All posts by jitu

প্রতিদিন কয়বার পানি পান করবেন?

প্রতিদিন কয়বার পানি পান করবেন?

ডেস্ক রিপোর্ট:

পানি পান করার আবার সঠিক কোনো সময় আছে নাকি, তৃষ্ণা পেলেই তো পানি পান করা যায়! তবে অনেকেই হয়তো জানেন না, পানি পান করারও সঠিক নিয়ম আছে। সঠিক সময়ে পরিমাণমতো পানি পান না করলে ভুগতে পারেন পানিশূন্যতায়।

বিশেষ করে গরমে শরীর থেকে অতিরিক্ত পানি ঘাম ও প্রস্রাবের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে যায়। তাই সারাদিনে পর্যাপ্ত পানি পান করা নিশ্চিত করতে হবে এ সময়।

জানলে অবাক হবেন, মস্তিষ্কের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ তরল থাকে? যদি এই মাত্রার চেয়ে পানি কমে যায় তাহলে রক্তনালিগুলো সঙ্কুচিত হয়ে যায়।

ফলে স্বল্পমেয়াদী স্মৃতিশক্তি, মনোযোগের অভাব ও স্ট্যামিনায় কমতে শুরু করে বলে জানা গেছে এক চীনা গবেষণায়।

তাই দিনে পর্যাপ্ত পানি পান করা জরুরি। আর অবশ্যই সময় মেনে পানি করতে হবে। জেনে নিন পানি পান করার সঠিক সময় কখন-

ঘুম থেকে উঠে

সকালে ঘুম থেকে উঠে পানি পানি করার অনেক সুফল আছে। সারারাত ঘুমানোর কারণে শরীর পানিশূন্য হয়ে পড়ে। তাই সকালে ঘুম থেকে উঠে অবশ্যই পানি পান করা উচিত।

ক্ষুধার্ত বোধ করলে

ক্ষুধার্ত বোধ করলেই এক গ্লাস পানি পান করুন। তারপর খাবার খান। অনেকেই তৃষ্ণার্ত হওয়া সত্ত্বেও পানি পান করার তাগিদ অনুভব করেন না।

ফলে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হয়। তবে ক্ষুধার্ত বোধ করার সময় আগে পানি পান করলে খাবারও কম গ্রহণ করা হয় আবার শরীরও পর্যাপ্ত পানি পায়।

ঘামলে

যখন আপনি ঘামবেন, তখনিই বেশি করে পানি পান করুন। কারণ ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে অনেকটাই পানি বেরিয়ে যায়। আপনি যদি ওই পানি গ্রহণ না করেন তাহলে পানিশূন্যতার সৃষ্টি হতে পারে।

শরীরচর্চার আগে

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরচর্চার আগে অন্তত ১৬-২০ আউন্স পানি পান করা জরুরি। আর শরীরচর্চা করার ফাঁকে ১০-১৫ মিনিট পরপর ৬-১২ আউন্স পানি পান করতে হবে।

অসুস্থবোধ করলে

হঠাৎ অসুস্থবোধ করলে কিংবা বিভিন্ন অসুখে ভুগলে অবশ্যই পরিমাণমতো পানি পান করতে হবে। তাহলে শরীর দ্রুত সুস্থততা লাভ করবে। এর পাশাপাশি অ্যালকোহল ও ক্যাফেইন থেকে নিজেকে দূরে রাখুন। কারণ এগুণো শরীরকে আরও পানিশূন্য করে তোলে।

পিরিয়ড চলাকালীন

মাসিকের অস্বস্তি কাটাতে অবশ্যই পিরিয়ডের আগে প্রচুর পানি পান করতে হবে। তাহলে পেটের ফোলাভাব, ক্র্যাম্প বা মাথাব্যথার লক্ষণে কষ্ট পাবেন না।

ডিসমেনোরিয়ায় আক্রান্ত অল্পবয়সী নারীদের উপর করা এক সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে, অত্যন্ত বেদনাদায়ক ঋতুস্রাবে ভোগেন এমন নারীরা বেশি পানি পান করলে পেলভিক ব্যথা থেকে নিস্থার পাবেন।

দুপুরে

ব্রিটিশ জার্নাল অব নিউট্রিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী, দুপুরে অনেকেই ক্লান্ত বোধ করে কফির কাপে চুমুক দেন। এর পরিবর্তে যদি এক গ্লাস পান করেন তাহলে শরীরে মিলবে অ্যানার্জি ও আরও সতেজতা বোধ করবেন। শরীরে আর্দ্রতা বজায় থাকলে মেজাজ ও স্মৃতিশক্তিও ভালো থাকে।

মাথাব্যথা করলে

মাইগ্রেনের অন্যতম প্রধান কারণ হলো ডিহাইড্রেশন। আপনি যদি মাইগ্রেনের সমস্যায় ভোগেন তাহলে অবশ্যই পর্যাপ্ত পানি পান করা নিশ্চিত করুন।

খাওয়ার আগে

সব সময় খাবার খাওয়ার আগে পানি পান করুন। এতে ওজনও ঝরবে আবার শরীরও সুস্থ থাকবে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, খাবারের আধা ঘণ্টা আগে আধা লিটার করে পানি পান করার অভ্যাস ১২ সপ্তাহে ৩ পাউন্ডেরও বেশি ওজন ঝরাতে পারে।

অন্য এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত ওজনের ৫০ জন নারী সকালের নাস্তা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবারের আধা ঘণ্টা আগে প্রায় ২ কাপ পানি পান করেন, তারা ডায়েটে অন্য কোনো পরিবর্তন করেননি। ৮ সপ্তাহ পরে দেখা যায়, তারা অনেকটাই ওজন ঝরিয়েছেন।

দিনে কতটুকু পানি পান করবেন?

ইউএস ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস, ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড মেডিসিনের তথ্যমতে, প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে পুরুষদের জন্য দিনে ১৫.৫ কাপ ও নারীদের জন্য ১১.৫ কাপ পানি পান করা আবশ্যক। এর পাশাপাশি তরল খাবার ও প্রাকৃতিক ফলের রস শরীরের আর্দ্রতা বজায় রাখতে দারুন উপকারী।

আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন

আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন

মো: ইমতিয়াজ আহমেদ:

দেশের দূরদর্শী ও বলিষ্ঠ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন আজ। স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জের মধুমতী নদীবিধৌত টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। দেশের দীর্ঘ সময়ের প্রধানমন্ত্রী তিনি। টানা তিন মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরবও তার। ১৯৮১ সাল থেকে দেশের অন্যতম প্রাচীন দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আছেন। ৭৬ বছরের জীবনে অনেক সংকট, চড়াই-উতরাই পেরিয়েছেন। দেখেছেন সাফল্যের চূড়া। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন ও লম্বা সময় দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা তার। তার শৈশব কেটেছে চিরায়ত গ্রামীণ পরিবেশে, দাদা-দাদির কোলেপিঠে। ’৫৪-এর নির্বাচনের পর শেখ হাসিনা বাবা-মায়ের সঙ্গে ঢাকায় চলে আসেন। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হিসেবে ছাত্রজীবন থেকে প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত হন তিনি। বর্তমানে শুধু জাতীয় নেতাই নন, তিনি আজ তৃতীয় বিশ্বের একজন বিচক্ষণ বিশ্বনেতা হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন। সংগ্রামী জীবনে তাকে ১৯ বার হত্যার চেষ্টা করা হয়। ১০ বার তাকে জেল-গৃহবন্দি থাকতে হয়েছে। মৃত্যুভয়কে পরোয়া না করে তিনি ক্লান্তিহীন পরিশ্রম করে যাচ্ছেন দেশমাতৃকার জন্য। তার নেতৃত্বে অসংখ্য কালোত্তীর্ণ সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বরের ভাষণের পদাঙ্ক অনুসরণ করে গত ২২ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইউএনজিএ অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চপর্যায়ের পার্শ্ব ও দ্বিপক্ষীয় অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে পৌঁছান। এবারও তার জন্মদিন কাটছে ওয়াশিংটনে। তবে তার অনুপস্থিতিতে বাংলাদেশে দিনটিতে উৎসবমুখর পরিবেশে নানা কর্মসূচি উদযাপন করবে আওয়ামী লীগসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

রাজনীতি শেখ হাসিনার জন্য নতুন কিছু নয়, জন্মসূত্রে পাওয়া এক উত্তরাধিকার। শৈশব থেকেই তার পিতা বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক-সংগ্রামী জীবন দেখেছেন তিনি। ছাত্রজীবনে ছিলেন ছাত্রলীগের কর্মী, কলেজ ছাত্র সংসদের সহসভানেত্রীও নির্বাচিত হয়েছেন। এই ছিয়াত্তর বছরের অর্ধেকেরও বেশি সময় ধরে তিনি নৌকা প্রতীকের হাল ধরে আছেন। সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের। চার মেয়াদে সরকারপ্রধান হিসেবে দেশের হাল ধরে আছেন। তার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি, একাত্তরের ঘাতক যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য সম্পন্ন করা, সংবিধান সংশোধনের মধ্য দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সমুদ্রে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে ব্লু ইকোনমির নতুন দিগন্ত উন্মোচন, ভারতের সঙ্গে সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন ও ছিটমহল বিনিময়, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফল উৎক্ষেপণের মধ্য দিয়ে মহাকাশ জয়, সাবমেরিন যুগে বাংলাদেশের প্রবেশ, নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রোরেল, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন, কর্ণফুলী টানেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, নতুন নতুন উড়াল সেতু, মহাসড়কগুলো ফোর লেনে উন্নীত করা, এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন, ভূমি-গৃহহীনদের বিনা মূল্যে ঘর প্রদান, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন, বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীর হাতে বিনা মূল্যে নতুন বই পৌঁছে দেওয়া, মাদ্রাসাশিক্ষাকে মূলধারার শিক্ষার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা ও স্বীকৃতিদান, মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, প্রতিটি জেলায় একটি করে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের উদ্যোগ, নারীনীতি প্রণয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণসহ অসংখ্য ক্ষেত্রে যুগান্তকারী সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে বাংলাদেশ আজ বিশ্বসভায় নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছে সক্ষম রাষ্ট্রের মূর্ত প্রতীক হিসেবে। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে জ্ঞানভিত্তিক উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে গেড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনা ‘প্রেক্ষিত পরিকল্পনা তথা রূপকল্প-২০৪১’ ঘোষণা করেছেন এবং তা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে তার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার।

এছাড়া আগামী প্রজন্মের জন্য একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, শান্তিপূর্ণ, কল্যাণকর ও নিরাপদ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি জলবায়ুসহিষ্ণু বদ্বীপ গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘ডেলটাপ্ল্যান-২১০০’ ইতিমধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে। স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে অনন্য ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে পরপর তিন বার এবং এ পর্যন্ত চার বার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি সম্পাদন, একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতিসহ জাতীয় জীবনের বহু ক্ষেত্রে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছেন শেখ হাসিনা। বিশ্বে যখন সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদ ছড়িয়ে পড়ছে, তখন সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল হয়ে উঠেছে শেখ হাসিনার কঠোর অবস্থানের কারণে।

গতকাল এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আওয়ামী লীগ বলেছে, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা নবপর্যায়ের বাংলাদেশের ইতিহাসের নির্মাতা। হিমাদ্রী শিখর সফলতার মূর্ত স্মারক, উন্নয়নের কান্ডারি। উন্নত সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার। বাঙালির আশা-আকাঙ্ক্ষার একান্ত বিশ্বস্ত ঠিকানা, বাঙালির বিশ্বজয়ের স্বপ্ন-সারথি। বিশ্বরাজনীতির উজ্জ্বলতম প্রভা, বিশ্ব পরিমণ্ডলে অনগ্রসর জাতি-দেশ-জনগোষ্ঠীর মুখপাত্র, বিশ্বনন্দিত নেতা। বারবার মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসা ‘নীলকণ্ঠ পাখি’, মৃত্যুঞ্জয়ী মুক্তমানবী। তিমির হননের অভিযাত্রী, মাদার অব হিউম্যানিটি। আত্মশক্তিসমৃদ্ধ সত্য সাধক। প্রগতি, উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির সুনির্মল মোহনা। এক কথায় বলতে গেলে, সমুদ্র সমান অর্জনে সমৃদ্ধ শেখ হাসিনার কর্মময় জীবন। নিখাদ দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা, দৃঢ় মানসিকতা ও মানবিক গুণাবলি তাকে আসীন করেছে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে। তিনিই বাঙালির জাতীয় ঐক্যের প্রতীক এবং বাঙালি জাতির সব আশা-ভরসার নিরাপদ আশ্রয়স্থল। পঁচাত্তর-পরবর্তী বাঙালি জাতির যা কিছু মহত অর্জন, তা শেখ হাসিনার নেতৃত্বেই অর্জিত হয়েছে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার জন্মদিন আজ গোটা বাঙালি জাতির জন্য একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গড়ে উঠবে উন্নত-সমৃদ্ধ ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’।

এক বর্ণাঢ্য সংগ্রামমুখর জীবন শেখ হাসিনার। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে ঘাতকের নির্মম বুলেটে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নিহত হন। এ সময় বিদেশে থাকায় আল্লাহর অশেষ রহমতে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। ১৯৮১ সালের ১৩-১৫ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। জাতির এক ক্রান্তিলগ্নে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে তাকে দলের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়। ডাক আসে দেশমাতৃকার হাল ধরার। সামরিক শাসকদের রক্তচক্ষু ও নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন শেখ হাসিনা। জেলজুলম, অত্যাচার কোনো কিছুই তাকে তার পথ থেকে টলাতে পারেনি এক বিন্দু।

 

কর্মসূচি: আওয়ামী লীগ এবং এর সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন পালন করবে। তার অনুপস্থিতিতেই দিনটি উৎসবমুখর পরিবেশে নানা কর্মসূচি পালন করা হবে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আওয়ামী লীগ আজ বেলা ৩টায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে আলোচনাসভার আয়োজন করেছে। এতে সভাপতিত্ব করবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপি। কেন্দ্রীয়ভাবে বাদ জোহর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ দেশের সব মসজিদে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল। বাদ আসর ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী এবং শেখ হাসিনা এমপির জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে সকাল ৯টায় মেরুল বাড্ডাস্থ বৌদ্ধ মন্দিরে বৌদ্ধ সম্প্রদায়, সকাল ৯টায় খ্রিষ্টান অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ (সিএবি) মিরপুর ব্যাপ্টিস্ট চার্চে (৩/৭/এ সেনপাড়া, পর্বতা, মিরপুর-১০) এবং বেলা ১১টায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে হিন্দু সম্প্রদায় বিশেষ প্রার্থনা সভার আয়োজন করবে। এসব কর্মসূচিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থাকবেন।

একই দিনে ঢাকাসহ সারা দেশে সব সহযোগী সংগঠন আলোচনাসভা, দোয়া মাহফিল, বিশেষ প্রার্থনা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ দিবসটির তাৎপর্য অনুযায়ী বিভিন্ন উপযোগী কর্মসূচি উদযাপন করবে। আগামীকাল শুক্রবার ঢাকাসহ সারা দেশে সব সহযোগী সংগঠন আলোচনাসভা, শোভাযাত্রা ও আলোকচিত্র প্রদর্শনীসহ দিবসটির তাৎপর্য অনুযায়ী বিভিন্ন উপযোগী কর্মসূচি পালন করবে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে আওয়ামী লীগের গৃহীত কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আলোচনাসভা, শোভাযাত্রা, সারা দেশের সব মসজিদে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং সব ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা সভাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করার জন্য আওয়ামী লীগের সব সহযোগী সংগঠন, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং সংস্থাসমূহের সব স্তরের নেতাকর্মী, সমর্থক ও সর্বস্তরের জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এমপি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সব জেলা, মহানগর, উপজেলা, পৌর, ইউনিয়ন, ওয়ার্ডসহ সব শাখার নেতৃবৃন্দকে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অনুরূপ কর্মসূচি গ্রহণ করে দিবসটি পালন করার অনুরোধ জানিয়েছেন।

রিজার্ভ কমে ২১ বিলিয়নের ঘরে

রিজার্ভ কমে ২১ বিলিয়নের ঘরে

ডেস্ক রিপোর্ট:

কোভিড পরবর্তী সময় পার করে ঘুরে দাঁড়াতে থাকে অর্থনীতি। এর পরপরই গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হয়। এর ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে টালমাটাল অবস্থা শুরু হয়। হু হু করে ভোগ্যপণ্য, জ্বালানি তেল ও পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। যার আচ লাগে দেশের অর্থনীতিতে।

গত ২০২১-২২ অর্থবছরে আমদানি খরচ বেড়ে দাঁড়ায় আট হাজার ৯১৬ কোটি ডলার। শুরু হয় ডলার সংকট। আমদানিতে কড়াকড়ি করেও সংকট দূর করা যায়নি। পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটে। এতে ব্যাংকগুলোর হাতে ডলারের দাম নির্ধারণের দায়িত্ব দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে ডলার সরবরাহ করে বাজারে। টান পড়ে রিজার্ভে।

ডলার বিক্রির ফলে রিজার্ভ কমে এখন ২১ বিলিয়নের ঘরে। বুধবার (২৭ সেপ্টেম্বর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক মঙ্গলবারের (২৬ সেপ্টেম্বর) তথ্য দিয়ে রিজার্ভের হিসাব প্রকাশ করেছে। এতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফের হিসাবপদ্ধতি বিপিএম ৬ অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভ এখন ২ হাজার ১১৫ কোটি ডলার।

যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব পদ্ধতি অনুযায়ী দেশের রিজার্ভ ২ হাজার ৭০৬ কোটি ডলার। এর আগে ২০২১ সালে রিজার্ভ বেড়ে ৪৮ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ৮০০ কোটি ডলারে উঠেছিল।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, চলতি মাস সেপ্টেম্বরের প্রথম ২০ দিনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ১৬২ কোটি মার্কিন ডলার কমে, পরের সাত দিনে রিজার্ভ কমে আরও ৩০ কোটি ডলার। এর আগে গত ৩১ আগস্ট দেশের রিজার্ভ ছিল ২ হাজার ৩০৬ কোটি ৯৫ লাখ ডলার। মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সেটি কমে ২ হাজার ১১৫ কোটি ডলারের আসে।

অন্যদিকে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের বড় দুই উৎসের একটি প্রবাসী আয়ও এখন কমছে। চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে (জুলাই-আগস্ট) দেশে প্রবাসী আয় কমেছে সাড়ে ১৩ শতাংশ। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জুলাই-আগস্ট সময়ের আমদানির দায় বাবদ ১৩১ কোটি ডলার পরিশোধ করা হয়। একই সঙ্গে জরুরি আমদানিতে রিজার্ভ থেকে বাজারে ডলার বিক্রি করা হচ্ছে। এসব কারণে রিজার্ভ কমছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা।

সূত্র: জাগো নিউজ২৪

দোহাতে বাংলাদেশ-কাতারের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক সহযোগিতা সম্পর্কিত চুক্তি স্বাক্ষর

দোহাতে বাংলাদেশ-কাতারের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক সহযোগিতা সম্পর্কিত চুক্তি স্বাক্ষর

 

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন, কাতার থেকেঃ

২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ কাতারের দোহাতে বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ে সহযোগিতা সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের পক্ষে ইসলামিক বিশ্বের ১২তম সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বর্তমানে দোহা সফররত সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী জনাব কে এম খালেদ, এম.পি এবং কাতারের পক্ষে দেশটির সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী শেখ আবদুল রহমান বিন হামাদ বিন জসিম বিন হামাদ আল থানি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

দোহাতে বাংলাদেশ-কাতারের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক সহযোগিতা সম্পর্কিত চুক্তি স্বাক্ষর

 

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাতারে দুইটি সফরের অব্যবহিত পরেই এই চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে ভাতৃপ্রতিম দুই দেশের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ে সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা করা যাচ্ছে। ফলে বন্ধুত্বপূর্ণ দুইটি দেশের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিনিধি দলের নিয়মিত সফর বিনিময়, সংস্কৃতি সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও মেলা আয়োজনের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে সংস্কৃতি বন্ধন আরো অটুট হবে। এছাড়াও এই চুক্তি বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্য, ইতিহাস ও সংস্কৃতি কাতারে স্থানীয় জনগণ ও বাংলাদেশ কমিউনিটির নতুন প্রজন্মের মাঝে তুলে ধরার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। বাংলাদেশ ও কাতার উভয় দেশের মন্ত্রীগণ চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশ ও কাতারের মধ্যে দ্বিপক্ষীক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। আগামী বছর বাংলাদেশ ও কাতারের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে এই চুক্তির অধীনে সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত বেশ কিছু অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যেতে পারে বলে উভয় মন্ত্রী মতামত প্রদান করেন।

চুক্তি স্বাক্ষরের পর উভয় দেশের মন্ত্রীগণ এক দ্বিপক্ষীক সৌজন্য বৈঠকে মিলিত হন এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা করেন। এ সময়ে কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম, কাতারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং দূতাবাসের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে গেল স্ত্রী, অতঃপর আঘাতে প্রাণ হারায় কোলের শিশুর

স্বামীকে বাঁচাতে এগিয়ে গেল স্ত্রী, অতঃপর আঘাতে প্রাণ হারায় কোলের শিশুর

ডেস্ক রিপোর্ট:

গাজীপুরের শ্রীপুরে গ্রাম্য সালিসে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুই বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার দুপুরে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের হয়দেবপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। নিহত শিশুটির নাম ফাতেহা খাতুন। সে ওই গ্রামের আব্দুস সাত্তারের মেয়ে।

সংঘর্ষে নারীসহ আহত হয়েছেন অন্তত চারজন। তাদের মধ্যে দুইজনকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জড়িত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

নিহত শিশুর চাচা হোসেন আলী জানায়, দীর্ঘ দিন ধরে প্রতিবেশী লাল মিয়ার সঙ্গে জমি নিয়ে তাদের বিরোধ চলছিল।

কয়েকদিন আগে লাল মিয়া তাদের বিরুদ্ধে কাওরাইদ ইউনিয়ন পরিষদে অভিযোগ দেন। পরে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান তিনজন ইউপি সদস্যকে বিরোধ মীমাংসার জন্য দায়িত্ব দেন।

ওই গ্রামের ফজলু মিয়া জানায়, আজ দুপুর পৌনে ১২টার দিকে আব্দুস সাত্তারের বাড়ির পাশে বসা সালিসে কাগজপর্সা দেখার সময় দুই পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। পরে তা হাতাহাতিতে গড়ায়। একপর্যায়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

প্রত্যক্ষদর্শী রিপন মিয়া জানান, সংঘর্ষকালে আব্দুস সাত্তার ছুটে এসে তার বসতঘরে আশ্রয় নেন। ওই সময় প্রতিপক্ষ ঘরে ঢুকে তাকে মারধর করে। স্বামীকে বাঁচাতে দুই বছর বয়সী মেয়েশিশুটি কোলে নিয়ে কুলসুম বেগম এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর শুরু করে। ওই সময় মা-বাবাকে করা আঘাতে শিশুটির মাথায় জখম হয়।

গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
কাওরাইদ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আব্দুস সামাদ জানায়, সালিস বসার ১৫ মিনিটের মধ্যেই দুই পক্ষে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

শ্রীপুর থানার ওসি এ এফ এম নাসিম জানান, ‘শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের আটকের চেষ্টা চলছে।’

জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে খেলা হবে : ওবায়দুল কাদের

জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে খেলা হবে : ওবায়দুল কাদের

মো: ইমতিয়াজ আহমেদ :

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, খেলা হবে, ডিসেম্বরে। খেলা হবে অক্টোবরে। খেলা হবে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে। এক তৃণমূল হয়েছে, সামনে আরো তৃ্ণমূল আসছে।

বুধবার বিকেল ৫টায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে টঙ্গী সরকারি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের শান্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের জানান, ‘ঢাকা দখল কে করবে সময় বলবে। ফখরুল ইদানিং কান্নাকাটি করছেন। এত কান্না কোথা থেকে আসে? ৪৮ মিনিটও খালেদা জিয়ার জন্য আন্দোলন করতে পারলেন না।’

আমেরিকাকে ইঙ্গিত করে তিনি জানায়, ‘আগে নিজের ঘর সামলান। ট্রাম্পকে সামলাতে পারেন না আবার আমাদের সামলাবেন কি করে?’

চলতি মাসের ২৮ তারিখ বঙ্গবন্ধু টানেল উদ্বোধন করা হবে জানিয়ে কাদের বলেন, ‘উন্নয়নের প্রতীক নৌকা।’ আগামী নির্বাচনে নৌকাকে বিজয়ী করতে তিনি সকলের সমর্থন কামনা করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্বে করেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আজমত উল্লাহ খান।

অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আতাউল্লাহ মন্ডল।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, আব্দুর রহমান, সিমিন হোসেন রিমি এমপি গাজীপুর-৪, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল- আলম হানিফ এমপি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন ও মির্জা আজম এমপি, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি, গাজীপুর-১, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল এমপি গাজীপুর-২, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ এমপি, সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি বেগম সামসুন নাহার ভুঁইয়া।

সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের অ্যাডভোকেট মনোনীত হওয়ায় মন্টু ভাইকে অভিনন্দন

সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের অ্যাডভোকেট মনোনীত হওয়ায় মন্টু ভাইকে অভিনন্দন

 

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন, কাতার থেকেঃ

বাংলাদেশ অ্যাথলেটিকস ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশের সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও রাজনীতিবিদ অ্যাডভোকেট আব্দুর রকিব (মন্টু) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগের অ্যাডভোকেট মনোনীত হওয়ায় প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কাতার বঙ্গবন্ধু পরিষদের ভাইচ প্রেসিডেন্ট কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোশারফ হোসেন নয়ন।

আব্দুর রকিব মন্টু সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের মাইজগাঁও ইউনিয়নের নিজামপুর গ্রামের বাসিন্দা প্রয়াত কৃতি অ্যাথলেট বশির আলীর তৃতীয় ছেলে। সিলেটে তাঁদের পরিবার অ্যাথলেট পরিবার হিসেবে পরিচিত।

আব্দুর রকিব মন্টু আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৩ আসনে (দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জ-বালাগঞ্জ) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল থাকাকালে বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা, জাতীয় চার নেতা হত্যা এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচারসহ অনেক উল্লেখযোগ্য মামলায় লড়েছেন। দক্ষিণ সুরমা-ফেঞ্চুগঞ্জবাসীর সাথে মন্টু