All posts by jitu

বিএনপি- জামায়াতের নৈরাজ্যের প্রতিবাদে দাউদকান্দিতে শান্তি সমাবেশ

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

দেশব্যাপী বিএনপি- জামায়াতের নৈরাজ্য ও সন্ত্রাসের প্রতিবাদে দাউদকান্দিতে আওয়ামী লীগের শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের শহিদনগর, গৌরীপুর রায়পুর ও ইলিয়টগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে পৃথক প্রতিবাদ ও উন্নয়ন সভায় যোগদান করেন দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মেজর অবঃ মোহাম্মদ আলী সুমন।

শহিদ নগর বাসস্ট্যান্ডে শান্তি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সুন্দলপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ আসলাম মিয়াজী, সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ আলম, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ভাইস চেয়ারম্যান তারিকুল ইসলাম নয়ন, বারপারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মাজারুল ইসলাম মানিক সওদাগর, সাবেক চেয়ারম্যান মনির হোসেন তালুকদার, ইলিয়টগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, ইলিয়টগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক বিল্লালুর রশিদ দোলন প্রমূখ।

হরতাল নৈরাজ্য সৃষ্টিকারী বিএনপি জামায়াতকে প্রতিহত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে শান্তি সমাবেশে বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যখন উন্নয়নের মহাসড়কে এগিয়ে চলছে, ঠিক সেই মুহূর্তে বিএনপি-জামায়াত দেশব্যাপী সন্ত্রাস, নৈরাজ্য আর জনগণের জানমালের ক্ষতি করছে। যারা এদেশের বিরুদ্ধে, বঙ্গবন্ধুকন্যা রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করবে তাদেরকে রাজপথেই কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে । সামনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ আবারও সরকার গঠন করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

এদিকে সবধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে সাধারণ মানুষের জান মালের নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মহাসড়কসহ বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে অবস্থান করছেন।

ফেনীর লালপুলে চিনিবোঝাই ট্রাকে আগুন

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর লালপুলে চিনিবোঝাই একটি ট্রাকে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২ নভেম্বর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, চিনি নিয়ে ট্রাকটি লালপুল পৌঁছানোর পর হঠাৎ কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ফেনী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর ওয়াসি আজাদ বলেন, আমরা আগুন নিভিয়েছি। আগুনে ট্রাকের সামনের অংশ পুড়ে গেছে।

ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, পুলিশ ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় আগুন নিভিয়েছে। এ ঘটনায় যথাযথ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইসরাইলকে বয়কট করার আহ্বান খামেনির

ডেস্ক রিপোর্ট:

গাজা উপত্যকায় বোমা হামলার মধ্যে ইসরাইলকে বয়কট করার আহ্বান জানিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। যুদ্ধ বন্ধে বাধ্য করতে মুসলিম দেশগুলোকে ইসরাইলের কাছে তেল ও খাদ্যপণ্য রপ্তানি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা।

খামেনি বলেন, ‘গাজায় বোমা হামলা অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। ইহুদিবাদী শাসকদের কাছে তেল ও খাদ্য রপ্তানির পথ বন্ধ করা উচিত।’

ফিলিস্তিনের সমর্থনে বিশ্বজুড়ে বিক্ষোভের কথা উল্লেখ করে খামেনি বলেন, ‘ধৈর্যধারণের মাধ্যমে গাজার জনগণ বিশ্ববাসীর বিবেককে জাগ্রত করেছে।’

তিনি বলেন, ‘দুনিয়াতে কী ঘটছে দেখুন। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও ইতালিসহ খোদ যুক্তরাষ্ট্রের বহু মানুষ রাস্তায় নেমে স্লোগান দিচ্ছেন। এসব দেশের নেতারা জনতার কাছে তাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছেন। গাজায় ইসরাইলের হামলাকে সমর্থন করতে পারে না তারা।’

মুসলিম বিশ্বকে উদ্দেশ করে খামেনি বলেন, ‘মুসলিম বিশ্বের এ কথা ভুলে গেলে চলবে না যে, শুধু ইহুদিই নয়, গাজার নিপীড়িত সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যও দাঁড়িয়েছে।’

ইয়েমেনের ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা দক্ষিণ ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করার কয়েক ঘণ্টা পর এক বিবৃতিতে ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক হোসেইন আমিরাবদুল্লাহিয়ান বলেছেন, ‘ইসরাইলের দ্বারা সংঘটিত এসব অপরাধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গোষ্ঠী ও আন্দোলনকারীরা নীরব থাকবে না, এটাই স্বাভাবিক। কারও পরামর্শের জন্যও অপেক্ষা করবে না তারা। তাই যুদ্ধ বন্ধে আমাদের অবশিষ্ট রাজনৈতিক সুযোগগুলো ব্যবহার করতে হবে।’

পরিস্থিতি ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারে’ বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।

৭ অক্টোবরে হামলার পর গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাসকে নিশ্চিহ্ন করার অঙ্গীকার করেছে ইসরাইল। হামাসের হামলায় ইসরাইলে এক হাজার ৪০৫ জন নিহত হয়েছেন। ফিলিস্তিনি যোদ্ধারা দুই শতাধিক জিম্মিকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে গেছেন। এ হামলার প্রতিক্রিয়ায় গাজায় নজিরবিহীন বোমা হামলা এবং উপত্যকাটিতে অবরোধ আরোপ করেছে ইসরাইল। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইসরাইলের হামলায় গাজায় এ পর্যন্ত প্রায় আট হাজার ৮০০ মানুষ নিহত হয়েছেন।

ইসরাইলের অবিরাম হামলায় ধ্বংসস্তূপ ও মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে গাজা উপত্যকা। ফলে মানবেতর দিন কাটাচ্ছেন নিরীহ ফিলিস্তিনিরা। ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে এ আগ্রাসন বন্ধ না হলে ইসরাইলের বিরুদ্ধে এই অঞ্চলে তেহরান-সমর্থিত গোষ্ঠীগুলো পদক্ষেপ নিতে পিছ পা হবে না বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের ধর্মীয় নেতারা।

রাজধানীতে অবরোধের শেষ দিনেও সড়কে গণপরিবহণ কম

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি-জামায়াতের ডাকা তিন দিনের অবরোধের শেষ দিন আজ। রাজধানীতে গণপরিবহণ কম দেখা গেছে। অবরোধের দ্বিতীয় দিনের তুলনায় বেশি গণপরিবহণ দেখা গেলেও প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম। বাসের জন্য অনেক সময় অপেক্ষা করতে দেখা গেছে অফিসগামী যাত্রীদের। নির্দিষ্ট গন্তব্যে বাস পেতেও সমস্যায় পড়তে হয়েছে অনেককে। ফলে ভোগান্তি দিয়েই সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস শুরু হয়েছে নগরবাসীর। এ ছাড়া দূরপাল্লার গাড়িগুলো আজও ঢাকা ছাড়ছে না।

বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৯টা পর্যন্ত রাজধানীর বেশ কয়েকটি এলাকায় এমন চিত্র দেখা গেছে। এসব এলাকায় গণপরিবহণ চললেও স্বাভাবিক দিনের তুলনায় অনেক কম। আগুন আতঙ্ক থেকেই গাড়ি কম চলছে বলে কয়েকজন বাসচালক জানান।

রামপুরা এলাকায় আন্তঃনগর পরিবহণের বেশ কিছু বাস চলতে দেখা গেছে। তবে বাসের যাত্রী ও স্টাফদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সকাল ৭টার দিকে উত্তরা যাওয়ার জন্য রামপুরায় বাসে উঠেন জাহিদুর রহমান নামে এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, ‘হঠাৎ উত্তরা যাওয়ার জরুরি প্রয়োজন হওয়ায় বাসে উঠলাম। মনে আগুন আতঙ্ক কাজ করছে। সকালে তুলনামূলক পিকেটিং বেশি হওয়ায় এ আতঙ্কটা বেশি কাজ করছে।’

রাইদা পরিবহণের বাসের এক চালক বলেন, ‘আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় বাস কম। কারণ একটি বাস পুড়লে অনেক ক্ষতি হয়। তার পরও কেউ কেউ ঝুঁকি নিয়ে বাস চালাচ্ছেন।’

বাড্ডা ফুটওভার ব্রিজের নিচে বাসের জন্য অপেক্ষা করা রেজাউল বলেন, ‘অবরোধে নারীরা সবচেয়ে বেশি বিড়ম্বনায় পড়েছি। প্রায় ২০ মিনিট ধরে বাসের জন্য আছি। এ রুটে এমনিতেই বাস কম। তার ওপর আবার অবরোধ। মাঝেমধ্যে দু-একটি বাস এলেও সেখানে উঠতে পারছি না। মেয়ে মানুষের দাঁড়ানোর জায়গা নেই। একটু ফাঁকা কোনো গাড়ি আসবে সে অপেক্ষায় থাকলেও পাচ্ছি না। কিন্তু অফিসে তো যেতে হবে। বাসে উঠতে না পারলে বিকল্প পথ খুঁজতে হবে।

রিমার মতো সেখানে আরও অনেককেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে। অনেকে উপায় না পেয়ে মোটরসাইকেল, রিকশা বা সিএনজি অটোরিকশায় যাচ্ছেন।

রাজধানীর কাকরাইল-পল্টন এলাকার অবস্থাও অনেকটা বুধবারের মতোই। ভিক্টর ক্লাসিক, গাজীপুর পরিবহণ, আজমেরীসহ এই রুটে চলা গাড়িগুলো কিছু সময় পর পর সড়কে দেখা যাচ্ছে। মাতুয়াইল এলাকাতেও বলার মতো গণপরিবহণ চোখে পড়েনি।

নগরে কিছু পরিবহণ চললেও দূরপাল্লার বাস ছেড়ে যাচ্ছে না বললেই চলে। সকালে মহাখালী থেকে হাতেগোনা এক-দুটা গাড়ি ঢাকার বাইরে যেতে দেখা গেছে।

টার্মিনালে এনা পরিবহণের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীরা জানান, প্রতিদিন অন্তত ১৫টির মতো গাড়ি ময়মনসিংহে গেলেও অবরোধের তিন দিনে চার থেকে পাঁচটি গাড়ি ছেড়েছে।

অবরোধের কারণে আজও অনেকটা ফাঁকা মহাখালীর মূল টার্মিনালের বাইরের এলাকা। নগরে চলা গাড়িও খুব কম দেখা গেছে সড়কে। অবশ্য বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপ বাড়বে এমন প্রত্যাশা পরিবহণ শ্রমিকদের।

মহিদুল ইসলাম নামে একজন বেসরকারি চাকরিজীবী সড়কের কথা জানতে চাইলে বলেন, প্রাইভেট গাড়ি যেগুলো চলছে প্রায় সবই অফিসিয়াল। আর বাস সব ভাঙাড়িগুলো। মিরপুর থেকে মতিঝিল আসলাম কোনো ব্রেক ছাড়া। রাস্তা এখন পর্যন্ত ক্লিয়ারই দেখেছি, পরে কী হবে বলতে পারব না।

রাজধানীতে যাত্রী বেশে বাসে উঠে আগুন দিল দুর্বৃত্তরা

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানীর শ্যামলী স্কয়ারের সামনে ওয়েলকাম পরিবহনের একটি বাসে আগুন লাগিয়েছে দুর্বৃত্তরা। আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টায় এ ঘটনা ঘটে।

বুধবার (১ নভেম্বর) এ তথ্য জানান ট্রাফিক মোহাম্মদপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার ইমরুল।

তিনি বলেন, আজ আনুমানিক সন্ধ্যা ৬টায় শ্যামলী স্কয়ারের সামনে আউটগোয়িংয়ে ওয়েলকাম পরিবহনের একটি বাসে যাত্রীবেশে উঠে আগুন লাগিয়ে নেমে যায় দুর্বৃত্তরা। সবার সহযোগিতায় দ্রুত আগুন নেভানো সম্ভব হয়েছে।

তিনি বলেন, দ্রুত আগুন নিভিয়ে ফেলায় বড় ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।

জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে ব্রাহ্মণপাড়ায় যুব র্যালী আলোচনা সভা ও ঋণের চেক বিতরণ

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

“স্মার্ট যুব, সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্য স্লোগানকে সামনে রেখে জাতীয় যুব দিবস-২০২৩ উপলক্ষে কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় যুব র্যালী, আলোচনা সভা ও ঋণের চেক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এসে এক আলোচনা ও ঋণ বিতরণের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। অনুষ্ঠানের শুরতে পবিত্র কোরআন পাঠ করেন উপজেলা মডেল মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মাসুম বিল্লাহ। উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ গোলাম আজম এর সভাপতিত্বে ও মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহম্মদ শহীদুল করিম এর পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার স.ম. আজহারুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম সুজন। এসময় সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ কবির আহামেদ, কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ মাসুদ রানা, মৎস্য কর্মকর্তা জয় বণিকসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও যুব ও যুব মহিলারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে ২৪ জন যুব ও যুব মহিলাদের মাঝে ১০ লক্ষ ৩০ হাজার টাকার ঋণের চেক এবং মৎস্য চাষ বিষয়ক প্রশিক্ষনার্থী ৩০ জনের মাঝে সনদপত্র ও যাতায়াত ভাড়া বাবদ ৬শত টাকা বিতরণ করেন অতিথিবৃন্দরা।

দেশের যোগাযোগ খাতে আওয়ামী লীগ সরকারের সাফল্য সর্বমহলে প্রশংসিত

ডেস্ক রিপোর্ট:

দেশের যোগাযোগ খাতে আওয়ামী লীগ সরকার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে যে সাফল্যের সাক্ষর রেখেছে তা সর্বমহলে স্বীকৃত ও প্রশংসিত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে আওয়ামী লীগদলীয় সংসদ সদস্য নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়নের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা জানান। এসময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। বুধবারের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

প্রধানমন্ত্রী জানান, উন্নয়নের পূর্বশর্ত হচ্ছে উন্নত, দক্ষ ও নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থা। গুরুত্বপূর্ণ ও অগ্রাধিকার খাত হিসেবে যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ, সুগম ও নিরাপদ করার লক্ষ্যে সড়ক ও রেলপথের সম্প্রসারণ এবং সংস্কার চলমান রয়েছে। দেশের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো রাজনৈতিক দল সড়ক, রেল, বিমান ও নৌপথ যোগাযোগের ক্ষেত্রে একটি স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা এবং কর্মসূচি (রূপকল্প ২০২১ ও রূপকল্প ২০৪১) সামনে রেখে তা বাস্তবায়নে কাজ করছে।

আওয়ামী লীগদলীয় আরেক সংসদ সদস্য মো. হাবিবর রহমানের প্রশ্নের লিখিত উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণে আমি ১৫তম ব্রিকস সামিটে যোগদান করি এবং গত ২৪ আগস্ট ‘ব্রিকস-আফ্রিকা আউটরিচ অ্যান্ড দ্য ব্রিকস প্লাস ডায়ালগ’ এ বক্তব্য প্রদানকালে ব্রিকসকে বহুমুখী বিশ্বের বাতিঘর হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার আহ্বান জানাই।

সরকারপ্রধান বলেন, প্রথমত আমাদের অবশ্যই চলমান খাদ্য, জ্বালানি এবং নারী ও কন্যাশিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তার আর্থিক সংকটের কারণে উদ্ভূত বিরূপ প্রভাব প্রশমিত করতে হবে। দ্বিতীয়ত: আমাদের মেয়েদের স্কুলে ধরে রাখার জন্য, তাদের সাইবার অপরাধ থেকে সুরক্ষিত রাখার জন্য এবং ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল বিভাজন কমানোর জন্য চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।

তৃতীয়ত নারীদের লাভজনক কর্মসংস্থান, শালীন কাজের সুযোগ, মজুরির সমতা এবং আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সুযোগ বাড়াতে হবে। চতুর্থত ক্রমবর্ধমান জলবায়ু প্রভাবের কারণে সুরক্ষা এবং সহনশীলতা নিশ্চিতকরণে নারীদের প্রয়োজনীয়তার দিকে আমাদের গভীরভাবে নজর দিতে হবে। পঞ্চমত আমাদের অবশ্যই নারীদের জন্য টেকসই ও সক্রিয় রাজনৈতিক ক্যারিয়ার গঠনের একটি সুষম প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র গড়ার প্রচারণা চালাতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০২১ সালে বাংলাদেশ ব্রিকসের অর্থনৈতিক বাতায়ন নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের সদস্যপদ লাভ করে। ব্রিকসের চেয়ার দক্ষিণ আফ্রিকা কর্তৃক আয়োজিত এ সভার মূল প্রতিপাদ্য ছিল: পার্টনারশিপ ফর মিউচুয়ালি অ্যাকসেলারেটেড গ্রোথ, সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ইনক্লুসিভ মাল্টিল্যাটারালিজম।

তিনি জানান, ব্রিকস সম্মেলন চলাকালে ২৩ আগস্ট বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) কর্তৃক যৌথভাবে আয়োজিত বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড বিজনেস সামিটে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যোগ দিই।

প্রধানমন্ত্রী আরও জানায়, আমার বক্তব্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যবসায়ী এবং বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশের কথা তুলে ধরি। বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে এদেশে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে, সেসব চিত্র তুলে ধরে তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ করার জন্য আহ্বান জানাই। বাংলাদেশের ট্রিলিয়ন- ডলার অর্থনীতিতে পরিণত হওয়ার এবং ২০৪১ সালের মধ্যে একটি স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরিত হওয়ার জন্য আমাদের যে যাত্রা, সেখানে তাদের সম্পৃক্ত হওয়ারও আহ্বান জানাই।

চৌদ্দগ্রামে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় যুব দিবস পালিত

ফখরুদ্দীন ইমন:

‘স্মার্ট যুব, সমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে র‌্যালী, আলোচনা সভা, যুব ঋণ, সনদপত্র ও প্রশিক্ষণ ভাতা বিতরণ সহ বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জাতীয় যুব দিবস-২০২৩ পালিত হয়েছে।

বুধবার (০১ নভেম্বর) সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যৌথ উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ হলরুমে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানভীর হোসেন।

অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান এবিএম এ বাহার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাশেদা আখতার।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো: কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম মীর হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জোবায়ের আহম্মেদ, সমাজসেবা কর্মকর্তা মো: সাহিদুর রহমান, সমবায় অফিসার ভূঁইয়া মোহাম্মদ শাহীনুর রহমান, সফল আত্মকর্মী মো: মোশারফ হোসেন, মো: ইব্রাহিম।

এ সময় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

কবিতা: নীল পদ্যের কষ্ট

রাহুল রাজ:

বিধুমুখী,
অমন করে বারেবারে
ভালোবাসার ডাক দিও না।
তোমার সুপ্ত হাতে অমন করে
শান্ত হৃদয় আর ভেঙো না।
তুমি ছাড়া কে আর বলো
এমন ভালোবাসতে পারে?
কার পড়েছে দায় আমার সঙ্গী হয়
ঠোঁটের উপর ঠোঁটের ছাপ
ভালোবাসার মিষ্টি পাপ।
তুমি ছাড়া কে আর বলো
এমন ভালোবাসতে পারে?
কার পড়েছে দায়, আমার সঙ্গী হয়।
ভালোবাসার নীল পদ্য
তোমার জন্যে এঁকে যাব
হাজার থেকে হাজারবার
তবু তুমি বধূ
অমন করে ভালোবাসার ডাক দিয়ো না।
হৃদয় কাঁদে হৃদয় পোড়ে
যখন ভাবি,
ভোরের শিশির সেজে তুমি পালিয়ে যাবে
ভরা যৌবনের ঘোর ভালোবাসা
তখন আমার বিফল হবে।
ন্ইা বা পেলাম একটি রাত
নাই বা পেলাম তোমার হাত
কি আসে যায় ?
এখন জ্বলি এক আগুনে
তখন হব নি:স্ব-
তাইতো বলি বিধুমুখী,
অমন করে আর ডেকো না।
একা আছি একা থেকে লিখে যাব
নীল পদ্য।
ভালোবেসে দূরে থেকে
নাম দিয়ো তার-
নীল পদ্যের কষ্ট।

কবিতা: বিরক্তি 

ইয়াছিন আরাফাত:

যখন যেখানে যার সাথে যেটা হওয়ার কথা সেটা হবে,
এতো জামেলা এতো মাথা ব‍্যথা এতো বিরক্তি কেন তবে?
এখনো তো শেষ হয়নি শুরু হয়েছে সবে,
শেষ যেই হবে কবে?

কখন যে কে কখন কাকে কোথায় পাবে?
এই সব বিষয় নিয়ে কত মানুষ কতকিছু ভাবে,
এতে কি ভরে যায় কখনো কারো কোনো ক্ষতি কিংবা লাভে? না যায় না।
এতো জামেলা এতো মাথা ব‍্যথা এতো বিরক্তি কেন তবে?
জোর করে কি কেউ কখনো কাউকে কোথাও পাবে? না পাবে না।
তাই কেউ কাউকে কোথাও কোন বিষয় নিয়ে জোর করতে যাবে না।
জোর করে কখনো কোথাও কারো সাথে কোন কিছু হয় না।
আর যা হয়, তা সত্যি কার অর্থে কারো কোনকিছু বুঝার থাকে না,
এর সত‍্যতা কখনো কোথাও কেউ কোন রকম উপলব্দি করতে পারে না।
তাই সব ধর্মেই জোর করা মানা,
এটা নয় কারও অজানা।

এতো জামেলা এতো মাথা ব‍্যাথা এতো বিরক্তি কেন তবে?
এই মেদিনীর কোনো কিছুই অমর নয়, হবে একদিন না একদিন সব কিছুর মরণ,
কিন্তু ভিন্ন হবে এর ধরন।

এতে আবার এক জাতি আরেক জাতিকে করে থাকতে পারে অনুকরণ-অনুসরণ,
একে অপরকে করে নে বরণ।
প্রতিটি জাতির জীবন চলে, করে কিছু আহরণ,
তাদের নিজেদের নিজস্ব আছে সংবরণ।

তো জামেলা এতো মাথা ব‍্যথা এতো বিরক্তি কেন তবে?
সৃষ্টিকর্তা কাউকে রাখে না কোন অভাবে,
মনুষ‍্য জাতি সবসময় মিথ্যা বলে অভিযোগ করে স্বভাবে।
যদিওবা থাকে কেউ হালে নবাবের,
শেষ হবে না তবুও কারো কোনো অভাবের,
প্রকাশ করেই যাবে তার ভাবের।

সন্ধান করবে জিবন সুখের ক্ষতির বোঝা বহন করতেয়য হবে না,বহন করতে পারব বুঝা লাভের,
এতো জামেলা এতো মাথা ব‍্যাথা এতো বিরক্তি কেন তবে?