All posts by jitu

বালুবাহী বলগেটের ধাক্কায় ভেঙে পড়েছে ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন ব্রিজের স্টেজিং

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কবিরহাটের ধানশালিক ইউনিয়নের চাপরাশির খালের ওপর ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন চরএলাহী ব্রিজের স্টেজিং বালুবাহী বলগেটের আঘাতে ভেঙ্গে পানিতে তলিয়ে গেছে।

এছাড়াও এর আগেও তিনবার বালুবাহী বলগেটের আঘাতে ব্রিজের দুইটি গার্ডারে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের চাপরাশি খালের উপর নির্মাণাধীন চরএলাহী ব্রিজে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান।

নোয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বসুরহাট বাজার থেকে চরএলাহী বাজারের সাথে সরাসরি যোগাযোগের লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১৫ডিসেম্বর সড়ক ও জনপথ বিভাগ ১৮ কোটি টাকা ব্যয়ে ৯৭ মিটার দৈর্ঘ্য এ ব্রিজের নির্মাণের কাজ শুরু করে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এম এম বিল্ডাস মাহমুদুর রহমান এর কাজটি করছে।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রজেক্ট ম্যানেজার মো.ইউছুফ ইউহানা বলেন, চাপরাশিরহাট ও কবিরহাট উপজেলার ধানশালিক ইউনিয়নের অসাধু বালু ব্যবসায়ী খুরশিদ,শাহজাহান ও সোহেল অবৈধ ভাবে কোন সেফটি ছাড়া বলগেটে করে চাপরাশি খালে বালু নিয়ে আসে। এরপর সেফটি ছাড়া বলগেট টাকে যেনতেন ভাবে রেখে যায়। এরপর বলগেট গুলো জোয়ারে ভেসে এসে নির্মাণাধীন ব্রিজের গার্ডার ক্ষতিগ্রস্থ করে এবং স্টেজিং ভেঙ্গে পানিতে তলিয়ে নিয়ে যায়। এ ব্রিজটা এখন হুমকির মুখে আছে। বড় গার্ডারটা যে কোন মুহূর্তে ভেঙ্গে পড়তে পারে। আজকের ঘটনায় প্রায় ৮০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এর আগেও তৎকালীন কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসিনা আক্তারকে জানানো হয়েছে কাজ চলাকালীন বলগেট চলাচল বন্ধ করার জন্য। কিন্তু অভিযুক্তরা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বালু উঠিয়ে বলগেট চালানো অব্যাহত রেখেছে।

ম্যানেজার ইউছুফ আরও জানান, এখন পর্যন্ত নির্মাণাধীন ব্রিজের ৭টা গার্ডারের এর কাজ করা হয়েছে। বর্ষা মৌসুমে এ খালে প্রচণ্ড স্রোত এবং বালুবাহী জাহাজ অদক্ষ চালকের কারণে আরও ৩বার নির্মাণাধীন গার্ডার গুলোকে আঘাত করে। এ বিষয়টি সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসিনা আক্তার কে জানানো হলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যায়নি। বরং ইউএনও দায়িত্ব নিয়ে বলেছেন এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবেনা। কিন্তু তারপরও ঘটেছে।

এ বিষয়ে জানতে কবিরহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.আতিকুল মামুনের ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে নোয়াখালী সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ড.মোহাম্মদ আহাদ উল্যাহ বলেন, বিষয়টি জেনে উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো.নিজাম উদ্দিন সরেজমিনে পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তিনি আরও বলেন একাধিকবার বালুবাহী বলগেট নির্মাণাধীন ব্রিজের স্টেজিংয়ে আঘাত করায় আগামী বর্ষার আগে কাজটি সন্তোষজনক পর্যায়ে আনা কষ্টকর হয়ে পড়বে।

জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান আরও বলেন বিষয়টি আমি জেনেছি। ব্রিজটি কোম্পানীগঞ্জ এবং কবিরহাট উপজেলার বর্ডার এলাকায়। দুই কিলোমিটার দূরে বেধে রাখা বালুবাহী বলগেট জোয়ারের পানিতে ভেসে এলে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বাংলাদেশে শিমিনস বিজনেস নিয়ে এলো মেটা

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও শিমিনস বিজনেস প্রোগ্রাম চালু করছে মেটা, যা আগে ফেসবুক কোম্পানি নামে পরিচিত ছিল। এর মাধ্যমে অনলাইনে নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা গড়ে তোলা ও তা সম্প্রসারণের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা, যোগাযোগের উপায় ও প্রযুক্তি প্রদান করা হবে। আইসিটি বিভাগের অ্যাসপায়ারটুইনোভেট (এটুআই) প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিডব্লিউসিসিআই) এবং লাইটক্যাসল পার্টনারস-এর সাথে সম্মিলিতভাবে এই প্রোগ্রাম চালু করা হয়েছে।

ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসা বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি – দেশের জিডিপিতে এই ব্যবসাগুলোর অবদান প্রায় ২৫ শতাংশ। কোভিড-১৯ মহামারির সময় দেশীয় উদ্যোক্তারা, বিশেষত মহিলা উদ্যোক্তারা, অনেক বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। দৃঢ় মানসিকতা নিয়ে ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ চালিয়ে যাওয়ার জন্য অনেকেই ব্যবসার কাজে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা শুরু করেন।

মেটা-র এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পলিসি প্রোগ্রাম ও গভর্নমেন্ট আউটরিচ পরিচালক এবং #শিমিনস বিজনেস-এর গ্লোবাল হেড বেথ অ্যানলিম বলেন, “নারী উদ্যোক্তারা প্রতিনিয়তই সকল বাধা অতিক্রম করে অনলাইনে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করছেন। এর ফলে তাদের নিজেদের এবং সমাজের পরিবর্তনের পাশাপাশি দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। নারী-পরিচালিত ক্ষুদ্র ব্যবসাগুলোকে সাহায্য করা ও বাংলাদেশকে আরও দৃঢ়, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ডিজিটাল ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মেটা-র অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে বাংলাদেশে #শিমিনস বিজনেস প্রোগ্রামটি চালু করতে পেরে আমরা আনন্দিত।”

মেটা-র গবেষণা অনুসারে, বাংলাদেশে নারী পরিচালিত ফেসবুক ব্যবসাগুলোর ৭০ শতাংশেরও বেশি মহামারির সময় চালু হয়। ২০২১ সাল থেকে বাংলাদেশে চালু হওয়া ব্যবসায়িক উদ্যোগ সংক্রান্ত ফেসবুকগ্রুপগুলোর ৪০ শতাংশই শুরু করেছেন নারীরা।

আইসিটি বিভাগ ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আওতাধীন অ্যাসপায়ার টুইনোভেট প্রোগ্রামের পলিসি অ্যাডভাইজার আনির চৌধুরী বলেন, “ক্ষুদ্রব্যবসাগুলো অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করলেও, উদ্যোক্তাদের মাঝে এসব প্ল্যাটফর্মবিষয়ক বিভিন্ন ধারণার ঘাটতি দেখা যায়। তাই তারা বর্তমান ও সম্ভাব্য ক্রেতাদের সাথে যুক্ত থেকে ব্যবসা সম্প্রসারণের জন্য ডিজিটালটুলগুলো কেস ঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারছেন না। মেটা-র সাথে এই পার্টনারশিপ শুরু করতে পেরে আমরা আনন্দিত। এর মাধ্যমে আমরা নারী উদ্যোক্তাদের বেশ কিছু কর্মশালা ও অনলাইন লার্নিং টুল ব্যবহার করার সুযোগ করে দেবো যা তাদের ব্যবসা ভালোভাবে টিকিয়ে রাখতে এবং ভবিষ্যৎ উন্নতিতে সাহায্য করবে।”

বিডব্লিউসিসিআই-এর প্রেসিডেন্ট ও প্রতিষ্ঠাতা সেলিমা আহমাদ, এমপি বলেন, “সফল নারী উদ্যোক্তারা শুধু নিজেদের পরিবারই নয়, দেশের অর্থনীতির উন্নয়নেও অবদান রাখেন। মেটা-র সাথে কাজ করে সঠিক দক্ষতা ও তথ্য প্রদানের মাধ্যমে শহর ও গ্রামাঞ্চলের নারীদের ক্ষমতায়নে সাহায্য করতে পারবো বলে আমরা আশাবাদী। সঠিক প্রশিক্ষণ পেলে এই নারী উদ্যোক্তারা একদিন নেতৃত্বের উদাহরণ হয়ে উঠতে পারবেন।”

#শিমিনস বিজনেস প্রোগ্রামটি বর্তমানে পৃথিবীর ৩৮টি দেশে চলমান আছে। মেটা ও এর পার্টনার প্রতিষ্ঠানগুলো বিশ্বজুড়ে ১০ লক্ষের বেশি নারীকে প্রশিক্ষণ প্রদান করেছে। বাংলাদেশি নারীরাও আজ এই কমিউনিটির অংশ হতে যাচ্ছেন। মেটা কীভাবে নারী-পরিচালিত ক্ষুদ্র ব্যবসাকে সহায়তা করে, সে বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে দেখুন: https://shemeansbusiness.fb.com/

সর্বোচ্চ ৬০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনেছে গ্রামীণফোন

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

গ্রাহকদের আরও উন্নত সেবা দেয়ার লক্ষ্যে বিটিআরসি’র নিলামে অনুমোদিত সীমার সর্বোচ্চ ৬০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কিনেছে গ্রামীণফোন।

গ্রামীণফোনের সিইও ইয়াসির আজমান বলেন, “নিলাম আয়োজনের জন্য আমি বিটিআরসি এবং ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। এই নিলাম সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়ক হবে। দেশের মানুষকে মানসম্পত সেবা প্রদানে সরকারের স্বদিচ্ছার এটি আরও একটি বহিঃপ্রকাশ। গ্রমীণফােনের জন্য এই নিলাম একটি সময়োচিত মাইলফলক। তরঙ্গ নিলামটি এমন একটি সময়ে অনুষ্ঠিত হলো যখন আমরা বাংলাদেশের সম্ভাবনা এগিয়ে নিতে মানুষকে কানেক্টিভিটি দেয়ার ২৫ বছর উদযাপন করছে গ্রামীণফোন। বাংলাদেশের ডিজিটালাইজেশনের যাত্রায় শুরু থেকেই কাজ করছে গ্রামীণফোন। আবারও ৬০ মেগাহার্টজ তরঙ্গ কেনার মাধ্যমে দেশের মানুষের ডিজিটাল সম্ভাবনা উম্মোচনে আমাদের অঙ্গীকারকেই পুর্নব্যক্ত করছে। গ্রাহকদের অভিজ্ঞতার আরও উন্নয়ন এবং সেবার মান উন্নয়ন সব সময়ই আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার। ভবিষৎতে নেটওয়ার্কে আমাদের তরঙ্গের ব্যবহার গ্রাহকদের আরও উন্নত ফোরজি সেবা প্রদানে সহায়ক হবে।”

ইয়াসির আজমান আরও বলেন, “বাংলাদেশের ডিজিটাল সম্ভাবনা বাস্তবায়নে গ্রাহক চাহিদা পূরণে উন্নত ফোরজি প্রযুক্তি’র প্রাথমিক চালিকা শক্তি হিসাবে থাকবে। ভবিষ্যতের কথা বিবেচনায় রেখে, আমরা সামনের মাসগুলোতে সরকার এবং সম্ভাব্য অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রির সাথে পার্টনারশিপের মাধ্যমে ট্রায়অল/টেস্ট করে বাংলাদেশের জন্য ফাইভজি ব্যবহারের সম্ভাব্য ক্ষেত্র চিহ্নিত করব। আমরা বিটিআরসি’র সাথে গুরুত্বপূর্ণ রেগুলেটরি এনাবলার এবং সামগ্রিক ফাইভজি লাইসেন্সিং কাঠামোর বিষয়ে একটি আলোচনার অপেক্ষায় রয়েছি, যা শুধুমাত্র ইন্ডাস্ট্রি কন্সাল্টেশনের পরেই চূড়ান্ত করা হবে বলে আমাদের আশ্বস্ত করা হয়েছে।’’

গ্রাহকদের কাছে সবচেয়ে আধুনিক প্রযুক্তিসেবা পৌঁছে দিতে গ্রামীণফোন ধারাবাহিকভাবে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন সম্প্রসারণ অব্যাহত রেখেছে। ১৯৯৭ সালে যাত্রা শুরু থেকে সবসময় গ্রাহকদের অগ্রাধিকার বিবেচনায় রেখে প্রতিষ্ঠানটি সামাজিক ক্ষমতায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

সদর দক্ষিণে ৩১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারী আটক

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানা এলাকা থেকে ৩১ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব-১১ এর সিপিসি-২ সদস্যরা। এ সময় একটি সিএনজি জব্দ করা হয়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল ৩১ মার্চ সকালে কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ এলাকার রাজাপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে সিএনজি‘তে করে মাদক পরিবহনের সময় ৩১ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী হলেন কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার একবালিয়া গ্রামের মোঃ গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মোঃ রাকিব হোসেন(১৯)।

গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

 

গুচ্ছ পদ্ধতিতে কুবি শিক্ষক সমিতি অনীহা

 

কুবি প্রতিনিধি:
গুচ্ছ পদ্ধতি শিক্ষার্থীবান্ধব নয় বলে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষকদের সংগঠন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। এসময় তারা গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা না নেওয়ার পক্ষে মতামত দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৩১ মার্চ) শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী ও সাধারণ সম্পাদক ড. মো. মোকাদ্দেস উল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষক নেতারা বলেন, গত ২৩ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় উপস্থিত শিক্ষকবৃন্দ ও অনলাইন জরিপে মতামত দেওয়া প্রায় শতভাগ শিক্ষক গুচ্ছ পদ্ধতিতে পরীক্ষা না দেওয়ার পক্ষে মতামত দিয়েছেন। ২ জন শিক্ষক প্রক্রিয়া সংশোধন করে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে মতামত দিয়েছেন। তবে সুনির্দিষ্ট কোন সমাধানের পথ উপস্থাপন করতে পারেননি।

বিজ্ঞপ্তিতে নেতারা আরো বলেন, গুচ্ছ পদ্ধতি শিক্ষার্থীবান্ধব নয়। সময় ও আর্থিক হয়রানি বহুগুণ বেশি। বিশ্ববিদ্যালয় একটি আঞ্চলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হচ্ছে৷ সাংস্কৃতিক মননশীলতা কোনভাবেই এখানে তৈরি হবে না। পনেরবার মেধাতালিকা প্রকাশ করার পরও প্রতিটি বিভাগেই আসন খালি রয়েছে। এতে সেশন জ্যাম লেগেই থাকবে। একজন শিক্ষার্থীর ব্যাপক সুযোগ থাকা সত্ত্বেও একটি মাত্র পরীক্ষায় খারাপ হলে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির সুযোগ হারাচ্ছে। অত্যধিক সময় ব্যয় হওয়ায় শিক্ষার্থীরা ভুল সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হচ্ছে। সর্বোপরি গুচ্ছ পদ্ধতির পরীক্ষা শিক্ষার্থী ও প্রতিষ্ঠানের জন্য আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপ হয়ে উঠেছে।

এসময় শিক্ষকদের দাবিকে আগ্রাহ্য না করার দাবিও জানান নেতারা।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী বলেন, শিক্ষার্থীরা সময় ও আর্থিক ভোগান্তিতে বেশি পড়েছে। ফলে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আশীর্বাদ না হয়ে অভিশাপ হয়ে উঠেছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয় এ পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে নিজস্ব পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা পুনরায় চালু করা দরকার৷

উল্লেখ্য, সাধারণ সভা ও অনলাইন জরিপে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষক তাদের মতামত পেশ করেন।

বার্জার ইয়াং পেইন্টার্স আর্ট কম্পিটিশন পুরস্কৃত হলেন ২৬তম আয়োজনের বিজয়ীরা

ডেস্ক রিপোর্ট:
বাণিজ্যিক স্বার্থের উর্দ্ধে থেকে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় পেইন্টস সলিউশন ব্র্যান্ড বার্জার প্রতিনিয়ত দেশের জনগণকে অনুপ্রাণিত করে চলেছে, এবং এরই ধারাবাহিকতায় প্রতিষ্ঠানটি সম্প্রতি আয়োজন করেছে “২৬তম বার্জার ইয়াং পেইন্টার্স আর্ট কম্পিটিশন” (বিওয়াইপিএসি)। আগামীর সম্ভাবনাময় চিত্রশিল্পীদের প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার লক্ষ্যে বার্জার নিয়মিত এই প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করে থাকে। এ উপলক্ষ্যে ঢাকার গুলশান ক্লাবে একটি পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে ছয়জন তরুণ এবং প্রতিভাবান শিল্পীকে তাদের অনন্য চিত্রকর্মের জন্য পুরস্কৃত করা হয়।

প্রতিযোগী সুবর্ণ চক্রবর্তী তন্ময়ের “ক্লোজ আপ” শীর্ষক ছবিটি এবারের আয়োজনে বিজয়ী ঘোষিত হয়, যার মাধ্যমে তিনি ১ লাখ টাকার প্রথম পুরস্কার জিতে নেন। রানার-আপ মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন এবং এবং দ্বিতীয় রানার-আপ মোঃ মেজানুর রহমান যথাক্রমে ৭৫ হাজার টাকা এবং ৫০ হাজার টাকার পুরস্কার জয় করেন। অন্যান্য বিজয়ীদের মধ্যে ছিলেন- মোহাম্মদ ফখরুল ইসলাম মজুমদার, আসিফ আল নূর রাতুল এবং মোঃ আরিফুল ইসলাম। বিজয়ীদের সকলকে পুরস্কারের পাশাপাশি ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।
এবারের আয়োজনে সম্মানিত জুরি হিসেবে ছিলেন অধ্যাপক নিসার হোসেন, মাকসুদা ইকবাল নিপা, কামাল উদ্দিন, অধ্যাপক ড. বজলুর রশীদ খান, ফারহানা ফেরদৌসী, অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও কামাল উদ্দিন। ৩৭৩ জন অংশগ্রহণকারীর জমা দেওয়া মোট ৪১১টি চিত্রকর্ম থেকে জুরি প্যানেল এবারের সেরা পেইন্টিংগুলো নির্বাচন করেন। এ প্রসঙ্গে জুরি কমিটির চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন প্রফেসর নিসার হোসেন বলেন, “এমন চমৎকার সব পেইন্টিং থেকে সেরা পাঁচটি বা ছয়টি নির্বাচন করা আমাদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কিন্তু এর ফলে এটিও প্রমাণিত হয় যে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশে আমরা কিছু চমৎকার শিল্পীকে পেতে যাচ্ছি, তাই আমাদের অবশ্যই তাদের স্বপ্নকে লালন করতে এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রতিভার চর্চা বজায় রাখতে সাহায্য করতে হবে”।

বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রূপালী চৌধুরী বলেন, “১৯৯৬ সাল থেকে বার্জার ইয়াং পেইন্টার্স আর্ট কম্পিটিশনের মাধ্যমে আমরা দেশের পরবর্তী প্রজন্মের চিত্রশিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর প্রয়াস চালু রেখেছি। এবং এই প্রতিভাবান শিল্পীদেরকে তাদের স্বপ্নের পথে এগিয়ে যেতে উৎসাহিত ও সম্মানিত করতে পেরে আমরা গর্বিত। আমি ২৬তম আয়োজনের সকল বিজয়ী এবং অংশগ্রহণকারীদের অভিনন্দন জানাই। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হওয়া বা না হওয়া বড় কথা নয় – আপনারা আপনাদের আঁকাআঁকির চর্চা চালিয়ে যান এবং রং-তুলির আঁচড়ে পৃথিবীকে আরও সুন্দর করে তুলুন”।

বার্জার ইয়াং পেইন্টার্স আর্ট কম্পিটিশনে ছবি জমা দানের সময়সীমা ছিল জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর, ২০২১ পর্যন্ত। অংশগ্রহণকারীরা তেল রঙ, অ্যাক্রিলিক, জলের রঙ, স্কেচ, লাইন ড্রয়িং, প্রিন্ট মেকিং এবং মিক্সড মিডিয়া থেকে তাদের পছন্দসই মাধ্যমটি ব্যবহার করে ছবি আঁকেন ও প্রতিযোগিতার জন্য জমা দেন।

দেশের বাজারে আসছে ফ্যান্টাস্টিক ফাইবারগ্লাস লেদার ডিজাইনের অপো এফ২১ প্রো

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের চাহিদা পূরণে শীর্ষস্থানীয় স্মার্ট ডিভাইস ব্র্যান্ড অপো নান্দনিক ডিজাইন ও চমৎকার রঙের এফ সিরিজের নতুন ফোন অপো এফ২১ প্রো দেশের বাজারে উন্মোচন করতে যাচ্ছে।

ব্যবহারকারীদের উন্নত জীবনধারা নিশ্চিতে অপো সিএমএফ (কালার, ম্যাটেরিয়ালস, ফিনিশ) উদ্ভাবনের মাধ্যমে নতুন নতুন ডিজাইন নিয়ে আসতে সচেষ্ট রয়েছে। বর্তমানে স্মার্টফোন শুধুমাত্র একটি ডিভাইস নয়, বরং এটি মানুষের নিত্য অনুষঙ্গে পরিণত হয়েছে। এ বিষয়টিকে বিবেচনা করেই অপো খুব শিগগিরই দেশের বাজারে উন্মোচন করতে যাচ্ছে অসাধারণ ডিজাইন ও চোখ ধাঁধানো সানসেট অরেঞ্জ রঙের এফ২১ প্রো।
এফ২১ প্রো ডিভাইসটি প্রথম দেখাতেই যে কোন ব্যক্তিরই মনোযোগ আকর্ষণ করবে। সেল্ফ-ডেভেলপড ফাইবারগ্লাস-লেদার ডিজাইন ও অরবিট লাইট ডিজাইনের মাধ্যমে তৈরি এ ডিভাইসটি নিশ্চিতভাবে মানুষের চোখকে ধাঁধিয়ে দিবে। স্প্লাইসড ক্যামেরা ডিজাইন এবং পাতলা ও হালকা বডি’র সমন্বয়ে তৈরি স্মার্ট ডিজাইনের এ ফোনটি দেখতে বেশ আকর্ষণীয়।

ডিভাইসটিতে আইএসও সার্টিফাইড ফাইবারগ্লাস-লেদার ডিজাইন ও এর ‘ফ্রেমলেস ব্যাটারি কাভার’ থাকায় ফোনটিতে কোন প্লাস্টিক মিড-ফ্রেম ব্যবহারের প্রয়োজন হয়নি। ফলে, ব্যবহারকারীরা পাবেন এজলেস পারফরমেন্স ও খুব সহজেই হাতে রেখে ফোনটি ব্যবহার করা যাবে। ডিভাইসটি পানিপ্রতিরোধক ও ওয়্যার রেজিস্ট্যান্ট।

সানসেট অরেঞ্জ রঙের ফোনটির পেছনে ম্যাট টেক্সচারড ঝলমলে কাভার আছে, যার ফলে ফোনটিতে কোন আঁচড় লাগার সম্ভাবনা নেই এবং এর প্রিমিয়াম লুক বজায় থাকবে। বর্ণিল রঙ ও অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে উদ্বুদ্ধ হয়ে তৈরিকৃত এ ফোনটি ব্যবহারকারীদের স্মার্টফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় ভিন্নমাত্রা যোগ করবে।
আগামী ১০ এপ্রিল দেশের বাজারে উন্মোচিত হবে এ ফোনটি। বিস্তারিত জানতে চোখ রাখুন অপো’র সোশ্যাল মিডিয়া পেইজে।

কুমিল্লায় গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদর এলাকা থেকে ১০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন মাদক কারবারীকে আটক করেছে র‌্যাব-১১ এর সিপিসি-২ সদস্যরা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল ৩০ মার্চ বিকেলে সদরের দূর্গাপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলেন কুমিল্লা সদরের ঈদগাহ গ্রামের মৃত. স্বপন মিয়ার ছেলে মোঃ আবুল কালাম(২৮) এবং একই উপজেলার আড়াইওড়া গ্রামের মৃত আবুল কাশেম এর ছেলে মোঃ আল আমিন@জাহাঙ্গীর(২৪)।

এ ঘটনায় কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নোয়াখালীতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের দরপত্র বিক্রিতে বাধা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের দরপত্র বিক্রিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাধারণ ঠিকাদাররা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে এ দরপত্র বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার (৩০ মার্চ) সুবর্ণচর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

একাধিক ঠিকাদার অভিযোগ করে বলেন, গত (১২ মার্চ) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত সচিব ও প্রকল্প পরিচালক দীপক রঞ্জন অধিকারী স্বাক্ষরিত ২০২১-২০২২ অর্থ বছরে গ্রামীণ মাটির রাস্তা সমূহ টেকসইকরণের লক্ষ্যে হেরিং বোন বন্ড(এইচবিবি) করণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের দরপত্র বিজ্ঞপ্তি পত্রিকায় প্রকাশ করেন। এতে প্রায় ৬২ লক্ষ ৪২ হাজার টাকা ব্যয়ে উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডে একটি সড়কের এইচবিবি করণের দরপত্র আহ্বান করা হয়। বুধবার (৩০ মার্চ) এই দরপত্র বিক্রির শেষ দিন ছিল। কিন্তু বেশ কয়েকজন ঠিকাদার সুবর্ণচর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কাউছার আহমেদ ও জেলা দুর্যোগ ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা জাহিদুর রহমানের কার্যালয়ে গিয়ে দরপত্র পায়নি। বরং দুই কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের যোগসাজশে চলে তালবাহাà¦