All posts by jitu

সহকারী প্রক্টর ও সহপাঠীর বিরুদ্ধে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে কুমিল্লায় জবি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

স্টাফ রিপোর্টার:

ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ফাইরুজ অবন্তিকা আত্মহত্যা করেছেন। অবন্তিকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি আম্মান সিদ্দিকী নামের তার এক সহপাঠী ও সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে এ ঘটনার জন্য দায়ী করেন।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা সদরের নিজ বাসায় গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন ফাইরুজ অবন্তিকা। ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা তাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা অবন্তিকাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডাক্তার মো. জোবায়ের।

এ বিষয়ে জানতে অভিযু্ক্ত সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। অন্যদিকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী আম্মান সিদ্দিকীর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।

অবন্তিকার ফেসবুক স্ট্যাটাসটি হুবুহু দেওয়া হলো:

ফাইরুজ অবন্তিকা লিখেছেন, ‘আমি যদি কখনো সুইসাইড করে মারা যাই, তবে আমার মৃত্যুর জন্য একমাত্র দায়ী থাকবে আমার ক্লাসমেট আম্মান সিদ্দিকী আর তার সহকারী হিসেবে তাকে সাপোর্টকারী জগন্নাথের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম।’

অবন্তিকা লিখেছেন, ‘আম্মান যে আমাকে অফলাইন অনলাইনে থ্রেটের উপর রাখতো সে বিষয়ে প্রক্টর অফিসে অভিযোগ করেও আমার লাভ হয় নাই। দ্বীন ইসলাম আমাকে নানানভাবে ভয় দেখায় আম্মানের হয়ে যে আমাকে বহিষ্কার করা ওনার জন্য হাতের ময়লার মতো ব্যাপার। আমি জানি এখানে কোনো জাস্টিস পাবো না। কারণ দ্বীন ইসলামের অনেক চামচা ওর পাশে গিয়ে দাঁড়াবে। এই লোককে আমি চিনতামও না। আম্মান আমাকে সেক্সুয়ালি অ্যাবিউজ কমেন্ট করায় আমি তার প্রতিবাদ করলে আমাকে দেখে নেয়ার জন্য দ্বীন ইসলামের শরণাপন্ন হয়। আর দ্বীন ইসলাম আমাকে তখন প্রক্টর অফিসে একা ডেকে নারী জাতীয় গালিগালাজ করে। সেটা অনেক আগের ঘটনা হলেও সে এখনো আমাকে নানাভাবে মানহানি করতেসে বিভিন্ন জনের কাছে বিভিন্ন কথা বলে। আর এই লোক কুমিল্লার হয়ে কুমিল্লার ছাত্র কল্যাণের তার ছেলেমেয়ের বয়সী স্টুডেন্ট দের মাঝে কী পরিমাণ প্যাঁচ ইচ্ছা করে লাগায় সেটা কুমিল্লার কারো সৎসাহস থাকলে সে স্বীকার করবে। এই লোক আমাকে আম্মানের অভিযোগ এর প্রেক্ষিতে ৭ বার প্রক্টর অফিসে ডাকায় নিয়ে খানকি তুই এই ছেলেরে থাপড়াবি বলসস কেনো? তোরে যদি এখন আমার জুতা দিয়ে মারতে মারতে তোর ছাল তুলি তোরে এখন কে বাঁচাবে?’

‘আফসোস এই লোক নাকি ঢাবির খুব প্রমিনেন্ট ছাত্রনেতা ছিল। একবার জেল খেটেও সে এখন জগন্নাথের প্রক্টর। সো ওর পলিটিকাল আর নষ্টামির হাত অনেক লম্বা না হলেও এতো কুকীর্তির পরও এভাবে বহাল তবিয়তো থাকে না এমন পোস্টে। কোথায় এই লোকের কাজ ছিল গার্ডিয়ান হওয়া আর সো কিনা শেষমেশ আমার জীবনটারেই শেষ না হওয়া পর্যন্ত মুক্তি দিলো না।’

‘আমি উপাচার্য সাদোকা হালিম ম্যামের কাছে আপনি এই প্রতিষ্ঠানের অভিভাবক হিসেবে আপনার কাছে বিচার চাইলাম।’

‘আর আমি ফাঁসি দিয়ে মরতেসি। আমার উপর দিয়ে কী গেলে আমার মতো নিজেকে এতো ভালোবাসে যে মানুষ সে মানুষ এমন কাজ করতে পারে। আমি জানি এটা কোনো সলিউশন না কিন্তু আমাকে বাঁচতে দিতেসে না বিশ্বাস করেন। আমি ফাইটার মানুষ। আমি বাঁচতে চাইসিলাম! আর পোস্ট মর্টেম করে আমার পরিবারকে ঝামেলায় ফেলবেন না। এমনিতেই বাবা এক বছর হয় নাই মারা গেছেন আমার মা একা। ওনাকে বিব্রত করবেন না। এটা সুইসাইড না এটা মার্ডার। টেকনিক্যালি মার্ডার। আর আম্মান নামক আমার ক্লাসমেট ইভটিজার টা আমাকে এটাই বলছিল যে আমার জীবনের এমন অবস্থা করবে যাতে আমি মরা ছাড়া কোনো গতি না পাই। তাও আমি ফাইট করার চেষ্টা করসি। এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে সহ্য ক্ষমতার।’

কাদিয়ারভাঙ্গা সামিত-সাফাত স্পোটিং ক্লাবের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার :

কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার জনপ্রিয় ক্রীড়া সংগঠন “কাদিয়ারভাঙ্গা সামিত-সাফাত স্পোটিং ক্লাবের উদ্যোগে পবিত্র রমাদানের শিক্ষা নিয়ে আদর্শ সমাজ গঠনে তরুণদের ভূমিকা শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার উপজেলার কাদিয়ারভাঙ্গা বেগম রহিমারোশন গার্লস মাদরাসা মাঠে এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।অনুষ্ঠানে ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক শরীফ প্রধানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, ক্লাবের উপদেস্টা মো. নূরআলম ভূঁইয়া আলম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সেক্রেটারি মো. খোরশেদ আলম টাইগার, মো. শাহীন আহামেদ চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার হেলাল উদ্দিন শিকদার, এসএম মিজান, শাহজালাল খন্দকার, অ্যাডভোকেট রাসেল আহাম্মেদ রাফী ও ক্লাবের সভাপতি শান্ত প্রধান।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মো. ফারুক হোসেন আখন্দ, জাহিদুল ইসলাম বাবু, জামাল হোসেন, সোহেল আহাম্মদ, মাহবুবুর রহমান, সজীব তালুকদার, মাছুম প্রধান, শরীফ ভূঁইয়া, রাশেদুল ইসলাম, রাজু প্রধান, মোয়াজ্জেম প্রধান, ইয়াছিন প্রধান, ওমর ফারুক প্রধান ও কাজী সাব্বির, স্পোটিং ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ শাহপরান, ইমরান ভূঁইয়া, সাব্বির আখন্দ, আনিছ প্রধান, রাজিব তালুকদার, তানবীর আহাম্মেদ, ফাহিদ আহাম্মেদ, ফয়েজ প্রধান, নাঈম হাসান ও হৃদয় মিয়া প্রমূখ। আলোচনা শেষে দোয়া মুনাজাত করেন কাদিয়ারভাঙ্গা বেগম রহিমারোশন গার্লস মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মজিবুর রহমান শিকদার।

আল-আকসা মসজিদে ৮০ হাজার মুসল্লির জুমা আদায়

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইসলামের তৃতীয় পবিত্রস্থান জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদে আজ শুক্রবার ৮০ হাজার মুসল্লি জুমার নামাজ আদায় করেছেন। ২০২৪ সালের পবিত্র রমজান মাসের প্রথম জুমার দিন ছিল আজ। আর এদিনই আল-আকসায় ৮০ হাজারের বেশি মুসল্লির সমাগম হয়েছে।

যদিও দখলদার ইসরায়েল সেখানে মুসল্লিদের প্রবেশের ক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও দলে দলে মানুষ মসজিদটিতে গেছেন।

জুমার আগে ওল্ড জেরুজালেমে কয়েক হাজার পুলিশ মোতায়েন করেছিল ইসরায়েল। তবে পুলিশের সঙ্গে মুসল্লিদের কোনো ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

গত বছরের অক্টোবর গাজাভিত্তিক ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের যুদ্ধ শুরু হয়। এ যুদ্ধের দোহাই দিয়ে আল-আকসা মসজিদে মুসল্লিদের প্রবেশ প্রায় বন্ধ করে দিয়েছিল ইসরায়েল। কিন্তু রমজান মাস আসার পর তারা নমনীয়তা দেখাতে বাধ্য হচ্ছে। যদিও ইসরায়েলের উগ্রপন্থিমন্ত্রী ইতামার বেন গিভির চেয়েছিলেন রমজানেও যেন আল-আকসায় মুসল্লিদের প্রবেশ করতে না দেওয়া হয়। তবে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু তার এ প্রস্তাবে রাজি হননি। কারণ নেতানিয়াহু ভয় পেয়েছিলেন এই ভেবে যে, যদি রমজানেও মুসল্লিদের পবিত্র এ মসজিদে প্রবেশ করতে না দেওয়া হয় তাহলে অস্থিতিশীলতা তৈরি হতে পারে।

ফিলিস্তিনি বার্তাসংস্থা আল-কুদস মসজিদটির রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ইসলামিক ওয়াকফর বরাতে ৮০ হাজারের বেশি মুসল্লির নাজাম আদায়ের তথ্য নিশ্চিত করেছে।

যদিও আজকে আল-আকসায় শুধুমাত্র ৫৫ বছরের উর্ধ্বের পুরুষ এবং ৫০ বছরের উর্ধ্বের নারীদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। এছাড়া আগে থেকেই অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা দিয়েছিল ইসরায়েল। ফলে বেশিরভাগ ফিলিস্তিনি প্রথম জুমায় আল-আকসায় প্রবেশ করতে পারেননি।

সূত্র: আলজাজিরা

শাসনগাছায় স্ট্যান্ড নিয়ে আ’লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গুলিতে প্রাণ গেল ছাত্রদল কর্মীর

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদরের শাসনগাছা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে আ’লীগের দু গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এ সময় জুম্মার নামায শেষে বাড়ি ফেরার পথে অর্ণব নামের এক যুবক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়। গুলিবিদ্ধ হয় দুই গ্রুপের আরো ৪ জন ।

নিহত অর্ণব (৩০) সদরের শাসনগাছা মধ্যমপাড়া এলাকার আজহার মিয়ার ছেলে।নিহত অর্ণব ছাত্রদল কর্মী। সে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের ছাত্র। আহতদের মধ্যে নাজমুল,অনিক ও নিশুসহ ৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের সদস্য।

স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, শাসনগাছা মধ্যমপাড়া এলাকার আবুল কাশেম বাহিনী ও শাসনগাছা মোল্লা বাড়ির রাব্বি আলাউদ্দিনদের মধ্যে লেগুনা স্টান্ডের দখল নিয়ে সংঘর্ষ হয়। এ সময় ব্যাপক গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এ সময় নামায পড়ে বাড়ি ফেরার পথে অর্নব গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়। এ সময় উভয় গ্রুপের আরো ৪ জন গুলিবিদ্ধ হয়।

স্থানীয় সূত্র আরো জানায়, মধ্যম পাড়ার আবুল কাশেমরা আ’লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। এক সময় তারা এই স্ট্যান্ডের দায়িত্বে ছিল। তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ থাকায় তাদেরকে সরিয়ে আ’লীগের অপর গ্রুপ  মোল্লা বাড়ির রাব্বি-আলাউদ্দিনদের দায়িত্ব দেয়া হয়। সেই থেকে দুই গ্রুপের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলমান। আজ আধিপত্য ও টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়।

এ বিষয়ে কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন জানান, দুই গ্রুপের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছে। কয়েকজন আহত রয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে রয়েছে।

ডিআইইউতে সাংবাদিকতা করায় ১০ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের ঘটনায় ডিএমজেএফ’র নিন্দা

স্টাফ রিপোর্টার :

ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে (ডিআইইউ) সাংবাদিক সমিতির কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ এবং সাংবাদিকতা পেশায় যুক্ত দশ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন জার্নালিস্ট ফোরাম (ডিএমজেএফ)।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) ডিএমজেএফ’র আহ্বায়ক ফারজানা শোভা ও সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম (রাসেল) এক যৌথ বিবৃতিতে এ নিন্দা জানান।

বিবৃতিতে ডিএমজেএফ’র নেতৃবৃন্দ বলেন, ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা কোনো অপরাধ নয়। যারা ক্যাম্পাস সাংবাদিকতার মধ্যদিয়ে মুক্তচিন্তা চর্চায় যুক্ত হয় শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাস সাংবাদিকতা শিক্ষার্থীদের মৌলিক অধিকার রক্ষার অতন্দ্র প্রহরী। ডিআইইউ এর কর্তৃপক্ষের এই সিদ্ধান্ত গণতন্ত্রের জন্যও অশুভ ইঙ্গিত। দ্রুতই তাদের এই ধরণের অগণতান্ত্রিক সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানাই।

পাশাপাশি বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত ১০ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার আদেশ দ্রুত প্রত্যাহার করার আহ্বান জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন জার্নালিস্ট ফোরামের নেতৃদ্বয়।

কুমিল্লা রেস্তোরা মালিক সমিতির উদ্যোগে পথচারিদের মাঝে ইফতার বিতরণ

স্টাফ  রিপোর্টার:

বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার উদ্যোগে প্রায় ৯ শতাধিক পথচারি ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে এ ইফতার প্যাকেট বিতরণ করা হয়।

এ সময় প্রধাণ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত  সাধারণ সম্পাদক ও দোকান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিক উল্লাহ খোকন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতি কুমিল্লা জেলা শাখার আহ্বায়ক এম এ তাহের, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রবিউল হক, জনি, শামীম প্রমুখ।

ভারত থেকে আগামী সপ্তাহে পেঁয়াজ আসছে : প্রতিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

আগামী সপ্তাহে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ দেশে আসবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস ২০২৪ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এই কথা বলেন।

নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সাপ্লাই চেইন মজবুত ও শক্তিশালী করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে বলেও জানান তিনি।

আহসানুল ইসলাম টিটু বলেন, বাজার পরিচালনা কমিটির সহোযোগিতা না থাকলে সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনা সম্ভব নয়। শিগগিরই বাজারের সকল ব্যবসায়ীকে নিয়ে স্মার্ট বাজার ব্যবস্থাপনা তৈরি করা হবে। বাজারে যথেষ্ট পরিমাণে ছোলা ও চিনির সরবরাহ আছে। কৃষিপণ্য বাজারে আসার আগে হাতবদলসহ সর্বক্ষেত্রে তদারকি বাড়িয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে সাপ্লাই চেইন মজবুত ও শক্তিশালী করতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কাজ করছে। সাপ্লাই চেইনের কোথাও যেন কোনো ঘাটতি না থাকে, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। আগামী সপ্তাহেই ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ দেশে আসবে।

তিনি আরও বলেন, ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় শুধুমাত্র রমজান মাসে নয়, সারা বছরই অভিযান চলমান থাকবে। যৌক্তিক কর ব্যবস্থাপনা না থাকলে ভোক্তা স্বার্থ রক্ষা করা যাবে না। নিত্যপণ্যের যৌক্তিক কর নির্ধারণ করা গেলে ভোক্তারা উপকৃত হবেন।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব তপন কান্তি ঘোষ, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের মহাপরিচালক এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান, কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান প্রমুখ।

কুমিল্লায় এনটিআরসিএ পরীক্ষায় ভুল প্রশ্ন পত্রে পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা টিচার্স ট্রেইনিং কলেজ কেন্দ্রে ভুল প্রশ্ন পত্রে ১৮ তম বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) পরীক্ষায় বিড়ম্বনার শিকার হয়েছেন শতাধিক পরীক্ষার্থী।

শুক্রবার (১৫ মার্চ) বেলা সাড়ে নয়টায় অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় সাধারণ স্কুল পর্যায়ের পরীক্ষায় কারিগরি/এবতেদায়ি বিভাগের প্রশ্ন বিতরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরীক্ষার্থীরা।

পরীক্ষার্থীরা এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষা হলে দায়িত্ব প্রাপ্ত ইনভিজিলেটরদের (শিক্ষকদের) দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও তারা বিলিকৃত ভুল প্রশ্ন পত্রে পরীক্ষা চালিয়ে যান। এতে বিষয় ভিত্তিক পার্থক্য থাকার কারণে বিভ্রান্তিতে পড়ে যায় পরীক্ষার্থীরা।

পরীক্ষার শেষে ভুক্তভোগীরা কুমিল্লা টিচার্স ট্রেইনিং কলেজের অধ্যক্ষের কক্ষের সামনে উপস্থিত হয়ে বিষয়টির প্রতিবাদ করতে থাকে।

নিবন্ধন পরীক্ষার্থী সুজন নামে এক ভুক্তভোগী জানান, প্রথমে হল কর্তৃপক্ষ ভুল প্রশ্ন দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরীক্ষার শেষে দেখা যায় সাধারণ স্কুল পর্যায়ের প্রশ্নের জায়গায় কারিগরি ইবতেদায়ি পর্যায়ের প্রশ্ন অদল বদল হয়েছে। এতে করে ওই কেন্দ্রের ১০১, ৩১১, ৩১২ ও ৩১৩ তম কক্ষের পরীক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হয়।

কুমিল্লা টিচার্স ট্রেইনিং কলেজের অধ্যক্ষ রাজিয়া সুলতানার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, বিষয়টি দেখার জন্য তিনি ম্যাজিস্ট্রেটকে জানিয়েছেন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ ইউএনও রুবাইয়া খানম বলেন, বিষয়টি এনটিআরসি কর্তৃপক্ষের নজরে আনা হবে এবং দায়ি ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থাগ্রহনের জন্য সুপারিশ করা হবে।

এ সময় তিনি পরীক্ষার্থীদের শান্ত থাকার আহবান করেন। এদিকে একই কেন্দ্রে বিকেল তিন টায় কলেজ পর্যায়ের নিবন্ধন প্রত্যাশী পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।

কুবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে ডিন নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ

কুবি প্রতিনিধি:

সমকালীন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের ক্লাস বর্জনের পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার (১৪ মার্চ) এক জরুরি সিন্ডিকেট সভার আহবান করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে নিয়মের তোয়াক্কা না করে সেই সিন্ডিকেটের আলোচ্য সূচি পরিবর্তন করে বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন করে পাঁচজন ডিন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে সেই ডিন নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। শিক্ষকরা বলছেন, আলোচ্য সূচি পরিবর্তন করা নিয়মের ব্যত্যয় করেছেন এবং একজন শিক্ষকের যোগদান ঠেকিয়ে অন্যজনকে অবৈধভাবে ডিন নিয়োগ দিয়েছেন।

জানা যায়, জরুরি ওই সিন্ডিকেট সভা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯১ তম সিন্ডিকেট সভা। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিভিন্ন অনিয়মের সুরাহা ও শিক্ষকদের উপর হামলার বিচারের দাবিতে ক্লাস বর্জন করে শিক্ষক সমিতি। দাবি না মানলে ক্লাস বর্জন আরও দীর্ঘ হবে বলে জানিয়েছে শিক্ষক সমিতি। ক্লাস বর্জনের উদ্ভূত পরিস্থিতি সমাধানের লক্ষ্যে সিন্ডিকেট সভা ডাকলেও উপাচার্যের ইচ্ছায় আলোচ্যসূচি পরিবর্তন করে ডিন নিয়োগের এজেন্ডা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে বিষয়টি নিয়মের ব্যত্যয় বলে আপত্তিও তুলেন দুইজন সিন্ডিকেট সদস্য।

এদিকে পাঁচ ডিন নিয়োগের মধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ডিন নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ তুলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী ডিন নিয়োগ পাওয়ার কথা ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগ থেকে। জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে সে নিয়োগের পাওয়ার কথা ছিল ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো: এমদাদুল হকের। গত ৩ মার্চ ১৬ মাসের শিক্ষা ছুটি শেষে যোগদানপত্র জমা দিলেও যোগদান কার্যকর করেনি প্রশাসন। ফলে সিন্ডিকেটের আলোচ্য পরিবর্তন করে তড়িঘড়ি করে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে অধ্যাপক ড. মুহম্মদ আহসান উল্লাহ কে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ডিনের পদ থেকে বঞ্চিত মো: এমদাদুল হক বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ছুটি ৩.৪ ধারা অনুযায়ী আমি গত ৩ মার্চ শিক্ষা ছুটি শেষে বিভাগে যোগদান করার জন্য আবেদন করি। কিন্তু আইন বহির্ভূতভাবে গত ১১ দিনে আমার যোগদান পত্র কার্যকর না করে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডীন মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। উল্লেখ্য যে, আইন অনুযায়ী বিভাগের আর্বতনে এবার ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগ থেকে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রাপ্য। এ ক্ষেত্রে আমার যোগদান পত্র কার্যকর না করে ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিভাগকে ডীন হওয়া থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে আমি মনে করি।

এদিকে সিন্ডিকেটের আলোচ্যসূচি পরিবর্তন ও ডিন নিয়োগে অনিয়মের তুলেছেন শিক্ষকরা। শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক ড. মাহমুদুল হাছান বলেন, আইনগতভাবে সিন্ডিকেট সভা এক বিষয়ে ডাকার পর অন্য বিষয়ে আলোচনা করা সম্ভব না। যে বিষয়ে ডাকা হয় সে বিষয়ে আলোচনা করা উচিত। ডিন নিয়োগ তো প্রচলিত আইনের বিষয় এবং আইন দ্বারা এটা সুনির্দিষ্ট কার পরে কে হবে। এটা তো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি শিক্ষক জানে। ডিন নিয়োগের জন্য সিন্ডিকেট সভার প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করি না, কারণ এটা আইন দ্বারা সুনির্দিষ্ট।

শিক্ষক সমিতির কার্যকরী সদস্য মোহাম্মদ আইনুল হক বলেন, সিন্ডিকেটের সভাপতি মাননীয় উপাচার্য চরম জ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষক সমিতির যে যৌক্তিক দাবিগুলোর ছিল সেগুলোর প্রতি ভ্রূক্ষেপ না করে এজেন্ডা পরিবর্তন করে ওনি অবৈধভাবে ডিন নিয়োগ দেওয়ার জন্য আজকের সিন্ডিকেট করেছে। একজন শিক্ষকের যোগদান ঠেকিয়ে অন্যজনকে অবৈধভাবে ডিন নিয়োগ দিয়েছেন। ওনার অবৈধ কর্মকাণ্ডের আরও একটি প্রমাণ দিয়েছেন ত