All posts by jitu

ড. মুহম্মদ ইউনূস আদালতের সহানুভূতি পাচ্ছেন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, নোবেলজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিচার প্রক্রিয়া যথাযথ প্রক্রিয়ায় আইনগতভাবে হবে। তিনি আদালতের সহানুভূতিও পাচ্ছেন।

বুধবার (৫ জুন) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা ব‌লেন।

ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিচার প্রক্রিয়া নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেন, ড. ইউনূসের বিচার আদালত করছে। তার বিচার প্রক্রিয়া যথাযথ আইনগতভাবে হবে। এছাড়া তিনি আদালতের সহানুভূতিও পাচ্ছেন।

ভারত ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ভারতের সঙ্গে আমাদের চমৎকার সম্পর্ক। মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে দিয়ে ভারতের সঙ্গে আমরা রক্তের বন্ধনে আবদ্ধ। অপরদিকে চীন আমাদের উন্নয়ন অংশীদার। উভয় দেশের সঙ্গেই আমাদের সম্পর্ক খুব ভালো। এছাড়া এক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরেক দেশের সম্পর্কে প্রভাব ফেলে না।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, নেপাল থেকে বাংলাদেশ জলবিদ্যুৎ আনছে। তবে ১০ বছর আগে এটা নিয়ে অনেকের কনসার্ন থাকলেও আজ বাস্তবতা। আগামী দিনেও এমন অনেক বাস্তবতার বিষয়গুলো দেখা যাবে।

ধর্মমন্ত্রীর আইফোন, মিলল মালয়েশিয়ায়

ডেস্ক রিপোর্ট:

ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খানের খোয়া যাওয়া আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স মডেলের মোবাইল ফোন মালয়েশিয়া থেকে উদ্ধার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে মোবাইল ফোনটি উদ্ধার করতে গিয়ে যেন কেঁচো খুড়তে সাপ বের হওয়ার মতো তথ্য পেয়েছেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

গত ৩০ এপ্রিল ধর্মমন্ত্রী ফরিদুল হক খানের আইফোন ১৫ প্রো ম্যাক্স মডেলের ফোন খোয়া যায়। পরে তার ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ ইসমাইল হোসেন জামালপুর জেলার ইসলামপুর থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

ফোনটি চুরির অভিযোগে আন্তঃজেলা মোবাইল চোর চক্রের নয়জনকে গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্তে মিলেছে ৮০টি চোর চক্রের সন্ধান। এসব চক্রের নেতৃত্ব দেন জাকির হোসেন। তার নেতৃত্বেই ঢাকাসহ সারা দেশে রয়েছে চোরচক্র। এসব চক্রের সদস্যরা ছোঁ মেরে দামি ফোন নিমেষেই নিয়ে যান। চলতি বছরেই চক্রটি ১০ হাজার মোবাইল চুরি করেছে বলে জানিয়েছে ডিবি পুলিশ। যার মধ্যে অধিকাংশ দামি মোবাইল চট্টগ্রামের রিয়াজ উদ্দিন মার্কেট হয়ে হাত বদলে চলে যেত বিদেশে।

বুধবার (৫ জুন) দুপুরে ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সংস্থাটির প্রধান মোহাম্মদ হারুন-অর-রশীদ।

তিনি বলেন, আমরা প্রায়ই অভিযোগ পাচ্ছি যে, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় দামি মোবাইল ফোন ও আইফোন ছিনিয়ে নিয়ে যাচ্ছে চোর চক্র। অনেক ভিআইপিরও মোবাইল ছিনতাই হয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায় এমন অভিযোগ আসে। এ রকম অনেক আমরা পাই।

তিনি আরও বলেন, আমাদের কাছে এমন একটা অভিযোগ আসে, ধর্মমন্ত্রী তার নিজ জেলা জামালপুরে সাবেক প্রতিমন্ত্রী রাশেদ মোশাররফের স্ত্রীর জানাজায় গিয়েছিলেন। সেখানে তার পকেট থেকে দামি মোবাইল ফোনটি খোয়া যায়। এরপর তিনি আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। তিনি একটি জিডি করেন। সেই জিডির পরিপ্রেক্ষিতে তদন্তে নামে আমাদের ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগ। বিভাগের ওয়েব বেইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের টিম ইনচার্জ এডিসি আশরাফউল্লাহর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলার মোবাইল চোরদের নিকট হতে কম মূল্যে মোবাইল ক্রয় করে তা অবৈধ পথে ভারত, দুবাই ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাচার চক্রের নয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় ৬৩টি চোরাই মোবাইল।

গ্রেপ্তাররা হলেন, চোর চক্রের সর্দার মো. জাকির হোসেন (৪০), সদস্য মাসুম শরীফ (৪১), জিয়াউল মোল্লা জিয়া (৪৮), রাজিব খাঁন মুন্না (২২), আল আমিন মিয়া (২০), আনোয়ার হোসেন সোহেল (২৭), বিল্লাল হোসেন (৩৭), খোকন আলী (৩৬) ও মো. রাসেল (৩৮)।

ডিবি প্রধান বলেন, ধর্মমন্ত্রীর খোয়া যাওয়া সেই দামি মোবাইলটি মালয়েশিয়া থেকে উদ্ধার করা হয়। আজকে সেটি মন্ত্রী মহোদয়ের নিকট হস্তান্তর করা হবে।

গ্রেপ্তারদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে হারুন বলেন, পরস্পর যোগসাজশে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভা-সমাবেশ, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন অনুষ্ঠান, হাট-বাজার, মসজিদ (নামাজের সময়), জানাজা নামাজ অথবা লোকসমাগম হয় এমন স্থানে উপস্থিত হয়ে দামি মোবাইল ব্যবহারকারীদের টার্গেট করে চক্রের সদস্যরা। তাদের পকেট থেকে মোবাইল চুরি করে। চোরাই মোবাইল ফোনগুলো চক্রের সর্দার জাকির হোসেন অন্যতম সহযোগী রাসেল, খোকন ও বিল্লাল হোসেনসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের নিকট বিক্রি করে।

সর্দার জাকির হোসেন তার ক্রয়কৃত চোরাই মোবাইলগুলো কুরিয়ারযোগে চট্টগ্রামের রিয়াজ উদ্দিন বাজারের মোবাইল ব্যবসায়ী নজরুল ও কামরুজ্জমান হীরুদের কাছে পাঠিয়ে দেন। পরবর্তী সময়ে তারা অজ্ঞাতনামা আসামিদের সহযোগিতায় আইফোনসহ দামি মোবাইলগুলো ভারত, দুবাই ও মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে পাঠিয়ে দেন।

গ্রেপ্তার খোকন আলী ও বিল্লাল হোসেন মোবাইল সার্ভিসিংয়ের আড়ালে চোরাই মোবাইল ক্রয় করেন। তারা লক খুলে এবং মূল আইএমইআই পরিবর্তন করে অধিক মূল্যে পুনরায় লোকাল মার্কেটে বিক্রয় করে দেন। গ্রেপ্তার জাকির হোসেনসহ সকলের বিরুদ্ধে রয়েছে একাধিক মামলা।

বিদেশে পাঠানোর আগে তারা বিভিন্ন মোবাইল টেকনিশিয়ানদের সহায়তায় ফোন লক খোলার চেষ্টা করে এবং প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে মূল ব্যবহারকারীর নিকট হতে আই ক্লাউডের পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করে। যেসব ফোনের পাসওয়ার্ড এবং আই ক্লাউড পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করতে পারে, সেই ফোনগুলো তারা উচ্চ মূল্যে বিক্রয় করে এবং বিদেশে পাঠিয়ে দেয়। যে ফোনগুলোর লক এবং আই ক্লাউড পাসওয়ার্ড সংগ্রহ করতে পারে না, সেগুলো তুলনামূলক কম দামে বিক্রয় করে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়।

বিভিন্ন জেলায় এ রকম ছোট ছোট প্রায় ৮০টা গ্রুপ চুরির কাজ করে, যাদের ফোনগুলো ক্রয় করে থাকে জাকির, কালু, কামরুজ্জামান হীরু ও মোবাইল ব্যবসায়ী নজরুল।

ধর্মমন্ত্রীর খোয়া যাওয়া মোবাইল উদ্ধার সম্পর্কে ডিবি পুলিশ জানায়, জামালপুরে সাবেক প্রতিমন্ত্রী রাশেদ মোশাররফের স্ত্রীর জানাজায় ধর্মমন্ত্রীর উপস্থিতি উপলক্ষ্যে যেসব ছবি তোলা হয়, সেগুলো বিশ্লেষণ করে পাঞ্জাবি-টুপি পরিহিত এক যুবককে শনাক্ত করা হয়। তবে, সেই ছবির যুবককে এলাকার লোকজন চিনতে পারেনি। ডিবি সাইবারের তদন্ত দল সেই সংগৃহীত ছবির সূত্র ধরে ওয়েব বেইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিম (উত্তর) কাজ শুরু করে।

সোর্স এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় চোরকে চিহ্নিত করা হয়। ধর্মমন্ত্রীর মোবাইলটি চুরি করেছিলেন মুন্না নামে চক্রের সদস্য। তিনি প্রতিদিন বিভিন্ন জেলায় চুরি করতে যাওয়ার দরুন তার প্রকৃত অবস্থান নির্ণয়ে যথেষ্ট বেগ পেতে হয়। মন্ত্রীর ফোনটি চুরির প্রায় একমাস পর মুন্নার প্রকৃত অবস্থান নির্ণয় করে গ্রেপ্তার করা হয়।

হারুন বলেন, এক মাসে বেশ কয়েকটি হাত বদল হয়ে চোর চক্রের অন্যতম পৃষ্টপোষক কামরুজ্জামান হীরু ফোনটি মালয়েশিয়ায় পাঠিয়ে দেন। বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে প্রকৃত ফোনটি মালয়েশিয়া হতে ফেরত আনা হয়। যাচাই বাছাইয়ে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, ফোনটি ধর্মমন্ত্রীর। সেটি আজ মন্ত্রীর হাতে হস্তান্তর করা হবে।

সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এর ফলে সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহাল থাকবে।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এস কে) সাইফুজ্জামান জামান। এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।

এ সংক্রান্ত রিটের চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বুধবার হাইকোর্টের বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই রায় দেন।

আদালতে আজ রিটের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী মো. মুনসুরুল হক চৌধুরী। তার সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল শেখ মোহাম্মদ (এস কে) সাইফুজ্জামান জামান।

সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর জারি করা পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্টদের সাতদিনের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি নিয়ে ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর হাইকোর্টের বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

নারী কোটা ১০ শতাংশ, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ এবং জেলা কোটা ১০ শতাংশ বাতিল করে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর এ পরিপত্র জারি করা হয়।

তখন রিটকারীরা জানান, মুক্তিযোদ্ধাদের ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ কোটা নবম গ্রেড (পূর্বতন প্রথম শ্রেণি) এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড (পূর্বতন দ্বিতীয় শ্রেণি) বাতিল করে (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) ১৪ থেকে ২০তম গ্রেডে রাখা হয়েছে। যা বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরবর্তী প্রজন্মকে হেয়প্রতিপন্ন করার শামিল।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-১ শাখা থেকে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর নবম গ্রেড এবং ১০ম থেকে ১৩তম গ্রেড পর্যন্ত সরাসরি নিয়োগে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল করে একটি পরিপত্র জারি করা হয়।

সেখানে বলা হয়েছিল, ৯ম গ্রেড (পূর্বতন ১ম শ্রেণি) এবং ১০ম-১৩তম গ্রেড (পূর্বতন ২য় শ্রেণি) পদে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাতালিকার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে। ওই পদসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে বিদ্যমান কোটা পদ্ধতি বাতিল করা হলো।

ওই পরিপত্র চ্যালেঞ্জ করে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও প্রজন্ম কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি অহিদুল ইসলাম তুষারসহ সাতজন হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন।

ওই রিটের শুনানি নিয়ে কোটা বাতিলের পরিপত্র কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন আদালত।

সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে ৫৬ শতাংশ কোটা বাতিল করা হয়। তবে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণিতে কোটা ব্যবস্থা বহাল রাখে সরকার।

আগামী ২৯ জুন থেকে সব কোচিং সেন্টার বন্ধ : শিক্ষামন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষ্যে আগামী ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

বুধবার (৫ জুন) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা-২০২৪ উপলক্ষ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী। সভা শেষে মন্ত্রণালয়ের সংবাদ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৮১ এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫০৯ জন। গত বছরের তুলনায় এবার পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৯১ হাজার ৪৪৮ জন।

এ বছর পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৭২৫টি। গত বছরের তুলনায় কেন্দ্রে বেড়েছে ৬৭টি এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বেড়েছে ২৯৮টি।

গত ২ এপ্রিল চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়।‌ সূচি অনুযায়ী, আগামী ৩০ জুন পরীক্ষা শুরু হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে।

রুটিন অনুযায়ী, প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা হবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত।

উষ্ণতা থেকে বাঁচতে সবাইকে গাছ লাগানোর পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট:

সবাইকে গাছ লাগানোর পরামর্শ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আপনারা যদি গাছ লাগান, গরমে ছায়ায় আরাম পাবেন। ফল গাছ হলে তো খেতেও পারবেন। নিজের গাছের ফলের তৃপ্তিই আলাদা। আমরা সবাই মিলে গাছ লাগিয়ে নিজেদের পরিবেশটা সুরক্ষায় মনোযোগ দেই। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে, দেশকে ও দেশের মানুষকে সুরক্ষা দেওয়া। প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে রক্ষা ও প্রকৃতিকে রক্ষা করা।

বুধবার (৫ জুন) বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা-২০২৪ এবং জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৪ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

রিমালের কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান বলেন, এত দীর্ঘস্থায়ী ঘূর্ণিঝড় ও জ্বলোচ্ছ্বাস হয়নি। এবারই প্রথম হয়েছে। ৮ লাখ মানুষকে আমরা শেল্টারে আনতে পেরেছি। এত চাপেও আমাদের উপকূলে দেওয়া উপহারের ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের জন্য করে দেওয়া ঘরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

বিশ্বের ২ বিলিয়ন মানুষ মরুময়তার ঝুঁকিতে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এরই মধ্যে মরুময়তা ও খরা প্রতিরোধে নানান উদ্যোগ নিচ্ছি। লবণাক্ত সহিষ্ণু ধানের জাত উদ্ভাবন করেছি, এটায় সফলতা পেয়েছি। খরা সহিষ্ণু এবং জলমগ্ন সহিষ্ণু ধানের জাত নিয়েও গবেষণা করছেন আমাদের বিজ্ঞানীরা। আশা করি, এটিতেও সফলতা আসবে। অতিমাত্রায় রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার না করে প্রাকৃতিকভাবে বিকল্প ব্যবস্থা কীভাবে করা যায়, সে ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইট আমাদের উৎপাদন করতে হবে, তবে সেটা যাতে পরিবেশবান্ধব হয়। বিকল্প ব্যবস্থায়ও জোর দিচ্ছি। প্লাস্টিকের ব্যবহার হচ্ছে এখনো। তবে সুখবর হলো, পাটের থেকে এমন কিছু পণ্য তৈরি করা যায়, যা মাটির সঙ্গে মিশেও যায়। এটার জন্য আমরা নানান ব্যবস্থা নিচ্ছি।

তিনি বলেন, সামাজিক বনায়নে মাত্র ৩০ ভাগ লভ্যাংশ পেতো, এখন এটা ৭০ ভাগ করে দিয়েছি। যার কারণে সবাই সামাজিক বনায়ন আন্তরিকতার সঙ্গে করে। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে ২২টি এলাকা সংরক্ষণ করেছি। সরকার জলবায়ু পরিবর্তন প্রভাব থেকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে মুজিব অ্যাকশন প্ল্যান করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৩ পর্যন্ত ১১টি আইন, নীতি, বিধিমালা ও প্রবিধানমালা প্রণনয়ন করি। আমাদের ১০টি বিশেষ উদ্যোগের একটি পরিবেশ রক্ষা করা। বৃক্ষরোপণ, বন সংরক্ষণ ও বনায়ন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা ২৫ ভাগ বনায়ন করতে পেরেছি। এরই মধ্যে ছাদ বাগান করার উপরও জোর দিয়েছি। এতে পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি নিজের খাদ্য যোগানও দেওয়া যায়। এবছর ৮ কোটি ৩৮ লাখ চারা রোপণ করা হবে।

তিনি বলেন, পিতার হত্যাকাণ্ডের পর আমার অবর্তমানে আমাকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ১৯৮১ সালে আমি দেশে ফিরি। ফিরে আসি এজন্যই যে, স্বাধীনতার সুফল বাংলার ঘরে ঘরে পৌঁছাতে হবে। বাবার স্বপ্নের ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে।

অনুষ্ঠানে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা অংশ নেন।

গত দুইবারের থেকে কম ভোট পেয়েছেন নরেন্দ্র মোদি

ডেস্ক রিপোর্ট:

টানা তৃতীয়বারের মতো উত্তর প্রদেশের বারণসি থেকে লোকসভার সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সপ্তাহ ভোট শেষে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করে দেশটির নির্বাচন কমিশন।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, মোদি বারাণসিতে ছয় লাখ ১২ হাজার ৯৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। এই আসনে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অজয় রায় (কংগ্রেস) পেয়েছেন চার লাখ ৬০ হাজার ৪৫৭ ভোট। অর্থাৎ মোদি মাত্র এক লাখ ৫২ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।

মোদি বারণসির এই আসনে মোট ভোটের ৫৪ দশমিক ২৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। অপরদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী অজয় রায় পেয়েছেন ৪০ দশমিক ৭৪ শতাংশ ভোট।

নরেন্দ্র মোদি টানা তৃতীয়বারের মতো জয় পেলেও ২০১৪ এবং ২০১৯ সালের তুলনায় তার ভোটের পরিমাণ অনেক কমে গেছে। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী সমাজবাদী দলের সালিনী জাদবকে ৪ লাখ ৭৯ হাজার ৫০৫ ভোটের ব্যবধানে হারিয়েছিলেন। সেবার মোদি ভোট পেয়েছিলেন ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৬৬৪টি। অপরদিকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী সালিনী পেয়েছিলেন মাত্র ১ লাখ ৯৫ হাজার ১৫৯ ভোট।

২০১৯ সালে মোদি মোট ভোটের ৬৩ দশমিক ৬২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। সেখানে এ বছর এটি ৫৪ দশমিক ২৪ শতাংশে নেমে এসেছে। অপরদিকে ২০১৪ সালে মোদি পেয়েছিলেন ৫ লাখ ৮১ হাজার ২২ ভোট। যা মোট ভোটের প্রায় ৫৬ শতাংশ ছিল। সেই সময় তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অরবিন্দ কেজরিওয়াল পেয়েছিলেন দুই লাখ ৯ হাজার ২৩৮টি ভোট। ২০১৪ সালের নির্বাচনে মোদি কেজরিওয়ালকে হারিয়েছিলেন প্রায় ৪ লাখ ভোটের ব্যবধানে।

মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মহেশখালীর মাতারবাড়ী কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের দরপত্র আগেই স্থগিত করে কোল পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড (সিপিজিসিবিএল)। সিপিজিসিবিএল নতুন করে এমন একটি কোম্পানির সঙ্গে দরকষাকষি করেছে, যারা দরপত্রের নিয়ম লঙ্ঘন করে মাতারবাড়ি পাওয়ার প্ল্যান্টে কয়লা সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছিল।

সম্প্রতি ২৭ মে ইউনিক সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজের নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়ামের আর্থিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে প্রকল্পটির কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি। তবে সিপিজিসিবিএলের একটি অংশ অবৈধ সুবিধা পাওয়ার জন্য বাতিল আর্থিক প্রস্তাব পুনরায় চালুর চেষ্টা করছে বলে একটি সূত্রে জানা গেছে। বাতিল করা প্রস্তাব ফের চালু করে কনসোর্টিয়ামকে কয়লা আমদানির অনুমতি দেওয়ার জন্য প্রকল্পের কর্মকর্তারা সম্প্রতি একটি বৈঠক করেছেন বলে জানা গেছে। তবে সিপিজিসিবিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আবুল কালাম আজাদ বিশেষ সুযোগ নেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে আজাদ বলেন, ‘এ ধরনের অভিযোগ সত্য নয়। টেন্ডার মূল্যায়ন এখনো চলছে। মূল্যায়নের সময় এর বেশি কিছু বলা যাবে না।’

কক্সবাজারের মহেশখালীতে ১২০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের বাণিজ্যিক উৎপাদন জুনের শেষ সপ্তাহে চালু হওয়ার কথা রয়েছে। গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর থেকে দ্বিতীয় ইউনিটের পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হলেও একই মাসের ২৬ তারিখ থেকে প্রথম ইউনিটের বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়।

দেশি-বিদেশি কোম্পানির অংশগ্রহণে চারটি কনসোর্টিয়াম যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে দরপত্র দাখিল করে এতে অংশ নিলেও ‘আর্থিক সক্ষমতার অভাবের’ অজুহাতে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে বাদ দেওয়া হয়।

২৭ মে টেকনিক্যাল কমিটির বৈঠকে কর্মকর্তারা সব আর্থিক প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন।

২৯ মে প্রকল্প কর্মকর্তাদের ‘স্বেচ্ছাচারিতার’ কারণে বাতিল হওয়া তিনটি কনসোর্টিয়ামের একটি দরপত্র পুনর্মূল্যায়নের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে চিঠি পাঠায়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

দরপত্রের শর্ত অনুযায়ী, কমপক্ষে ১.২ মিলিয়ন টন কয়লা আমদানির অভিজ্ঞতার শর্ত ছিল, যা কয়লা আমদানি সংক্রান্ত দরপত্রের জন্য একটি প্রাসঙ্গিক শর্ত। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট ফার্মকে অন্যায় সুবিধা দেওয়ার উদ্দেশ্যে শর্তটি শিথিল করা হয় এবং ১.২ টন লোহা, সার, রাসায়নিক, সিমেন্ট বা খাদ্যশস্য আমদানির অভিজ্ঞতাকে যোগ্যতা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা একটি ‘অসম প্রতিযোগিতা’ তৈরি করে।

দরপত্রে অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে একটি কনসোর্টিয়ামের আন্তর্জাতিক দরপত্রে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বিদ্যুৎকেন্দ্রে কয়লা সরবরাহের অভিজ্ঞতা রয়েছে।

এতে অংশ নেওয়া একটি কনসোর্টিয়ামের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের ব্যাপক অভিজ্ঞতা এবং কয়লা সরবরাহে সাফল্য রয়েছে। কিন্তু সেগুলো বিবেচনা না করে, বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে, প্রযুক্তিগত বিষয়ে কোনো প্রশ্ন না করে এবং আমাদের ব্যাখ্যা করার কোনো সুযোগ না দিয়ে ‘প্রযুক্তিগতভাবে অযোগ্য; ঘোষণা করা হয়।’

টেন্ডারে অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর মতে, একটি একক সংস্থার দরপত্র ‘প্রযুক্তিগতভাবে যাথোপযুক্ত প্রতিযোগিতামূলক ও রাষ্ট্রের জন্য লাভজনক নয় বলে ঘোষণা করার পরও একটি একক প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়ারে মাধ্যমে টেন্ডার প্রক্রিয়াটি প্রশ্নবিদ্ধ ও পক্ষপাতমূলক।

টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অভিযোগের বিষয়ে কারিগরি কমিটির সদস্য ও সিপিজিসিবিএলের নির্বাহী পরিচালক (অর্থ) মো. শহীদ উল্লাহর সঙ্গে ফোনে ও টেক্সট মেসেজের মাধ্যমে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে চাঁদপুরের ৩ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

চাঁদপুরের দুই উপজেলার তিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা কোনোভাবেই মোবাইল ফোন আনতে বা ব্যবহার করতে পারবে না বলে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন বিজ্ঞপ্তিতে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করেন প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, গত শনিবার (১ জুন) চাঁদপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শাহতলী জিলানী চিশতি কলেজের সকল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলাম সরোয়ার। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কলেজ ক্যাম্পাসে কোন প্রকার (এন্ড্রয়েড কিংবা বাটন) মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। মোবাইল ফোন নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে তা জব্দ করে আর ফেরত দেয়া হবে না। এছাড়াও কলেজ গভর্নিং বডির চেয়ারম্যান সোহেল রুশদীর নির্দেশনায় অত্র কলেজে একাদশ শ্রেনীতে ভর্তি ইচ্ছুক কিংবা ভর্তিকৃত মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও নাতি-নাতনীদের পড়াশোনার খরচ সম্পূর্ণ মওকুফ করা হবে। এ নিয়ে সোমবার (৩ জুন) আরেকটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। উপরোক্ত এই দুইটি উদ্যোগের জন্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক জুড়ে মহতী উদ্যোগ বলে সম্বোধন করেন ব্যবহারকারীরা।

এদিকে গত বৃহস্পতিবার (৩০ মে) চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার হাজীগঞ্জ মডেল সরকারি কলেজের সকল শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ মোশাররফ হোসেন। বিজ্ঞপ্তিতে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্য বলা হয়, কলেজ ক্যাম্পাসে কোন প্রকার মোবাইল (এন্ড্রয়েড/ বাটন ফোন) নিয়ে প্রবেশ করা যাবে না। মোবাইল ফোন নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ করলে মোবাইল ফোন জব্দ করা হবে। যা অফেরতযোগ্য। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

এর আগে গেল ১৮ মে শনিবার হাজীগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ, চাঁদপুর ফেসবুক গ্রুপ থেকে একই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উক্ত প্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ থেকে একাদশ শ্রেনীর সকল ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পরেরদিন থেকে যেকোন মোবাইল ফোন পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এদিকে জেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হোক। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে স্ব স্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন সচেতন মহল।