All posts by jitu

সৌদি আরবে হজ করতে গিয়ে ৩১ বাংলাদেশি হাজীর মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট:

চলতি বছর হজ করতে গিয়ে সৌদি আরবে মৃত্যু এক হাজার ছাড়িয়েছে। তীব্র তাপদাহের কারণে ওই হজযাত্রীরা মারা গেছেন বলে জানিয়েছে সৌদি কর্তৃপক্ষ। মারা যাওয়া হাজীদের মধ্যে ৩১ জন বাংলাদেশি রয়েছেন।

শুক্রবার (২১ জুন) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ সম্পর্কিত নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ হজ অফিস ঢাকা ও সৌদি আরব সূত্রের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে হেল্প ডেস্ক।

বুলেটিনে জানানো হয়, মারা যাওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে ২৫ জন পুরুষ ও ৬ জন নারী। মক্কায় ২৪ জন, মদিনায় ৪ এবং মিনায় দুজন এবং জেদ্দায় একজন মারা গেছেন। তাদের মধ্যে ৩০ জনের পরিচয় পাওয়া গেছে। একজনের পরিচয় এখনও প্রকাশ করতে পারেনি হেল্প ডেস্ক।

হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরুর পর যারা মারা গেছেন তারা হলেন, ঢাকার মোহাম্মদপুরের জহিরুল ইসলাম (৭৩), মাদারীপুর শিবচরে ইদ্রিস খান (৫৬), ঢাকার বাড্ডার উম্মে কুলসুম (৪৭), ঢাকার বংশালের মনির হোসেন (৫৯), কিশোরগঞ্জের ফাতেমা ইয়াসমিন (৫৩), পিরোজপুরের নার্গিস (৬০), ঢাকা নিউ মার্কেটের আমিনুল ইসলাম (৬৫), নোয়াখালীর মোয়াজ্জেম হোসেন (৬৮), রংপুরের সিদ্দিকুর রহমান (৪৮), ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে মানিক তোফাজ্জল হক (৭০), ঢাকা মোহাম্মদপুরের রওশন আরা বেগম (৭২), বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার রেজাউল করিম মন্ডল (৬১), টাঙ্গাইল সদরের আলমগীর হোসেন খান (৭৩)।

এছাড়া হজের আনুষ্ঠানিকাতা শুরুর আগে গত ১২ জুন সৌদিতে দুজন মারা যান। তারা হলেন-মো. শাহ আলম (৭৭) ও সুফিয়া খাতুন (৬২)। তাদের বাড়ি কুমিল্লা ও কিশোরগঞ্জ। চলতি হজ মৌসুমে সৌদি আরবে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে গত ১৫ মে মো. আসাদুজ্জামান নামে এক হজযাত্রী মারা যান।

মারা যাওয়া অন্য হজযাত্রীরা হলেন- নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার মো. আসাদুজ্জামান (৫৭), মো. ভোলা জেলা মো. মোস্তফা (৯০), কুড়িগ্রাম জেলার লুৎফর রহমান (৬৫), ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জের মুরতাজুর রহমান (৬৩), চট্টগ্রাম জেলার রাউজান উপজেলার মোহাম্মদ ইদ্রিস (৬৪), ঢাকা জেলার মোহাম্মদ শাহজাহান (৪৮), কুমিল্লা জেলার আলী ইমাম ভুঁইয়া (৬৫), কক্সবাজার জেলা মহেশখালী উপজেলার মোঃ জামাল উদ্দিন (৬৯), কক্সবাজার জেলা রামু উপজেলার মোহাম্মদ নুরুল আলম (৬১), কক্সবাজার জেলা চকরিয়া উপজেলার মাকসুদ আহমদ (৬১), ফরিদপুর জেলার মমতাজ বেগম (৬৩), ঢাকার রামপুরার বাসিন্দা আরিফুল ইসলাম (৫৭), গাইবান্ধা জেলা গোবিন্দপুর উপজেলার মো. সোলাইমান (৭৩), রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শাহজাদ আলী (৫৫) এবং রংপুরে তারাগঞ্জের গোলাম কুদ্দুস (৫৪)।

সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মারা যান, তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। নিজ দেশে আনতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না। মক্কায় হজ যাত্রী মারা গেলে মসজিদুল হারামে জানাজা হয়।

কুবিতে ক্লাস ও আন্দোলন দুটোই চলবে

 

চাঁদনী আক্তার , কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান সংকটে সিন্ডিকেট সিদ্ধান্তের পর সশরীরে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। তবে একই সাথে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে ২ ঘণ্টা অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন তারা। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাবি আদায় না হলে ক্লাস-পরীক্ষার বিষয়ে আবার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ জুন) রাতে অনলাইন ফ্লাটফর্ম জুমে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে বলে একাধিক সদস্য সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

শিক্ষক প্রতিনিধিরা জানান, ২৩ জুন (রোববার) থেকে ক্লাসে ফিরবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের সাথে সমন্বয় করে শনিবারে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে উপাচার্যের অপসারণ দাবিতে দুপুর ১২ টা থেকে ২ পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করবেন তারা। এছাড়াও দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত নতুন নিয়োগ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

দাবি বাস্তবায়ন করার জন্য সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হবে বলেও জানা গেছে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেসব দাবি পূরণ না হলে পুনরায় ক্লাস-পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তারা।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু তাহের বলেন, আমরা ২৩ তারিখ থেকে সকল শিক্ষকদের সম্মতিক্রমে ক্লাসে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমাদের সকল দাবি পূরণ ও হামলার বিচার না হওয়া পর্যন্ত উপাচার্যকে প্রশাসনিক কার্যক্রমে কোন সহযোগিতা করবো না। নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ রাখার জন্য এর আগেও চিঠি দেওয়া হয়েছিল। এরপরও যদি নিয়োগ পরীক্ষা নিতে চায় তাহলে আমরা সম্মিলিতভাবে প্রতিহত করবো। যেহেতু ২ ঘণ্টা কর্মবিরতি থাকবে এবং আগেও ক্যাম্পাস বন্ধ ছিল তাই শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দিতে আমরা শনিবারে অনলাইন ক্লাস নিবো। তবে উপাচার্য এবং ট্রেজারারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চলমান থাকবে।

বাংলাদেশে এসে অভিনেতাকে চড় মারেন নোরা

ডেস্ক রিপোর্ট:

নোরা ফতেহি, বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় আইটেম ডান্সার। দিলবার গার্ল খ্যাত এই তারকার শরীরী অঙ্গভঙ্গি ঝড় তোলে দর্শকদের হৃদয়ে। তবে নোরার জীবনেও রয়েছে বিব্রতকর অতীত। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে অভিনেত্রীর পুরোনো একটি সাক্ষাৎকার।

যেখানে ক্যারিয়ারের শুরুতে শুটিংয়ের ভয়ংকর এক অভিজ্ঞতার গল্প ভাগ করেছেন তিনি। সহ-অভিনেতার সঙ্গে মারামারিতে জড়িয়েছিলেন নোরা। বাংলাদেশে শুটিং করতে গিয়েই নাকি এই কাণ্ড ঘটিয়েছিলেন।

কপিল শর্মার শো-তে হাজির হয়ে নোরা জানান, তার প্রথম ছবি ছিল ‘রোর: টাইগ্রেস অফ দ্য সুন্দরবনস’। ওই ছবির শুটিং সেটেই নোরা ও তার সহ অভিনেতা একে অপরকে কষিয়ে চড় মারেন।

নোরা বলেন, জঙ্গলে সিনেমার শুটিং চলছিল। সহ অভিনেতা তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার শুরু করেন। বিষয়টি মানতে না পেরে তাকে কষিয়ে এক চড় দেন অভিনেত্রী। এরপরই শুরু দুজনের মধ্যে হাতাহাতি।

কেউ কাউকে ছেড়ে দিতে নারাজ। মহিলা বলে তাকে ছাড় দেননি অভিনেতা। নোরাকে পাল্টা চড় মারেন ছবির নায়ক। এরপর একে অপরের চুল ধরেও টানাটানি করেন। ইউনিটের অনেকেই এগিয়ে এসে দুজনকে থামানোর চেষ্টা করেন।

সাম্প্রতিক সময়ে পাপারাৎজ্জিদের ছবি তোলার ধরণ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন নোরা। শরীরের বিশেষ অঙ্গে ক্যামেরা ফোকাস করেন বলে অভিযোগ অভিনেত্রীর। যেকোনও অনুষ্ঠানেই মহিলাদের বিভিন্ন অ্যাঙ্গেলে দাঁড়ানোর অনুরোধ করেন পাপারাজ্জিরা। এমনভাবে ক্যামেরা ফোকাস করা হয় যা ভীষণই অস্বস্তিকর তারকাদের জন্য।

এক সাক্ষাৎকারে মরোক্কান সুন্দরী ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, ‘আমার মনে হয় পাপারাৎজ্জিদরা এরকম পশ্চাৎ দেখেননি। এটা শুধু আমার সঙ্গে হয় এমনটা নয়। যেকোনও অভিনেত্রীর সঙ্গেই এই ঘটনা ঘটান পাপারাজ্জিরা। অনেক সময় হয়তো পশ্চাৎদেশ জুম করে দেখান না কিন্তু, শরীরের অন্য অংশে সেটা করা হয়। অনেক সময় তো জুম ইন করার মতো কিছু থাকেও না। সে সময় কীসের উপর ফোকাস করেন পাপারাৎজ্জিরা?’ প্রশ্ন তোলেন অভিনেত্রী।

নোরার সংযোজন, ‘আমি আমার শারীরিক গঠন নিয়ে খুশি। এজন্য নিজেকে লাকি মনে হয়। আমি কখনোই নিজের শরীরের গঠন নিয়ে অস্বস্তিবোধ করি না।’

কানাডাকে হারিয়ে কোপা আমেরিকায় শুভসূচনা আর্জেন্টিনার

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রথমার্ধে আর্জেন্টিনার সঙ্গে সমানে সমান লড়াই করেছিল কানাডা। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের কৌশলের সঙ্গে পেরে ওঠেনি তারা। কানাডাকে ২-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকায় শুভসূচনা করেছে আর্জেন্টিনা।

কোপা আমেরিকার উদ্বোধনী ম্যাচে কানাডার বিপক্ষে শুরুটা ভালো করলেও গোলের দেখা পায়নি মেসির আর্জেন্টিনা। মেসিদের সমান ৭টি শট নেয় কানাডাও। যদিও বল পজিশনে এগিয়ে ছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

প্রথমার্ধের পঞ্চম মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে আর্জেন্টিনার লিওনার্দো পারেদেসের জোরালো শট পোস্টের একটু ওপর দিয়ে চলে যায়। দশম মিনিটে মেসি গোলরক্ষককে একা পেয়েছিলেন। কাটিয়ে শটও নেন। কিন্তু সেটি পোস্টের ডানদিক ঘেঁষে চলে যায়। এদিকে অফসাইডের বাঁশি বাজান রেফারি।

এরপর কানাডাও আর্জেন্টিনার রক্ষণে ভীতি ছড়ায়। এর মধ্যে টাজন বুকাননের বাঁ পায়ের শটটি খুবই ক্লোজ ছিল। বল পোস্টের ডানপাশ দিয়ে চলে যায়।

ম্যাচে আর্জেন্টিনা সবচেয়ে সহজ সুযোগটা পায় ৪০ মিনিটের মাথায়। রড্রিগো ডি পলের ক্রস থেকে ম্যাক এলিস্টার হেড করলে গোলরক্ষক দুর্দান্তভাবে রুখে দেন।

কানাডাও প্রথমার্ধের শেষদিকে গোলের দারুণ সুযোগ পেয়েছিল। ইউসতাকিউওর হেড এমিলিয়ানো মার্টিনেজ দারুণ দৃঢ়তায় রুখে দেন। গোলশূন্য অবস্থাতেই শেষ হয় ম্যাচের প্রথমার্ধ।

তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই এগিয়ে গেছে আর্জেন্টিনা। ৪৯ মিনিটে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের অ্যাসিস্ট থেকে ছয় গজ বক্সে বল পেয়ে ডান পায়ের শটে জাল কাঁপান জুলিয়ান আলভারেজ। ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা।

গোল খেয়ে আর্জেন্টিনার ডি বক্সে মুহুর্মুহু আক্রমণ করতে থাকে কানাডা। কিন্তু গোলমুখে তেমন শট নিতে পারছিল না তারা। উল্টো ৬৫ মিনিটে প্রতিপক্ষের গোলরক্ষক ও একজন ডিফেন্ডারকে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন মেসি। তার শট ডিফেন্ডারের পায়ে লেগে ফিরে আসে।

৬৭ মিনিটে গোলের সুযোগ পেয়েছিল কানাডাও। কিন্তু জোনাথন ডেভিডের শট একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৭৯ মিনিটে আবারো গোলের সুযোগ পান মেসি এবার গোলরক্ষককে একা পেয়েও বল বাইরে মারেন এই মিয়ামি তারকা।

৮২ মিনিটে মেসির ক্রস থেকে গোলরক্ষককে একা পেয়েও ওটামেন্ডি হেড করেন বাইরে। এত গোলের সুযোগ মিসের দিনে অবশেষে লাউতারো মার্টিনেজ ব্যবধান বাড়ান।

৮৮ মিনিটে মেসির ক্রস থেকে গোলরক্ষকের পায়ের ফাঁক দিয়ে দারুণ ফিনিশিংয়ে দলকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। শেষ পর্যন্ত ঐ ব্যবধানেই ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা।

৩৩ পদাতিক ডিভিশনে সেনাবাহিনী প্রধানের সামরিক রীতিতে বিদায়

 

ইসতিয়াক আহমেদ:

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি (বার), ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি আজ বুধবার (১৯ জুন) কুমিল্লা সেনানিবাস এরিয়া পরিদর্শন করেন।

সেনাবাহিনী প্রধান কুমিল্লা এরিয়ার সকল পদবির সেনাসদস্যদের উদ্দেশ্যে বিদায়ী দরবার গ্রহণ করেন এবং মতবিনিময় করেন।

এছাড়াও, তিনি পরিদর্শনকালে কুমিল্লায় নবনির্মিত বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (ইঅটঝঞ) এর উদ্বোধন করেন।

সেনাবাহিনী প্রধান তাঁর বিদায়ী দরবারে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ একটি আধুনিক এবং চৌকস বাহিনী হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। এছাড়াও, তিনি দায়িত্ব পালনকালে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা ব্যক্ত করেন।

পরবর্তীতে, সেনাবাহিনীর প্রধানকে ৩৩ পদাতিক ডিভিশনের পক্ষ হতে সামরিক রীতিতে বিদায় জানানো হয়।

বিদায়ী অনুষ্ঠানদ্বয়ে সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ কুমিল্লা সেনানিবাসের সকল পদবির কর্মকর্তাগণ, জেসিও, অন্যান্য পদবির সেনাসদস্যগণ এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

দুদক স্বাধীন, যতই প্রভাবশালী হোক দুর্নীতি করলে কারও ছাড় নেই: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

‘মূল্যস্ফীতির কারণে ঈদ ব্যাহত হয়েছে’, বিএনপির এ তথ্য ঠিক নয় মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সমালোচনা করে বিএনপিসহ তাদের সমর্থকরা দেশটাকে শ্রীলঙ্কা বানিয়ে ফেলার চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, ‘মূল্যস্ফীতি আছে, তবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটা কমাতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।’

মঙ্গলবার (১৮ জুন) ধানমন্ডির আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মূল্যস্ফীতির মধ্যেও দেশে এক কোটি ৪ লাখের বেশি গরু কোরবানি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ঈদের দিনেও সরকারের বিরুদ্ধে বিএনপির অপপ্রচার বন্ধ থাকেনি অভিযোগ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কোনও বক্তব্য দেওয়া হয়নি।’

মিয়ানমারের বিষয়ে মির্জা ফখরুলকে চ্যালেঞ্জ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের কোথায় আঘাত হানা হচ্ছে। অনুপ্রবেশকারীরা চলে গেছে, জাহাজও সরে গেছে।’

দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির ঘোষণা দিয়েছেন শেখ হাসিনা এবং দুদককেও স্বাধীন করেছেন তিনি। যতই প্রভাবশালী হোক, দুর্নীতি করলে কারও ছাড় নেই। বিএনপি শাসনামলে এমন কোনও পদক্ষেপ দেখা যায়নি।’

দেবিদ্বারে দলীয় কোন্দলের জেরে উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সেক্রেটারির আঙ্গুল কর্তন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার দেবিদ্বারে দলীয় কোন্দলের জেরে উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক লিটন সরকারের আঙ্গুল কর্তন করেছে অপর গ্রুপের সন্ত্রাসীরা।

রবিবার (১৬ জুন) দুপুরের দিকে দেবিদ্বার উপজেলার বরকামতা ইউনিয়নের বাগুর বাজারে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুরে বাগুড় বাজারে শাকসবজি কেনার সময় সন্ত্রাসী কাউসার আহমেদ চাপাতি দিয়ে লিটন সরকারকে আঘাত করে। এ সময় আঙ্গুলের একটি অংশ হাত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়। হামলাকারী কাউসার আহমেদ স্থানীয় স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদের অনুসারী বলে জানা গেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা কর্মীরা জানান, সংসদ নির্বাচনে নৌকার পক্ষে এবং উপজেলা নির্বাচনে ঘোড়ার পক্ষে কাজ করায় লিটন সরকারকে হত্যার চেষ্টা করা হয়।

বর্তমানে লিটন সরকার ঢাকায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ বিষয়ে দেবীদ্বার থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নয়ন মিয়া জানান, এই ঘটনায় কেউ কোন অভিযোগ করেনি। তবে থানা পুলিশ এ বিষয়ে কাজ করছে।

চৌদ্দগ্রামে পুলিশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

 

শাহ ইমরান:

চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৫৪,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার হয়েছে এবং ১টি পিকআপ গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

শনিবার এএসআই (নিঃ) মোঃ নজরুল ইসলাম এবং তার সঙ্গীয় ফোর্স একটি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানার ৬নং ঘোলপাশা যুগিরখিলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপর চেকপোস্ট স্থাপন করেন। পুলিশি উপস্থিতি টের পেয়ে পিকআপ ভ্যানের ড্রাইভার, হেল্পার ও পিছনে থাকা তিনজন লোক দ্রুত পালিয়ে যায়।

তাৎক্ষণিকভাবে পিকআপ ভ্যানটি তল্লাশি করে পান ভর্তি ঝুড়ির ভিতর থেকে ৫৪,০০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় জনগণ কর্তৃক চোর সন্দেহে প্রহৃত অভিযুক্ত পলাতক ড্রাইভার মো: ইয়াসিন (২৭) কে পুলিশ উদ্ধার করে গ্রেফতার করে। অভিযানে প্রাপ্ত ড্রাইভিং লাইসেন্স পর্যালোচনা ও জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত হওয়া যায়। বর্তমানে অভিযুক্ত ইয়াসিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

উক্ত ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা নং-২১, ধারা-২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) সারণির ১০(গ)/৩৮/৪১ রুজু করা হয়েছে।

সেন্টমার্টিন নিয়ে সরকারের নীরবতা দাসসুলভ আচরণ: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

সেন্টমার্টিন ইস্যুতে সরকারের নীরবতা দাসসুলভ মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার (১৫ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপে যাওয়ার পথে মিয়ানমার থেকে গুলি করা হচ্ছে, সেখানে খাদ্য সংকট দেখা দিচ্ছে কিন্তু সরকার এখনো নীরব। সরকারের নতজানু নীতির কারণেই এমন হচ্ছে। বাংলাদেশকে পরনির্ভরশীল রাষ্ট্র বানিয়ে ফেলেছে সরকার। সীমান্তে হত্যা করলেও পানি না দিলে সরকার কথা বলে না।

ফখরুল বলেন, বেনজীর, আজিজ ও আনারের ভয়াবহ অনিয়ম দুর্নীতির তথ্য গণমাধ্যমে উঠে আসতে শুরু করেছে। ভাইদের পাসপোর্ট জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ ওঠা সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজের বিচার দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, সাবেক পুলিশপ্রধান ডাকাতের মতো সম্পদ অর্জন করেছেন। বর্তমান সরকারের থলের বিড়াল বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে। ডান-বাম সব রাজনৈতিক দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

সরকার পতনের আন্দোলনে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ারও আহ্বান জানান মির্জা ফখরুল।