All posts by jitu

বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভিক্টোরিয়া কলেজে বিজয় দিবস উদযাপন

 

আল-আমিন কিবরিয়া,

বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ।

শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে ভিক্টোরিয়ার হৃদয়ে বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে কলেজের অধ্যক্ষ, শিক্ষক পরিষদ, শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো। পরে কলেজ মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা হয়।

ভিক্টোরিয়া কলেজর বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবু জাফর খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন, কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর এম.এম শফিউদ্দিন। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মৃনাল কান্তি গোস্বামী, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন। এ সময় কলেজের অন্যন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ভিক্টোরিয়া কলেজের দ্বি-মাসিক সৃজনশীল মুখপত্র ক্যাম্পাস বার্তার উদ্যোগে প্রকাশিত বিজয়ের দেয়ালিকার মোড়ক উন্মোচন করেছেন কলেজের অধ্যক্ষ। এতে কলেজে সাংবাদিক সমিতি ও ক্যাম্পাস বার্তার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রফেসর ড. আবু জাফর খান আলোচনা সভায় সকলকে শুভেচ্ছা  জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা নির্মাণের স্বপ্নকে অনুসরণ করে তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একটি সমৃদ্ধ ও জ্ঞানভিত্তিক স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর। তার কার্যকর পদক্ষেপের ফলে বাংলাদেশ একটি গতিশীল অর্থনীতি ও সম্ভাবনার দেশে পরিণত হয়েছে। দারিদ্র বিমোচন, নারীর ক্ষমতায়ন, পরিবেশ সুরক্ষা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা বিভিন্ন সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতি ঈর্ষণীয়। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে পরিগণিত হয়েছে

মারা গেছেন কুয়েতের আমির

ডেস্ক রিপোর্ট:

উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশ কুয়েতের আমির শেখ নাওয়াফ আল–আহমাদ আল–জাবের আল–সাবাহ মারা গেছেন। শনিবার কুয়েতের রাষ্ট্রায়ত্ত বার্তা সংস্থা কুনার এক প্রতিবেদনে তার মৃত্যুর খবর জানানো হয়েছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।

রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে কুয়েতের আমিরের মৃত্যুর ঘোষণায় আমিরি আদালতের মন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল-সাবাহ বলেন, ‘‘আমরা গভীরভাবে শোকাহত। আমরা— কুয়েতের জনগণ, আরব ও ইসলামিক বিভিন্ন দেশ এবং বিশ্বের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণ— আমির শেখ নাওয়াফ আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করছি। যিনি আজ সৃষ্টিকর্তার কাছে চলে গেছেন।’’

তবে বিবৃতিতে কুয়েতের আমিরের মৃত্যুর কোনও কারণ জানায়নি কর্তৃপক্ষ।

এর আগে, গত নভেম্বরে শেখ নাওয়াফ আল-আহমাদ আল-জাবেরকে জরুরি পরিস্থিতিতে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই সময় দেশটির সরকারি একজন কর্মকর্তা জানান, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও মেডিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য আমিরকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

শেখ নাওয়াফ ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে কুয়েতের আমিরের শপথগ্রহণ করেন। ৯১ বছর বয়সী সৎ ভাই শেখ সাবাহ আল-আহমাদ আল-জাবের আল-সাবাহ যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ার পর কুয়েতের নতুন আমিরের দায়িত্ব নেন নাওয়াফ।

ক্ষমতায় আসার কয়েক দশক আগে থেকেই কুয়েতের সরকারি বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের অফিসে দায়িত্ব পালন করেছিলেন তিনি। ২০০৬ সালে কুয়েতের আমিরের পরবর্তী উত্তরাধিকারী হিসেবে তার নাম ঘোষণা করা হয়। ১৯৯০ সালে তেল সমৃদ্ধ উপসাগরীয় অঞ্চলের এই দেশটিতে ইরাকি সৈন্যদের হামলার সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন তিনি।

এছাড়া কুয়েতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেছিলেন নাওয়াফ। যদিও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশটির বিভিন্ন সশস্ত্রগোষ্ঠীর কাছ থেকে নানা ধরনের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন তিনি। কুয়েতের আল-সাবাহ পরিবারের সদস্যদের মাঝে ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে শেখ নাওয়াফের। সদা বিনয়ী আর সাদামাটা জীবনযাপনের জন্য তার বেশ সুনামও রয়েছে।

দেশটিতে ব্যাপক জনপ্রিয় শেখ নাওয়াফের মৃত্যুতে তার সৎ ভাই শেখ মেশাল আল-আহমাদ আল-জাবের (৮৩) এখন আমিরের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। যদিও এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

গত নভেম্বরে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে আমির শেখ নাওয়াফ আল–আহমদ আল–জাবের আল–সাবাহকে জরুরিভাবে হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে ওই সময় তার শারীরিক অসুস্থতার কোনও কারণ প্রকাশ করেনি দেশটির কর্তৃপক্ষ। এছাড়া তিনি কী ধরনের অসুস্থতায় ভুগছেন সেই বিষয়েও কোনও তথ্য জানানো হয়নি।

শারীরিক অবস্থার বিষয়ে বিস্তারিত না জানানো হলেও অতীতে কয়েকবার তার ডেপুটির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিলেন শেখ নাওয়াফ। এর আগে, শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য ২০২১ সালের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রে যান তিনি।

শেখ নাওয়াফের মৃত্যুর খবরে শোক জানিয়ে কুয়েত ইউনিভার্সিটির ইতিহাসের অধ্যাপক বাদের আল সাইফ কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, ‘‘আজ কুয়েতের জন্য অত্যন্ত দুঃখের দিন। শেখ সাহেব কেবল দেশের জন্য ভালো কাজ করেছেন। তার কর্মকাণ্ড স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তার শাসনামল উল্লেখযোগ্য। যদিও কুয়েতের ইতিহাসে তৃতীয় সংক্ষিপ্ততম শাসনামল ছিল এটা।’’

১৯৩৭ সালে কুয়েতে জন্মগ্রহণ করেন শেখ নাওয়াফ। ১৯২১ থেকে ১৯৫০ সাল পর্যন্ত কুয়েতের আমিরের দায়িত্ব পালন করা শেখ আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহর পঞ্চম পূত্র ছিলেন শেখ নাওয়াফ। কুয়েতে মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষা লাভ করেছিলেন তিনি। তবে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ করেননি। মাত্র ২৫ বছর বয়সে কুয়েতের হাওয়ালি প্রদেশের গভর্নর হিসাবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করেছিলেন তিনি ।

সূত্র: আলজাজিরা, এপি।

কুবিতে উদযাপিত হলো ৫২তম বিজয় দিবস

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

বর্ণাঢ্য আয়োজনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ৫২তম মহান বিজয় দিবস উদযাপন করা হয়েছে। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সূর্যোদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে দিবসটির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে।

সকাল ১০টা ২০মিনিটে প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে শহীদ মিনারের উদ্যেশ্যে বিজয় র‌্যালি করা হয়। র‌্যালি শেষে শহীদ মিনার ও জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সকাল সাড়ে ১১টায় বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যে পাদদেশে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন এবং উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ূন কবির।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক হুমায়ূন কবির বলেন, ত্রিশ লক্ষ মানুষ হাসিমুখে বিদায়ের পরিবর্তে আজ বাংলাদেশ। বাংলার মানুষ বাঁশ লাঠি নিয়ে রাইফেলের সামনে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। আজ আমরা তাদের আত্নত্যাগ ভুলে যাচ্ছে। আমরা দলে উপদলে বিভক্ত হয়ে বঙ্গবন্ধুর আর্দশ ভুলে যাচ্ছি। সময় এসেছে আজ বিভেদ ভুলে ঐক্য হওয়ার।

উপাচার্য ড. এএফএম আবদুল মঈন বলেন, আমি সচক্ষে মুক্তিযুদ্ধের সাক্ষী। তারা মেরে লাশ নদীতে ফেলে দিত। পাক আর্মির থেকে বাংলাদেশের ক্ষতি করছে রাজাকাররা। বর্তমানে সমানে নির্বাচনকে সামনে সেই মানুষ গুলো আবারও সোচ্চার হচ্ছে। বিদেশিরা কখনো বাংলাদেশের ভালো চায় নাই। তারা এখন বাংলাদেশের নির্বাচনের হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করতেছে।

এসকল কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন স্থানে আলোকসজ্জা, আবাসিক হলে উন্নত মানের খাবার পরিবেশন ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞা আসলে নতুন আরেকটি নির্বাচন হবে: পার্থ

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ বলেছেন, চলমান প্রক্রিয়ায় ভোট হলে নির্বাচনের পর আসতে পারে পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা,হতে পারে নতুন আরেকটি নির্বাচন।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেশের সমসাময়িক রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এ মন্তব্য করেছেন তরুণ এ রাজনীতিবিদ।

ব্যারিস্টার পার্থ বলেন, সরকারের মাথায় এটা চিন্তা আছে যে, তারা এ ধরণের বানোয়াট অবস্থায় নির্বাচন করলে বৈশ্বিকভাবে কি কি চাপ আসতে পারে। বিশেষ করে বাংলাদেশের ওপর পশ্চিমাদের স্যাংশন, ইমবার্গো আসতে পারে এটা মাথায় আছে এবং এটা নিয়ে চিন্তায় আছে সরকার।

বৈশ্বিক চাপগুলো সরকার নিতে পারবে কিনা, সরকারের হাতে অপশন আছে কিনা এগুলো নিয়ে ভাবছে। যদি না নিতে পারে, তাহলে আবার সংলাপ করে পুনরায় নির্বাচনে যেতে পারে সরকার।

সূত্র: যুগান্তর

বিএনপি-জামায়াতের অপরাজনীতি নির্মূল করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি-জামায়াতের অপরাজনীতি নির্মূল করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। তিনি বলেছেন, বিএনপি-জামায়াতের অপরাজনীতি যদি না থাকত বাংলাদেশ আরো বহুদূর এগিয়ে যেত। বাংলাদেশকে স্বপ্নের ঠিকানা নিয়ে যেতে হলে এই অপরাজনীতি এবং এই অপরাজনীতি যারা করে তাদেরকে নির্মূল করতে হবে।

বিজয় দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডির বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে শনিবার বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে আওয়ামী লীগের শ্রদ্ধা শেষে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম সম্পাদক বলেন, আমরা আরো বহুদূর এগিয়ে যেতে পারতাম। কিন্তু আজকে ধ্বংসাত্মক রাজনীতি শুরু হয়েছে। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যেমন নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে, আজকে নব্য হানাদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে বিএনপি।

তিনি বলেন, তারা আজকে সাধারণ মানুষের ওপর পেট্রোল বোমা নিক্ষেপ করছে, সাধারণ মানুষকে জিম্মি করছে, গাড়িঘোড়াতে আগুন দিচ্ছে। নব্য হানাদার হিসেবে রূপান্তরিত হয়েছে বিএনপি জামায়াত।

শেখ হাসিনার নেতৃত্ব জাতিকে আশাবাদী করেছে: ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

শেখ হাসিনার নেতৃত্ব জাতিকে আশাবাদী করেছে, আর গণতন্ত্রকে শৃঙ্খলমুক্ত করেছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) জাতীয় স্মৃতিসৌধে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে শ্রদ্ধা জানায় দলটির নেতাকর্মীরা। এর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা যে বাংলাদেশ পেয়েছি, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তা এগিয়ে যাচ্ছে। আজ আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের পর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে কাজ করছি। আগামী দিনে এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, একটা ভিশন নিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, তবে অগ্রগতি-সমৃদ্ধির পথে প্রতিবন্ধকতা সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদ। দেশে যে অপশক্তি নির্বাচনের বিরোধিতা করছে ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির পথে অন্তরায় হয়ে দাড়িয়েছে; এরা শুধু সাম্প্রদায়িকতা কায়েম করতে চায় না, দেশের রাজনীতি ধ্বংস করাই এদের মূল লক্ষ্য।

সেতুমন্ত্রী বলেন, আগামী নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বে সাম্প্রদায়িকতা ডালপালা বিস্তার করে, গণতন্ত্রের পথে অন্তরায় সৃষ্টি করছে। নির্বাচনের বিরোধিতার মধ্য দিয়ে গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি থমকে দিতে চায়।

ওবায়দুল কাদের আশা প্রকাশ করে বলেন, এই অপশক্তিকে রুখব এটাই আজকের দিনের অঙ্গীকার। অসাম্প্রদায়িক রাজনীতি বিরুদ্ধ শক্তিকে প্রতিহত-পরাজিত করব।

নেইমার ৫ ভাষায় কথা বলতে পারেন, মেসি কতটি?

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাজিল থেকে শুরু, এরপর দেশ ছাড়িয়ে স্পেন, ফ্রান্স হয়ে এখন সৌদি আরব। ফুটবল খেলতে গিয়ে ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি, দেশ আর মানুষের সঙ্গে মিশে বেশ কিছু ভাষা রপ্ত করেছেন নেইমারের। গোটা পাঁচেক ভাষায় এখন মনে ভাব প্রকাশ করতে পারেন এই ব্রাজিলিয়ান।

ব্রাজিলের জাতীয় ভাষা পর্তুগিজ। মাতৃভাষা হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই পর্তুগিজে সবচেয়ে বেশি স্বাছন্দ্য বোধ করেন নেইমার। স্প্যানিশ শিখেছেন ২০১৩ সালে স্পেনের ক্লাব বার্সেলোনায় নাম লেখানোর বছর তিনেক আগেই।

আর স্পেনে গিয়ে শিখেছেন কাতালান ভাষা। কাতালান ক্লাব বার্সেলোনায় খেলতেন বলেই সেই ভাষাটাও আয়ত্ত করেছেন। তবে পর্তুগিজ আর স্প্যানিশের মতো কাতালান অতটা ভালো বলতে পারেন না তিনি। বার্সেলোনায় খেলার সময় সতীর্থদের সঙ্গে তিনি মূলত স্প্যানিশ ভাষায়ই কথা বলতেন।

এরপর ২০১৭ সালে স্পেন ছেড়ে পাড়ি জমান ফ্রান্সে। সেখানে গিয়ে শিখেছেন ফ্রেঞ্চ ভাষা। তবে প্যারিসের ক্লাবটির সতীর্থ কিলিয়ান এমবাপের সঙ্গে তার যোগাযোগের মাধ্যম ছিল স্প্যানিশ ভাষা। পিএসজির ফরাসি এই তারকা ফ্রেঞ্চ ভাষার সঙ্গে স্প্যানিশ আর ইংরেজিটাও ভালো বলতে আর বুঝতে পারেন।

পর্তুগিজ, স্প্যানিশ, কাতালান ও ফ্রেঞ্চ ছাড়াও ইংরেজি বলতে পারেন নেইমার। ইংরেজিতে কথা বলতে পারলেও এ ভাষাটায় নেইমার অতটা স্বচ্ছন্দ নন। তবে বুঝতে ও বলতে পারার জন্য তা যথেষ্ট।

বার্সেলোনার পর লিওনেল মেসির সঙ্গে পিএসজিতেও খেলেছেন নেইমার। দুজনের বেশ ভালো বন্ধুত্বও আছে। তবে মেসি শুধু স্প্যানিশ ও কাতালান ভাষায় কথা বলতে পারেন। স্প্যানিশ আর্জেন্টিনার জাতীয় ভাষা। আর কাতালানটা শিখেছেন সেখানে দীর্ঘদিন থাকার কারণে। মেসি ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ আর পর্তুগিজ বলতে পারেন না। তাই নেইমারের সঙ্গে তার ভাব বিনিময় হয় স্প্যানিশ ভাষায়।

বিজয় দিবসে জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ডেস্ক রিপোর্ট:

মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছে গোটা জাতি। আজ ভোরে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লাখ শহীদকে।

শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটে ফুল দিয়ে তারা এই শ্রদ্ধা জানান। স্মৃতিসৌধের বেদিতে প্রথমে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন রাষ্ট্রপতি, এর পর প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর একটি সুসজ্জিত দল তখন রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুণ সুর।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ৯ পদাতিক ডিভিশন-এর জিওসি, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার এবং ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক।

মহান বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ডেস্ক রিপোর্ট:

মহান বিজয় দিবসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান।

শেখ হাসিনা প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে, পরে দলীয় সভাপতি হিসেবে দলের শীর্ষনেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এসময় দলের শীর্ষনেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রথমে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।

বিজয় মিছিলে নির্বাচনবিরোধী কর্মকাণ্ড করা যাবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিজয় দিবসের মিছিলে নির্বাচনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড করা যাবে না বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

বিএনপির বিজয় র‌্যালি নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যেহেতু বিজয়ের মাস, বিজয়ের দিন, এজন্য কাউকে আমরা মানা করছি না বিজয়ের আনন্দ প্রকাশ করতে। তবে নির্বাচনে বাধা, নির্বাচনের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা, প্রচার করা এগুলো থেকে তাদের বিরত থাকতে হবে।

তিনি বলেন, তাদের বলা হয়েছে একটি রোডম্যাপ তৈরি করে বিজয় র‌্যালি করার জন্য। সে অনুযায়ী আমাদের ডিএমপি কমিশনার তাদের অনুমতি দিয়েছেন। যাতে শান্তিপূর্ণ একটি র‌্যালি করা যায়। তারা স্থান উল্লেখ করেছেন এবং সেটি যেন অনুসরণ করেই তারা করেন।

এদিকে ১৮ ডিসেম্বর থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত নির্বাচনবিরোধী যে কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ করা যাবে না। এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছে। এখন নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী কাজ করছে। নির্বাচন কমিশন যে নির্দেশনা দিয়েছে আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী সে অনুযায়ী কাজ করতে প্রস্তুত।