All posts by jitu

শাহরাস্তিতে প্রসূতি মৃত্যুর ঘটনায় ১লক্ষ টাকা জরিমানা, হাসপাতাল সিল গালা

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন:

শাহরাস্তিতে মা ও শিশু (প্রা:) হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় প্রসূতি মায়ের মৃত্যুর ঘটনায় প্রশাসনের তরফ থেকে সিলগালা করা হয়েছে।

বুধবার সকালে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টট রেজওয়ানা চৌধুরী ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও প্রসিকিউটর মোঃ নাসির উদ্দিন হাসপাতালটি সিলগালা করে, ১লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করেন।

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার পুলিশ স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে শাহরাস্তি পৌরসভার মেহের কালীবাড়ি মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসকের ভূল চিকিৎসায় ফারজানা আক্তার (২৪) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২ টায় উপজেলার চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়নের হাঁড়িয়া ভুইঁয়া বাড়ীর বাসিন্দা প্রাইভেট কার চালক আলম হোসেনের স্ত্রী এক সন্তানের জননী ফারজানা আক্তার ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসেন।

পরে ওইদিন বিকাল ৪ টায় কর্তব্যরত চিকিৎসক এনেন্সথেসিয়া ডা: বাসেত, গাইনী চিকিৎসক ডা: তানিয়া আক্তার, ও সার্জারী চিকিৎসক ডা: শরীফ আহমেদ তাকে ভর্তি দিয়ে সিজার করান। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসক রোগীর পরিবারকে ব্লাড সংগ্রহ করার জন্য বলেন।

পরে সন্ধা ৬ টা ৫০ মিনিটে রোগীর মৃত্যুর পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড দেখিয়ে সিজারের সমুদয় টাকা নিয়ে ছাড়পত্র দিয়ে হাসপাতাল থেকে বিদায় দেন। এ্যাম্বুল্যান্সে রোগীর কোন সাড়াশব্দ না পেয়ে উপজেলার কালিয়াপাড়াস্থ বশিরউল্ল্যাহ মেডিক্যালে ইসিজি মাধ্যমে নিশ্চিত হন প্রসূতি ফারজানা আক্তার মৃত্যুবরণ করেছেন।

এসময় সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশু কন্যা সন্তানের চিৎকারে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠে। পরবর্তীতে রোগীর স্বজন ওই হাসপাতালে হামলার চেষ্টা চালালে শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন পরিস্থিতি সামাল দেন।

এবিষয়ে নিহতের স্বামী মোঃ আলম হোসেন জানান, আমার স্ত্রীর কোন অসুখ ছিলনা। আমার প্রথম সন্তান আল আমিন (৪) সিজারে হয়েছে, তাই এ সন্তানটিও সিজারে হয়। মা ও শিশু স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসকগন আমার স্ত্রীকে খুন করে ফেলেছে, আমি এর বিচার চাই।

প্রসূতির মৃত্যুর বিষয়ে হাসপাতালের পরিচালক তোফায়েল আহমেদ তপু জানান, পূর্ব থেকে রোগীর শ্বাসকষ্টের সমস্যা ছিল। রোগীর পরিবার তা অপারেশন করার আগে জানাননি।অপারেশনের পর তার শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি বেড়ে যাওয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্টট রেজওয়ানা চৌধুরী জানান, অনুমোদন বিহীন হাসপাতাল পরিচালনা ও রোগীর মৃত্যুর ঘটনা সহ বিভিন্ন অভিযোগে হাসপাতালটি সিলগালা ও ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পূর্বে ও তাদের বিষয়ে অনেক অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন জানান, অনুমোদন বিহীন কোন হাসপাতাল চলতে পারেনা। এ হাসপাতালে নির্দিষ্ট কোন দায়িত্বরত চিকিৎসক নেই। এ হাসপাতালের বিরুদ্ধে পূর্বেও অভিযোগ রয়েছে।

এবিষয়ে কত্যর্বরত চিকিৎসক ডাঃ বাসেত, ডাঃ তানিয়া ও ডাঃ শরীফ আহমেদের সাথে মুঠো ফোনে বার বার যোগাযোগ করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে শাহরাস্তি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি মোহাম্মদ আলমগীর হোসেন জানান, বিষয়টি অবগত হওয়ার সাথে সাথে আমরা ঘটনাস্থলে এসে হাজির হই। সকল ধরণের বিশৃঙ্খলা এড়াতে আমরা সর্বদা প্রস্তুত ছিলাম। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

বিনা লাইসেন্সে ধান মজুতকারী আমার বাবা হলেও ছাড়ের উপায় নেই : খাদ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

অবৈধ আড়তদারদের উদ্দেশে খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, যারা হাজার-হাজার মণ ধান আড়তদারির নাম করে বিনা লাইসেন্সে স্টক করছে, তাদের ছাড় দেওয়ার কোনো উপায় নেই। আপনি মিল মালিক হয়েও যদি আপনার কাছে ধান মজুত থাকে তাহলে আপনাকেও ছাড় দেওয়ার কোনো উপায় নেই। আমার বাবা হলেও উপায় নেই।

বুধবার (১৭ জানুয়ারি) খাদ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ধান-চালের বাজার ঊর্ধ্বগতি রোধ করতে মতবিনিময় সভায় খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী নিজের বাড়ি থেকেই এ কার্যক্রম শুরু করেছেন উল্লেখ করে বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকায় এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অপারেশনে আছে। ব্যবসায়িক সূত্র বা ইকোনমিক্স থিওরিতে বলে যখন চাহিদা বেশি হয় তখন দাম বাড়ে, সরবরাহ কমে গেলে দাম বাড়ে। আমি তো এই মুহূর্তে সরবরাহ কমের কোনো অবস্থা দেখছি না। প্রচুর ধান আছে। সরবরাহ যাতে না কমে যায় তার জন্য আমরা ইতোমধ্যে ট্যাক্স ফ্রি করে দিয়ে আমদানি করার চেষ্টা করছি, আমাদের ফাইল প্রসেসে আছে। হয়ত আমরা এটা ২-৪-৫ দিনের মধ্যে ফাইনাল করব। কারণ অযথা স্টক করে রেখে পরে আবার বলবেন, আমরা মরে গেলাম, মরে গেলাম। এ কথা যাতে না শুনি।

তিনি বলেন, একদিকে অভিযান, আরেকদিকে আপনাদের বিবেক, আরেকদিকে আমাদের আমদানি পদ্ধতি, প্রয়োজনে সরকারিভাবে আমদানি করব। দরকার হলে আমরা ওএমএস থানায় থানায় ছেড়ে দেব কিন্তু বাজার বাড়তে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে আপনারা আমার সঙ্গে একমত হলে হাত উঠান।

এ সময় উপস্থিত ব্যবসায়ীরা হাত উঠিয়ে বলেন, ‘একমত।’

এ পর্যায়ে মন্ত্রী বলেন, তাহলে কাল থেকে বাজার স্বাভাবিক হয়ে আসবে? আমি কিন্তু আবার নতুন করে যাত্রা শুরু করলাম।

চালের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি দিলেন ব্যবসায়ীরা

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, আজকে যাদের ডেকেছি তারা সবাই কমিটমেন্ট করেছেন, হঠাৎ যেমন লাফিয়ে দাম উঠেছে, তেমন লাফিয়ে দাম কমাবেন। তারা কথা দিয়েছেন, দ্রুতই আগের দামে নামিয়ে নিয়ে আসবেন। বিশেষ করে মোটা চাল বা আমন চালের দাম কমিয়ে নিয়ে আসবেন।

ইতোমধ্যে বাজার মনিটরিংয়ের জন্য টিম করা হয়েছে জানিয়ে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, কন্ট্রোল রুম খুলেছি, আমাদের অভিযান চলছে। আগামীকাল দেশের ৮টি বিভাগে সকাল সাড়ে ১১টা থেকে অভিযান পরিচালনা করা হবে। এরই মধ্যে অভিযান চলছে। অভিযানে যার কাছে অবৈধ মজুত পাওয়া যাবে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

দাম বৃদ্ধির ঘটনাটা কোন স্তর থেকে ঘটেছে? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা ব্যবসায়ীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা চালের দাম না কমলে প্রয়োজনে আমদানির কথা বলেছেন। এ অবস্থায় কী পরিমাণ আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে? এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমদানির জন্য শূন্য শুল্কের জন্য ফাইল তৈরি করে প্রধানমন্ত্রীর কাছে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন দিলে বা আমাদের যখন প্রয়োজন হবে তখন আমরা আমদানি করব।

তিনি আরও বলেন, চলতি মাসে টিসিবির মাধ্যমে আমরা এক কোটি পরিবার ৫ কেজি করে চাল দিচ্ছি। ওএমএস চলছে, আগামী মাস থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি চালু হবে। সুতরাং চালের দাম স্থিতিশীল থাকবে।

শীতের তীব্রতায় চাঁদপুরে বাড়ছে শিশু রোগী

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

চাঁদপুরে গত এক সপ্তাহ ধরে শীতের প্রকোপ বেড়েই চলেছে। সকালের শেষ সময় থেকে মধ্যদুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা মিললেও ঠান্ডা কমছে না। এতে করে জেলায় শীতজনিত রোগীর সংখ্যাও বাড়াছে। এসব রোগীর মধ্যে নবজাতক, শিশু ও বয়ষ্কদের সংখ্যাই বেশি। সাধারণত শীতের মৌসুমে রোগ-বালাই কম হলেও ঠান্ডাজনিত নানা ধরনের রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন তারা।

চাঁদপুর আড়াইশ শয্যার সরকারি জেনারেল হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা নিতে আসা কিছুটা অন্যান্য রোগী কিছুটা কম। তবে বেড়েছে ঠান্ডাজনিত রোগী। এদের অধিকাংশরাই শিশু। শুধু আউটডোরেই নয়, শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীদের মধ্যেও ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যাই বেশি। এ হাসপাতালে বর্তমানে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন ৮১ জন শিশু রোগী। এরমধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় ভর্তি হয়েছে ২৪ জন শিশু রোগী।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড ও আউটডোর ঘুরে দেখা যায়, হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ঠান্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেক নবজাতক ও শিশুকে ভর্তি করা হয়েছে। এসব শিশুর মধ্যে কেউ কেউ সর্দি কাশি, নিউমোনিয়া, শ্বাসকষ্ট, জ্বর ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর অনেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেলেও কেউ কেউ বেশ কিছুদিন ধরে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

ফরিদগঞ্জ থেকে আসা আয়েশা বেগম বলেন, সকালে শিশুমেয়েকে নিয়ে এসেছি, ভর্তির পরপরই ডাক্তার এসে দেখে গেছেন। হাসপাতালের নার্স এবং ডাক্তাররা অনেক অন্তরিক। বর্তমানে তার শিশুমেয়ে একটু সুস্থ আছেন।

শিশু ওয়ার্ডের ভর্তি অন্যান্য শিশুর স্বজনরা জানান, সকাল থেকে বেশ কয়েকজন শিশু রোগী ভর্তি হয়েছে। হাসপাতালের বর্তমান পরিবেশ নিয়ে তারাও সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের ইনচার্য ফেরদৌসি আক্তার বলেন, বর্তমানে তার ওয়ার্ডে ৮১ জন শিশু ভর্তি আছে। যা গতকাল ছিলো ৯১ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় ভর্তি হয়েছে ২৪ জন আর ছুটি পেয়েছে ৩৬ জন শিশু। বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি রোগীর মধ্যে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বেশি।

তিনি বলেন, শীত বেড়ে যাওয়ায় শিশুদের সর্দি-কাশি, শ্বাসকষ্ট, জ্বর, নিউমোনিয়া এবং ডায়রিয়া দেখা দিচ্ছে। এর থেকে উত্তরণে মায়েদের সজাগ থাকতে হবে। শিশুদের যাতে ঠান্ডা না লাগে সেদিকে তাদের খেয়াল রাখতে হবে।

চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের তত্ববধায়ক ডা. একেএম মাহাবুবুর রহমান বলেন, হাসপাতালে এখন রোগীর সংখ্যা স্বাভাবিক। শীতে রোগী কিছুটা কম থাকে। তবে শীতজনিত শিশু রোগী কিছুটা বেশি। এমনিতে অন্যান্য সময়ে হাসপাতাল শিশু ওয়ার্ডে একশ থেকে দেড়শ রোগী ভর্তি থাকে। বর্তমানে এ সংখ্যা একশর নিচে রয়েছে। তারপরেও শীতে শিশুদের জন্য আমাদের সকল প্রস্তুতি রয়েছে। ঔষদ সরবরাহ পর্যাপ্ত রয়েছে।

পরামর্শ হিসেবে প্রাজ্ঞ এই চিকিৎসক বলেন, এই সময় নবজাতক ও শিশুদের মায়ের কাছাকাছি রাখতে হবে। তাদের উষ্ণ রাখতে হবে। ঠান্ডা লাগানো যাবে না। ভোর সকাল কিংবা সন্ধ্যার পর শিশুদের বাইরে না বের করতে পারলেই ভালো। একদিন পর পর গোসল করানো এবং কুসুম গরম পানি খাওয়াতে হবে। সুষম খাবারের পাশাপাশি তাদের ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবার দিতে হবে। শিশুদের ধুলাবালি থেকে দূরে রাখতে হবে। এছাড়া শীতে শিশুদের বাড়তি যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। এতে তাদের নানা ধরনের রোগ-ব্যাধি থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।

৮ মামলায় আমীর খসরুর জামিন শুনানি কাল

ডেস্ক রিপোর্ট:

রমনা ও পল্টন থানার পৃথক আট মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর গ্রেফতার ও জামিনের বিষয়ে শুনানি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম তোফাজ্জেল হোসেনের আদালতে বুধবার তার গ্রেফতার ও জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। এদিন আমির খসরুকে আদালতে হাজির করা হয়নি। এজন্য আদালত আমির খসরুর উপস্থিতিতে গ্রেফতার ও জামিন বিষয় শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

এর আগে ১৪ জানুয়ারি ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম রেজাউল করিম চৌধুরীর আদালত শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। তারও আগে আসামিপক্ষের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ গ্রেফতার ও জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

জানা গেছে, গত বছরের ২৮ অক্টোবরের ঘটনায় আমির খসরুর বিরুদ্ধে মোট ১০টি মামলা হয়। দুটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। এজন্য অপর আট মামলায় গ্রেফতার দেখানোসহ আট মামলায় জামিন চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। এর মধ্যে রমনা মডেল থানায় চার এবং পল্টন মডেল থানায় চারটি মামলা রয়েছে।

গত ২ নভেম্বর দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে গুলশান ৮১ নম্বর রোডের বাসা থেকে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। এরপর পুলিশ কনস্টেবল হত্যা মামলায় গ্রেফতারের পর গত ৩ নভেম্বর আমির খসরুকে আদালতে হাজির করা হয়। এ মামলায় তার ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে গত ১০ নভেম্বর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এরপর পল্টন থানার নাশকতার আরেক মামলায় গত ১৪ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক সুমিত কুমার সাহা গ্রেফতার দেখানোসহ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। গত ১৮ ডিসেম্বর ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরীর আদালত রিমান্ড নামঞ্জুর করে জেলগেটে দুদিনের জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেন। বর্তমানে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

কোচিং পেশায় মার্চেই আসছেন আশরাফুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

ক্রিকেটের বাইশ গজ ছেড়ে অনেকেই ছুটেছেন অনেক দিকে। আবার ব্যাট-প্যাড তুলে রাখার আগেই সাকিব আল হাসান কিংবা মাশরাফি মর্তুজা যুক্ত হয়েছেন রাজনীতিতে। তামিম ইকবাল ধারাভাষ্যে খুঁজে নিয়েছেন নিজেকে। তবে দেশের ক্রিকেটের প্রথম আইকন মোহাম্মদ আশরাফুল এসবে নেই। রাজনীতিতে আসার ইচ্ছে নেই তবে মার্চেই যুক্ত হচ্ছেন কোচিং পেশায়।

বিষয়টি জানিয়েছেন আশরাফুল নিজেই। বরগুনায় এসে এসব কথা জানালেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক। বরগুনা পৌরশহরে ইজি ফ্যাশনের একটি শো-রুমের উদ্বোধন করতে এসে নিজের ক্যারিয়ারের পরবর্তী ভাবনা সম্পর্কে জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে প্রায় দুই বছর পর বরগুনায় পা রাখেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুল। এসময় ফুলেল শুভেচ্ছা দিয়ে স্বাগত জানানো হয় তাকে। এছাড়া তাকে একনজর দেখতে ভিড় জমান নানা বয়সের ভক্তরা।

দেশের ক্রিকেটের প্রথম সুপারস্টার মোহাম্মদ আশরাফুল ভবিষ্যৎ ক্রিকেট নিয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, লেভেল থ্রি কোচিং কোর্স করা আছে। ইতোমধ্যেই কোচ হিসেবে একটি একাডেমিতে যোগদানও করেছি। আগামী মার্চ মাস থেকেই সেখানে কোচ হিসেবে কাজ শুরু করবো।’ এছাড়া আসন্ন বিপিএলে মাঠ দেখে পুরো সময়টাই তিনি পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানান।

বর্তমান বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন ক্রীড়া মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাপন প্রায় ১২ থেকে ১৩ বছর ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি থাকায় এটি আমাদের ক্রিকেটের জন্য একটি ভালোদিক। খোলাধুলার জন্য প্রচুর সুযোগ সুবিধা দরকার। বিশেষ করে ভালো মাঠ দরকার। আশাকরি ক্রীড়া মন্ত্রী হওয়ায় সকল খেলার জন্যই পর্যাপ্ত সুযোগ তিনি করে দিবেন। ক্রিকেট, ফুটবলসহ সকল খেলায় মাঠ দরকার তাই তিনি এ মাঠগুলো করে দিবেন এটাই আশাকরি।

মাশরাফি এবং সাকিবকে নিয়ে দেশের ক্রিকেট অঙ্গনের ভক্তরা বিসিবির সভাপতি পদে দেখার ভাবনার বিষয়ে মোহাম্মদ আশরাফুল বলেন, বিসিবির সভাপতি এটি একটি বড় প্রক্রিয়া, ইতোমধ্যে বর্তমান সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন এ বিষয়ের সকল নিয়মের কথা বলেছেন। এছাড়া ভবিষ্যতে বাংলাদেশের রাজনীতিতে মাশরাফি সাকিবের মতো তার আসার কোন ইচ্ছে নেই বলেও জানিয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল।

শ্রমবাজার সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে কাতারে রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন:

কাতারে বাংলাদেশের শ্রম বাজার ও বাংলাদেশি শ্রমিকদের দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনার জন্য কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো: নজরুল ইসলাম অদ্য ১৬ জানুয়ারি ২০২৪ তারিখে কাতারের শ্রম মন্ত্রণালয়ের এসিস্টেন্ট আন্ডার সেক্রেটারি শেখা নাজওয়া বিনতে আব্দুর রহমান আল থানির সাথে বৈঠক করেন। উক্ত বৈঠকে কাতারের শ্রমবাজার ও বাংলাদেশী কর্মী সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু, আসন্ন ৭ম জয়েন্ট কমিটি মিটিং ও দ্বি-পক্ষীয় সমঝোতা স্মারক নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত কাতারের মহামান্য আমীরের সম্ভাব্য পরবর্তী বাংলাদেশ সফরে একটি শ্রমসংক্রান্ত সমঝোতা স্মারক সম্পাদনের প্রস্তাব দিলে এসিস্টেন্ট আন্ডার সেক্রেটারি এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন। রাষ্ট্রদূত কাতারে বসবাসরত বাংলাদেশিদের বেতন ভাতা ও সার্ভিস বেনিফিট সংশ্লিষ্ট সমস্যার বিষয় তুলে ধরলে শেখা নাজওয়া আল থানি এ বিষয়ে যেকোন অভিযোগ তাৎক্ষণিক লেবার মিনিস্ট্রিকে অবহিত করার জন্য অনুরোধ করেন। কোন শ্রমিক তার বেতন না পেলে দেরি না করে এক মাসের ভিতরেই অভিযোগ দায়ের/ দূতাবাসকে অবগত করার করার পরামর্শ দেন। কারণ ৩/৪ মাস কোন কোম্পানি বেতন না দিলে পরবর্তী সময়ে তা আদায় করতে জটিলতা সৃষ্টি হয়। এছাড়া ২/৩ মাসের অধিক বেতন না পেলে অন্য কোথাও কাজের সন্ধান করার পরামর্শ দেন।

রাষ্ট্রদূত কাতারের বিভিন্ন সেক্টরে দক্ষ ও পেশাদার জনশক্তি নিয়োগ করার বিষয় তুলে ধরলে শেখা নাজওয়া আল থানি বলেন, কাতার শ্রম বাজার ডিজিটাইজেশনের দিকে এগোচ্ছে। তাই দক্ষ ও প্রযুক্তিজ্ঞান সম্পন্ন শ্রমিক আনার বিষয়ে পরামর্শ দেন এবং বলেন যে অদূর ভবিষ্যতে কাতার আর তেমন কোন অদক্ষ শ্রমিক আনবেনা।

শ্রম মন্ত্রণালয়ে কেস চলাকালীন থাকা সত্ত্বেও অনেক বাংলাদেশী নাগরিককে দেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি রাষ্ট্রদূত তুলে ধরলে শেখা নাজওয়া বলেন, ইতোমধ্যে কাতারের শ্রম মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্যে ওনলাইন লিংক করা হয়েছে, যাতে কোন শ্রম অভিযোগের নিষ্পত্তি ছাড়া কাউকে ডিপোর্ট করা না হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ দূতাবাসের শ্রমকল্যাণ উইং-এর কাউন্সেলর মোহাম্মদ মাশহুদুল কবীর ও তনময় ইসলাম এবং কাতারের শ্রম মন্ত্রণালয়ের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

দেবিদ্বারের চরবাকরে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মীকে মারধর

স্টাফ রিপোর্টার :

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার চরবাকর খাজা ব্রিকস এর অফিস থেকে স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী ইমনকে ডেকে নিয়ে মারধর করে ঈগল সমর্থিত নেতাকর্মীরা।

মঙ্গলবার বিকাল তিনটায় উপজেলা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক রনির নেতৃত্বে এ হামলা হয়।

নির্বাচনে নৌকার পক্ষে কাজ করায় এ হামলার শিকার হন স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্মী ইমন।

রূপগঞ্জে নির্বাচনী পরবর্তী সহিংসতা, ইউপি কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক:

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার দাউদপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে বিভিন্ন কক্ষ ভাঙচুর করা হয়েছে। এ সময় ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর মাস্টারের গাড়িসহ অন্তত পাঁচটি গাড়ি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এমনকি চেয়ারম্যান কার্যালয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর ও প্রধানমন্ত্রীর ছবিও ভাংচুর করে মেঝেতে ফেলে রাখা হয়। এ সময় অফিসের গোডাউনে থাকা চার বস্তা সরকারি চাল ও তিন বস্তা কম্বল নিয়ে যায় হামলাকারীরা।

মঙ্গলবার দুপুর ১২ টা থেকে দুই ঘন্টাব্যাপী এই হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। এ ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসীরা জানান, সদ্য গজিয়ে ওঠা রংধনু গ্ৰুপের চেয়ারম্যান রফিকের (আন্ডা রফিক) ভাই সন্ত্রাসী মিজানের নেতৃত্বে এ হামলা ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যানের অভিযোগ, স্বতন্ত্র প্রার্থী (কেটলি) শাহজাহান ভূঁইয়ার পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালান তিনি। সেই ক্ষোভ থেকে রফিকুল ও তার ভাই মিজানের ভাড়াটে ক্যাডাররা এই হামলা চালিয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘দুপুর ১২ টার দিকে জানতে পারি পরিষদ চত্বরের বাইরে রফিক ও মিজানের লোকজন লাঠিসোঠা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হচ্ছে। তাৎক্ষণিকভাবে রূপগঞ্জ থানার ওসিকে কল দিয়েও সহায়তা পাইনি। পরে রূপগঞ্জ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আবির হোসেনকে ফোন দিয়ে হামলার আশঙ্কা জানানো হয়। কিন্তু সময়মতো তাদের সহায়তা পাইনি। দ্রুত পুলিশ আসলে এত বড় ঘটনা হতো না। উপায় না পেয়ে ইউএনওকে জানাই। পরে জেলা এসপি গোলাম মোস্তফা রাসেল ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠালে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে গেছে।’
সরেজমিনে ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে দাউদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণের আয়োজন করেন। অনুষ্ঠান শুরুর আগেই আয়োজনস্থলে রফিক ও মিজানের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদের গেট ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে হামলা চালায়। পরিষদের বিভিন্ন কক্ষে ঢুকে দরজা জানালা, এসি, সিসি ক্যামেরাসহ অন্যান্য আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। এ সময় বাইরে থাকা চেয়ারম্যানের হ্যারিয়ার প্রাইভেটকার, চারটি মোটরসাইকেল ও অটোরিকশা পুড়িয়ে দেয় তারা। তখন ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর মাস্টার ও তার লোকজনকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। সন্ত্রাসীরা বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ও ফাঁকা গুলি করায় এলাকায় আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। আশপাশের দোকানপাট বন্ধ করে ব্যবসায়ীরা পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অবরুদ্ধ ব্যক্তিদের উদ্ধার করেন। এছাড়া পূর্বাচল ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে গাড়ির আগুন নেভায়।

এ বিষয় দাউদপুর পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম জাহাঙ্গীর মাস্টার জানান, রফিক ও মিজানের অনুসারী দাউদপুর ইউনিয়নের আমিন রানা, নজরুল ইসলাম, রফিক, এস টি সাত্তার, কলিঙ্গা এলাকার ইব্রাহীম, রনি, দুয়ারা এলাকার মুকুল বাশার, ঈসমাইল, গোবিন্দপুরের কামরুল হাসান ও জামানসহ দুই শতাধিক লোক এই হামলা চালায়। এতে কোটি টাকার ওপরে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বর্তমানে তিনি ও তাঁর পরিবারসহ তাঁর অনুসারীরা প্রাণনাশের হুমকিতে রয়েছেন।

সন্ধ্যায় রূপগঞ্জ থানার ওসি দীপঙ্কর চন্দ্র সাহা বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ঘটনাস্থলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মোতায়ন করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে এবং তদন্ত মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

লিওনেল মেসির ধারেকাছেও নেই কেউ

ডেস্ক রিপোর্ট:

ম্যানচেস্টার সিটির গোলমেশিন আর্লিং হালান্ড ও ফরাসি ফুটবলার কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে ফের ফিফার বর্ষসেরার মুকুট পরলেন ফুটবল ছন্দের জাদুকর লিওনেল মেসি। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর ‘ফিফা দ্য বেস্ট’ পুরস্কার জিতলেন বিশ্বকাপ জয়ী আর্জেন্টাইন এই ফুটবলার। সোমবার রাতে লন্ডনে বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৩টায় ফিফা দ্য বেস্ট-২০২৩ (বর্ষ সেরা) ফুটবলারের নাম ঘোষণা করা হয়।

মেসি ও হালান্ড সব মিলে ৪৮ পয়েন্টে টাই অবস্থানে ছিলেন। সেখান থেকে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক বিজয়ী হয়েছেন মূলত জাতীয় দলের অধিনায়কদের ভোটে পাঁচ পয়েন্টে এগিয়ে থাকায়।

নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় দলের কোচ ও অধিনায়করা ক্রমান্বয়ে তিনজনকে পছন্দ অনুযায়ী বেছে নিয়েছেন। প্রথম পছন্দের জন্য ছিল পাঁচ পয়েন্ট। দ্বিতীয় স্থানের জন্য তিন এবং তৃতীয় স্থানের জন্য ছিল একটি পয়েন্ট।

রেকর্ড অষ্টমবারের মতো ফিফার বর্ষসেরা পুরস্কার উঠেছে মেসির হাতে। ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে জিতেছেন বহু ট্রফি, জিতেছেন ব্যক্তিগত পুরস্কারও। ফিফার বর্ষসেরা হওয়ার ক্ষেত্রে মেসির ধারেকাছেও কেউ নেই। পাঁচবার এই পুরস্কার জিতে দ্বিতীয় স্থানে আছেন মেসির চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

২০০৯ সালে মেসির হাতে প্রথমবারের মতো বর্ষসেরার পুরস্কার ওঠে। এরপর টানা তিন মৌসুমে এ পুরস্কার পান মেসি। মাঝের দুই বছর রোনালদোর কাছে হারের পর ২০১৫ সালে আবারো বর্ষসেরার সম্মান অর্জন করেন মেসি। ২০১৯ সালে আবারো ফিফার বর্ষসেরা হন মেসি। ২০২২ ও ২০২৩ মৌসুমের বর্ষসেরার পুরস্কারও উঠেছে তার হাতেই। সব মিলিয়ে রেকর্ড আটবার এ পুরস্কার জিতেছেন মেসি।

মেসির পর সবচেয়ে রোনালদো বেশিবার বর্ষসেরার খেতাব পেয়েছেন। তার হাতে ২০০৮ সালে প্রথমবার এ পুরস্কার ওঠে। ২০১৩ ও ২০১৪ সালেও ফিফার বর্ষসেরা হন রোনালদো। ২০১৬ ও ২০১৭ সালে শেষবার ফিফার বর্ষসেরা হওয়ার সম্মান অর্জন করেন রোনালদো।

মেসি ও রোনালদোর যুগে বর্ষসেরা হতে পেরেছেন শুধু পোল্যান্ডের রবার্ট লেভানডস্কি। ২০২০ ও ২০২১ মৌসুমে টানা দুইবার ফিফার বর্ষসেরা হয়েছেন তিনি। মেসির-রোনালদোর আগে তিনবার ফিফার বর্ষসেরা হয়ে এ তালিকায় তৃতীয় স্থানে আছেন ব্রাজিল কিংবদন্তি রোনালদো। সমান সংখ্যক পুরস্কার জিতেছেন ফ্রান্সের জিনেদিন জিদানও। লেভানডস্কির মতো দুইবার বর্ষসেরা হয়েছেন আরেক ব্রাজিলিয়ান রোনালদিনহো।

বিকৃত অশ্লীল ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় পুলিশের দ্বারস্থ অঞ্জলি অরোরা

ডেস্ক রিপোর্ট:

বছর খানেক আগে ‘কাঁচা বাদাম’ গানে নেচে আলোচনায় এসেছিলেন মডেল অঞ্জলি অরোরা। এর পরপরই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে তার বিকৃত অশ্লীল একটি ভিডিও ক্লিপ।

২০২২ সালের সেই ঘটনার পর এবার আরও একবার আলোচনায় উঠে আসলো এই মডেলের নাম। পুরোনো সেই ঘটনার দেড় বছর পর পুলিশের কাছে গেলেন অঞ্জলি। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, এফআইআর দায়ের করেছেন তিনি। আর তার সেই এফআইআর’র কপি ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

জানা গেছে, চ্ছে যেসব মিডিয়া ও ইউটিউবের মাধ্যমে সেই এমএমএস ভাইরাল হয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অঞ্জলি। ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছিল এমন একাধিক পোর্টালের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেছেন অঞ্জলি।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে যখন ছড়িয়ে পড়া একটি অশ্লীল ভিডিওতে মডেল অঞ্জলিকে দাবি করা হয়, তখন তিনি জানিয়েছিলেন, ভিডিওর মানুষটি তিনি নন। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভিডিওতে তার ছবি বসিয়ে এডিট করে বিকৃত করা হয়েছে ভিডিওটি। কিন্তু এতদিন পর সেই ঘটনায় এফআইআর দায়েরের কারণে মডেলের সমালোচনা করছেন কেউ কেউ।

২০২২ সালে বলিউড তারকা কঙ্গনা রানাওয়াতের ‘লকআপ’ শোয়ে যখন মডেল অঞ্জলি অংশ নেন, তখনই প্রকাশ্যে আসে ভিডিওটি। ওই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, ভিডিওটির কারণে অনেক লজ্জায় পড়তে হয়েছে তার পরিবারকে। আর এতদিন পর এফআইআর দায়েরের ব্যাপারে তিনি বলেন, ওই সময় আমি রিয়েলিটি শোয়ের প্রতিযোগী ছিলাম। এ জন্য এফআইআর দায়ের করতে পারিনি।