All posts by jitu

ফিফার ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেটিং

ফিফার ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেটিং পেয়ে ২০৩৪ বিশ্বকাপ আয়োজক সৌদি আরব

ফিফার ইতিহাসে সর্বোচ্চ রেটিং পেয়ে ২০৩৪ বিশ্বকাপ আয়োজক সৌদি আরব

ডেস্ক রিপোর্ট:

যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো এবং কানাডা ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করবে। ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজিত হবে স্পেন, পর্তুগাল এবং মরক্কো দ্বারা। তবে ২০৩৪ বিশ্বকাপ আয়োজক দেশ হবে সৌদি আরব। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি একমাত্র প্রার্থী হিসেবে বিশ্বকাপের ২৫তম আসর আয়োজনের জন্য বিড করেছে। ফলে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও, সৌদি আরবের বিশ্বকাপ আয়োজন নিশ্চিত হয়ে গেছে।

শুক্রবার (৩০ নভেম্বর) সৌদি আরবের বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রস্তাবের মূল্যায়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ফিফা। মানবাধিকার ইস্যু নিয়ে নানা সমালোচনার পরেও, ফিফা সৌদি আরবকে ৫ নম্বরের মধ্যে ৪.২ নম্বর দিয়েছে, যা ইতিহাসে সর্বোচ্চ। ফিফা জানিয়েছে, ২০৩৪ বিশ্বকাপে মানবাধিকার সংক্রান্ত ঝুঁকি ‘মধ্যম’ স্তরের। তাদের দাবি, সৌদি আরবের সংস্কারের প্রচেষ্টাকে এটি আরও শক্তিশালী করতে সাহায্য করতে পারে। তবে, যেসব সংগঠন সৌদি আরবের বিশ্বকাপ আয়োজনে আপত্তি জানিয়েছে, তারা ফিফার এই মূল্যায়নকে তিরস্কার করেছে।

সৌদি আরবে বিশ্বকাপ আয়োজনের ক্ষেত্রে মূল চ্যালেঞ্জ হলো অবকাঠামো। ২০৩৪ বিশ্বকাপে সৌদি আরবে ২৩টি স্টেডিয়ামে খেলা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে একটি স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ চলছে, কিং সালমান স্টেডিয়াম, যার ধারণক্ষমতা হবে ৯২ হাজার দর্শক। এখানে হবে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী এবং ফাইনাল ম্যাচ। এই স্টেডিয়ামটি ২০৩২ সালে সম্পন্ন হবে। ২০২৭ সালের এশিয়ান কাপকে সামনে রেখে আরও তিনটি স্টেডিয়ামের কাজ চলমান রয়েছে।

ফিফা জানিয়েছে, সৌদি আরব অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এটি পরিবেশগত দিক থেকেও কম ঝুঁকিপূর্ণ। তবে, গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে, তাই খেলার সময় নির্ধারণে উচ্চ ঝুঁকি থাকতে পারে। সে কারণে, বিশ্বকাপের সম্ভাব্য সময়সূচি এখনও চূড়ান্ত করা হয়নি, এবং তা শীতকালে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এই বিশ্বকাপ আয়োজনে ন্যূনতম প্রয়োজনীয়তা পূরণ করা হয়েছে, তবে পরিবেশে এর নেতিবাচক প্রভাবও পড়বে, জানায় ফিফা। আনুষ্ঠানিকভাবে ১১ ডিসেম্বর বিশ্বকাপ আয়োজক দেশগুলোর নাম ঘোষণা করবে ফিফা।

শেখ হাসিনার আমলে বছরে

শেখ হাসিনার আমলে বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে

শেখ হাসিনার আমলে বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে

ডেস্ক রিপোর্ট:

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে অর্থনীতিতে অনিয়ম ও দুর্নীতি তদন্তে গঠিত শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি। প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, শেখ হাসিনার শাসনামলে বছরে গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পাচার হয়েছে।

রোববার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে প্রতিবেদনটি প্রধান উপদেষ্টার কাছে জমা দেওয়া হয়।

পরে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানান, শ্বেতপত্র কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে প্রতি বছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বিদেশে পাচার হয়েছে।

তিনি আরও জানান, শ্বেতপত্রে অর্থনীতির প্রতিটি খাত আলাদা আলাদাভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে এবং দেখানো হয়েছে, কীভাবে পরিসংখ্যানের মাধ্যমে উন্নয়নের গল্প সাজানো হয়েছে। যদিও উন্নয়ন কথা বলা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে দেশজুড়ে চলছে লুটপাটের এক মহাযজ্ঞ।

প্রতিবেদন গ্রহণের পর প্রধান উপদেষ্টা মন্তব্য করেন, “এই প্রতিবেদন আমাদের জন্য একটি ঐতিহাসিক দলিল। আর্থিক খাতে যে ধরনের ঘটনা ঘটেছে, তা ছিল এক ধরনের আতঙ্কজনক ব্যাপার। আমাদের সামনে এসব ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু কেউ এগুলো নিয়ে কথা বলেনি।”

শ্বেতপত্রটি আগামীকাল সোমবার (২ ডিসেম্বর) প্রকাশ করা হবে।

গত এক বছরে দেশে

গত এক বছরে দেশে রেকর্ডসংখ্যক এইচআইভি রোগী শনাক্ত

গত এক বছরে দেশে রেকর্ডসংখ্যক এইচআইভি রোগী শনাক্ত

ডেস্ক রিপোর্ট:

গত এক বছরে দেশে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক এইচআইভি রোগী শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে পুরুষ (সমকামী) সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এরপর রয়েছে হিজড়া সম্প্রদায় ও সাধারণ জনগোষ্ঠী। নতুন শনাক্তদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ বিবাহিত। এ সময়ে দেশে ১,৪৩৮ জন নতুন এইডস রোগী শনাক্ত হয়েছেন, যা অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় বেশি।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিগত বছরগুলোতে এইচআইভির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠী ছিল সুঁই-সিরিঞ্জের মাধ্যমে শিরায় মাদকগ্রহণকারী এবং নারী যৌনকর্মীরা। এইডস/এসটিডি প্রোগ্রামের সময়োপযোগী কর্মসূচি গ্রহণের ফলে বর্তমানে এদের মধ্যে সংক্রমণ কমে এসেছে। তবে পুরুষ সমকামীদের মধ্যে রোগটি ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় টেকসই লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে চ্যালেঞ্জ বাড়ছে।

একই সময়ে এতে মৃত্যু হয়েছে ১৯৫ জনের। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ৭৭ শতাংশ, নারী ২২ শতাংশ, হিজড়া ১ শতাংশ। নতুনভাবে সংক্রমিতদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ বিবাহিত। আর মৃতদের একটি বড় অংশের বয়স ৬০ বা তার বেশি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এসটিডি বা এইডস শাখার তথ্যমতে, নতুনভাবে আক্রান্ত ও মৃতদের মধ্যে ৬৩ শতাংশের বয়স ২৫ থেকে ৪৯ বছর এবং ২১ শতাংশের বয়স ২০ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে। নতুনভাবে আক্রান্তের মধ্যে ১০ শতাংশ রোহিঙ্গা, ১ শতাংশ নারী যৌনকর্মী ও ১ শতাংশ হিজড়া। নতুনভাবে সংক্রমিতদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ বিবাহিত, ৪০ শতাংশ অবিবাহিত, ৫ শতাংশ বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত। দেশের আট বিভাগে নতুনভাবে সংক্রমিতদের সংখ্যা ঢাকায় ৪০৬ জন, চট্টগ্রামে ৩২৬, খুলনায় ১৫৪, রাজশাহীতে ১৪৭ এবং অন্যান্য বিভাগে ৪৪ থেকে ৮৬ জন।

এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডাইরেক্টর টিবিএল ও এইডস বা এসটিডি প্রোগ্রাম ডা. মাহফুজার রহমান সরকার বলেন, আমাদের পরীক্ষা করার সক্ষমতা বেড়েছে। তাই পরীক্ষা বেশি হওয়ায় শনাক্তও বেশি হয়েছে। তাই সংক্রমণ বেড়েছে, সেটা বলা যাবে না। তা ছাড়া আক্রান্তদের চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে। তাই রোগটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কম।

বিভাগ হিসেবে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চসংখ্যক এইচআইভি রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। ২০২৪-এ প্রায় ১৫০ জন নতুন করে এইচআইভি আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আর প্রায় ১ হাজার ২০০ রোহিঙ্গা এইডসের চিকিৎসা নিচ্ছেন। উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কক্সবাজার জেলা হাসপাতাল, কক্সবাজার কারাগার ও আইওএম ক্লিনিকের মাধ্যমে তারা এ চিকিৎসা পাচ্ছেন।

এইডস বা এসটিডি প্রোগ্রামের তথ্যমতে, বাংলাদেশে এইডসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৬ হাজার ৬৯। চার বছর ধরে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে বাড়ছে। ১৯৮৯ থেকে (দেশে যখন প্রথম এইডস রোগী শনাক্ত হয়) ২০২০ সাল পর্যন্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৩২, ২০২১ সালে ৮ হাজার ৭৬১, ২০২২ সালে ৯ হাজার ৭০৮ জন। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা পৌঁছে ১০ হাজার ৯৮৪ জনে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের অনেক দেশেই শিরায় মাদক গ্রহণকারী, যৌনকর্মী, হিজড়া, সমকামী জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি শনাক্তের প্রবণতা বেশি। কারণ তারাই বেশিরভাগ সময় বৈষম্যের শিকার হন। এই বৈষম্য স্বাস্থ্য সেবায়ও প্রকট। কুসংস্কার, ভয় ও লজ্জার কারণে যেন এই ব্যক্তিরা চিকিৎসা সেবা থেকে হারিয়ে না যান, সেদিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। তা না হলে তাদের মাধ্যমে নতুন ব্যক্তি সংক্রমিত হতে পারে।

সূত্র: যুগান্তর

দেশ ও জাতির স্বার্থে

দেশ ও জাতির স্বার্থে সেনাবাহিনী দিনরাত পরিশ্রম করছে: সেনাপ্রধান

দেশ ও জাতির স্বার্থে সেনাবাহিনী দিনরাত পরিশ্রম করছে: সেনাপ্রধান

ডেস্ক রিপোর্ট:

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী দেশের সংকটময় সময়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, “দেশ ও জাতির স্বার্থে আমরা দিনরাত পরিশ্রম করছি, যেন দেশকে একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল অবস্থানে নিয়ে যাওয়া যায়।”

রোববার (১ ডিসেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসস্থ ‘আর্মি মাল্টিপারপাস কমপ্লেক্সে’ এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এই আয়োজনে মহান মুক্তিযুদ্ধের খেতাবপ্রাপ্ত বীর সেনাসদস্য এবং অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয় এবং শান্তিকালীন পদক প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান বলেন, “বর্তমান পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য আমরা সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য, দেশের জনগণকে একটি ভালো ও নিরাপদ ভবিষ্যৎ উপহার দেওয়া।”

অনুষ্ঠানে খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের নিকটাত্মীয়দের সাথে কুশল বিনিময় করেন সেনাপ্রধান। এ ছাড়া, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শান্তিকালীন সময়ে বীরত্বপূর্ণ কাজের জন্য ৫ জনকে সেনাবাহিনী পদক (এসবিপি), ৫ জনকে অসামান্য সেবা পদক (ওএসপি) এবং ১৮ জনকে বিশিষ্ট সেবা পদক (বিএসপি) প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে মুক্তিযুদ্ধকালীন খেতাবপ্রাপ্ত বীর সেনাসদস্যদের বীরত্বগাথা এবং শান্তিকালীন পদকপ্রাপ্তদের সেবামূলক কর্মকাণ্ডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ তুলে ধরা হয়।

নিরাপদ সড়ক চাই প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে

নিরাপদ সড়ক চাই প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে দাউদকান্দিতে বৃক্ষরোপন, র‌্যালী আলোচনা সভা

নিরাপদ সড়ক চাই প্রতিষ্টা বার্ষিকীতে দাউদকান্দিতে বৃক্ষরোপন, র‌্যালী আলোচনা সভা

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

সংগ্রাম, সাফল্য এবং গৌরবের ৩১ বছর পূর্তি উপলক্ষে দাউদকান্দিতে নিরাপদ সড়ক চাই সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষ রোপন, র‌্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (০১ ডিসেম্বর) সকালে দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ হাবিবুর রহমান।

নিরাপদ সড়ক চাই দাউদকান্দি শাখার সভাপতি লিটন সরকার বাদল এর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা রোটারিয়ান কামাল হোসেন, ডাঃ মোজাম্মেল, দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাজারী, ডাঃ সফিকুল ইসলাম, দাউদকান্দিও ছাত্র সমন্বয়ক মোঃ সাইফুল ইসলাম, সাংবাদিক হানিফ খান, সাংবাদিক শরীফ প্রধান প্রমূখ। পরে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে বৃক্ষরোপন এবং র‌্যালী বের করা হয়।

হাইকোর্টের রায়ে ন্যায়বিচারের

হাইকোর্টের রায়ে ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা হয়েছে: রুহুল কবির রিজভী

হাইকোর্টের রায়ে ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা হয়েছে: রুহুল কবির রিজভী

ডেস্ক রিপোর্ট:

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় হাইকোর্টের রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে বিএনপি। রোববার (১ ডিসেম্বর) হাইকোর্ট রায় ঘোষণা করেন। এই রায়ের মাধ্যমে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ দণ্ডিত সব আসামি খালাস পেয়েছেন।

রায়ের খবর পেয়ে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে নয়াপল্টনে দলটির সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় হাইকোর্টের রায় ন্যায়বিচারের প্রতিষ্ঠা হয়েছে। আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রশক্তি ব্যবহার করে অবৈধভাবে তারেক রহমানসহ অন্যদের বিরুদ্ধে সাজা দিয়েছিল। আপিল বিভাগ যথার্থ রায় প্রদান করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমানসহ সব আসামি খালাস

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক রহমানসহ সব আসামি খালাস

ডেস্ক রিপোর্ট:

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার আপিলের রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ সকল আসামি খালাস পেয়েছেন। এছাড়া মামলার অভিযোগপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ রোববার (১ ডিসেম্বর) বেলা ১১টার কিছু আগে রায় পড়া শুরু হয় এবং আদালত সব আসামিকে খালাস দেন। বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

গত ২১ নভেম্বর এই মামলায় খালাস চেয়ে করা আসামির আপিল ও ডেথ রেফারেন্স শুনানি শেষ হয়। এর আগে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর, বিচারিক আদালত ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আশা করেছিলেন যে, যারা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মামলায় জড়ানো হয়েছে, তারা সবাই খালাস পাবেন। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানী বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলায় ২৪ জন নিহত হন এবং অন্তত ৪০০ জন আহত হন।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার ঘটনায় মতিঝিল থানায় হত্যা ও বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে দুটি মামলা হয়। ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকার নতুনভাবে এই মামলাগুলোর তদন্ত শুরু করে। ২০০৮ সালে পুলিশ অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ২২ জনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দেয়। এতে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে আওয়ামী লীগকে নেতৃত্বশূন্য করতে জঙ্গিরা হামলা চালিয়েছিল। পরে, আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে মামলার অধিকতর তদন্ত হয় এবং তারেক রহমানসহ ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

শুনানির সময়ে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এসএম শাহজাহান বলেন, এই মামলার দ্বিতীয় অভিযোগপত্রে যাদের আসামি করা হয়েছে, সেটি আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ, প্রথমে এটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জমা দেওয়া হয়নি, সরাসরি জজ আদালতে দায়ের করা হয়, ফলে এটি ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী গৃহীত হতে পারে না। উপমহাদেশের বিভিন্ন দেশের সুপ্রিমকোর্ট ও হাইকোর্টের নজির অনুযায়ী, যদি কোনো মামলায় আসামির বিরুদ্ধে প্রমাণিত কিছু না থাকে এবং যথাযথ তদন্ত না হয়, তবে সব আসামি খালাস পেলে, যারা আপিল করেননি, তাদেরও রায়ের সুবিধা পাওয়া উচিত।

শুনানিতে তিন আসামির আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, মুফতি হান্নানের দ্বিতীয় জবানবন্দির ভিত্তিতে যে অধিকতর তদন্ত হয়েছে, তার আইনগত ভিত্তি নেই। সুনির্দিষ্ট তথ্য-প্রমাণ ছাড়া রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সাজা দেওয়া হয়েছে। এই মামলায় আসামিদের স্বীকারোক্তি নির্যাতনের মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে, যা শুনানিতে তুলে ধরেন। এসব দিক বিবেচনায় আসামিদের খালাসের আবেদন জানানো হয়।

যে কারণে মুন্নী সাহাকে

যে কারণে মুন্নী সাহাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর

যে কারণে মুন্নী সাহাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানীর কারওয়ান বাজারে শনিবার রাতে সাংবাদিক মুন্নী সাহাকে ঘিরে উত্তেজনার ঘটনা ঘটে। পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তেজগাঁও থানায় এবং পরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) কার্যালয়ে নিয়ে যায়। তবে, প্যানিক অ্যাটাক এবং অসুস্থতার কথা বিবেচনায় তাকে জামিনের শর্তে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) রেজাউল করিম মল্লিক বলেন, কারওয়ান বাজারে লোকজন মুন্নী সাহাকে ঘেরাও করেছিল। তখন তিনি আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়লে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে প্রথমে তেজগাঁও থানায় নিয়ে যায়। সেখান থেকে নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে ডিবিতে আনা হয়। যেহেতু তার নামে চারটি মামলা আছে, সেগুলোতে জামিনের শর্তে তাকে পরিবারের জিম্মায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

তবে এর আগে, তেজগাঁও থানার ওসি মো. মোবারক হোসেন জানান, সাংবাদিক মুন্নী সাহা রাত ১০টার দিকে কারওয়ান বাজারের জনতা টাওয়ারের অফিস থেকে বের হওয়ার পর কিছু লোক তাকে ঘিরে ধরেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। তার বিরুদ্ধে মামলা থাকায় গ্রেফতার করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ৯টার পরে রাজধানীর কাওরান বাজারে ‘এক টাকার খবরে’র অফিস থেকে বের হয়ে সবজি কিনতে যান মুন্নী সাহা। জনতা টাওয়ারের সামনে সবজি কেনার সময় জনতার তোপের মুখে পড়েন। বেশ কিছুক্ষণ তাকে ঘিরে রাখা হয়। পরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তেজগাঁও থানা পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নিজেদের হেফাজতে নেয়। তাদের কাছ থেকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয় মুন্নি সাহাকে। তার বিরুদ্ধে থাকা একাধিক মামলার মধ্যে যে কোনো একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হতে পারে বলে এমন কথা জানিয়েছিল তেজগাঁও থানার ওসি। এমনকি বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হবে বলেও জানানো হয়। কিন্তু ডিবি কার্যালয়ে যাওয়ার পর তার প্যানিক অ্যাটাক হওয়াসহ অসুস্থতা কারণ হিসেবে দেখা দেয়। তখন ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৭ ধারায় জামিন নেওয়ার শর্তসহ নানা দিক বিবেচনায় রাতেই তাকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।