All posts by jitu

বরুড়ায় মানবসেবা সংগঠনের উদ্যেগে

বরুড়ায় মানবসেবা সংগঠনের উদ্যেগে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ গাছের চারা বিতরণ

বরুড়ায় মানবসেবা সংগঠনের উদ্যেগে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ গাছের ছাড়া বিতরণ

এমডি. আজিজুর রহমান, বরুড়া:

বরুড়ায় মানবসেবা সামাজিক সংগঠনের উদ্যেগে শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ বৃক্ষ বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (২৫শে সেপ্টেম্বর) বুধবার বরুড়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসায় ৩ শতাধিক শিক্ষার্থীর মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

মানব সেবা সংগঠনের সভাপতি কাজী মুফতি মমিন উল্ল্যাহ ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে বৃক্ষ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ন্যু এমং মারমা মং।

অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরুড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ শাহিন হোসেন, মাদরাসার দাতা সদস্য ও বরুড়া প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মোঃ ইলিয়াছ আহমদ, বরুড়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ আলী আকবর ফারুকী, উপাধ্যক্ষ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জাফরী, বরুড়া রেমিট্যান্স যোদ্ধা সংস্থার সাধারণ সম্পাদক ও সাংবাদিক মোঃ ইকরামুল হক, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অনু চৌধুরী, সাংবাদিক মোঃ গাজী মোঃ শরীফ উদ্দিন, বরুড়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা মোহাম্মদ মোতালেব হোসেন সহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিবর্গ ও মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বৃন্দ।

চীন ঘোষণা দিয়ে

চীন ঘোষণা দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ

চীন ঘোষণা দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ

ডেস্ক রিপোর্ট:

চীন তাদের পারমাণবিক অস্ত্র ভাণ্ডার প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত বাড়াচ্ছে। এবার চীনের ঘোষণা অনুযায়ী, তারা প্রশান্ত মহাসাগরে একটি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে পরীক্ষামূলকভাবে উৎক্ষেপণ করেছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, আজ স্থানীয় সময় সকাল ৮:৪৪ টায় ক্ষেপণাস্ত্রটি চীনের পিপলস লিবারেশন আর্মি রকেট ফোর্স থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং নির্দিষ্ট সমুদ্র অঞ্চলে সফলভাবে আঘাত হানে। এই তথ্য চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই উৎক্ষেপণ বার্ষিক প্রশিক্ষণ পরিকল্পনার অংশ এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশ বা লক্ষ্যবস্তুকে উদ্দেশ্য করে ছিল না। যদিও এই পরীক্ষার জন্য ক্ষেপণাস্ত্রের সুনির্দিষ্ট নাম প্রকাশ করা হয়নি।

ধারণা করা হচ্ছে, ক্ষেপণাস্ত্রটি ডিএফ-৪১, যা চীনের সর্বাধুনিক আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। এটি প্রথম ২০১৯ সালে চীনের ৭০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের সময় প্রদর্শিত হয়। এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ১২,০০০ থেকে ১৫,০০০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে, যা আন্তঃমহাদেশীয় মাইলফলক স্থাপন করেছে।

সিনহুয়া, চীনের রাষ্ট্র পরিচালিত সংবাদ সংস্থা, জানিয়েছে যে পরীক্ষা শুরুর আগেই আশেপাশের দেশগুলোকে অবহিত করা হয়েছিল। তবে ক্ষেপণাস্ত্রের পথ বা নির্দিষ্ট আঘাতস্থলের বিষয়ে কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সিনহুয়ার খবরে আরো জানানো হয়েছে, এই পরীক্ষার মাধ্যমে চীনের অস্ত্র ও সরঞ্জামের কার্যকারিতা এবং সেনাদের প্রশিক্ষণ মান যথাযথভাবে মূল্যায়িত হয়েছে এবং এটি সফলভাবে প্রত্যাশিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে।

চীনের পারমাণবিক অস্ত্র ভাণ্ডারের ক্রমবর্ধমান আকার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে উদ্বেগ প্রকাশ করে আসছে ভারত, জাপান এবং অন্যান্য পশ্চিমা দেশগুলো। চীনের এই সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

লাইনে দাঁড়িয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে

লাইনে দাঁড়িয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আলিঙ্গন করলেন সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস

লাইনে দাঁড়িয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আলিঙ্গন করলেন সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস

ডেস্ক রিপোর্ট:

নিউইয়র্কে ৭৯তম অধিবেশনে যোগ দিয়ে সবার নজর কাড়লেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বিরল বৈঠক ছাড়াও তিনি বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছেন।

মঙ্গলবার নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে ‘ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ’ আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ড. ইউনূস। এসময় তার সঙ্গে মঞ্চে ছিলেন সহকারী প্রেস সচিব সুচিস্মিতা তিথি এবং বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম। মঞ্চে বাংলাদেশের খ্যাতনামা আলোকচিত্রশিল্পী, সাংবাদিক ও সমাজকর্মী শহিদুল আলমকেও দেখা যায়।

সংবর্ধনা সভায় বক্তৃতা দিতে গিয়ে ড. ইউনূস স্বৈরাচার সরকারের ভয়াবহতা তুলে ধরেন। সভা শেষে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে ছবি তোলার জন্য উপস্থিত সুধী এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে হিড়িক পড়ে যায়। এতে সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসও ছিলেন।

ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, সাবেক রাষ্ট্রদূত ড. ইউনূসকে করমর্দন করে আলিঙ্গন করছেন এবং হাসিমুখে ছবি তুলছেন।

মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ‘ক্লিনটন গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ লিডারস স্টেজ’ অনুষ্ঠানে ড. ইউনূস স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার সাহসিকতার কথাও তুলে ধরেন। বক্তৃতার শেষে তিনি তার বিশেষ সহকারী মাহফুজসহ মোট ৩ জনকে মঞ্চে ডেকে এনে আন্দোলনে তাদের ভূমিকা তুলে ধরেন।

তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা

তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা: হল প্রভোস্টসহ ১৫ জনের নামে মামলা

তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা: হল প্রভোস্টসহ ১৫ জনের নামে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে সন্দেহভাজন চোর হিসেবে গণপিটুনিতে তোফাজ্জলকে হত্যার অভিযোগে ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শাহ মুহাম্মদ মাসুমসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামানের আদালতে তোফাজ্জলের ফুফাতো বোন মোসা. আসমা আক্তার এই মামলার আবেদন করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার জন্য শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেছে এবং বাদীপক্ষকে ওই মামলা অনুসরণ করার নির্দেশ দেন।

মামলায় অন্যান্য আসামিরা হলেন: জালাল মিয়া, সুমন মিয়া, ফিরোজ কবির, আবদুস সামাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ, আল হোসাইন সাজ্জাদ, ওয়াজিবুল আলম, আহসান উল্লাহ, ফজলে রাব্বি, ইয়ামুস জামান, রাশেদ কামাল অনিক, শাহরিয়ার কবির শোভন, মেহেদী হাসান ইমরান এবং মো. সুলতান। তারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে একজন যুবক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় কিছু ছাত্র তাকে আটক করে এবং প্রথমে ফজলুল হক মুসলিম হলের মূল ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে গিয়ে মোবাইল চুরি করার অভিযোগে তাকে অমানবিকভাবে মারধর করে। তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় তার নাম তোফাজ্জল। পরে তাকে মানসিক রোগী বলে বুঝে ফেলে এবং ফজলুল হক মুসলিম হলের ক্যান্টিনে নিয়ে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর তাকে দক্ষিণ ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে জানালার সঙ্গে পিছনে হাত বেঁধে কিছু ছাত্র স্ট্যাম্প, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে বেধরক মারধর করে, ফলে সে অচেতন হয়ে পড়ে।

এ ঘটনার পর কিছু আবাসিক শিক্ষককে জানানো হলে তারা সহায়তা করেন এবং অচেতন যুবককে মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দিবাগত রাত পৌনে ১টার সময় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তোফাজ্জলের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী ইউনিয়নে। এই ঘটনার পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। পরে পুলিশ ৬ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে, যারা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে এবং বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ৬ শিক্ষার্থী হলেন: জালাল মিয়া, সুমন মিয়া, মো. মোত্তাকিন সাকিন, আল হোসেন সাজ্জাদ, আহসান উল্লাহ ও ওয়াজিবুল আলম।

কুমিল্লায় সাংবাদিকদের প্রতিবাদ সমাবেশ

কুমিল্লায় সাংবাদিকদের প্রতিবাদ সমাবেশ: ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি

 

স্টাফ রিপোর্টার:

দেশের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া হাউজ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপে ন্যক্কারজনক হামলার ঘটনায় জড়িত দুর্বৃত্তরা এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিকরা। হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ সমাবেশ করেছেন সাংবাদিকরা।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় কুমিল্লা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এই কর্মসূচি পালন করেছেন কুমিল্লায় কর্মরত সাংবাদিকরা।

কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও একাত্তর টেলিভিশনের নিজস্ব প্রতিবেদক কাজী এনামুল হক ফারুকের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ বক্তব্য রাখেন দৈনিক ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার সাদিক হোসেন মামুন, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সহ-সাধারণ সম্পাদক বাহার উদ্দিন রায়হান, দৈনিক আজকের কুমিল্লার সম্পাদক ও কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি মহিউদ্দিন মোল্লা, কালবেলার জেলা প্রতিনিধি আতিকুর রহমান, কুমিল্লা প্রেসক্লাবের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নেকবর হোসেন, বাংলানিউজের জেলা প্রতিনিধি তৈয়বুর রহমান সোহেল, দৈনিক নবচেতনার জেলা প্রতিনিধি ফজলুল হক জয়, কালের কণ্ঠের চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি আবুল বাশার রানা প্রমুখ।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন- কালের কন্ঠ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, নিউজ ২৪ টেলিভিশন, বাংলানিউজসহ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের সাতটি প্রতিষ্ঠান দেশের প্রথম সারির মিডিয়া হিসেবে দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করছে। তাদের প্রতিটি মিডিয়াই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ করে আসছে। কিন্তু ষড়যন্ত্রকারী ও সন্ত্রাসীরা চায় গণমাধ্যমকে দাবিয়ে রাখতে। এজন্য গত ১৯ আগস্ট পরিকল্পিতভাবে দেশের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়া হাউজ ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপে ন্যক্কারজনক হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। কিন্তু ঘটনার এক মাস পার হলেও এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন সেই দুর্বৃত্তরা। এরই মধ্যে গণমাধ্যমে হামলাকারীদের ছবি প্রকাশিত হয়েছে। কিন্তু এরপরও তাদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। এতে সাংবাদিকদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা হামলাকারী সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচার দাবি করছি।

কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সভাপতি কাজী এনামুল হক ফারুক বলেন, আজকের আগেও আমরা এ ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছিলাম। কিন্তু বিচার পাইনি৷ গণমাধ্যমের অফিস কিংবা গাড়ির উপর যখন হামলা হয়, তখন আমরা বলবো সেটা রাষ্ট্রের চতুর্থস্তম্ভরে ওপর হামলা করা হয়েছে। গণমাধ্যমে হামলাকারীদের মুখোশ খুলে যখন ছবি ছাপানো হলো, তা-ও এখনো সেই হামলাকারীদের গ্রেপ্তার করা হয়নি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে বলবো, গণমাধ্যম বাঁচলে, রাষ্ট্র বাঁচবে। তাই অবিলম্বে সেই দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তার করে বিচার করুন এবং আইনের শাসনের কায়েম করুন। আরো দাবি জানাই, অবিলম্বে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে।

দৈনিক ইনকিলাবের স্টাফ রিপোর্টার সাদিক হোসেন মানুষ বলেন, গণমাধ্যমের উপর হামলার কোন সুষ্ঠু রায় আজ অবধি কখনো হয়নি। বিচার কার কাছে দেবো আমরা। তবে আমরা বিশ্বাস করি এখন দেশ স্বাধীন হয়েছে, বিচার করার জায়গা হয়েছে। আমরা মনে করি বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই বিষয়গুলো দেখবেন। তাই আমরা সেই বিশ্বাসের জায়গা থেকে দাবি জানাই, গণমাধ্যমের উপর এমন হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

কুমিল্লা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু বলেন, সাংবাদিকরা বাড়াবাড়ি করলে তাদের শাস্তি হবে। কিন্তু মিডিয়া হাউজে হামলা কেন? দুই একজন ব্যক্তির জন্য পুরো মিডিয়া হাউজ আক্রান্ত হতে পারে না। প্রতি সরকারের আমলেই মিডিয়া হাউজের গলা চেপে ধরা হয়েছে। দোষীদের শাস্তি দিন, নয়তো এমন ন্যক্কারজনক ঘটনার চর্চা চলতেই থাকবে। বাংলাদেশে মিডিয়া কখনো স্বাধীন ছিলো না, আমরা স্বাধীন মিডিয়া চাই।

কালের কন্ঠের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি আবদুর রহমানের সঞ্চালনায় সমাবেশে অংশগ্রহণ করে হামলার প্রতিবাদ জানান প্রথম আলোর জেষ্ঠ্য ফটো সাংবাদিক এম সাদেক, প্রথম আলোর- কুমিল্লার আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক মাসুদ রানা জুয়েল, গ্লোবাল টেলিভিশনের কুমিল্লা প্রতিনিধি সাইফ উদ্দিন রনি, জাগরণী টিভির কুমিল্লা প্রতিনিধি ও কুমিল্লা ফটো সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আশিকুর রহমান, বণিক বার্তার জেলা প্রতিনিধি মীর হোসেন মীরু, আজকের পত্রিকার প্রতিনিধি জহিরুল হক বাবু, দৈনিক রূপসী বাংলার স্টাফ রিপোর্টার ফারুক আজম, কুমিল্লার বার্তার সম্পাদক শামছুল আলম রাজন, দৈনিক পূর্বাশার সিনিয়র রিপোর্টার হাবিবুর রহমান মুন্না, দৈনিক কুমিল্লার জমিনের সিনিয়র রিপোর্টার জাহিদ হাসান নাইম, দৈনিক আমাদের কুমিল্লার স্টাফ রিপোর্টার এম হাসানসহ আরো অনেকে।

সন্ধ্যার মধ্যে কুমিল্লাসহ

সন্ধ্যার মধ্যে কুমিল্লাসহ ১৬ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস

সন্ধ্যার মধ্যে কুমিল্লাসহ ১৬ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস

ডেস্ক রিপোর্ট:

দেশের ১৬টি জেলার ওপর দিয়ে বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে। সেই সঙ্গে এসব এলাকায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেয়া পূর্বাভাসে এমন তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, এই সময়ের মধ্যে ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পাবনা, বগুড়া, রাজশাহী, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেটের ওপর দিয়ে পূর্ব অথবা দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে দেশের ৮টি বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণ হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভারী বর্ষণের সতর্কবার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুকের সই করা ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কোথাও কোথাও মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টায় ভারী (৪৪-৮৮ মি.মি./২৪ ঘণ্টা) থেকে অতি ভারী (>৮৯ মি.মি./২৪ ঘণ্টা) বর্ষণ হতে পারে। এর সঙ্গে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকার কোথাও কোথাও বর্ষণের কারণে ভূমিধসেরও আশঙ্কা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৩ প্রস্তাব

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের তিন প্রস্তাব

ডেস্ক রিপোর্ট:

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের নিয়ে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এই তথ্য জানিয়েছেন।

বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এই প্রস্তাবগুলো হলো:

১. জাতিসংঘ মহাসচিব যেন যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে একটি সম্মেলনের আয়োজন করেন, যেখানে সব স্টেকহোল্ডার উপস্থিত থাকবে। এই সম্মেলনের মাধ্যমে সংকটের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং উদ্ভাবনী সমাধানের পরামর্শ প্রদান করা উচিত।

২. জাতিসংঘ এবং বাংলাদেশ যে যৌথভাবে পরিচালিত জয়েন্ট রেসপন্স প্ল্যান আছে, সেটিকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। স্লাইডিং ফান্ডিং এর বাস্তবতায় রিসোর্স বাড়ানোর জন্য রাজনৈতিক চাপ প্রয়োগ করতে হবে।

৩. আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যামূলক অপরাধ মোকাবিলায় ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আশা করেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে প্রসিকিউটর করিম খানের কাছ থেকে শুনতে পারবেন। মিয়ানমারের সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের প্রতিকার মিয়ানমারের দীর্ঘমেয়াদি শান্তি ও নিরাপত্তার চাবিকাঠি।

বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার (ইউএনএইচসিআর) ফিলিপ্পো গ্রান্ডি এবং পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেনসহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈঠকে উল্লেখ করেন যে, রোহিঙ্গা জনগণের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং অধিকার রক্ষার লক্ষ্যে সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে কাজ করার জন্য তার সরকারের পূর্ণ অঙ্গীকার রয়েছে। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ মিয়ানমার থেকে ১.২ মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে এবং প্রতি বছর শিবিরগুলোতে প্রায় ৩২ হাজার নবজাতক জন্মগ্রহণ করছে। গত দুই মাসে আরও ২০ হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দেওয়ার ফলে বাংলাদেশের ওপর সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং পরিবেশগত ব্যয়ের যে চাপ সৃষ্টি হয়েছে, তা অত্যন্ত গুরুতর।

ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ মানবিক দিক বিবেচনায় বা ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকার রেখে কাজ করলেও, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান।

চৌদ্দগ্রামে ৭ জনকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার পরিকল্পনা হয় সাবেক অর্থমন্ত্রীর বাসায়

 

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বাসে গানপাউডার ঢেলে ৭ জনকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনার পরিকল্পনা হয় সাবেক অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মোস্তফা কামালের গুলশানের বাসায়। সাবেক রেলপথ মন্ত্রী মুজিবুল হক ও মোস্তফা কামাল এ পরিকল্পনা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে দেখা করেন। প্রধানমন্ত্রী পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পুলিশ, র্যা ব ও অন্যান্য সংস্থাকে নির্দেশ দেন। গান পাউডার সরবরাহ করেন পঙ্কজ দেবনাথ।

মঙ্গলবার কুমিল্লার আদালতে এ অভিযোগ করেন সাবেক সংসদ সদস্য ও হুইপ এবং বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরী।