টার ও জিপিইউ থাকায় গেম খেলার অভিজ্ঞতা হবে আরও অসাধারণ। ৬৪ মেগা পিক্সেলের মেইন ক্যামেরা, ১২ মেগা পিক্সেলের আল্ট্রা ওয়াইড ক্যামেরা এবং ৫ মেগা পিক্সেলের ডেপথ ও ম্যাক্রো ক্যামেরার সাথে দিন-রাত যেকোনো সময় আরও স্পষ্ট ও নিখুঁত ছবি তোলা যাবে। এছাড়া, ২৫ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধার সাথে ৫,০০০ মিলি অ্যাম্পিয়ার ব্যাটারিযুক্ত এই ফোনটি মাত্র ৮৪ মিনিটে শূন্য থেকে শতভাগ চার্জ হয়ে যাবে।

নজরকাড়া রঙ আর আকর্ষণীয় ডিজাইনের এই ফোনটি ৪৩,৯৯৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এ৫০ সিরিজের নতুন এই সংস্করণ নিঃসন্দেহে ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে নতুন ধাপে উন্নীত করবে।

শুরু হলো ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২২ বাংলাদেশ’ প্রোগ্রাম, নিবন্ধন প্রক্রিয়া উন্মুক্ত

 

ডেস্ক রিপোর্ট:
শিক্ষার্থীদের জন্য বৈশ্বিকভাবে শীর্ষস্থানীয় আইসিটি অবকাঠামো ও সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ে আবারও আয়োজন করেছে এর ফ্ল্যাগশিপ সিএসআর প্রোগ্রাম ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার।’ আগ্রহীদের জন্য প্রোগ্রামের নিবন্ধন প্রক্রিয়া উন্মুক্ত করা হয়েছে।

এপ্রিল মাসের শুরু থেকেই নিবন্ধন প্রক্রিয়া উন্মুক্ত রয়েছে এবং আগ্রহী শিক্ষার্থীরা নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগে যোগাযোগের মাধ্যমে বিনামূল্যে এ প্রোগ্রামে নিবন্ধন করতে পারবেন।

‘সিডস ফর দ্য ফিউচার ২০২২, বাংলাদেশ’-এর শুরুতে অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে রোড শো আয়োজন করা হয়েছে। সম্প্রতি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি)-তে দু’টি রোড শো অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানগুলোতে যথাক্রমে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আনিস আহমেদ, আইইউটি’র উপাচার্য ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এবং হুয়াওয়ে বাংলাদেশের বোর্ড সদস্য জেসন লিজংশেং। এ সময় ঢাবি ও আইইউটি’র বিভিন্ন অনুষদ সদস্য এবং হুয়াওয়ে টেকনোলজিস (বাংলাদেশ) লিমিটেডের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ প্রোগ্রাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য যে সুযোগ তৈরি করেছে সে বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আনিস আহমেদ, পি.এইচ.ডি, বলেন, “ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীরা অনেক বছর থেকেই এই প্রোগ্রামের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে। আইসিটি বিশ্বের সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের জানার সুযোগ করে দিচ্ছে হুয়াওয়ের এই প্রোগ্রাম। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা যেসব বিষয় জানে না, সেসব বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ বোধ করে। দেশে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে উল্লেখযোগ্যভবে অবদান রাখছে এ প্রোগ্রাম, যার মাধ্যমে এ জনশক্তি দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের আধুনিকায়নে কাজ করছে।”

আইইউটি-তে রোড শো অনুষ্ঠানে এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, “হুয়াওয়ের সিডস ফর দ্য ফিউচার অত্যন্ত চমৎকার ও ফলপ্রসূ একটি প্রোগ্রাম। গত বছর আইইউটি তৃতীয়বারের মতো এ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করে। জ্ঞানের পরিসর, উদ্ভাবনী মানসিকতা ও নেতৃত্ব দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তরুণদের উন্নয়নের লক্ষ্যে আয়োজিত এ প্রোগ্রামে আমাদের শিক্ষার্থীরা অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে এ প্রোগ্রামের সাথে সম্পৃক্ত হয়েছে। এ বছরও আমি আমাদের শিক্ষার্থীদের এ প্রোগ্রামে অংশ নেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।”

হুয়াওয়ে বাংলাদেশ (টেকনোলজিস) বাংলাদেশ লিমিটেডের বোর্ড সদস্য জেসন লিজংশেং বলেন, “তরুণদের ক্ষমতায়নে ও তাদের জন্য সুবিধা নিশ্চিতে বিশ্বাস করে হুয়াওয়ে। এজন্য তরুণরা যাতে বিভিন্ন বিষয়ে জানতে পারে এবং তাদের আইসিটি বিষয়ক দক্ষতা বৃদ্ধি করতে পারে তাই আমাদের বিভিন্ন প্রোগ্রাম রয়েছে। ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ এমনই একটি আয়োজন। প্রতি বছরের মতো এ বছরের প্রোগ্রামও শিক্ষার্থীদের নানাভাবে আলোকিত করবে এবং আমার বিশ্বাস অনেক শিক্ষার্থী এ বছর অংশগ্রহণ করবে।”

হুয়াওয়ের ফ্ল্যাগশিপ সিএসআর প্রোগ্রাম ‘সিডস ফর দ্য ফিউচার’ শীর্ষ পর্যায়ের স্টেম ও নন-স্টেম শিক্ষার্থীদের উন্নয়নে কাজ করে এবং তাদের উৎসাহদানে কাজ করে। ২০১৪ সালে বাংলাদেশে প্রথম শুরু হওয়া এ প্রোগ্রাম এর যাত্রার শুরু থেকেই আইসিটি ট্যালেন্টদের মেধা বিকাশে কাজ করে চলেছে এবং অ্যাকাডেমিক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। এ বছর হুয়াওয়ে অষ্টমবারের মতো এ প্রোগ্রাম আয়োজন করবে।

এই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট), চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট), রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট), ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি), ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি (ইডব্লিউইউ) এবং আহসানুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (এইউএসটি) প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করছে। হুয়াওয়ে ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সুবিধা সাপেক্ষে রোড শো অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও অনুষ্ঠিত হবে।

নোয়াখালির সুবর্ণচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মাদ্রাসা ছাত্রের মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত রাকিব হোসেন (২০) উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের চর আমিনুল হক গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডের আবদুল জলিল বাচ্চুর ছেলে এবং স্থানীয় আল আমিন দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্র ছিল।

মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার চর আমিনুল হক গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চরজব্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জিয়াউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

জানা যায়, সন্ধ্যার দিকে নিহত রাকিব ও তাঁর বাবা জমিতে পানি দেওয়ার জন্য সেচ পাম্প মেশিনে চালু করতে যায়। ওই সময় বৈদ্যুতিক তারের লিকেজ অংশে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাকিব ঘটনাস্থলে মারা যায়। অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

মুরাদনগরে চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার উদ্ধার, আন্তঃ জেলা ডাকাত সদস্যসহ গ্রেপ্তার ৪

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগর :
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরাবাজার থানা এলাকায় চুরি হওয়া স্বর্ণালংকার ও সিএনজি চালিত অটোরিক্সা উদ্ধার এবং আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্যসহ ৪জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার রাতে উপজেলার সল্পা, দৌলতপুর ও নবীনগর উপজেলার জল্লি থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো উপজেলার রামচন্দ্রপুর উত্তর ইউনিয়নের সল্পা গ্রামের মোস্তফার ছেলে আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য মামুন(৩১), উপজেলার টনকী গ্রামের সুন্দর আলীর ছেলে আন্তঃ জেলা চোর চক্রের সক্রিয় সদস্য মাইনউদ্দিন(৪২), একই গ্রামের হোসেন সরকারের ছেলে মামুন সরকার(৩৩), ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জল্লি গ্রামের খিতিশ দত্তের ছেলে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দত্ত(৪০)।

জানা যায়, ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার পলাতক আসামি ও আন্তঃ জেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য মামুন উপজেলার সল্পা বাজারে অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে বাঙ্গরাবাজার থানার এসআই জাহাঙ্গীর আলম, রনি চৌধুরীর নেতৃত্বে একদল পুলিশ সোমবার রাতে সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত মামুন মোটরসাইকেল যোগে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় এসআই জাহাঙ্গীর একটি মোটরসাইকেল নিয়ে তার পিছনে ধাওয়া করে তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।

অপর দিকে কিছুদিন পূর্বে পূর্বধইর পূর্ব ইউনিয়নের খোষঘর গ্রামের চুরির ঘটনার মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাঙ্গরাবাজার থানার এসআই কৃষ্ণ মোহন সোমবার রাতে উপজেলার দৌলতপুর থেকে ঘটনার সাথে জড়িত আন্তঃ জেলা চোর চক্রের দুই সদস্য মাইনউদ্দিন ও মামুন সরকারকে গ্রেপ্তার করে। এসময় চোরাই কাজে ব্যাবহৃত একটি কাঁটার মেশিন ও একটি সিএনজি চালিত অটোরিক্সা জব্দ করা হয়। গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং তাদের দেয়ার তথ্যমতে চোরাই স্বর্ণ কেনার অপরাধে সোমবার মধ্যরাতে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নবীনগর উপজেলার জল্লি গ্রামের খিতিশ দত্তের ছেলে স্বর্ণ ব্যবসায়ী পিন্টু দত্ত(৪০)কে আটক করে। এসময় তাহার নিকট হতে এক ভরি বারো আনা চোরাই স্বর্ণালংকার উদ্ধার করে।

বাঙ্গরাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, ডাকাত সদস্য মামুনের বিরুদ্ধে রাঙ্গামাটি জেলার বেতবুনিয়া থানার ডাকাতি মামলায় ওয়ারেন্ট রয়েছে। এছাড়াও বাঙ্গরা থানায় গত দুই এপ্রিলের ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার পলাতক আসামী। ডাকাত সদস্য ও চোরাই চক্রের সদস্যদের মঙ্গলবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নাঙ্গলকোটে অবৈধভাবে সিএনজি গ্যাস সরবরাহের সময় ২ জন আটক

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলায় বিশেষ প্রক্রিয়ায় কাভার্ড ভ্যানের ভিতর গ্যাস সিলিন্ডার স্থাপন করে অবৈধভাবে সিএনজি গ্যাস সরবরাহের সময় দুইজনকে হাতেনাতে আটক করেছে র‌্যাব-১১,সিপিসি-২ সদস্যরা। এ সময় একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।

আটককৃত আসামীরা হলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বসন্তপুর গ্রামের অলিউর রহমান এর ছেলে মোঃ সুমন ফরাজী (২৫) এবং একই থানার তুলাসার গ্রামের ইয়াকুব মৃধার ছেলে মোঃ ইবনে সাইদী জুবায়েদ হোসেন (২১)। অভিযানে একটি কাভার্ড ভ্যান জব্দ করা হয়।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল ৫ এপ্রিল নাঙ্গলকোট উপজেলার বপূর্ব দোয়ারা (কোদালিয়া) সাকিনস্থ পৌরসভা, ওয়ার্ড নং-০৩ এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে বিশেষ প্রক্রিয়ায় কাভার্ডভ্যানের ভিতর গ্যাস সিলিন্ডার স্থাপন করে অবৈধভাবে সিএনজি গ্যাস সরবরাহের সময় একজনকে হাতেনাতে আটক করে। এই চক্রটি মূলতঃ সিএনজি ফিলিং স্টেশনের আড়ালে সরাসরি গাড়িতে জ্বালানী সরবরাহ করার পাশাপাশি বিশেষ প্রক্রিয়ায় কাভার্ড ভ্যানের ভিতর সিলিন্ডার স্থাপন করে মিটার ব্যতীত মূল গ্যাস লাইন থেকে গ্যাস মজুদ করে তা অবৈধভাবে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এবং যেসব এলাকায় গ্যাস সংযোগ নেই সেসব এলাকার বিভিন্ন কারখানায় চড়ামূল্যে বিক্রি করে। এছাড়াও এই চক্রটি সিএনজি গ্যাস সংগ্রহ করে বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ সিএনজি স্টেশন স্থাপন করে প্রতি ঘনফুট প্রচলিত বাজার মূল্যের চেয়ে অধিক মূল্যে বিক্রি করে আসছিল। সিএনজি স্টেশনে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত টাকার পরিবর্তে চোরাই পথে চড়া দামে বিক্রি করে। এভাবে অবৈধ ভাবে গ্যাস চোরাই পথে সরবরাহ ও বিক্রির সময় বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটতে পারে এবং এর পাশাপাশি মিটার ব্যতীত এই গ্যাস বিক্রির ফলে সরকার বিপুল আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে।

এ ঘটনায় নাঙ্গলকোট উপজেলায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

কুবিতে কালের কন্ঠ শুভসংঘের নতুন কমিটি গঠন

 

কুবি প্রতিনিধি:

কালের কণ্ঠ শুভসংঘ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখার ২০২২ সালের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী মুনতাসির আল মামুন এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থী অজয় ধর।

মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান এ কমিটির অনুমোদন দেন।

কমিটির অন্যান্যরা হলেন, সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন মাহি, মেহেদী হাসান সৈকত, মারুফ হোসাইন, আয়েশা সিদ্দিকা আঁখি, বায়জিদ মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমাইয়া হক, আব্দুল্লাহ আল ওমর ফারুক, সুলতান আল নাহিয়ান, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমাইয়া তাবাসসুম ও রিফা সাদিয়া ভাবনা, কোষাধ্যক্ষ ইফতেখার আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তৌকির আহমেদ, দপ্তর সম্পাদক চৌধুরী মাসাবিহ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক নাজমুল ইসলাম সমাজকল্যাণ সম্পাদক আব্দুল মোমেন, নারী বিষয়ক সম্পাদক ইরতিজ আরা পূরবী, কার্যনির্বাহী সদস্য, আবু শামা, ইরফানুল ইসলাম ও মোঃ ইয়াসিন।

উল্লেখ্য, এই কমিটি আগামী এক বছর দায়িত্ব পালন করবে।