All posts by jitu

সেমির আগে ভারতের ধাক্কা, বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন হার্দিক পান্ডিয়া

ডেস্ক রিপোর্ট:

যে ভয়টা ছিল, ঠিক সেটাই হলো। চোটের জন্য পুরো বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন হার্দিক পান্ডিয়া, যা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আগে ভারতের চিন্তা কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিল। হার্দিককে ছাড়া গ্রুপ পর্যায়ের চারটি ম্যাচে ভারত জিতলেও দলের ভারসাম্য বিঘ্নিত হচ্ছিল। আর সেভাবেই ভারতকে বিশ্বকাপের বাকি ম্যাচগুলো খেলতে হবে।

কারণ হার্দিকের পরিবর্তে কলকাতা নাইট রাইডার্সের (কেকেআর) সাবেক প্রসিধ কৃষ্ণকে ভারতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত করা হলেও তিনি পুরোপুরি পেসার। তার ব্যাট একেবারেই ভালো নয়। ফলে অভাবনীয় কিছু না ঘটলে তাকে খেলানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। খাতা-কলমে ছিটকে যাওয়া খেলোয়াড়ের পরিবর্তন ঘোষণা করতে হয় বলে স্রেফ তাকে দলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে বলে অনেকের ধারণা।

শনিবার সকালে বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৯ অক্টোবর পুনেতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যে চোট পেয়েছিলেন হার্দিক, তা এখনো সেরে ওঠেনি। তার ফলে হার্দিকের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেল। তিনি আর এবারের বিশ্বকাপ খেলতে পারবেন না। তার পরিবর্তে প্রসিধের নাম পাঠিয়েছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। সেই প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে বিশ্বকাপের টেকনিক্যাল কমিটি। যে প্রসিধ মাত্র ১৯টি একদিনের ম্যাচ খেলেছেন।

অথচ প্রাথমিকভাবে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যখন চোট পান হার্দিক, তখন মনে হয়েছিল যে মেরেকেটে একটি বা দুটি ম্যাচে (নিউজিল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে) খেলতে পারবেন না ভারতের সহ-অধিনায়ক। সেই ম্যাচে নিজের প্রথম ওভারে বোলিং করার সময় ফিল্ডিং করতে গিয়ে বাঁ গোড়ালিতে চোট লেগে যায় হার্দিকের। তার পর আর বল করতে পারেননি। ব্যাটিংয়েও নামেননি। মাঠ থেকে নিয়ে গিয়ে স্ক্যান করা হয়েছিল। স্ক্যানের রিপোর্টে তেমন উদ্বেগের কিছু মেলেনি।

সেই পরিস্থিতিতে প্রাথমিকভাবে বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, নিউজিল্যান্ড ম্যাচে (২২ অক্টোবর) খেলতে পারবেন না হার্দিক। পরে ইংল্যান্ড ম্যাচের (২৯ অক্টোবর) জন্য দলের সঙ্গে সরাসরি লখনৌতে যোগ দেবেন। তবে সেটা হয়নি। বরং গত বৃহস্পতিবার শ্রীলংকার বিপক্ষে যখন ভারত ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে খেলতে নামে, তখনো দলে যোগ দেননি হার্দিক।

আগামীকাল রোববার ইডেন গার্ডেনসে দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচের জন্যও শুক্রবার ভারতীয় দলের সঙ্গে কলকাতায় আসেননি হার্দিক। ফলে একটা উদ্বেগ তৈরি হচ্ছিল। আর শনিবার সেই আশঙ্কাই সত্যি হয়ে গেল।

ইসির প্রথম ধাপের সংলাপে অংশ নেয়নি ৯ দল

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর বর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ইসির মতবিনিময় সভা। শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শুরু হয়েছে প্রথম ধাপের মতবিনিময়। এতে অংশ নিয়েছে ১৩টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল। অংশ নেয়নি ৯টি দল। এরমধ্যে ৩টি দল সংলাপে অংশ নেবে না বলে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে আগেই। বাকিরা অনুপস্থিত রয়েছে।

যে ৯টি দল আসেনি সেগুলো হলো এলডিপি, বিজেপি, কমিউনিস্ট পার্টি, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম, গণতন্ত্রী পার্টি, মুসলিম লীগ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, কল্যাণ পার্টি ও খেলাফত মজলিস।

অংশ নিয়েছে আলোচিত তৃণমূল বিএনপি, এনডিএম ও গণফোরামের একাংশ। আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য লেফটেন্যান্ট কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত ফারুক খানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে আসে। আরও যেসব দল এসেছে তাদের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট পার্টি, ইসলামী ঐক্য জোটের একাংশ, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম।

এর আগে এলডিপি, বিজেপি এবং কল্যাণ পার্টি সংলাপে অংশ নেবে না বলে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে।

নির্বাচনের প্রস্তুতি রাজনৈতিক দলগুলোকে জানানোর জন্য আওয়ামী লীগ ও বিএনপিসহ ৪৪টি রাজনৈতিক দলকে আলোচনার জন্য চিঠি দিয়েছে ইসি।

শনিবার (৪ নভেম্বর) সকালে সাড়ে ১০টায় রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন ভবনের সভাকক্ষে এ বৈঠক শুরু হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল সভায় সভাপতিত্ব করছেন। নির্বাচন কমিশনাররা উপস্থিত রয়েছেন সভায়।

বিএনপিসহ আরও ২২টি দলকে সময় দেওয়া হয়েছে বিকেল ৩টায়।

এদিকে ইসি সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে তফসিল ঘোষণার লক্ষ্য নিয়ে কাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। ভোটগ্রহণ জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে হওয়ার কথা রয়েছে।

রোববার চট্টগ্রাম থেকে প্রথমবারের মতো ট্রেন যাবে কক্সবাজার

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্মাণ কাজ পরিদর্শন ও কোনো ত্রুটি আছে কি না যাচাই করতে প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম থেকে সরাসরি কক্সবাজার যাচ্ছে একটি ট্রেন। রোববার (৫ নভেম্বর) সকাল ৮টায় আটটি বগি ও একটি ইঞ্জিন নিয়ে ট্রেনটি চট্টগ্রাম স্টেশন ছেড়ে যাবে। এতে থাকবেন রেলের পরিদর্শন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, রোববার ট্রেনটি সকাল ৯টায় দোহাজারী স্টেশনে পৌঁছবে। এরপর সেখান থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেবে। ট্রেনটি ওইদিন বিকেল ৫টায় কক্সবাজার পৌঁছার কথা রয়েছে। রেলের পরিদর্শন অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা কক্সবাজারে অবস্থান করবেন। ৬ নভেম্বর ওই টিম কক্সবাজার রেলস্টেশন ইয়ার্ড পরিদর্শন করবে। ৭ নভেম্বর সকাল ৭টায় ওই টিম চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা দেবে।

সরকারি রেল পরিদর্শক রুহুল কাদের আজাদ বলেন, রোববার ট্রেনযোগে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাবে রেলের পরিদর্শন দপ্তরের টিম। এসময় নির্মাণাধীন দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন ও বিভিন্ন স্টেশন পরিদর্শন করা হবে। এতে কোনো ত্রুটি আছে কি না যাচাই করা হবে।

দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন প্রকল্পের পরিচালক সুবক্তগীন বলেন, ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। ৭ নভেম্বর এ রুটে পরীক্ষামূলক ট্রেন চলবে।

এর আগে গত ১৬ অক্টোবর দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন পরিদর্শন করেছিলেন রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম। মন্ত্রী ওইদিন একটি ট্রলি দিয়ে দোহাজারী থেকে কক্সবাজার গিয়েছিলেন। তখন তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, ১২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নতুন রেললাইনের উদ্বোধন করবেন। এরপর রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানায়, উদ্বোধন অনুষ্ঠান একদিন এগিয়ে ১১ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।

জানা গেছে, দোহাজারী থেকে রামু হয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প ২০১০ সালের ৬ জুলাই একনেকে অনুমোদন পায়। ২০১৮ সালে এই রেলপথ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের ৩০ জুন। পরে এক দফা বাড়িয়ে প্রকল্পের মেয়াদ করা হয় ২০২৪ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। এতে ব্যয় ধরা হয় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। প্রকল্পে ঋণ সহায়তা দিচ্ছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। তবে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়লেও ব্যয় বাড়েনি। এ প্রকল্পের কাজ পুরোদমে চলায় নির্ধারিত সময়ের আগেই তা সমাপ্ত হতে যাচ্ছে।

২০১৬ সালের ২৭ এপ্রিল প্রকল্পটি ‘ফাস্ট ট্র্যাক প্রকল্প’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। রেলপথটি নির্মিত হলে মিয়ানমার, চীনসহ ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের করিডোরে যুক্ত হবে বাংলাদেশ।

শচীন টেন্ডুলকারের মেয়ের নাম উচ্চারণ করতে দর্শকদের না করলেন কোহলি

শচীন টেন্ডুলকারের মেয়ের নাম উচ্চারণ করতে দর্শকদের না করলেন কোহলি

ডেস্ক রিপোর্ট:

মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়েতে গতকাল বৃহস্পতিবার ভারত-শ্রীলঙ্কার খেলা দেখতে যান শচীন টেন্ডুলকারের মেয়ে সারা টেন্ডুলকার। গিল-সারার প্রেমের গল্প তো চর্চিত বিষয়। গিল যেমনই ইনিংস খেলুক, সামাজিক মাধ্যমে ভক্ত-সমর্থকরা প্রায়ই সারার নাম নিয়ে মজা করেন।

ভারত যখন ফিল্ডিং করছিল, তখন ওয়াংখেড়ের দর্শক গিলের সঙ্গে মজা করা শুরু করেন। ৩৫৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে লঙ্কানরা ৩.১ ওভারে ৩ রান তুলতেই হারিয়ে বসে ৪ উইকেট।

চারিথ আসালঙ্কা, অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস যখন পঞ্চম উইকেটে জুটি বেঁধেছিলেন, তখন স্লিপ এলাকায় ফিল্ডিং করছিলেন গিল ও বিরাট কোহলি। গিলকে উদ্দেশ করে ‘সারা, সারা’ বলে ডাকতে থাকেন ওয়াংখেড়ের দর্শকরা।

তখন শচীনের মেয়ের নাম ধরে গিলকে না ডাকার জন্য দর্শকদের অনুরোধ করেন কোহলি। তখন তার (শুভমান গিল) নাম ধরে ডাকতে বলেন কোহলি। এরপরই গ্যালারি থেকে ‘শুভমান, শুভমান’ স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। সামাজিক মাধ্যমে এই ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায় মুহূর্তেই।

টস হেরে প্রথমে ব্যাটিং পেয়ে ভারত ৪ রানেই হারিয়ে বসে প্রথম উইকেট। এরপর দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে গিল-কোহলি শ্রীলংকার ওপর চড়াও হয়ে খেলেছেন। গিল না কোহলি, সবার আগে কে সেঞ্চুরি করবেন- এই প্রতিযোগিতা তখন চলছিল। গিল করলে বিশ্বকাপ ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পেয়ে যেতেন। আর ওয়ানডেতে ৪৯তম সেঞ্চুরি করে শচীনের রেকর্ডে ভাগ বসানোর সুযোগ ছিল কোহলির। তবে দুজনের কেউই তিন অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। ৯২ রান করে আউট হয়েছেন গিল। আর কোহলি আউট হয়েছেন ৮৮ রান করে।

বক্সার আমির খানের স্ত্রীকে ইসরাইলি সংস্থার হুমকি

ডেস্ক রিপোর্ট:

হামাস ইসরাইল সংঘাতে ইসরাইলের পক্ষ না নেওয়ায় সাবেক ব্রিটিশ বক্সার আমির খানের স্ত্রী ফারিয়াল মাখদুমকে হুমকি দিয়েছে ইসরাইলের একটি সংস্থা। সেইসঙ্গে ইসরাইলকে সমর্থন দিলে তাকে পুরস্কৃত করার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

ফারিয়াল মাখদুমকে হোয়াটসঅ্যাপে এ হুমকি ও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আর সেই হুমকির স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে (টুইটারে) শেয়ার করেছেন তিনি।

ওই স্ক্রিনশটে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের একটি নম্বর থেকে তাকে একটি মেসেজ পাঠানো হয়েছে। মেসেজে বলা হয়েছে, আপনি যদি ইসরাইলকে সমর্থন করেন এবং ফিলিস্তিন সম্পর্কে পোস্ট করা বন্ধ করেন তবে আপনাকে পুরস্কৃত করা হবে। আর যদি তা না করেন এবং এই মেসেজ সম্পর্কে সবাইকে জানিয়ে দেন তবে আপনাকে গুরুতর পরিণতি ভোগ করতে হবে।

তবে এ হুমকিতে দমে যাওয়ার পাত্রী নন ফারিয়াল মাখদুম। স্পষ্টভাবে তা জানিয়ে দিয়েছেন ক্যাপশনে। তিনি লিখেছেন, এটি কি আমাকে থামিয়ে দেবে? না।

প্রসঙ্গত, গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ৭ অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ইসরাইলি বিমান হামলায় অন্তত ৯ হাজার ২২৭ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এরই মধ্যে তিন হাজার ৮২৬ জনই শিশু। পাশাপাশি নিহতদের মধ্যে দুই হাজার ৪০৫ জন নারীও রয়েছেন। এই সময়ে দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৩২ হাজার ৫০০ ফিলিস্তিনি।

আমেরিকার নৌবাহিনীতে প্রথম নারী প্রধান

ডেস্ক রিপোর্ট:

মার্কিন নৌবাহিনীর নেতৃত্ব দেবেন লিসা ফ্র্যানকেতি। তিনিই হবেন আমেরিকার নৌবাহিনীর প্রথম নারী প্রধান।

মার্কিন সিনেট লিসাকে নৌবাহিনীর প্রধান করার সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে। তিনিই আমেরিকার ইতিহাসে প্রথম নারী, যিনি জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ হিসেবে কাজ করবেন। তাকে চিফ অব নেভাল স্টাফ করার জন্য সিনেটে ভোটাভুটি হয়। লিসার পক্ষে ৯৫টি ও বিপক্ষে একটি ভোট পড়ে।

প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন গত জুলাই মাসে লিসাকে নৌবাহিনীর প্রধান করতে চেয়েছিলেন; কিন্তু তার ও সেনাবাহিনীর আরও বেশ কয়েকজনের পদোন্নতির বিষয়টি আটকে গিয়েছিল।

রিপাবলিকান সিনেটর টমি টিউবারভিলের আপত্তির জন্যই এতদিন তা থেমে ছিল। গর্ভপাতের ক্ষেত্রে সেনা সদস্যদের ট্রাভেল নীতি নিয়ে টমির আপত্তি ছিল।

গত বছর সুপ্রিমকোর্ট এ বিষয়ে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেয়। তারা জানিয়ে দেয়, গর্ভপাত হলো সাংবাধানিক অধিকার। তাই সেনা-সদস্যরা কোনো রাজ্যের বাইরে গিয়ে গর্ভপাত করাতে পারবেন। পেন্টাগন তার খরচ দেবে।

আমেরিকার অনেক রাজ্যেই গর্ভপাত করা নিয়ে কড়াকড়ি আছে। পেন্টাগনের মত ছিল- কোনো সেনা সদস্যকে কোনো রাজ্যে কাজের জন্য থাকতে হতে পারে; কিন্তু অন্য রাজ্যে গিয়ে গর্ভপাত করানোর অধিকার তার আছে।

লিসার নৌবাহিনীতে ৩৮ বছরের অভিজ্ঞতা আছে। তিনি প্রায় সবপর্যায়ে কমান্ডার ছিলেন। তিনিই দ্বিতীয় নারী যাকে ফোর স্টার অ্যাডমিরাল করা হয়েছিল।

কারা মজুত করে জনগণের পকেট কাটছে খুঁজে বের করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট:

কারা মজুত করে জনগণের পকেট কাটার চেষ্টা করছে তাদের খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সবজি আমাদের দেশে উৎপাদন হয়। এটা বাজারে না এনে রেখে দেবে। দাম বাড়িয়ে দেবে। কারা মজুত করে জনগণের পকেট কাটার চেষ্টা করছে খুঁজে বের করতে হবে।

শুক্রবার (৩ নভেম্বর) জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে স্মরণ সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের শেখ হাসিনা বলেন, সবাইকে যার যার এলাকায় ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। অগ্নিসন্ত্রাস যারা করে, তাদের ধরে ওই আগুনে ফেলতে হবে। যে হাতে আগুন দেয় ওই হাত পুড়িয়ে দিতে হবে। যেমন কুকুর তেমন মুগুর। তা না হলে তাদের শিক্ষা হবে না। প্রত্যেক এলাকায় কত বিএনপি-জামায়াত আছে, খুঁজে বের করতে হবে। এদের ধরিয়ে দিতে হবে। এরা যাতে মানুষের জান-মাল নষ্ট করতে না পারে।

তিনি বলেন, দুষ্কৃতিকারী কয়েকজনের লাফালাফিতে নির্বাচন বানচাল হবে না। তাদের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলতে দেওয়া হবে না। তারা নির্বাচনে আসবে কি না, জানি না। এলেও আসবে ওই নমিনেশন বাণিজ্য করতে।

মনোনয়ন নিয়ে বিভাজন না করার জন্য সতর্ক করে দিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, আমাদের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এ কথা ভাবলে চলবে না, ওরা (বিএনপি) তো আসবে না। একটা সিট না পেলে কী হবে! এ চিন্তা যেন কারো মাথায় না থাকে। আমরা মনোনয়নে যে সিদ্ধান্ত দেবো, সেটা মানতে হবে। আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থেকে আবারও ভোটের মাধ্যমে সরকারে আসতে হবে।

ফিলিস্তিন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনে কী হচ্ছে? হাসপাতালেও বোমা মারছে। মা ভেবেছিলেন, সন্তান নিয়ে হাসপাতালে নিরাপদ থাকবেন। কিন্তু সেখানেও ইসরায়েলিরা বোমা হামলা করছে। আমরা খাদ্য ও চিকিৎসা সামগ্রী পাঠিয়েছি। ঢুকতে দিচ্ছে না। পাশে মিশরে রেখেছি। আমাদের দেশে বিএনপিও হাসপাতালে হামলা করেছে। তারা ফিলিস্তিনের ইস্যুতে কোনো কথা বলে না।

বিএনপির সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচন তারা কাকে নিয়ে করবে? নির্বাচন করলে ওদের নেতা কে? কাকে প্রধানমন্ত্রী করবে? কাকে নিয়ে মন্ত্রিসভা করবে? তাদের চেয়ারপার্সন তো দুর্নীতির দায়ে জেলে। অসুস্থতা বিবেচনায় আমি তাকে বাসায় থাকতে দিলাম। একটা কুলাঙ্গার ছেলে তৈরি করে দিয়ে গেছে জিয়াউর রহমান। ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা ও মানিলন্ডারিং মামলায় সাজাপ্রাপ্ত। ২১ আগস্ট গ্রেনেডে হামলায় জড়িত, তাতে তো সন্দেহ নাই।

তিনি বলেন, আজকের বিএনপির অগ্নিসন্ত্রাস, তাদরে যে বীভৎস চেহারা। এটা তারা ২০১৩, ১৪ ও ১৫ সালেও ঘটিয়েছে। ২০০১ সালেও আমরা তাদের চেহারা দেখেছি। এরা দেশের ক্ষমতায় যখন ছিল তখন আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মী হত্যা করেছে, নির্যাতন করেছে, জেলে পুড়িয়েছে। এরা খুন করা ছাড়া কিছুই বুঝে না, জানে না। তত্ত্বাবধায়কের আমলে মুচলেকা দিয়ে চলে যায়। এখন না কি ওখানে বসে জুয়া খেলে আর টাকা ইনকাম করে। আর ওখান থেকে জ্বালাও-পোড়াও করার নির্দেশ দেয়। বিএনপিতে আর কোনো নেতা নাই? ওই সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে তারা ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান করেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ড থেকেই হত্যা ক্যু ষড়যন্ত্রের শুরু হয়। সেখান থেকেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধ্বংস শুরু। জিয়াউর রহমান মুখে বলেন, তিনি মুক্তিযোদ্ধা। তিনি যদি মুক্তিযোদ্ধা হবেন, তাহলে তার আমলে জয় বাংলা স্লোগান নিষিদ্ধ হয় কীভাবে?

আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে সরকারকে পদত্যাগে আলটিমেটাম ইসলামী আন্দোলনের

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে ও অবৈধ সরকারের পতনের লক্ষ্যে বিএনপিসহ সব বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ। পাশাপাশি আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে সরকারকে পদত্যাগ করে প্রতিনিধিত্বশীল আন্দোলনরত রাজনৈতিক দলের সমন্বয় গঠিত জাতীয় সরকারের অধীনে ক্ষমতা হস্তান্তরের আলটিমেটাম দিয়েছে দলটি।

শুক্রবার (৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চলমান রাজনৈতিক সংকট নিরসনে চলতি সংসদ ভেঙে জাতীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে আয়োজিত মহাসমাবেশ এ ঘোষণা দেন দলটির আমির ও পির সাহেব চরমোনাই মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম।

তিনি বলেন, আগামী ১০ নভেম্বরের মধ্যে সরকারকে পদত্যাগ করে ও জাতীয় সংসদ ভেঙে দিয়ে নিবন্ধিত এবং প্রতিনিধিত্বশীল আন্দোলনরত রাজনৈতিক দলের সমন্বয় গঠিত জাতীয় সরকারের অধীনে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে।

আগামী ১ সপ্তাহের মধ্যে রাজনৈতিক কারণে কারারুদ্ধ বিএনপির সব নেতাদের মুক্তি ও রাষ্ট্রপতিকে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ নিতে হবে। দাবি না মানলে সরকার পতনের দাবিতে আন্দোলনরত বিরোধীদলের সঙ্গে আলোচনা করে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে ও অবৈধ সরকারের পতনের লক্ষ্যে বিএনপিসহ সব বিরোধী দলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে সমর্থন ঘোষণা করছি।

দলের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতী সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম শায়খে চরমোনাই বলেন, আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। এই দাবি নিয়ে এসেছি। আমরা ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠা, সাম্য প্রতিষ্ঠা ও গরিবের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে চাই।

সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে ক্ষমতায় থাকতে চায় জানিয়ে তিনি বলেন, সরকার ক্ষমতার মজা পেয়ে গেছে। গোটা দেশের মানুষ জেলখানায় আবদ্ধ। এদেশের মানুষের স্বাধীনতা নাই। এই জেলের তালা ভাঙতে হবে। কোন ছলচাতুরি চলবে না। আমরা কারও বিরুদ্ধে নই। এই আন্দোলন যারা ভোট দিতে চায় তাদের জন্য।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, নিরেপেক্ষ নির্বাচন না হওয়ায় বিদেশি শক্তি নাক গলাচ্ছে। আপনি ব্যাকডোর দিয়ে ক্ষমতায় আসার চেষ্টা করলে আমরা লড়াই করবো।

দলটির মহাসচিব মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, মহাসমাবেশে লাখ লাখ মানুষ এসেছে। কাউকে ভাড়া করে আনা হয় নাই। সবাই নিজের পকেটের টাকা খরচ করে পির সাহেবের চরমোনাইয়ের নির্দেশনা পালন করেছে। আগামীতে পির সাহেবের ঘোষিত যে কোনো কর্মসূচি আমরা পালন করবো।

দলটির যুগ্ম মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, এ সরকারকে দেশের মানুষ বিশ্বাস করে না। আপনাদের অধীনে নির্বাচন তো দূরের কথা, আপনাদের আর এক মুহূর্তে ক্ষমতায় দেখতে চায় না। যত দ্রুত ক্ষমতা থেকে যাবেন তত দ্রুত দেশের মানুষ মুক্তি পাবে।

তিনি বলেন, সরকারবিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করতে পারেননি। দেশের আইন, বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ, নির্বাচন কমিশনসহ গোটা দেশকে ধ্বংস করেছে। সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা পদত্যাগ করেন, বিরোধী দলের সঙ্গে সংলাপে বসেন।

আমীর খসরু ও স্বপন ৬ দিনের রিমান্ডে

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন স্বপনের ছয়দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শুক্রবার তাদের কনস্টেবল হত্যা মামলায় আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন ডিবির পরিদর্শক তরিকুল। অপরদিকে তাদের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ ও শেখ শাকিল আহম্মেদ রিপন জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জাকী আল ফারাবী জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে ছয়দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে গুলশানের বাসা থেকে আমীর খসরুকে আটক করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। একই দিন বিকেলে গুলশান থেকে জহির উদ্দিন স্বপনকে গ্রেফতার করা হয়।

২৮ অক্টোবর রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির মহাসমাবেশ ছিল। মহাসমাবেশ ঘিরে সকাল থেকেই নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় দলটির নেতাকর্মীদের ঢল নামে। দুপুরে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হলে একপর্যায়ে মহাসমাবেশ পণ্ড হয়ে যায়।

সংঘর্ষ চলাকালে ফকিরাপুলের বক্স কালভার্ট রোড এলাকায় মাথায় আঘাত পেয়ে রাস্তায় পড়ে যান দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য আমিরুল। পরে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আমিরুলের বাড়ি মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলায়।

এ ঘটনায় ২৯ অক্টোবর রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় পুলিশের উপ-পরিদর্শক মাসুক মিয়া বাদী হয়ে হত্যা মামলা করেন। এতে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে প্রধান আসামি করা হয়।

এছাড়া একই মামলায় বিএনপির শীর্ষ নেতাসহ ১৬৪ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

লিবিয়াতে নোয়াখালীর যুবককে গুলি করে হত্যা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

লিবিয়াতে এক অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাংলাদেশী এক প্রবাসী যুবককে গুলি করে হত্যা করেছে।

নিহত জগদীশ চন্দ্র দাস (৩৬) নোয়াখালী সেনবাগ উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ মোহাম্মদপুর গ্রামের সাহাজীরহাট দাস পাড়ার গোকুল চন্দ্র দাসের ছেলে।

শুক্রবার (৩ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এসব তথ্য নিশ্চিত করে মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ফিরোজ আলম রিগান। এর আগে, গতকাল বৃহস্পতিবার ২ নভেম্বর বাংলাদেশ সময় দুপুরের দিকে লিবিয়ায় সাফা এলাকায় তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। হত্যার পর তার টাকা পয়সা ও মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

নিহতের বাবা গোকুল চন্দ্র দাস জানায়, জগদীশ ৬ বছর আগে জীবিকার তাগিদে লিবিয়ায় সাফা এলাকায় পাড়ি জমায়। সে এক সন্তানের জনক ছিল। সেখানে সে সবজিও নার্সারিতে বিভিন্ন ফল-ফুলের গাছ চাষ করত। কয়েক দিন আগে মালিকের ভাতিজার ছাগলের পাল জগদীশের নার্সারির প্রচুর গাছ নষ্ট করে। এ নিয়ে সে যে মালিকের অধীনে কাজ করে তার ভাতিজাকে একাধিকবার অভিযোগ করেন।

তিনি আরও বলেন, গত কিছু দিন আগে জগদীশ মালিকের ভাতিজাকে বলেন দাদা দেখেন আপনার ছাগল আমার নার্সারির কতগুলো গাছ নষ্ট করে পেলেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে মালিকের ভাতিজা তার কয়েকটি ছাগল খুঁজে পাচ্ছেনা বলে অভিযোগ তুলে। পরবর্তীতে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে জগদীশ খেতে বসলে মালিকের ভাতিজা আকস্মিক এসে তাকে গুলি করে হত্যা করে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে লিবিয়ায় থাকা আমার ছোট ছেলে সন্তোষ মুঠোফোনে তার বড় ভাইয়ের মৃত্যুর বিষয়টি আমাদেরকে নিশ্চিত করেন।

সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিসান বিন মাজেদ বলেন, বিষয়টি আমাদেরকে অবহিত করা হয়নি। তবে নিহতের পরিবার অফিসিয়ালি সহযোগিতা চাইলে আমরা সব ধরনের সহযোগিতা করব।