All posts by jitu

যদি কুমিল্লা-৯ পুনর্বহাল না হয়, মানুষের লাশের উপর দিয়ে নির্বাচন করতে হবে: মনিরুল হক চৌধুরী

যদি কুমিল্লা-৯ পুনর্বহাল না হয়, মানুষের লাশের উপর দিয়ে নির্বাচন করতে হবে: মনিরুল হক চৌধুরী

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা-৯ নির্বাচনী এলাকার পুনর্বহালের দাবিতে আজ রবিবার (২২ ডিসেম্বর) বৃহত্তর কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার ঐক্য সংহতি পরিষদ লং মার্চ কর্মসূচি পালন করেছে।

লং মার্চটি লালমাই উপজেলার যুক্তিখোলা বাজার থেকে শুরু হয়ে কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে সংগঠনটি কুমিল্লা জেলা প্রশাসককে স্মারকলিপি প্রদান করে। কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী।

পরে মনিরুল হক চৌধুরী আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে পূর্বের কুমিল্লা-৯ নির্বাচনী এলাকার পুনর্বহালের দাবিতে স্মারকলিপি দেন।
তিনি বলেন, “১৯৮৬ সালের কুমিল্লা-৯ নির্বাচনী এলাকার ভিত্তিতে আসন্ন নির্বাচন দিতে হবে। যদি তা না করা হয়, তবে এই অঞ্চলের মানুষের লাশের উপর দিয়ে নির্বাচন করতে হবে। ২০০৮ সালে তৎকালীন নির্বাচন কমিশনার কুমিল্লা-৯ আসনকে অন্যায়ভাবে পৃথক করেছেন। আমরা সেই সময়ের নির্বাচন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা করবো।”

মনিরুল হক আরও বলেন, “২০১৪ সালে কুমিল্লা-৯ নির্বাচনী এলাকা নিয়ে হাইকোর্ট রায় দিয়েছিল, কিন্তু সাবেক মন্ত্রী লোটাস কামাল ক্ষমতার অপব্যবহার করে সেই রায় স্থগিত করিয়েছিলেন। এতে করে কুমিল্লা দক্ষিণ অঞ্চলকে পৃথক করা হয়েছে। আমরা নতুন নির্বাচন কমিশনের কাছে এ বিষয়ে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছি। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হবো।”

লং মার্চ কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ড. শাহ মো. সেলিম, সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আকতার হোসেন, সদর দক্ষিণ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন মজুমদার, সদস্য সচিব ওমর ফারুক চৌধুরী, লালমাই উপজেলা আহ্বায়ক মাসুদ করিম, সেক্রেটারি ইউসুফ আলী মীর পিন্টু, এবং বিএনপির অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মী। এছাড়াও অংশগ্রহণ করেন কুমিল্লার দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও স্থানীয় সাধারণ মানুষ।

ইউনিটি ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট

ইউনিটি ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট-২০২৪: চ্যাম্পিয়ন টিম ধর্মসাগর, রানারআপ টিম গোমতী

ইউনিটি ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট-২০২৪: চ্যাম্পিয়ন টিম ধর্মসাগর, রানারআপ টিম গোমতী

স্টাফ রিপোর্টার:

ইউনিটি অব কুমিল্লা এসএসসি-২০০১ ব্যাচ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত ইউনিটি ক্রিকেট টুর্ণামেন্ট ২০২৪ এর ফাইনালে টিম গোমতীকে ৯ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মামুন আব্দুল্লাহর টিম ধর্মসাগর। ফাইনালে প্রথমে টসে জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় টিম গোমতীর অধিনায়ক কার্তিক চান্ডা।প্রথমে ব্যাট করে টিম গোমতী ১২ ওভারে ৭ উইকেটের বিনিময়ে ৫৫ রান করেন। দলের পক্ষে কার্তিক ১০, বেলাল ৬, মাসুদ ৬, আনিস ৮ , কুদ্দুস ৭, ইরফান ২ ও কামরুল ২ রান করেন। ধর্মসাগর দলের পক্ষে রাজু ও নাহিদ ২টি করে ও নাভিন ১টি উইকেট পান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৭ ওভারে এক উইকেট হারিয়ে সহজেই জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌছে যায় টিম ধর্মসাগর। দলের পক্ষে সাইমন নট আউট ২১ রান ও শাহাদাত ১৮ রান করেন। গোমতীর পক্ষে কামরুল একটি উইকেট পান।

ফাইনাল খেলায় পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া কর্মকর্তা ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রস্তাবিত এডহক কমিটির সদস্য সচিব সুমন কুমার মিত্র। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার প্রস্তাবিত এডহক কমিটির সদস্য আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিম, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মাসুক আলতাফ চৌধুরী। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা সদরের সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, ব্ল্যাক পার্ল হোল্ডিংস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিয়া হোসেন। ইউনিটি অব কুমিল্লা এসএসসি-২০০১ ব্যাচের এডমিন প্রকৌশলী কাজী সাইফুল স্বাগত বক্তব্যে ইউনিটি ফাউন্ডেশন ও ক্রিকেট খেলার আয়োজন নিয়ে কথা বলেন। অতিথিদের হাতে শুভেচ্ছা স্মারক তুলে দেন ইউনিটি অব কুমিল্লা এসএসসি-২০০১ ব্যাচের রোটারিয়ান সফুরা সুলতানা এনি, হাবিবা লিপি, রুপালী ইয়াসমিন, কাজী সাইফুল, শাহ ইমরান। অতিথিদের বক্তব্য শেষে খেলোয়াড় ও আয়োজকদের হাতে পুরষ্কার তুলে দেন অতিথিরা।

খেলায় ম্যান অব দ্য ফাইনাল হয়েছেন ধর্মসাগরের রাজু, সেরা ব্যাটার হয়েছেন ধর্মসাগরের সাইমন, সেরা বোলার হয়েছেন ধর্মসাগরের রাজু এবং টুর্ণামেন্ট সেরা প্লেয়ার হয়েছেন ধর্মসাগরের সাইমন। নক আউট পর্বের দুই ম্যাচের ম্যান অব দ্য ম্যাচ হয়েছেন যথাক্রমে ধর্মসাগরের শাখাওয়াত ও গোমতী দলের ছোটন। আম্পায়ার হিসেবে শুভেচ্ছা স্মারক পেয়েছেন এশিয়ান টিভির মাহফুজ আনোয়ার সৌরভ, এছাড়া শুভেচ্ছা স্মারক পেয়েছেন ডেইলি বাংলাদেশ মিররের স্টাফ রিপোর্টার রাসেল সোহেল, এশিয়ান টিভির কুমিল্লা ব্যুরো আজিজুল হক, দৈনিক পূর্বাশার স্টাফ রিপোর্টার হাবিবুর রহমান মুন্না, আয়োজক ও সহায়ক হিসেবে শুভেচ্ছা স্মারক পেয়েছেন ইউনিটি অব কুমিল্লা এসএসসি-২০০১ ব্যাচের অন্যতম এডমিন জাপান প্রবাসী ওমর ফারুক, এডমিন প্রকৌশলী কাজী সাইফুল, এডমিন মামুন আব্দুল্লাহ, এডমিন কার্তিক চান্দা, আনিছুর রহমান, কামরুল ইসলাম রাজু, মুভিন এলিভেটরের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: মামুন, টপ এন্ড টয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অপু, নন্দী রিয়েল স্টেট এন্ড ডেভেলপারস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খোকন চন্দ্র নন্দী।

অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুমিল্লা স্পোর্টস জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু।

চাঁদপুরে মধ্যরাতে তিন হাজার যাত্রী

চাঁদপুরে মধ্যরাতে তিন হাজার যাত্রী নিয়ে মাঝ নদীতে দুই লঞ্চের সংঘর্ষ

চাঁদপুরে মধ্যরাতে তিন হাজার যাত্রী নিয়ে মাঝ নদীতে দুই লঞ্চের সংঘর্ষ

ডেস্ক রিপোর্ট:

চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে মধ্যরাতে ঢাকা-বরিশাল নৌরুটে চলাচলকারী দুই বিলাসবহুল যাত্রীবাহী লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে লঞ্চ দুটির সম্মুখভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো যাত্রী হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক সোয়া ২টার দিকে চাঁদপুরের মেঘনা নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে জড়িত লঞ্চ দুটি হলো বরিশাল থেকে ঢাকাগামী এমভি কীর্তনখোলা-১০ এবং ঢাকা থেকে বরিশালগামী এমভি প্রিন্স আওলাদ-১০।

বরিশালের বিআইডব্লিউটিএ’র বন্দর কর্মকর্তা এবং নৌ-পুলিশ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ঘন কুয়াশার কারণে এই সংঘর্ষ ঘটে। গতকাল রাত ৯টার দিকে বরিশাল থেকে প্রিন্স আওলাদ-১০ এবং ঢাকা থেকে কীর্তনখোলা-১০ পৃথকভাবে প্রায় তিন হাজার যাত্রী নিয়ে রওনা দেয়। তবে ঘন কুয়াশার কারণে চাঁদপুরের হরিনা এলাকায় লঞ্চ দুটি মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়ায়।

সংঘর্ষে লঞ্চ দুটির সামনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এর মধ্যে কীর্তনখোলা-১০ লঞ্চটি পরে ঢাকায় পৌঁছায়। তবে প্রিন্স আওলাদ-১০ দুর্ঘটনার স্থানেই অবস্থান করে।

বিআইডব্লিউটিএ আরও জানায়, প্রায় দেড় হাজার যাত্রীবাহী প্রিন্স আওলাদ-১০ লঞ্চের যাত্রীদের সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শুভরাজ-১০ নামের আরেকটি লঞ্চে উদ্ধার করে বরিশালের উদ্দেশে পাঠানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে, দুপুরের মধ্যে যাত্রীরা বরিশালে পৌঁছে যাবেন।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সকালের দিকে শুভরাজ-৯ লঞ্চে যাত্রীদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। তবে পুরো ঘটনার সময় যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল।

ব্রাজিলে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে

ব্রাজিলে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ৩২ জন নিহত

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাজিলের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় মিনাস জেরাইস রাজ্যের লাজিনহা শহরের কাছে একটি মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে অন্তত ৩২ জন নিহত হয়েছেন। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) ঘটে যাওয়া এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

স্থানীয় দমকল বিভাগ জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে ৩২ থেকে ৩৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আহত ১৩ জনকে তেওফিলো ওতোনি শহরের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বাসটি সাও পাওলো থেকে যাত্রা করেছিল, যেখানে ৪৫ জন যাত্রী ছিলেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাসের একটি টায়ার বিস্ফোরিত হওয়ার কারণে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এতে ট্রাকের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় এবং একই সময়ে একটি গাড়িও বাসের সঙ্গে ধাক্কা খায়। গাড়ির তিন যাত্রী প্রাণে বেঁচে যান।

দুর্ঘটনার পর নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

মিনাস জেরাইসের গভর্নর রোমেউ জেমা দুর্ঘটনার শিকারদের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন এবং রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বলেন, “আমরা চেষ্টা করছি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে মানবিক সহায়তা দিতে। বড়দিনের ঠিক আগে এই ঘটনাটি আমাদের সবাইকে গভীরভাবে মর্মাহত করেছে।”

ব্রাজিলিয়ান সংবাদমাধ্যম গ্লোবো জানিয়েছে, দুর্ঘটনার পর ট্রাকচালক পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেফতারে পুলিশ কাজ করছে।

ফেডারেল হাইওয়ে পুলিশ জানিয়েছে, এই মহাসড়কটি ২০২৩ সালে ব্রাজিলের সবচেয়ে প্রাণঘাতী সড়ক ছিল, যেখানে ৫৫৯ জন মারা যান। ২০২৪ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় দেশটিতে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে।

এর আগে গত সেপ্টেম্বরে কোরিতিবা ক্রোকোডাইলস ফুটবল দলের বাস দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হন। রিও ডি জেনিরোতে একটি খেলায় অংশ নিতে যাওয়ার সময় ওই বাসটি উল্টে যায়, যার ফলে খেলাটি বাতিল করা হয়।

সূত্র: আল-জাজিরা

দেশে নতুন রূপে এসেছে চাঁদাবাজরা- কুমিল্লায় হাসনাত আবদুল্লাহ

দেশে নতুন রূপে এসেছে চাঁদাবাজরা- কুমিল্লায় হাসনাত আবদুল্লাহ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার দেবিদ্বারে আলেম-ওলামাদের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেশে চাঁদাবাজী বন্ধ হয়নি, শুধু চাঁদাবাজের পরিবর্তন হয়েছে।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) উপজেলা পরিষদ হলরুমে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ কথা বলেন তিনি।

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, দেশের দুর্নীতি এখনো অব্যাহত রয়েছে, তবে চাঁদাবাজেরা কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। দখলদারিত্বের অবসান হয়নি, শুধু দখলবাজদের পরিবর্তন হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর আক্রমণ হচ্ছে বলে যে প্রপাগান্ডা চালানো হচ্ছে, সে বিষয়ে আলেম সমাজকে সচেতন থাকতে হবে যেন কেউ সাম্প্রদায়িক উস্কানি দিয়ে সংঘাত সৃষ্টি না করতে পারে। বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ, এখানে সংখ্যালঘুরা সবচেয়ে বেশি নিরাপদ।

এছাড়া, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আয়োজনে আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিগার সুলতানার সভাপতিত্বে এবং মুফতি আবদুল আহাদের সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন দেবিদ্বার ইসলামিয়া ফাযিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আলাউদ্দিন, ইসলামি ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজার তোফাজ্জল হোসেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপদেষ্টা নাজমুল হাসান নাহিদ, সমন্বয়ক মুহতাদির যারিফ সিক্ত, মো. সিয়াম আহমেদ প্রমুখ।

এ সময় হাসনাত আবদুল্লাহ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের দুর্নীতি, শিক্ষা ও চিকিৎসা খাতের অনিয়ম, সড়ক ও সেতু নির্মাণ ও সংস্কারের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে।

এদিন একই স্থানে উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধিদের সাথে সিরিজ বৈঠকও করেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

কুমিল্লা বিসিকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে

কুমিল্লা বিসিকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি, ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

শাহ ইমরান:

কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার বিসিক শিল্পনগরীতে অনুমোদন ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মিষ্টি তৈরি ও বিক্রির দায়ে ভ্রম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে মেসার্স এস এস ফুড নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার জরিমানা করা হয়েছে।

শনিবার (২১ ডিসেম্বর) কুমিল্লা জেলা প্রশাসন ও বিএসটিআইয়ের যৌথ উদ্যোগে এ অভিযান চালানো হয়।

জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল নূর আশেক এর নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করা হয়।

বিএসটিআই সূত্র জানায়, উক্ত প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে বিএসটিআই-এর গুণগতমান সনদ ছাড়া অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও নোংরা পরিবেশে সুইটমিট (কালোজাম, চমচম, রসমালাই) উৎপাদন ও বিক্রয় করছে।

এসময় নোংরা পরিবেশে মিষ্টি তৈরি করায় বিএসটিআই আইনে ৮০ হাজার এবং ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৭০ হাজার টাকাসহ মোট এক লাখ ৫০ হাজার জরিমানা করা হয়।

এছাড়াও প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী তমাল সাহাকে কারখানার যথাযথ সংস্কারপূর্বক মিষ্টি উৎপাদনের উপযোগী অবকাঠামো নির্মাণ করে দ্রুত বিএসটিআইয়ের অনুমোদন নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিএসটিআই কুমিল্লার ফিল্ড অফিসার ইকবাল আহাম্মদ।

সার্বিক সহযোগিতা করেন বিএসটিআই ফিল্ড অফিসার মো. আমিনুল ইসলাম শাকিল।

আমরা কোনো পাওয়ার দেখাতে আসিনি

আমরা কোনো ক্ষমতা দেখাতে আসিনি: উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন

ডেস্ক রিপোর্ট:

অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা কোনো ক্ষমতা দেখাতে আসিনি, বরং একটি দায়িত্ব পালন করতে এসেছি। গত ১৫ বছরের তথ্য ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন বিভ্রান্তি ও অসংগতি রয়েছে। অনেক সময় তথ্য গোপনেরও চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা এই প্রক্রিয়া পরিবর্তন ও সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছি। কারণ আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলো আমাদের কাছে বিভিন্ন প্রশ্ন তোলে, এবং তারা বোঝাতে চান যে পূর্বের তথ্যগুলো কম ছিল। আমরা তাদের বোঝানোর চেষ্টা করছি যে, আগের তথ্য গোপন করা হয়েছিল এবং এখন আমরা সঠিক তথ্য উপস্থাপন করছি।’

আজ শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক প্রকাশনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

পুঁজিবাজারের অস্থিরতার কারণ হিসেবে এখানে সংশ্লিষ্ট প্লেয়ার এবং নিয়ন্ত্রকদের ভুল-ত্রুটির কথা উল্লেখ করে ড. সালেহউদ্দিন বলেন, ‘আপনারা জেড ক্যাটাগরির শেয়ার কিনছেন, যার কোনো প্রকৃত ভিত্তি নেই। অথচ এই শেয়ারই অনেকে আনন্দের সঙ্গে কিনছেন। এর কোনো প্রকৃত মূল্য নেই, কয়েকদিন পর এগুলো কাগজ হিসেবে ব্যবহৃত হবে। এ ক্ষেত্রে সবাইকে একটু সচেতন হতে হবে। আমি বিনিয়োগকারীদের দায়ী করছি না, তবে পুঁজিবাজারের প্লেয়ার এবং নিয়ন্ত্রকদের দোষ আছে। আমি মনে করি, এই বিষয়টি সবার সামনে তুলে ধরা উচিত।’

তিনি আরও বলেন, ‘পরিসংখ্যান ব্যুরোকে (বিবিএস) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে যা সত্যিকারের তথ্য রয়েছে, সেটিই প্রকাশ করতে হবে। এখানে কারচুপির কোনো সুযোগ নেই। আমাদের ব্যাংকিং ও আর্থিক খাত যেমন চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে, পুঁজিবাজারের অবস্থাও একই রকম। শেয়ারমূল্য কমে গেলে চেয়ারম্যানকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিতে মিছিল হচ্ছে। আমি এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিয়েছি এবং বলেছি, তারা তাদের অবস্থানে থাকতে পারবে।’

ড. সালেহউদ্দিন আরও বলেন, ‘সঠিক তথ্য ও উপাত্ত ছাড়া কোনো কিছুর সঠিক মূল্যায়ন সম্ভব নয়। গত ১৫ বছরের তথ্যবিভ্রাটের জন্য বিদেশি বিনিয়োগকারীদের নানা প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়। মূল্যস্ফীতি এবং জিডিপি সম্পর্কিত তথ্যবিভ্রাটের পেছনে কিছু অনিচ্ছাকৃত ভুল থাকতে পারে, তবে নীতিনির্ধারকরাও অনেক সময় তথ্য গোপনের চেষ্টা করেছেন।’