All posts by jitu

কুমিল্লা জিমনেসিয়ামে আইজিপি কাপ ও চট্টগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় আইজিপি কাপ ও চট্টগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছে।

সোমবার সকালে কুমিল্লা জেলা পুলিশের আয়োজনে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় জিমনেসিয়ামে কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান।

কাবাডি প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম বিভাগের ৮টি জেলা পুলিশ দল অংশ নিচ্ছে। দুটি গ্রুপে লীগ পর্যায়ে খেলবে। গ্রুপ-ক দলে কুমিল্লা জেলা, চাঁদপুর খাগড়াছড়ি ও লক্ষীপুর জেলা দল। গ্রুপ-খ দলে বান্দরবান জেলা, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও আর আর এফ চট্টগ্রাম।

১৫ ফেব্রুয়ারি কাবাডি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন করা হবে। উদ্বোধনী খেলায় ৫০/১৫ পয়েন্টে চাঁদপুর জেলাকে হারায় কুমিল্লা জেলা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মংনে খোয়াই মারমা।

উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, মতিউল ইসলাম, কামরান হোসেন, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন জাকির।

বিশ্ব পরিস্থিতির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে : ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, রাতারাতি বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। বিশ্ব পরিস্থিতির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে।

সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা করতে চায় না বাংলাদেশ। ভিন্ন কৌশলে রুপপুরের জন্য বেশ কিছু জিনিস নিয়ে আনা হয়েছে যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা না হয়।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে কি হবে সেটা বোঝা যাচ্ছে না। সবকিছু মিলে ২০২৪ সালে কি রেজাল্ট হচ্ছে তা বলা যাচ্ছে না।

মেট্রোরেলে ভিড় প্রসঙ্গে কাদের বলেন, মেট্রো তো বাংলাদেশ রেলওয়ে না যে যখন তখন বগি বাড়াবো। এটা তো একটা প্রযুক্তিগত বিষয়। পৃথিবীর কোথাও ৫ থেকে ৬টির বেশি বগি মেট্রোরেলে নাই। তবে চাহিদা যেহেতু বেড়েছে ১০ মিনিট থেকে ৮ মিনিট পরপর মেট্রো দেওয়া যায় কিনা পরিকল্পনা চলছে।

আনসার বাহিনীকে স্মার্ট ও আধুনিক করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জাতীয় সম্পদ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই বাহিনীটিকে আরও স্মার্ট ও আধুনিক করতে কাজ করছে সরকার। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরের সফিপুরের আনসার-ভিডিপির সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

সকাল ১০টার পর গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে ছাদখোলা জিপে প্যারেড পরিদর্শন করেন তিনি। ঘুরে দেখেন বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের জমায়েত।

প্রধানমন্ত্রীকে প্যারেডের মাধ্যমে সালাম জানায় আনসারের বিভিন্ন ইউনিট। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিবাদন গ্রহণ করেন তিনি। এ সময় বাহিনীতে বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ১৮০ জনকে আনসার পদক পরিয়ে দেন সরকারপ্রধান।

আনসার একাডেমীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক থেকে সমাজকে রক্ষায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই বাহিনী স্মার্ট ও আধুনিক হয়ে গড়ে উঠবে। সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

এসময় এই বাহিনীর জন্য একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, গ্রাম উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করেছে সরকার। সহযোগিত করছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

শেখ হাসিনা বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দেয়ার মতো সক্ষমতা আছে বাংলাদেশর। জননিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো অশুভ তৎপরতা মোকাবিলায় সতর্ক থাকতে হবে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে।

এসময় আনসার বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, জাতীয় যেকোনো প্রয়োজনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। নির্বাচন ঠেকানোর নামে বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি প্রতিহত করে জাতীয় সম্পদ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তারা।

সমাবেশে অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল একেএম আমিনুল হক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম উদ্দিন, আনসার ও ভিডিপি একাডেমির কমান্ড্যান্ট মো. নূরুল হাসান ফরিদী, বাহিনীর উপমহাপরিচালক, অন্যান্য কর্মকর্তা ও আনসার- ভিডিপির সদস্যরা।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা, সংসদ সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনী প্রধান, সিনিয়র সচিবসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা। অপরদিকে কূটনৈতিক ব্যক্তি, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা আমন্ত্রিত হয়েছেন।

ভালোবাসা দিয়েই যুদ্ধ জয়ের উপন্যাস তানভীর আলাদিনের ‘মাথিয়ারার মেয়ে’

আমর একুশে গ্রন্থমেলায় এরই মধ্যে পাঠক প্রিয়তার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাসসের সিনিয়র সাংবাদিক তানভীর আলাদিনের উপন্যাস ‘মাথিয়ারার মেয়ে’। সাহিত্যদেশ থেকে প্রকাশিত উপন্যাসটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন ফাহাদ হাসান কাজমী।

উপন্যাসটির গায়ের দাম-৩৩৫/-টাকা। পাওয়া যাচ্ছে ৩৪০-৩৪১ নম্বর স্টলে ও রকমারি ডটকমে। উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছেন জয়ীতা মঞ্জিলা মিমি’কে। এই লেখক মনে করেন- ভালোবাসা দিয়েই যুদ্ধ জয় সম্ভব। তাইতো তিনি মনোফোবিয়ার মতো এক জটিল যুদ্ধের মাঠে নামিয়েছেন তার ‘মাথিয়ারার মেয়ে’কে। আসুন উপন্যাসিক তানভীর আলাদিনের মুখেই শুনি মাথিয়ারার মেয়ের গল্প…

প্রশ্ন: ‘মাথিয়ারার মেয়ে’ উপন্যাসটি নিয়ে এরই মধ্যে ভালোই চর্চা হচ্ছে, এটি কী প্রেমের উপন্যাস?

তানভীর আলাদিন: অবশ্যই, প্রেম স্বর্গীয় কিনা জানি না, তবে প্রেম দিয়ে স্বর্গ রচনা করা যায় এটুকু জানি। আমার ‘মাথিয়ারার মেয়ে’ শতভাগ একটি প্রেমের উপন্যাস। এটি গতানুগতিকতা থেকে অনেকটা ব্যাতিক্রম। এখানে পুতুপুতু-সুড়সুড়ি প্রেম নেই, আছে নেহা আর তুষারের প্রেমের দৃঢ়তা ও একাগ্রতার লড়াই। ‘মাথিয়ারার মেয়ে’ উপন্যাসটি জুড়ে মনোফোবিয়া যুদ্ধ জয়ে ভালোবাসার এক ব্যতিক্রম আখ্যান।

প্রশ্ন: কেউ-কেউ মনে করছেন এটি সিরিয়াস টাইপের উপন্যাস?

তানভীর আলাদিন: সিরিয়াস টাইপ বিষয়টি আমি ঠিক বুঝি না। ‘মনোফোবিয়া’ নিয়ে লেখা বলেই হয়তো সিরিয়াস মনে করা হচ্ছে। অহেতুক ভয় পাওয়া সমস্যার নাম ‘মনোফোবিয়া’। এই সমস্যাটি সমাজে অনেক পুরোনো। ‘মনোফোবিয়া’ সমস্যার কারনে অনেক যোগ্য ও মেধাবী তার সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে গিয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েন। মনোফোবিয়া দূর করতে হলে প্রথমে চাই ভালোবাসা বুকে নিয়ে যুদ্ধজয়ের প্রত্যয়ী মানসিকতা। সেইসঙ্গে ভাঙতে হয় সোস্যাল ট্যাবু। মনোফোবিয়াকেও জয় করা যায়, যদি সঙ্গী হিসেবে ‘নেহা কাজি’র মতো সাহসী কেউ পাশে থাকে…। আমি এই উপন্যাসে দেখাতে চেয়েছি ভালোবাসা দিয়েও যুদ্ধ জয় সম্ভব।

প্রশ্ন: এই উপন্যাসের মূল ম্যাসেজ কী?

তানভীর আলাদিন: শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের সেই উক্তিটি এখানে আবার বলতে চাই- ‘যে জাতি তার বাচ্চাদের বিড়ালের ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়ায়, তারা সিংহের সঙ্গে লড়াই করা কিভাবে শিখবে? যারা পানিতে ডুবে যাওয়ার ভয়ে তার সন্তানকে ডোবায় নামতে দেন না, কিভাবে সে সন্তান আটলান্টিক পাড়ি দেবে?’ আসলে আমাদের সমাজে আমরা বিশাল একটা অংশ অহেতুক ভয় পাওয়া মনোফোবিয়ায় আক্রান্ত। এখান থেকে বের হতে হবে। সেই ম্যাসেজটাই এই উপন্যাসের ভিত্তি।

প্রশ্ন: মনোফোবিয়া থেকে বের হওয়া কী সম্ভব?

তানভীর আলাদিন: আপনার কাছের মানুষটাকে এতটুকু নিশ্চয়তা দিন যে আপনি সবসময় তার পাশে আছেন এবং থাকবেন, তার মনে ও মগজে দৃঢ়ভাবে জানান দিন এই বলে- ‘ভয় পেওনা, আমিতো আছি।’ তারপর দেখুন ম্যাজিক।

প্রশ্ন: আপনাকে ধন্যবাদ।

তানভীর আলাদিন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

মদকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা ম্যাক্সওয়েল

ডেস্ক রিপোর্ট:

খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। অতিরিক্ত মদপান করে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ান তারকা গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে। অ্যাডিলেডেই এক অনুষ্ঠানে ঘটিয়েছিলেন এমন কাণ্ড। এক মাস পার হওয়ার আগে সেই অ্যাডিলেডেই খেললেন মনে রাখার মতো এক ইনিংস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অ্যাডিলেডে শতক করে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে রোহিত শর্মার রেকর্ড ছুঁয়েছেন এ অস্ট্রেলিয়ান।

এমন এক ইনিংসের পর মদকাণ্ড নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সরাসরি কিছু না বললেও, জানিয়েছেন সেই সময়কার অনেক কথাই। ম্যাক্সওয়েল নিজেই স্বীকার করলেন, একজন ক্রিকেটার হিসেবে সেদিন তিনি যা করেছেন, তা মোটেই আদর্শ ছিল না। অবশ্য, সেদিনের ঘটনার পর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। যাকে তিনি বলেছেন, ‘অসাধারণ সমর্থন।’

অ্যাডিলেডের মদকাণ্ডের পর তার মন্তব্য, ‘আমার মনে হয় আমার চেয়েও আমার পরিবারের ওপর বেশি প্রভাব ফেলেছে এ ঘটনা। আমি জানতাম আমার সে সপ্তাহে ছুটি আছে। অবশ্যই ওই ঘটনা আদর্শিক ছিল না, তার ওপর যে সময়ে ঘটেছে। তবে আমার ছুটি ছিল। আমি জানতাম আমার ক্রিকেট থেকে ছুটি ছিল।’

সেসময় অস্ট্রেলিয়া ব্যস্ত ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজে। দলের সঙ্গে ছিলেন না ম্যাক্সওয়েল। ছুটি পেয়েই তিনি গিয়েছেন একটি প্রদর্শনী গলফে অংশ নিয়েছিলেন ম্যাক্সওয়েল। এরপর সন্ধ্যায় গিয়েছিলেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার ব্রেট লির ব্যান্ড সিক্স অ্যান্ড আউটের কনসার্টে গিয়ে মদ্যপানও করেন। এরপর সেখানেই অচেতন হয়ে পড়লে এরপর তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সে ঘটনার পর কোচ অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড বলেছিলেন, নিজের প্রতি আরেকটু সচেতন হতে হবে ম্যাক্সওয়েলকে। আবার এমন কাজকে তার একান্ত ব্যক্তিগত বলে মন্তব্য করেছিলেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। কথা বলেছিলেন প্রধান নির্বাচকও। কেউই খুব জোরেশোরে তাকে সমর্থন জানাননি।

তবে ম্যাক্সওয়েল অবশ্য টিম ম্যানেজমেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পাশে থাকার জন্য, ‘কোচ, বেইলস (প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি), সত্যি বলতে সবাই অসাধারণ ছিল আমার সঙ্গে।

এবার খন্দকার মুশতাক এবং তার স্ত্রীকে হত্যার হুমকি

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশের আলোচিত ও সমালোচিত ‘অসম জুটি’ খন্দকার মুশতাক আহমেদ এবং তার স্ত্রী সিনথিয়া ইসলাম তিশাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

রোববার রাতে এমন অভিযোগ করে ভিডিও বার্তা দেন মুশতাক-তিশা। এর আগে গত শুক্রবার তোপের মুখে একুশের বইমেলা থেকে বের হয়ে যান এই দম্পতি।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে খন্দকার মুশতাক কালবেলাকে বলেন, আপনারা আমাদের ভিডিও বার্তা দেখেছেন। ভিডিওতে শুধু আমাদেরই দেখিয়েছি। অনেকেই বিষয়টিকে মিথ্যা বলে মন্তব্য করেছেন। আমাদের যে হুমকি দেওয়া হয়েছে সেই ভিডিওটি গণমাধ্যমের কাছে আজ পাঠাব। তখন সকলেই জানবে বিষয়টি সত্য কি না।

হুমকির বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মুশতাক বলেন, আমরা গত ৯ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় জিডি করেছিলাম। যেহেতু আমাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে নতুন করে জিডি করার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত করিনি তবে আমি বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ নেব।

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য খন্দকার মুশতাক আহমেদ একই কলেজের শিক্ষার্থী সিনথিয়া ইসলাম তিশাকে বিয়ে করে আলোচনায় আসেন। তাদের বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় উঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

সেই সমালোচনা আরও তীব্র হয়ে ওঠে একুশের মেলায় বই প্রকাশের পর। মেলায় নিয়মিত তার বই ছাপানোর সেই প্রকাশনী স্টলে গেলে গত শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কিছু মানুষের তোপের মুখে মেলা ছাড়তে বাধ্য হয় এই ‘অসম’ জুটি। নিরাপত্তা চেয়ে শনিবার রাত ৯টার পর খন্দকার মুশতাক আহমেদ শাহবাগ থানায় গিয়ে জিডি করেন।

এবার নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে হঠাৎ লাইভে আসেন মুশতাক-তিশা। লাইভে এসে মুশতাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমাকে এবং স্ত্রী তিশাকে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমাদের কি বাঁচার অধিকার নেই? আমরা কী দোষ করেছি। আমরা শরিয়তসম্মতভাবে আইন মেনে বিবাহ করেছি। বইমেলায় আমাদের ২টি বই প্রকাশ হয়েছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমি শাহবাগ থানায় নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেছি। আপনাদের সকলকে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ করছি। গত ৯ তারিখও আমাদের উত্ত্যক্ত করা হয়েছে। আমি এবং স্ত্রী অত্যন্ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যারা আমাদের হত্যার হুমকি দিয়েছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য অনুরোধ করছি।

লাইভে এসে খন্দকার মুশতাকের স্ত্রী তিশা বলেন, আমি একজন নারী আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই? আমরা সম্পূর্ণ শরিয়তসম্মতভাবে বিয়ে করেছি। কিন্তু আমাদের এভাবে প্রকাশ্যে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

মুশতাক বইমেলায় বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, কিছু দুষ্কৃতকারীরা বইমেলাতে আমাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে, বই ছিঁড়েছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। মেলার আয়োজক কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ছিল আমাদের নিরাপত্তা দেওয়া।

খন্দকার মুশতাকের করা জিডিতে বলা হয়েছে, একুশে বইমেলা উপলক্ষে মিজান পাবলিশার্স থেকে তাদের ‘তিশা অ্যান্ড মুশতাক’ ও ‘তিশার ভালবাসা’ নামে দুটি বই প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশনা ও পাঠকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের উদ্দেশে শুক্রবার বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত অমর একুশে বইমেলায় যান তারা। এ সময় ক্রেতা ও ভক্তদের সঙ্গে মতবিনিময়, ছবি তোলা ও অটোগ্রাফ দিচ্ছিলেন।

হঠাৎ উপস্থিত অজ্ঞাতনামা কিছু লোকজন তাদের হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে নানা ধরনের মন্তব্য করতে থাকে। এ সময় খন্দকার মুশতাক আহমেদের প্রকাশিত কয়েকটি বই ছিঁড়ে ফেলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

কাতারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবেক ৮ কর্মকর্তাকে মুক্তি

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইসরাইলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করার দায়ে গত বছরের অক্টোবরে ভারতীয় নৌবাহিনীর সাবেক ৮ কর্মকর্তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল কাতার। এরপর গত বছরের শেষ দিকে তাদের সাজার মেয়াদ কমিয়েছিল মধ্যপ্রাচ্যের দেশটি। অবশেষে ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতায় ভারতের নৌবাহিনীর সাবেক সদস্যদের ছেড়ে দিয়েছে কাতার।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি সোমবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, এই ৮ জনের মধ্যে ৭ জন ইতোমধ্যে দেশে ফিরে এসেছেন। তারা দীর্ঘ ১৮ মাস কাতারের কারাগারে বন্দি ছিলেন।

এ ব্যাপারে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, কাতারে বন্দি ৮ ভারতীয় নাগরিকের ফিরে আসার বিষয়টিকে স্বাগত জানাচ্ছে ভারত সরকার। তারা দাহরা গ্লোবাল কোম্পানির হয়ে কাজ করতেন। ৮ জনের মধ্যে ৭ জন ইতোমধ্যে ভারতে ফিরে এসেছেন। কাতারের আমির তাদের মুক্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আমরা সেটিকে স্বাগত জানাই।

এই দাহরা গ্লোবালের হয়ে কাজ করার সময় ভারতীয় নৌবাহিনীর এসব কর্মকর্তা ইসরাইলের কাছে গোপন তথ্য পাচার করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

মৃত্যুদণ্ড ও সবশেষে মুক্তি পাওয়া নৌবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তারা হলেন— ক্যাপ্টেন নভতেজ সিং গিল, ক্যাপ্টেন সৌরভ বশিষ্ট, কমান্ডার পূর্ণেন্দু তিওয়ারি, ক্যাপ্টেন বীরেন্দ্র কুমার ভার্মা, কমান্ডার সুগুনাকর পাকালা, কমান্ডার সঞ্জীব গুপ্ত, কমান্ডার অমিত নাগপাল এবং নাবিক রাগেশ। তাদের ২০২২ সালের আগস্টে গ্রেফতার করা হয়েছিল এবং তখন থেকেই কারাগারে বন্দি ছিলেন।

ভারতীয় নৌবাহিনীর এসব কর্মকর্তা দেহরা গ্লোবাল নামের এ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাতারের নৌবাহিনীর হয়ে কাজ করতেন। তাদের কাজ ছিল— কাতারি নৌবাহিনীর সদস্যদের ইতালির ইউ২১২ সাবমেরিনের ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া।

কাতারের একটি আদালত ২০২৩ সালের অক্টোবরে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেন। ওই সময় ভারত জানিয়েছিল, এই রায়ে তারা ‘বিস্মিত’ হয়েছে। এরপর মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত এসব কর্মকর্তাকে ছাড়িয়ে নিতে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করে দেশটি। এরই প্রেক্ষিতে গত বছরের ডিসেম্বরে মৃত্যুদণ্ডের সাজা স্থগিত করে তাদের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

কুমিল্লায় তিনটি ইটভাটাকে প্রায় ৬ লক্ষ টাকা জরিমানা

শাহ ইমরান:

কুমিল্লা লালমাই উপজেলায় ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে তিনটি ইটভাটা থেকে ৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারী) কুমিল্লা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয় ও লালমাই উপজেলা প্রশাসন এর উদ্যোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩ (সংশোধিত, ২০১৯) অনুসারে নিন্মোক্ত ইটভাটার বিরুদ্ধে জরিমানা ধার্য ও আদায় করা হয়।

এ সময় লালমাই বাঘমারায় মেসার্স আবুল কাশেম ব্রিকস (এ কে ব্রিকস) কে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা, বাঘমারা দত্তপুরের মেসার্স মাহবুব আলম ব্রিকসকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা, আলিশ্বরের মেসার্স মেসার্স এমরান ব্রিকসকে ২ লক্ষ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অভিযানটি পরিচালনা করেন লালমাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌমিতা দাশ। মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউশন প্রদান করেন কুমিল্লা জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের পরিদর্শক জোবায়ের হোসেন।

এ সময় সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করেন লালমাই থানা পুলিশ।

দেশের ঝুড়িতে পর্যাপ্ত খাদ্য আছে : কৃষিমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুস শহীদ বলেছেন, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) বাংলাদেশে কৃষিখাতের উন্নয়ন ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে দীর্ঘদিন ধরে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। আমরা দেশের ১৭ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের খাদ্যের ঝুড়ি সবসময় ভরপুর রাখতে চাই। এই মুহূর্তে আমাদের ঝুড়িতে পর্যাপ্ত খাদ্য আছে।

রোববার বিকেলে সচিবালয়ে মন্ত্রীর কাছে পরিচয়পত্র জমা দেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) নবনিযুক্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি। এসময় কৃষিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

এফএওর প্রতিনিধিকে স্বাগত জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে অনেক সময় খাদ্য ঘাটতি দেখা দেয়। সেজন্য, খাদ্য উৎপাদন আরো বাড়াতে ও টেকসই করতে এফএওর আরো বেশি সহযোগিতা প্রয়োজন।

এফএওর প্রতিনিধি জিয়াওকুন শি বাংলাদেশে সহযোগিতা আরো বাড়াতে উদ্যোগ গ্রহণ করবেন বলে এসময় মন্ত্রীকে জানান।