All posts by jitu

সম্পর্ক ভাঙতে না ভাঙতেই এবার সারার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন আদিত্য

বিনোদন ডেস্ক:

অনন্যা পাণ্ডের সঙ্গে দীর্ঘ দুই বছরের সম্পর্কে ইতি টেনেছেন আদিত্য রায় কাপুর। পুরনো সম্পর্ক ভাঙতে না ভাঙতেই এবার সারার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন আদিত্য। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে অভিনেতার। সেই ছবিতে সারা আলি খানের সঙ্গে পার্টি করতে দেখা যাচ্ছে তাকে। অনুরাগ বসুর সিনেমা ‘মেট্রো ইন দিনো’-তে জুটি বেঁধেছেন আদিত্য ও সারা। সেখান থেকেই সারার থেকে ঘনিষ্ঠতা তৈরি আর অনন্যার সঙ্গে বিচ্ছেদ?

তবে নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ছবিতে সারা ও আদিত্য ছাড়াও রয়েছেন পরিচালক অনুরাগ বসু। ‘মেট্রো ইন দিনো’ সিনেমার সেটেই অনুরাগ বসুর জন্মদিন উদযাপন হচ্ছিল। সেখানেই তোলা হয়েছে এই ছবি। ছবিতে স্পষ্ট, সারা ও আদিত্য দু’জনই সুসময় কাটাচ্ছেন বোঝা যায়। এর আগে এক ফ্যাশন শো-তেও একসঙ্গে হেঁটেছিলেন আদিত্য-সারা। তাদের রসায়ন পছন্দ হয়েছিল অনেকেরই। বাস্তবে কী এবার সারার সঙ্গেই ঘনিষ্ঠতা বাড়ছে? সময়ই তার উত্তর দিতে পারবে।

‘মেট্রো ইন দিনো’ সিনেমায় সারা ও আদিত্য ছাড়াও রয়েছেন অনুপম খের, নীনা গুপ্তা, পঙ্কজ ত্রিপাঠী, কঙ্কণা সেনশর্মা, আলি ফয়জল, ফাতিমা সানা শেখ। বর্তমানে সম্পর্কের নানা রকমের সমীকরণ নিয়ে তৈরি এই সিনেমা। অনুরাগ সিনেমা সম্পর্কে বলেছিলেন, মানুষের জন্য মানুষের গল্প নিয়ে তৈরি ‘মেট্রো ইন দিনো’।

অন্যদিকে, অনন্যার সঙ্গে সম্পর্কের ইতি নিয়ে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি আদিত্য। দু’জনেরই এক ঘনিষ্ঠ সূত্র জানিয়েছে, প্রায় এক মাস আগে সম্পর্ক ভেঙেছে তাদের। দু’জনের মধ্যে সব ভালোই চলছিল। তাই সম্পর্ক ভাঙায় অনেকেই অবাক। তবে বিচ্ছেদ হলেও সৌহার্দপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখছেন তারা।

কুবি উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে কুশপুত্তলিকা বানালো শিক্ষক সমিতি

চাঁদনী আক্তার, কুবি :

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষিতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম. আবদুল মঈনের কুশপুত্তলিকা তৈরি করে পদত্যাগ দাবি করছেন শিক্ষকরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক ও গোল চত্বরের পাশে ডাস্টবিনের উপর এ কুশপুত্তলিকা টাঙানো হয়।

শুক্রবার (১০ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্ত্বর ও প্রধান ফটকের সামন এ চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, কুশপুত্তলিকার মাথার অংশে রয়েছে উপাচার্যের ছবি। তার মাথায় একটি শিং রয়েছে। কুশপুত্তলিকার হাত দুইটি প্রসারিত রয়েছে। বুকের মাঝে ব্যানার ঝুলানো সেখানে দেখা যায় ভিসি কনুই দিয়ে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষককে মারছেন। এছাড়াও উপাচার্যের বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে পদত্যাগ করা শিক্ষকদের পদত্যাগপত্রের ছবি সহ ব্যানার ঝুলিয়েছেন তারা।

এছাড়াও গত পাঁচ দিন ধরে উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

শিক্ষক সমিতির সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, এই উপাচার্য আসার পর থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। তিনি একটা আমদানিকৃত পঁচা মাল। একজন উপাচার্য হয়ে তিনি মিথ্যাকে শিল্পের পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। আজকে আমরা ঘৃণার বহিঃপ্রকাশ হিসাবে ডাস্টবিনের উপর তার কুশপুত্তলিকা স্থাপন করেছি। তার নির্দিষ্ট জায়গায় সে স্থান পেয়েছে।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, আমরা শিক্ষকদের সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছি। সর্বশেষ ২৮ তারিখ শিক্ষকদের উপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করেছেন। এনিয়েও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নাই। আজকে তিনি ক্যাম্পাসে না এসেও গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার সম্মানী গ্রহণ করছেন। এর প্রতিবাদে আমরা তার কুশপুত্তলিকা স্থাপন করেছি।

এ বিষয়ে নিয়ে কথা বলতে উপাচার্য আবদুল মঈনকে কয়েকবার কল দিলেও পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের উপর হামলার সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন ও ট্রেজারার ড. মো. আসাদুজ্জামানের সাথে উপস্থিত ছিলেন প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকী, সহকারী প্রক্টর অমিত দত্ত, আবু ওবায়দা রাহিদ ও জাহিদ হাসান, স্বপন চন্দ্র মজুমদার, আসাদুজ্জামান শিকদার, জিল্লুর রহমান, এবং আইকিউএসির পরিচালক ড. রশিদুল ইসলাম শেখসহ ২০ থেকে ৩০ জন বহিরাগত শিক্ষার্থী।

মালয়েশিয়ায় আটক ৯ বাংলাদেশি অভিবাসী

ডেস্ক রিপোর্ট:

মালয়েশিয়ায় ৯ বাংলাদেশিসহ অর্ধশত অবৈধ অভিবাসীকে আটক করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগ। এছাড়া অভিযানে স্থানীয় দুজনকেও আটক করা হয়েছে। খবর- মালয় মেইল।

গত বুধবার জোহরের ইস্কান্দার পুতেরি এলাকায় একটি অ্যালুমিনিয়াম কারখানা ও বেকারিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

দেশটির স্টেট ইমিগ্রেশন ডিরেক্টর মোহাম্মদ ফয়জল শামসুদিনের বরাত দিয়ে মালয় মেইল জানায়, স্থানীয়দের তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে প্রায় ৭৬ জনের কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। তাদের মধ্যে ৫২ জনকে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে আটক করা হয়েছে।

এছাড়া অবৈধ শ্রমিকদের আশ্রয় দেওয়ার অপরাধে ওই কারখানা ও বেকারির ব্যবস্থাপককে আটক করা হয়েছে।

মালয় মেইলের খবরে জানানো হয়, অ্যালুমিনিয়াম তৈরির কারখানায় চালানো অভিযানে ২৬ জনকে আটক করা হয়। আটকদের মধ্যে রয়েছেন- বাংলাদেশের ৯ জন, পাকিস্তানের ১০, চীনের ৪ ও মিয়ানমারের ৩ জন। তাদের বয়স ২০-৪৬ বছরের মধ্যে। এছাড়া আটকদের মধ্যে কারখানার একজন নারী ম্যানেজারও রয়েছেন। তিনি মালয়েশিয়ার স্থানীয়, তার বয়স ৪৩ বছর।

অপরদিকে বেকারি থেকে ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। তাদের মধ্যে মিয়ানমারের ১৪ জন পুরুষ ও ৯ জন নারী, দুজন পাকিস্তানের এবং নেপালের একজন পুরুষ। তাদের বয়স ২১-৪২ বছর। এছাড়া ৩৬ বছর বয়সী বেকারির পরিচালককেও আটক করা হয়েছে। তিনি মালয়েশিয়ান নাগরিক।

ব্যর্থতার পর বিএনপি আবারও আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা করছে: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি ভোটারদের ভয় পায়, তাই নির্বাচনে আসে না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যৌথ সভার শুরুতে এ মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আন্দোলন ও নির্বাচন ঠেকাতে ব্যর্থতা, এই ব্যর্থতার পর বিএনপি আবারও আন্দোলনের নামে বিশৃঙ্খলা, সন্ত্রাস সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। অনেকে বলেন পাল্টাপাল্টি সমাবেশ করছি। আজ কিন্তু আমরা কোনো সমাবেশ করিনি। সমাবেশ আমরা করব, কারণ বিএনপির সমাবেশ মানেই অগ্নিসন্ত্রাস, বিশৃঙ্খলা, রক্তপাত। বিএনপির কাছে গোটা রাজধানীকে যদি ছেড়ে দিই, তাহলে জনগণের জানমাল সুরক্ষায় সমস্যাও হতে পারে। এ কারণে আমাদের থাকতে হয়।

তিনি বলেন, আমরা নাম দিয়েছি শান্তি সমাবেশ, আমরা সেভাবেই শুরু ও শেষ করেছি। আমরা যদি মাঠে না থাকি তাহলে অতীতের অভিজ্ঞতা বলে বিএনপির সমাবেশ মানেই নৈরাজ্য, পুলিশ হত্যা, সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন ও হাসপাতালে হামলা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামীকাল (শনিবার) মোহাম্মদপুরে আমরা শান্তি উন্নয়ন সমাবেশ করব। সেটি বিকেল সাড়ে ৩টা শুরু হবে।

এ সময় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ, মাহবুবউল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাশ, আইন বিষয়ক সম্পাদক নাজিবুল্লাহ হিরু প্রমুখ।

হামলায় ভয়ে রাফাহ ছাড়ল ৮০ হাজার ফিলিস্তিনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ফিলিস্তিনের গাজার রাফাহর পূর্বাঞ্চলে অনবরত গোলাবর্ষণ করেছে ইসরাইল। আরও বড় ধরনের হামলা চালাতে সীমান্তে বিপুলসংখ্যক ট্যাংকসহ যুদ্ধসরঞ্জাম ও সেনা জড়ো করছে দেশটি। এদিকে জাতিসংঘ জানিয়েছে, ইসরাইলি বাহিনীর হামলার মুখে মরিয়া হয়ে রাফাহ ছেড়েছেন ৮০ হাজার ফিলিস্তিনি।

গাজার স্বাধীনতাকামী সংগঠন জানিয়েছে, ইসরাইলি সেনারা রাফার পূর্বাঞ্চলকে আক্রমণ করেছে। এতে রাফার পূর্বাঞ্চলের কিছু এলাকা পুরোপুরি জনশূন্য হয়ে পড়েছে।

এদিকে জাতিসংঘ সতর্ক করে বলেছে, গাজায় পানি এবং খাবার ফুরিয়ে এসেছে। কারণ রাফা ক্রসিংয়ের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর গাজায় ত্রাণ সামগ্রী প্রবেশ বন্ধ হয়ে গেছে।

এছাড়া টানা চতুর্থ দিনের মতো গতকালও বন্ধ ছিল গাজার ইসরাইল সীমান্তবর্তী কারেম সালেম ক্রসিং। সেখানে জর্ডানের পাঠানো ত্রাণবহর আটকে দিয়েছে ইসরাইলি বিক্ষোভকারীরা। রাফা ও কারেম সালেম ক্রসিং বন্ধ হয়ে যাওয়ায় গাজায় বাইরে থেকে সব ধরনের ত্রাণ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।

ফিলিস্তিনি শরণার্থীবিষয়ক জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএর যোগাযোগ কর্মকর্তা লুইস ওয়াটারিজ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় রাফায় ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী, যা ওই এলাকায় গত দুই সপ্তাহে চালানো হামলার সমান।

এদিকে গাজায় সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় কমপক্ষে ৬০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এ কথা জানিয়েছে। এ নিয়ে গত ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের হামলায় ৩৪ হাজার ৯০৪ জন নিহত হয়েছেন। নিহত ফিলিস্তিনিদের ৭০ শতাংশই শিশু ও নারী।

রাফার পূর্বাঞ্চল থেকে বাসিন্দাদের সরে যেতে গত সোমবার নির্দেশ দেয় ইসরাইলি বাহিনী। ওই দিন রাতেই সেখানে ঢুকে পড়ে ইসরাইলি ট্যাংক। পরদিন মিসর সীমান্তবর্তী রাফা ক্রসিং দখলে নেয় ইসরাইলি বাহিনী। এতে বাকি বিশ্ব থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় অবরুদ্ধ গাজা।

৩ মাস পরেও শিক্ষার্থীদের ট্যুরের টাকার হিসেব দেননি সদস্য সচিব

 

চাঁদনী আক্তার, কুবি :

প্রায় তিন মাস পার হয়ে গেলেও এখনো শিক্ষার্থীদের ট্যুরের টাকার হিসেব দিতে পারেননি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মার্কেটিং বিভাগের প্রভাষক ও ট্যুর আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব আবু ওবায়দা রাহিদ। কমিটির বাকি সদস্যদের অভিযোগ কাউকে অবগত না করে নিজের ইচ্ছামতো ট্যুরের সকল পরিকল্পনা করেন তিনি। ফলে শিক্ষার্থীদের টাকার কোন দায় নিচ্ছে না বিভাগ। টাকা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করছেন বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত ১১ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় ট্যুরের উদ্দেশ্যে কক্সবাজার যাত্রা করার কথা থাকলেও ৭ ফেব্রুয়ারী কক্সবাজার জেলা প্রশাসন মিয়ানমার সীমান্তে অস্থির পরিস্থিতির কারণে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ-রুটে ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে পর্যটকবাহী সকল জাহাজ চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ১১ ফেব্রুয়ারী সকাল ১১টায় একাডেমিক কমিটির সভায় ট্যুর স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এই ট্যুরের জন্য শিক্ষার্থীদের থেকে ৪ হাজার ৫ শত টাকা চাঁদা নেওয়া হয়েছে। ১২ থেকে ১৭ তম ব্যাচ পর্যন্ত মোট ৬টি ব্যাচ থেকে ২ লক্ষ ৬২ হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়। এই টাকার মধ্যে কর্ণফুলী এক্সপ্রেসে আসন ও ব্লু মেরিন রিসোর্টে রুম বুকিংসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচ বাবদ ব্যয় হয়েছে ২ লক্ষ ২১ হাজার ৯ শত ১০ টাকা। অবশিষ্ট ছিল ৪০ হাজার ৯০ টাকা। এরপর ট্যুর স্থগিত হলে কক্সবাজার গিয়ে কিছু টিকিট বিক্রি করে ছাত্র প্রতিনিধিরা। টিকিট বিক্রি ও কর্ণফুলী এক্সপ্রেস থেকে ৮ হাজার ৩ শত টাকা ফেরতসহ মোট ৭৫ হাজার ১২ টাকা অবশিষ্ট থাকলেও বাকি প্রায় ১ লক্ষ ৮৬ হাজার ৯৮৮ টাকার কোন হিসেব দিতে পারেননি সদস্য সচিব। যেখানে রয়েছে বিভিন্ন ব্যাচের শিক্ষার্থীদের টাকা। যা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

এর আগে ৭ ফেব্রুয়ারী মিয়ানমার সীমান্তে বিরোধের কারণে সেন্টমার্টিন নৌ রুটে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলেও একক সিদ্ধান্তে সদস্য সচিব জাহাজ ও রিসোর্ট বুকিং নিশ্চিত করেছেন বলে জানিয়েছে বিভাগের শিক্ষকরা। সদস্য সচিবের শিক্ষকদের সাথে সমন্বয়হীনতা ও নিজ উদ্যোগে সব সিদ্ধান্ত নেওয়ায় এই ট্যুরে যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন শিক্ষকরা এমনটাই জানিয়েছে একাধিক শিক্ষক। এরপর ১১ ফেব্রুয়ারী সুপারিশের জন্য উপাচার্যের দ্বারস্থ হন আবু ওবায়দা রাহিদ। সেখানেও পাননি ট্যুরের অনুমতি। ট্যুরের বিস্তারিত হিসেব জানার জন্য তাঁকে বিভাগ থেকে চিঠি দেওয়া হলে তিনি সেই সেটার উত্তর দেননি। পরবর্তীতে প্রায় দুই সপ্তাহ পর আবার চিঠি দেওয়া হলে তিনি বিভাগের অফিস সহকারীকে দিয়ে কোন প্রকার স্বাক্ষর ছাড়া চিঠির অসম্পূর্ণ উত্তর পাঠান। যেখানে কোন কমিটির সদস্যদেরও স্বাক্ষর ছিল না।

ট্যুরের অর্থ কমিটির দায়িত্বে ছিলেন ১২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এ এস এম ইউসুফ। তিনি বলেন, আমরা ১২ তম ব্যাচ শুধুমাত্র আয়োজক হিসেবে ছিলাম। শিক্ষার্থীদের টাকা পয়সার ব্যাপার বিভাগ দেখবে।

১২ তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সুব্রত বলেন, এটা একটা সিলি ম্যাটার। আমি মন্তব্য করবো না এই বিষয়ে।

১৪ তম ব্যাচের প্রতিনিধি আবরার বিন মোস্তফা বলেন, আমি এখানে কোন প্রতিনিধি ছিলাম না। আরেকজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সে না আসায় আমি ট্যুরের জন্য টাকা তুলে বিভাগে জমা দিয়েছি এবং বাকি টাকা স্টুডেন্টদের দিয়ে দিয়েছি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ১৪ তম ব্যাচের আরেক শিক্ষার্থী বলেন, টিউশনের জমানো টাকা ট্যুরের জন্য দিয়েছি। এখন এই টাকার কোন হদিস নেই। ট্যুরও হলো না। এখন আমরা কবে টাকা পাব সেটারও ঠিক নেই।

১৫ তম ব্যাচের প্রতিনিধি মো: হান্নান বলেন, আমি সিআর হিসেবে ব্যাচের সবাই আমার কাছে টাকা জমা দিয়েছে। সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থীই নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের। এখন ওরা সবাই টাকার জন্য আমাকে নক দেয় কিন্তু আমি ওদেরকে কোন কিছু বলতে পারি না।

ট্যুরের আহবায়ক ড. মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, ট্যুরের আনুষঙ্গিক বিষয় নিয়ে কমিটির সদস্যরা অবগত ছিল না। সদস্য সচিব এককভাবে সব সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সরকার সেন্টমার্টিন যাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার পর আমরা বিভাগীয় প্রধানের মাধ্যমে একাডেমিক কমিটির মিটিংয়ে বিষয়টি তুলে ট্যুর স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেই।

সদস্য আফজাল হোসাইন বলেন, ট্যুর পরিস্থিতির কারণে একাডেমিক কমিটির মিটিংয়ের মাধ্যমে স্থগিত করা হয়েছে। আমি এখানে শুধু নামমাত্র সদস্য ছিলাম। ট্যুর কবে হবে, কিভাবে হবে, কতজন শিক্ষক-শিক্ষার্থী যাবে, টাকা কোথায় দিচ্ছে, কিভাবে দিচ্ছে আমি কিছুই জানতাম না। আমি এখানে শুধুমাত্র হোয়াটসঅ্যাপে ট্যুর প্ল্যানের দুইটা ক্ষুদেবার্তা পেয়েছি।

এ বিষয়ে ট্যুর কমিটির সদস্য সচিব আবু ওবায়দা রাহিদ বলেন, মায়ানমার সীমান্তে বিরোধের কারণে ট্যুর করা সম্ভব হয়নি। এখানে শিক্ষকরা বিভিন্ন ব্যক্তিগত কারণে যেতে চায়নি। গত বছরের সুন্দরবন ট্যুর একজন শিক্ষকের নেতৃত্বেই হয়েছিল। এইজন্য এই বছর আমি উদ্যোগ নিয়ে ট্যুর করতে চেয়েছি। ৭ তারিখ টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ রুটে জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আসে। এরপর আমি কক্সবাজার জেলা প্রশাসকের সাথে কথা বলে জেনেছি জাহাজ কক্সবাজার-সেন্টনার্টিন রুটে চলাচল করতে পারবে। কিন্তু সবকিছু ঠিকঠাক করার পর ১১ ফেব্রুয়ারী একাডেমিক কমিটির মিটিংয়ে ট্যুর স্থগিত করা হয়। আমাকে যখন বিভাগ থেকে টাকার হিসাব চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে তখন আমি স্বাক্ষর ছাড়া উত্তর দিয়েছি কারণ কমিটির অন্য কোন সদস্য স্বাক্ষর করেনি। তাহলে আমি কেন করবো? এই দায় তো আমার একার না। এখন উদ্ভুত পরিস্থিতির কারণে ক্যাম্পাসে বন্ধ রয়েছে। ক্যাম্পাস খোলা হলে শিক্ষার্থীদের টাকার ব্যাপারে আমরা বিভাগের সাথে কথা বলবো।

বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, ট্যুর যাতে সুন্দরভাবে সম্পন্ন হয় সেইজন্য একটা ট্যুর কমিটি করা হয়েছিল। আমি এখানে সংশ্লিষ্ট ছিলাম না। পরে জানতে পারলাম সদস্য সচিব একাই সব কাজ করছে। বাকি কমিটির সদস্যরা এসব বিষয়ে অবগত নয়। মায়ানমার সীমান্তে বিরোধ জানার পর আমরা ট্যুরের আগে সদস্য সচিবকে সবকিছু অফ রাখতে বললাম। কিন্তু তিনি তা না শুনে কমিটির সদস্যদের না জানিয়ে সবকিছু বুকিং করে দিয়েছেন। এরপর আমরা একাডেমিক কমিটির সভায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে ট্যুর স্থগিত করি। ট্যুরের হিসাব জানার জন্য আমি তাঁকে একটি চিঠি দিয়েছি উত্তর না পেয়ে দুই সপ্তাহ পর আবার চিঠি দেওয়ার পর উনি অসম্পূর্ণ একটি হিসাব অফিস সহকারীর মাধ্যমে আমার কাছে জমা দেন।

তিনি আরও বলেন, ওই চিঠিতে ওনার এবং কমিটির কোন সদস্যের স্বাক্ষর ছিল না। হিসাব থেকে আমরা জানতে পেরেছি একটা ব্যাচের কোন শিক্ষার্থীই ট্যুরের টাকা দেয়নি। আবার অনেক শিক্ষার্থী ৫০০ টাকা জমা দিয়েছে। তাহলে এতো শিক্ষার্থীর টাকা বাকি রেখে উনি কীভাবে সবকিছু বুকিং করলেন? ট্যুরের কোনো টাকা বিভাগে জমা হয়নি। তাহলে বিভাগ কেন এই টাকার দায় নিবে? উনি যদি আমাদেরকে ট্যুরের টাকার আর্থিক হিসেব পুরোপুরি বুঝিয়ে দেন তাহলে আমরা চূড়ান্ত একাডেমিক কমিটির সভায় শিক্ষার্থীদের টাকার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিব।

উল্লেখ্য, কুবি উপাচার্য যোগদানের পরেই মার্কেটিং বিভাগে অভিনব উপায়ে এক অনুবিধি যোগ করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিয়োগ দেন আবু ওবাইদা রাহিদকে।

কুমিল্লা ৩ উপজেলায় বিজয়ী হলেন যারা

স্টাফ রিপোর্টার:
শেষ হয়েছে কুমিল্লায় প্রথম ধাপের উপজেলা পরিষদের সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। লাকসাম ও মনোহরগন্জে এক তরফা নির্বাচন হলেও মেঘনা উপজেলায় বেশ প্রতিদ্বন্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে।

বুধবার (৮ মে) সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। প্রথম ধাপে কুমিল্লা জেলার ৩টি উপজেলায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  কয়েক জায়গায় বিচ্ছিন্ন ঘটনাও ঘটেছে।

 

প্রথম ধাপে চেয়ারম্যান পদে ১১, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ১৬ করে অর্থাৎ মোট ২৭ জন প্রার্থী এরইমধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হয়েছেন। বুধবার রাতে জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

নির্বাচনে বিজয়ীরা হলেন মেঘনা উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে মো. তাজুল ইসলাম তাজ আনারস প্রতীক নিয়ে ১৮ হাজার ৬০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রমিজ উদ্দীন লন্ডনী ঘোড়া প্রতীকে ১৪ হাজার ৭৫৪ ভোট পেয়েছেন। মেঘনা উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আবুল কালাম চশমা প্রতীক নিয়ে ১৮ হাজার ৩০৯ পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. রবিন মিয়া তালা প্রতীক নিয়ে ১৪ হাজার ৩৩৯ ভোট পেয়েছেন।

মেঘনা উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে দিলারা শিরিন হাস প্রতীক নিয়ে ২০ হাজার ৩৫০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নাসরিন সুলতানা কলস প্রতীক নিয়ে ১৩ হাজার ৫৮৫ ভোট পেয়েছেন।

লাকসাম উপজেলা চেয়ারম্যান পদে মো. ইউনুছ ভূঁইয়া আনারস প্রতীক নিয়ে ৮১ হাজার ৩৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিকাশ চন্দ্র সাহা দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে ৮ হাজার ৩৪৪ ভোট পেয়েছেন। লাকসাম উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মহব্বত আলী তালা প্রতীক নিয়ে ৮৯ হাজার ৬৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন উড়োজাহাজ প্রতীক নিয়ে ৭ হাজার ২০৭ পেয়েছেন। লাকসাম মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে পড়শী সাহা পদ্মফুল প্রতীক নিয়ে ৮৪ হাজার ৩৪২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিতা সাহা প্রজাপতি প্রতীক নিয়ে ১২ হাজার ৫৯৮ ভোট পেয়েছেন।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদে আবদুল মান্নান চৌধুরী ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৭৭ হাজার ১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. জাকির হোসেন আনারস প্রতীক নিয়ে ১১ হাজার ৬১৭ ভোট পেয়েছেন।

মনোহরগঞ্জ উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আমিরুল ইসলাম তালা প্রতীক নিয়ে ৮৮ হাজার ১৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মিরুজ্জামান টাইপ রাইটার প্রতীক নিয়ে ৩ হাজার ৭০০ ভোট পেয়েছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শিরিন আক্তার প্রজাপতি প্রতীক নিয়ে ৯১ হাজার ৩১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিলকিস আক্তার ফুটবল প্রতীক নিয়ে ৮ হাজার ৭৭২ পেয়েছেন।

 

জেলা আ.লীগের সভাপতিকে হারিয়ে সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান হলেন এমপি পুত্র

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন নোয়াখালী-৪ (সদর ও সুবর্ণচর) আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরীর ছেলে আতাহার ইশরাক ওরফে সাবাব চৌধুরী।

বুধবার (৮ মে) রাত পৌনে ১০টার দিকে জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. নওয়াবুল ইসলাম ফলাফলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নির্বাচনে সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতীক নিয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন সাবাব। তিনি পেয়েছেন ৩৭ হাজার ৬৪৮ ভোট। ৬১টি কেন্দ্রের ফলাফলে সাবাব চৌধুরী ৭০৩ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি দোয়াত কলম প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ এ এইচ এম খায়রুল আনম সেলিম পেয়েছেন ৩৬ হাজার ৯৪৫ ভোট।

এছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে মো.আবদুল্যাহ আল মামুন নির্বাচিত হন। তিনি পেয়েছেন ২৪ হাজার ২৯৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো.ফরহাদ হোসেন চৌধুরী বাহার পেয়েছেন ২৪ হাজার ৩৮ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে মুন্নী আহমেদ পেয়েছেন ৫৬ হাজার ৪১১ ভোট। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী আলেয়া বেগম পেয়েছে ৬হাজার ৩২৬ ভোট। এই উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ভোটার সংখ্যা ২ লক্ষ ২৫ হাজার ১৮৮জন।

উল্লেখ্য, ৬ষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার ৬১টি কেন্দ্রে ব্যালটের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।