All posts by jitu

বুড়িচংয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ পরিবারের মাঝে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ বিতরণ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় গোমতী নদীর বাঁধ ভেঙ্গে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত অসহায় ৫০টি পরিবারের মাঝে ঘর নির্মাণের জন্য ঢেউটিন ও নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশন।

রবিবার (২৭  অক্টোবর) বুড়িচং উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল আবুল হাসনাত মোহাম্মদ তারিক অসহায়দের মাঝে নিজ হাতে নগদ অর্থ ও টিন প্রদান করেন।

 

এসময় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০টি পরিবারের প্রত্যেককে ৪ বান করে ঢেউটিন ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

বর্তমান রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্ট

বর্তমান রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্ট সরকারের অংশ: রিজওয়ানা হাসান

বর্তমান রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্ট সরকারের অংশ: রিজওয়ানা হাসান

ডেস্ক রিপোর্ট:

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, বর্তমান রাষ্ট্রপতি ফ্যাসিস্ট সরকারের অংশ, তাই তিনি রাষ্ট্রপতি পদে থাকতে পারেন না।

রোববার (২৭ অক্টোবর) সকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।

উপদেষ্টা রিজওয়ানা উল্লেখ করেন, বিপ্লব পরবর্তী সরকারের আদল এবং বর্তমান রাষ্ট্রপতির আদল এক নয়। তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি পদে থাকা উচিত নয়, কারণ তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের অংশ। এ ইস্যুতে উপদেষ্টা পরিষদে আলোচনা হলেও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। বর্তমান বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই অন্তর্বর্তী সরকার শপথ নিয়েছে, তাই কোনো কিছুর ব্যত্যয় দেখা যাচ্ছে না। রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে বিএনপি দুই ধরনের বক্তব্য দিচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

উপদেষ্টা পরিষদে কোনো রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধের বিষয়ে আলোচনা হয়নি বলেও জানান তিনি।

একই অনুষ্ঠানে পহেলা নভেম্বর থেকে পলিথিন ব্যাগের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার ঘোষণা দেন রিজওয়ানা।

তিনি বলেন, “সব ধরনের পলিথিন নয়, শুধু পলিথিন শপিং ব্যাগ বন্ধ হবে।” পহেলা নভেম্বর থেকে পলিথিন শপিং ব্যাগের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হবে। পলিথিন ব্যাগ উৎপাদনের জন্য ছোট ছোট মেশিন আমদানি নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, “রক্ত, মায়ের দুধ ও খাদ্য উপাদানে মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে।” পলিথিন ব্যবহারে মানুষকে অভ্যস্ততার জায়গা থেকে সরিয়ে নিতে হবে। আমরা চাই, মানুষ পলিথিনের ক্ষতিকর দিক বুঝে এটির ব্যবহার থেকে সরে আসুক, যাতে আমাদের ব্যবস্থা নিতে না হয়।

 

 

ময়নামতি মেডিকেল কলেজ পরিচালনা পর্ষদের প্রধান ডা. আনিসের প্যানেল বাতিলের দাবি, স্মারকলিপি প্রদান

স্টাফ  রিপোর্টার:

কুমিল্লা ময়নামতি মেডিকেল কলেজ পরিচালনা পর্ষদের প্রধান ডা. আব্দুল বাকি আনিস ও  তার সমর্থিত  প্যানেল বাতিল এবং  কুমিল্লার স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় তাদের অবাঞ্চিত  ঘোষণার দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ  এবং হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনে তালা দিয়েছে  ছাত্র জনতা ও চিকিৎসক সমন্বয়করা। পরে  কুমিল্লা জেলা প্রশাসক  বরাবর  স্মারকলিপি প্রদান করে আন্দোলনকারিরা।

আন্দোলনের সময় উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লার সমন্বয়ক আবু রায়হান,সহ সমন্বয়ক আল আমিন হোসেন, জে আর তানিম, সম্রাট রাব্বি, মোহাম্মদ তাহিনসহ শিক্ষার্থীরা।

সমন্বয়করা জানান,  কুমিল্লাস্থ ময়নামতি মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সরকার অনুমোদিত একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজ যা বিগত স্বৈরাচার সরকার আমলে আওয়ামীপন্থি চিকিৎসক ও শেয়ারহোল্ডারদের নিয়ে (৯৫% শেয়ার আওয়ামীপন্থিদের) ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করে। সম্পূর্ণ আওয়ামীপন্থি প্রতিষ্ঠান হওয়ায় বিগত দিনে অত্র প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহার ও তার মেয়ে ডা. তাহসীন বাহার ( কুমিল্লা সিটির সাবেক  মেয়র) এর একক প্রভাবে স্বৈরাচারি প্রথায় পরিচালিত হতো। বিগত ১৪ বছর যাবত অত্র প্রতিষ্ঠানে নির্বাচনের নামে অবৈধভাবে সিলেকশন প্রথায় বাহারের প্রতিনিধিরা গভর্নিং বডির আসনে বসানো হতো এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের থেকে এক রকম অনিয়মতান্ত্রিক উপায়ে শিক্ষা নির্যাতন চালানো হতো। যার ফলশ্রুতিতে দেখা যায়, বিগত দিনে বিএমডিসি নিয়ম অমান্য করে শিক্ষার্থীদের থেকে করোনাকালীন সময়ে ৬০ মাসের অধিক বেতন আদায় করা হয়।  এছাড়াও, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার নামে নানারকম উপায়ে স্বৈরাচারের দোসর কুমিল্লার স্বাস্থ্যখাতে শ্যাডো বাহার নামে পরিচিত বিএমএ ও স্বাচিপ (আওয়ামীপন্থি চিকিৎসক সংগঠন) এর সভাপতি ডা আব্দুল বাকি আনিসের নির্দেশে অত্র প্রতিষ্ঠানে সাধারণ শিক্ষার্থী ও সেবা প্রত্যাশী অসহায় মানুষদের থেকে সেবার নামে হরিলুট করা হতো, অথচ অত্র প্রতিষ্ঠানের শিক্ষানবিশ (ইন্টার্ন) চিকিৎসকরা ন্যূনতম সম্মানীভাতা/ প্রণোদনাটুকু প্রদান করা হতো না…যা নিতান্ত অমানবিক ছিলো।

বিগত দিনে উক্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিভিন্ন সময়ে আওয়ামী শাসন প্রতিষ্ঠার নামে শিক্ষার্থীদের থেকে চাঁদাবাজি করে এসেছে পরিচালনা পর্ষদের ছত্রছায়ায় গঠিত মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের নামে কিছু দুষ্কৃতিকারীরা যা সম্পূর্ণ নিয়ম বহির্ভূত ছিলো। এছাড়াও বিগত দিনের গভর্নিং বডির অনুপ্রেরণায়, নানাভাবে নিজস্ব মতাদর্শের শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর পরীক্ষায় পাশের নামে অন্যায়ভাবে মানসিক চাপ প্রয়োগ করা হতো, যা নিতান্ত নিন্দাজনক।

এছাড়াও গত ৫ই আগষ্টের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষক ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে নিরুৎসাহিত করতে অনেক ছাত্র-শিক্ষককে সরাসরি অব্যাহতিপত্র দিয়ে নির্লজ্জ্বের মতো আচরণ করে।

সমন্বয়করা আরো জানান, ময়নামতি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গভর্নিং বডি দ্বারা কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে একটি পাতানো নির্বাচনের আয়োজন করেন। নির্বাচনে অংশগ্রহণের পূর্বে নানাবিধ হুমকি ও ভয় ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে অনেক যোগ্য প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করতে বাধ্য করা হয়েছে বলে প্রার্থীদের অভিযোগ রয়েছে। স্বৈরাচার সরকারের দোসরের এজেন্ট এই ডা. আব্দুল বাকি আনিস উক্ত প্রতিষ্ঠানে আওয়ামীপন্থিদের পুর্নবাসনের শপথ নিয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালক থেকে সরাসরি চেয়ারম্যান পদে উক্ত পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের মতো দৃষ্টতা দেখান, যা সত্যিই এই নতুন বাংলাদেশের জন্য লজ্জাজনক। যেখানে ৩ রা আগষ্টেও তিনি স্বৈরাচারের শাসন অব্যাহত রাখার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শান্তি সমাবেশ আয়োজনের মূল উদ্যোক্তার ভূমিকায় ছিলেন ও কুমিল্লা বিএমএ শাখার সভাপতি হিসেবে তার ব্যক্তি মালিকাধীন মুন হাসপাতালসহ নগরীর সমস্ত প্রাইভেট হাসপাতালে জুলাই বিপ্লবে আহতদের চিকিৎসা প্রদানে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেন এবং কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকায় মামলার আসামী হিসেবে পলায়ন করে আছেন, কিন্তু দৈব কোন শক্তির ইশারায় নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়াই করেন !!

এতবড় দৃষ্টতা এই বৈষম্যবিরোধী সরকারের আমলে সত্যিই অবাক করেছে আমাদের এবং একই সাথে শহীদদের রক্তের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন ছাড়া কিছুই নয়। গত ১৮ অক্টোবর  অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের ঐ নির্বাচনে ১০ জনের মধ্যে চেয়ারম্যান হিসেবে ডাঃ আব্দুল বাকি আনিস ছাড়াও শান্তি সমাবেশে অংশ নেওয়া ও সরাসরি আওয়ামী পন্থি আরও প্রায় ৬ জন নির্বাচিত হয় যা সত্যিই লজ্জাজনক।

এমতাবস্থায়, উক্ত নির্বাচিত প্যানেলকে স্বীকৃতি প্রদান জুলাই বিপ্লবে বৈষম্যবিরোধীদে আন্দোলনে নিহত শহীদদের রক্তের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদানের মতো দৃষ্টতা দেখানো ছাড়া আর কিছুই নয়, তাই এই পাতানো নির্বাচনে নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদের বৈধতা প্রদান হবে আওয়ামী লীগের কুমিল্লার মাটিতে পুনর্বাসনের ভিত্তি স্থাপনের মতো দৃষ্টান্ত স্থাপন, যা রোল মডেল হিসেবে পরবর্তীতে বিভিন্ন কমিটিতে পুনর্বাসনের নীল নকশা হিসেবে দেখানো হবে বলে আমরা মনে করছি। তাই স্বৈরাচারের দোসর দ্বারা সাজানো এই পরিচালনা পর্ষদ বাতিল ও তাদের পুনর্বাসনের ধারা রোধ না করলে নতুন বাংলাদেশে শহীদদের রক্তে অর্জিত এই স্বাধীনতায় আমাদের বিবেকবোধকে ধর্ষিত করা হবে বলে মনে করি।

উল্লেখ্য, ইতোপূর্বে মাননীয় স্বাস্থ্য উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক একটি প্রতিবাদলিপি (সংযুক্ত) দাখিল করা হয়েছে এবং স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ এই ব্যাপারে সদয় অবগত রয়েছেন এবং স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসন রোধে ঐক্যমত।

 

 

দাউদকান্দিতে আগুনে

দাউদকান্দিতে আগুনে পুড়ল ১১টি দোকান

দাউদকান্দিতে আগুনে পুড়ল ১১টি দোকান

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

কুমিল্লার দাউদকান্দি পৌর এলাকায় ১১টি দোকানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে কোনো ধরনের হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাত ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আগুনে প্রায় দুই কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান।

কিংকর সাহা স্টোরের মালিক কিংকর সাহা বলে, আমার মুদি দোকানে প্রায় ২০ লাখ টাকার মালামাল সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এখন আমার পথে বসা ছাড়া কোন উপায় নেই।

মেসার্স শেখেরগাও স্টোরের মালিক সফিকুল ইসলাম বলেন, রট, সিমেন্ট এবং টিনের দোকানের সব মালামাল আগুনে নষ্ট হয়ে গেছে। পাশে আমার ভাইয়ের আরেকটি একই মালামালের দোকানের একই অবস্থা হয়েছে। আমাদের দু’টি দোকানে প্রায় ৭০ লাখ টাকার মালামাল ক্ষতি হয়েছে।

সরকার এন্টারপ্রাইজ, শাওন স্টোর, লিলি হার্ডওয়ার, মেসার্স জাহিদ স্টোর, ডালিম স্টোর, অর্জুন স্টোর ও বেনব্যাটারী ও বীজ কীটনাশক দোকান আগুনে পুড়ে গেছে। আগুনে প্রায় দুই কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান।

আজ সোমবার(২৭ অক্টোবর) সকালে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসা প্রতিষ্টান পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাঈমা ইসলাম ও সহকারী কমিশনার(ভূমি)রেদওয়ান ইসলাম৷ তারা ক্ষতিগ্রস্থ ব্যবসারীদের তালিকা তৈরী করে সরকারী ভাবে সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন।

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে যা করার

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে যা করার সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই করতে হবে: মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে যা করার সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই করতে হবে: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, রাষ্ট্রপতির বিষয়ে কোনো তাড়াহুড়া বা হঠকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না। যেকোনো পদক্ষেপ সাংবিধানিক নিয়ম মেনেই করতে হবে।

রোববার (২৭ অক্টোবর) সকালে যুবদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর চন্দ্রিমা উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, আজ আমরা শপথ নিয়েছি আমাদের স্বাধীনতা রক্ষা করার। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের সংগ্রামের পর আমরা দ্বিতীয়বারের মতো স্বাধীনতা পেয়েছি, গত ৫ আগস্ট। এই সংগ্রামে যুবদলের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে যুবদল আজ আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ধারাবাহিকতায় যুবদল তাদের দায়িত্ব পালন করে যাবে। বাংলাদেশ বিরোধী যে কোনো অপশক্তিকে প্রতিহত করতে যুবদল সদা প্রস্তুত থাকবে।

রাষ্ট্রপতি অপসারণের ইস্যুতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে বৈঠক সম্পর্কে জানতে চাইলে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপির সর্বোচ্চ ফোরামে এ বিষয়ে আলোচনা হবে। আলোচনা শেষে আমাদের অবস্থান পরিষ্কার করব।

নির্বাচন বিলম্বিত হলে কোনো ষড়যন্ত্রের আশঙ্কা আছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা বারবার বলছি, যত দ্রুত সম্ভব নির্বাচন আয়োজন করা উচিত। ক্ষমতা একটি সাংবিধানিক রাজনৈতিক শক্তির কাছে হস্তান্তর করতে হবে।

যুবদলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে যুবদলের সভাপতি মোনায়েম মুন্নার সভাপতিত্বে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ যুবদলের কেন্দ্রীয় মহানগর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

ব্যারিস্টার সুমনকে কারাগারে

ব্যারিস্টার সুমনকে কারাগারে প্রেরণ

ব্যারিস্টার সুমনকে কারাগারে প্রেরণ

ডেস্ক রিপোর্ট:

যুবদল নেতা ও বাঙালিয়ানা ভোজের সহকারী বাবুর্চি হৃদয় মিয়াকে হত্যাচেষ্টা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের জামিন নামঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে।

রোববার (২৭ অক্টোবর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহর আদালত শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিন রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক আব্দুল হালিম তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

অন্যদিকে, ব্যারিস্টার সুমনের পক্ষের আইনজীবীরা জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিনের বিরোধিতা করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

এর আগে, গত ২১ অক্টোবর দিবাগত মধ্যরাতে ঢাকার মিরপুর-৬ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অভিযোগে জানা যায়, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে ১৯ জুলাই হৃদয় জুমার নামাজ শেষে মিরপুর-১০ নম্বরে সমাবেশে যান। সেখানে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা হামলা চালায়, ককটেল বোমা নিক্ষেপ এবং গুলিবর্ষণ করে।

এতে গুলিবিদ্ধ হন হৃদয়, যিনি হবিগঞ্জের মাধবপুর ১০ নম্বর হাতিয়াইন ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি। এই ঘটনার পর ২৩ সেপ্টেম্বর মিরপুর মডেল থানায় মামলা করেন হৃদয়। মামলার ৩ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি ব্যারিস্টার সুমন।

কুমিল্লায় স্বামীকে হত্যার

কুমিল্লায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগ

কুমিল্লায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় মো. এজাহার উদ্দিন বাবলা নামের এক যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্ত্রী জান্নাতুন নাঈম (১৯) এর বিরুদ্ধে। পরে তাকে আত্মহত্যা বলে প্রচার করার চেষ্টা করেন জান্নাতুন।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে লালমাই উপজেলার বাগমারা উত্তর ইউনিয়নের দুতিয়ারপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত এজাহার উদ্দিন বাবলা সুনামগঞ্জের দোয়ারা বাজার উপজেলার চণ্ডিপুর গ্রামের তাজুল ইসলামের ছেলে। তার স্ত্রী জান্নাতুন নাঈম কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার ডলুয়াপাড়া গ্রামের বিল্লাল হোসেনের মেয়ে। তারা লালমাইয়ের দুতিয়ারপুর এলাকায় কামরুল হাসানের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।

লালমাই থানার ওসি শাহ আলম জানান, বিয়ের পর থেকেই এই দম্পতি কামরুল হাসানের বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করছিলেন এবং তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। শুক্রবার রাতেও কথা কাটাকাটি ও ঝগড়ার একপর্যায়ে জান্নাতুন নাঈম তার স্বামী বাবলার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করেন, এতে বাবলা ঘটনাস্থলেই মারা যান। হত্যার ঘটনা আড়াল করতে জান্নাতুন বাবলার মরদেহ সিলিংয়ের সঙ্গে ঝুলিয়ে দিয়ে পুলিশকে ফোন করে আত্মহত্যার খবর দেন।

ওসি শাহ আলম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে এবং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে থানায় নিয়ে আসে। বাবলার মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। পরে থানায় নিয়ে আসার পর জান্নাতুন নাঈম হত্যার দায় স্বীকার করেন।

তিনি আরও জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে এবং এই ঘটনায় জান্নাতুন নাঈমের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে

বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে এমআরপি পাসপোর্ট না আসায় ভোগান্তিতে প্রবাসীরা

বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে এমআরপি পাসপোর্ট না আসায় ভোগান্তিতে প্রবাসীরা

সালাহ উদ্দিন সোহেল:

বিশ্বের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরবে বাংলাদেশ থেকে কোন ধরনের এমআরপি পাসপোর্ট না আসায় ভোগান্তিতে বাংলাদেশী প্রবাসীরা।

চলতি বছরের জুন জুলাই মাসে যারা পাসপোর্ট জমা দিয়েছিলেন চার মাস পেরিয়ে গেলেও সে পাসপোর্ট হাতে না পাওয়ায় নানান ধরনের ভোগান্তিতে প্রবাসীরা।

ইতিমধ্যে অনেকের পাসপোর্ট এর মেয়াদ শেষ হওয়ায় আর আকামা রিনিউ করতে পারছেন না যার ফলে সেলারি ও ব্যাংক কার্ড বন্ধ হয়ে যায়।

এছাড়াও আকামা না থাকায় গ্রেপ্তার হচ্ছেন অনেক প্রবাসী।তাছাড়া পাসপোর্ট জটিলতায় আকামার মেয়াদ শেষ হওয়ার দেশে আসতে পারছেন না অনেক প্রবাসী। রিয়াদ দূতাবাস এক নোটিশ এর মাধ্যমে তাদের রিয়াদ অফিসের যান্ত্রিক ত্রুটির কথা উল্লেখ করেন। এছাড়াও রেমিটেন্স পাঠিয়ে অর্থনীতির চাকা সচল রাখা প্রবাসীদের ব্যাপারে কেউ কোন ভূমিকা রাখছেন না বলে মতামত দেন সংশ্লিষ্টরা।