All posts by jitu

কুমিল্লায় ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ছয় ঘণ্টার ব্যবধানে পুকুরের পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

নিহতরা হলো, চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মিজানুর রহমানের ছেলে আয়ান (১২), কনকাপৈত ইউনিয়নের কালকোট গ্রামের ফরহান ইবনে মোস্তফার ছেলে মোহাম্মদ (২) ও মুন্সীরহাট ইউনিয়নের বাংপাই গ্রামের মোঃ হাসানের ছেলে শাহাদাত (৬)।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, সোমবার (১ জুন) সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চৌদ্দগ্রাম সরকারি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে পানিতে ডুবা তিন শিশুকে আনা হয়।

পরে, জরুরী বিভাগের চিকিৎসকরা পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে তাদেরকে মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও জানান, ইদানীং পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর হার অনেক বেড়ে গেছে। এক্ষেত্রে শিশুদের পরিবারকে আরও সচেতন হওয়া উচিত।

চৌদ্দগ্রামে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

‘যেখানে মাদক, সেখানেই প্রতিরোধ’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে স্থানীয় তরুণ ও যুব সমাজকে মাদকের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত রাখার প্রত্যয়ে এবং মাদক-সন্ত্রাস নির্মূল, ইভটিজিং ও কিশোর অপরাধ দমনে গণসচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মাদকবিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৩১ মে) সন্ধ্যায় ‘করপাটি-বৈলপুর গ্রামের সচেতন নাগরিক সমাজে’র উদ্যোগে হাজী মনির উদ্দিন আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ে আয়োজিত এই সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবক মো. আহসান হাবীব বেপারী এবং সভাটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও ব্যবসায়ী কাজী মো. ইমতিয়াজ উদ্দিন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, কনকাপৈত ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মুহাম্মদ হাছান মজুমদার, সিনিয়র সাংবাদিক এম. মোশাররফ হোসাইন, কনকাপৈত ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি কাজী মহিন উদ্দীন নয়ন, চট্টগ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রেজাউল করিম, কনকাপৈত ইউনিয়ন বিএনপি’র সহ-সভাপতি মো. আবুল কাশেম, ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মো. বেলায়েত হোসেন, বিশিষ্ট ব্যাংকার কাজী মামুনুর রশিদ, সমাজসেবক ডা. মো. তাজুল ইসলাম, সাংবাদিক মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, প্রবাসী মো. ইমাম হোসেন পাটোয়ারী, কাজী মোহাম্মদ অপু, আয়কর আইনজীবি আবদুর রাজ্জাক, প্রবাসী আব্দুল হালিম পাটোয়ারী এবং সমাজসেবক সাঈদুর রহমান মোল্লা প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, মাদক একটি সামাজিক ব্যাধি, যা ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজ কাঠামোকে ধ্বংস করে দেয়। তাই এর বিরুদ্ধে লড়াইকে সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। মাদকবিরোধী আন্দোলন সফল করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সংগঠনগুলোকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।

তারা আরও বলেন, তরুণ সমাজই জাতির মূল শক্তি ও ভবিষ্যৎ। তাদের মাদকের ভয়াবহ প্রভাব থেকে রক্ষা করতে শিক্ষা, খেলাধুলা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে হবে। একটি মাদকমুক্ত তরুণ সমাজই একটি শক্তিশালী বাংলাদেশ গড়তে পারে।

বক্তারা প্রতিটি ঘর, এলাকা ও গ্রামে মাদকবিরোধী সচেতনতা ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে এবং যারা এ পথ থেকে ফিরে আসতে চায় তাদের পুনর্বাসনে সহযোগিতা করতে হবে।

এ সময় সভায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদারের অংশ হিসেবে এলাকার মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের তালিকা প্রণয়ন করে ব্যক্তি ও পরিবার পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তাদেরকে এ পথ থেকে ফিরিয়ে আনতে কার্যকর ভূমিকা রাখার সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। পাশাপাশি সংশোধন না হলে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করা হয়।

সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়, মাদক কারবারিদের বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিচিতিমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে এবং প্রয়োজনে সংশ্লিষ্টদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে সোপর্দ করা হবে। যারা মাদক ছেড়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে আগ্রহী, তাদের পুনর্বাসন, বিদেশ গমনসহ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণের প্রস্তাবও গৃহীত হয়।

এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা, মাদক-সন্ত্রাস নির্মূল, ইভটিজিং ও কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে মসজিদ ও পাড়া-মহল্লাভিত্তিক সভা-সেমিনার আয়োজন এবং লিফলেট বিতরণের মাধ্যমে গণসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সমাবেশে উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের সর্বসম্মতিক্রমে মো. আহসান হাবীব বেপারীকে আহ্বায়ক এবং কাজী মহিন উদ্দীন নয়নকে সদস্য সচিব করে উভয় গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে একটি মাদকবিরোধী কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন: কাজী মো. ইলিয়াছ, এম. মোশাররফ হোসাইন, কাজী মো. বশির আহমেদ, রেজাউল করিম, মো. আবুল কাশেম, কাজী মামুনুর রশিদ, বেলায়েত হোসেন, ডা. তাজুল ইসলাম, কাজী মো. হারুনুর রশিদ, কাজী আব্দুল মালেক, মুহা. ফখরুদ্দীন ইমন, কাজী ইমতিয়াজ উদ্দিন, আলমগীর হোসেন, মাকসুদুর রহমান, কাজী অপু, মাওলানা মো. বেলাল হোসেন, কাজী আব্দুল হান্নান নয়ন, সাদ্দাম হোসেন, কাজী সোহাগ, সাদেক হোসাইন, মো. রুবেল, আসাদুজ্জামান তন্ময় প্রমুখ।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক আনিসুর রহমান, আবুল কালাম বেপারী, কাজী মো. সাইফুল্লাহ, কাজী শহিদুল্লাহ, শাহ আলম, আমান উল্লাহ, মহি উদ্দিন মুন্সী, কাজী নুরুল আলম, রাকিবুল হাসান মোল্লা, জাহিদুল ইসলাম, কাজী সোহাগ, কাজী আরব আলী, কাজী মাসুদ, কাজী আব্দুল মান্নান, আব্দুল মোতালেব, মো. রুবেল, কাজী শাখাওয়াত হোসেন শরীফ, নাজমুল ইসলাম, মিসবাহ মজুমদার, মো. হালিম, মামুন একরাম, মো. আজাদ, আমজাদ হোসাইন,আব্দুল কাদের, সাহাব উদ্দিন, মো. বাবলু, আসাদুজ্জামান মিয়াজী তন্ময়, আদনান, রাকিব, ফরহাদ, সুমন, তানভীর আহমেদ মাহিম-সহ স্থানীয় সমাজসেবক, প্রবাসী, ব্যবসায়ী, শিক্ষক, সাংবাদিক, তরুণ ও যুব সমাজের প্রতিনিধিসহ বিপুল সংখ্যক গণ্যমান্য ব্যক্তি।

ব্রাহ্মণপাড়া গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের অভিযানে ১১ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ১১ কেজি গাঁজাসহ এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই দিনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে আরও একজনকে আটক করা হয়। এ নিয়ে পৃথক অভিযানে মোট দুইজন গ্রেপ্তার হয়েছেন।

রবিবার (৩১ মে) উপজেলার ৪নং শশীদল ইউনিয়নের দেউষ টানা ব্রিজ থেকে মন্দবাগ সড়ক এলাকা থেকে তাকে আটক জরে পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি এমরান হোসেন (৩১) দেউষ গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে।

থানা পুলিশ সুট জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিেতে ব্রাহ্মণপাড়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুজন কুমার আচার্যের নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে উপজেলার ৪নং শশীদল ইউনিয়নের দেউষ টানা ব্রিজ থেকে মন্দবাগ সড়ক এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
অভিযানকালে দেউষ গ্রামের মকবুল মেম্বার বাড়ি এলাকার বাসিন্দা মো. এমরান হোসেনের নিজস্ব গরুর খামারে তল্লাশি চালিয়ে ১১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ সময় তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফারুক হোসেন জানান, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। মাদক নির্মূলে ব্রাহ্মণপাড়া থানা পুলিশ জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।”

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

নিখোঁজের দুদিন পর কুমিল্লার বিলে মিলল ব্যবসায়ীর মরদেহ

ডেস্ক রিপোর্ট:

চাঁদপুরের কচুয়ায় নিখোঁজের দুই দিন পর নুরুল ইসলাম (৭০) নামের এক সার ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার একটি বিল থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত নুরুল ইসলাম উপজেলার তুলপাই গ্রামের কারী সাহেবের বাড়ির বাসিন্দা।

নিহতের ছোট ছেলে ছানাউল্লাহ জানান, শুক্রবার সকালে বাড়ি থেকে কচুয়া বাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হন। দুপুরের দিকে দোকানে গিয়ে দোকান বন্ধ দেখে পাশের ব্যবসায়ীদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন অসুস্থতার কথা বলে তিনি বাড়ি ফিরে গেছেন। কিন্তু বাড়িতে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তিনি সেখানে পৌঁছাননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তাকে না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে কচুয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।

​শনিবার রাতে কচুয়া থানার মাধ্যমে পরিবার জানতে পারে, কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থানার শ্রীনিবাস পূর্বপাড়া হাইওয়ে রোডের পাশের একটি বিল থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সেখানে গিয়ে নুরুল ইসলামের মরদেহ শনাক্ত করেন এবং পরে তা বাড়িতে নিয়ে আসেন।

এ ব্যাপারে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম আকাশ জানান, ব্যবসায়ী নিখোঁজের পরপরই তার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় একটি হারানো জিডি করা হয়। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নিয়ে আমরা আশপাশের সব থানায় বার্তা পাঠিয়ে ছিলাম। এরই প্রেক্ষিতে শনিবার রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানা থেকে একটি বার্তা আসে। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহ শনাক্ত করেন। এ বিষয়ে তদন্ত চলছে এবং দোষীদের শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে।

আসিফ মাহমুদ-হাসনাত আব্দুল্লাহকে চ্যালেঞ্জ করলেন কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক

ডেস্ক রিপোর্ট:

আসিফ মাহমুদ ও হাসনাত আব্দুল্লাহ ‘প্রকল্পের নামে’ জেলা পরিষদের মাধ্যমে দুটি উপজেলার জন্য ২৫ কোটি টাকা নিয়েছেন বলে দাবি করে কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া তরুণ দুই এনসিপি নেতাকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন।

রোববার (৩১ মে) একটি অনলাইন পত্রিকাকে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় নিজের আগের বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘ওরা যে টাকাটা নিয়েছে, পারলে বলুক নেয় নাই।’

জেলা পরিষদের প্রশাসক বলেন, আমাদের জেলা পরিষদের মাধ্যমে প্রকল্পের নামে ১৫ কোটি মুরাদনগরে এবং দেবীদ্বারে ১০ কোটি টাকা উনারা নিয়ে গিয়েছেন। তারা বলুক যে তারা এই টাকা নেননি। তারা আমাদের জেলা পরিষদের মাধ্যমে এটা নিয়েছে।

উনারাই বৈষম্যের সৃষ্টি করেছেন দাবি করে মো. মোস্তাক মিয়া বলেন, ওই সময় অন্যান্য উপজেলায়- তিতাস ও মনোহরগঞ্জসহ বিভিন্ন উপজেলায় ১০ লাখ ১৫ লাখ ১৮ লাখ, কোথাও ২৬ লাখ; এ রকম করে বরাদ্দ হয়েছে। কিন্তু দুইটি উপজেলায় এডিবি এবং আমাদের নিজস্ব তহবিলের টাকা ১৫ কোটি আরেক যায়গায় ১০ কোটির মতো টাকা তারা নিয়ে গিয়েছে।

সূত্র: কালবেলা

চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলামকে চাঁদপুর প্রেসক্লাবের শুভেচ্ছা

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

আন্তজার্তিক অপরাধ ট্রাইবুনালের চিফ প্রসিকিউরেটর অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি আলহাজ্ব রাশেদা বেগম হীরাকে চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়।

শনিবার (৩০ মে) বিকেলে চাঁদপুর সদর উপজেলার ৫নং রামপুর ইউনিয়নের আলগী পাঁচগাঁও এলাকায় পারিবারিক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনকালে তাদেরকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান চাঁদপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি সোহেল রুশদী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, প্রাক্তন অতিরিক্ত সচিব (অব:) রওশন আরা বেগম, যুগ্ম সচিব (অব:) মোস্তফা কামাল, চাঁদপুর সরকারি কলেজের উপাধ্যক্ষ (অব:) ইসমাঈল তপাদার কাঞ্চন, সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবি অ্যাডভোকেট সুফিয়া আক্তার হেলেনা সহ অন্যান্যরা।

কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কে গাছ উপড়ে পড়ে ৩ ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা-সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কে একটি কৃষ্ণচূড়া গাছ উপড়ে পড়ে প্রায় তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল। এতে ঈদ-পরবর্তী সময়ে কর্মস্থলমুখী যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। মহাসড়কের উভয় পাশে শত শত যানবাহন আটকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

রবিবার সকাল ১০টার দিকে কুমিল্লার দেবীদ্বার থানা মসজিদের পশ্চিম পাশে মহাসড়কের ওপর গাছটি পড়ে যায়। ওই সময় কোনো ধরনের ঝড়-বৃষ্টি না থাকলেও হঠাৎ গাছটি উপড়ে পড়ায় সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দেবীদ্বার থানা মসজিদের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে থাকা একটি বড় কৃষ্ণচূড়া গাছ সড়কের ওপর হেলে পড়ে।

এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে চট্টগ্রামগামী একটি লরির ওপর গাছটি পড়ে। তবে এতে বড় ধরনের কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। গাছটি থানার পশ্চিম পাশের দেয়াল ভেঙে লরির মাঝামাঝি অংশে পড়ায় লরির সামান্য ক্ষতি হলেও চালক ও সহকারীরা অক্ষত থাকেন।

ঘটনার পর মহাসড়কের দুই পাশে দূরপাল্লার বাস, ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন আটকা পড়ে। কাঁচামাল পরিবহন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নারী, শিশু ও বয়স্ক যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

পরে মুরাদনগর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল, থানা পুলিশ এবং বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে গাছটি অপসারণের কাজ শুরু করেন। দুপুর ১টার দিকে গাছ সরিয়ে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান জানান, কৃষ্ণচূড়া গাছটি আগের ঝড়ের কারণে কিছুটা হেলে ছিল। ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় গাছটি অপসারণ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। গাছটি থানার দেয়াল ভেঙে একটি লরির ওপর পড়লেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় পথচারীর মৃত্যু

ডেস্ক রিপোর্ট:

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে দুই বাসের প্রতিযোগিতায় প্রাণ হারালেন এক দারোয়ান। রোববার (৩১ মে) সকালে কুমিল্লা-চাঁদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে টোরাগড় মনির ফিলিং স্টেশন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

মৃত মো. বিল্লাল হোসেন (৫৫) ডক্টরস সিটিস্ক্যান ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দারোয়ান ছিলেন। তিনি শাহরাস্তি উপজেলার টামটা উত্তর ইউনিয়নের মুড়াগাঁ গ্রামের মুন্সিবাড়ির বাসিন্দা।

স্থানীয় একটি সিসিটিভির ফুটেজে দেখা যায়, সকালে চাঁদপুর থেকে কুমিল্লার দিকে যাচ্ছিল আইদি পরিবহনের একটি বাস। এর পেছনে ছিল বোগদাদ পরিবহনের আরেকটি বাস। ওভারটেক করার জন্য আইদি বাসের বাম পাশে চলে যাওয়ার চেষ্টা করে বোগদাদের বাস। এ সময় সড়কের পাশে বসে থাকা দারোয়ান বিল্লাল হোসেন চাপা পড়েন।

হাজীগঞ্জ থানার ওসি মো. আব্দুল মান্নান জানান, বাস দুটি জব্দ ও লাশ পুলিশি হেফাজতে নিয়ে আসা হয়েছে। পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমশার এলাকায় নিষিদ্ধ আ.লীগের ঝটিকা মিছিল

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের নিমশার এলাকায় ঝটিকা মিছিল করেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ। রোববার সকাল ৭টায় এ মিছিল করা হয় ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শেখ হাসিনার নির্দেশনায় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের তথ্য ও প্রযুক্তিবিষয়ক সম্পাদক এহেতাসামুল হাসান রুমির পৃষ্ঠপোষকতায় মিছিলটি আয়োজন করে বুড়িচং উপজেলা যুবলীগ নেতা জালাল উদ্দিন।

জানা যায়, আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা ভোরবেলা থেকেই মিছিলটি করার জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নেন। তারপর সকাল ৭টার দিকে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী মোকাম ইউনিয়নের নিমসার ও কোরপাই এলাকায় মিছিলটি করে ।

উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আবু নাসের মুন্সী জানান, আওয়ামী লীগ গোপনে মিছিল করেছে। আমাদের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন ভাই এবং বুড়িচং উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেব। আর প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তাদের কাছে জানতে চাইব।

বুড়িচং থানার ওসি মো. লুৎফুর রহমান জানান, কোরপাই এলাকায় একত্রিত হওয়ার চেষ্টা করেছিল, পরে পুলিশ যাওয়ায় দৌড়ে পালিয়ে গেছে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।

জিয়াউর রহমান একসাথে পাঁচশত গার্মেন্টস এর লাইসেন্স দেন, আজ সে গুলো প্রায় ৪০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান: কামরুল হুদা

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি :

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সভাপতি মোঃ কামরুল হুদা বলেছেন, তারেক রহমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। চৌদ্দগ্রাম নিয়ে অনেক মনোযোগী ছিলেন। কিন্তু অজ্ঞাত ষড়যন্ত্রের কারণে নির্বাচিত হতে দেয় নাই। চৌদ্দগ্রামে বিএনপির এমপি নির্বাচিত হয় নাই, চৌদ্দগ্রামের উন্নয়ন হবে না, সেটা মনে করার কোন কারন নাই।

উন্নয়ন হবে আমাদের মাধ্যমে, আমরা ইতোমধ্যে তালিকা করেছি, বিএনপির নেতৃত্বের মাধ্যমে চৌদ্দগ্রামে উন্নয়ন হবে। কেউ যদি এসে আগের মতো প্রভাব বিস্তার করতে চায়, নেতৃবৃন্দকে বলবো, এদের হাত ভেঙে দেন। এদের সাথে বাংলার মানুষ নাই। এদের সাথে পৃথিবীর কেউ নাই। এরা সন্ত্রাসী গোষ্ঠী, এরা কোন দল নয়। এরা সংখ্যালঘু একটা দল।

মোঃ কামরুল হুদা শনিবার বিকেলে চৌদ্দগ্রাম পৌর বিএনপি আয়োজিত শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

কামরুল হুদা বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আমি চৌদ্দগ্রাম আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিলাম। তারা ষড়যন্ত্র ও মানুষের ভোট ডাকাতি করে নির্বাচিত হয়েছে। যিনি এ আসন থেকে মানুষের ভোট ডাকাতি করে নির্বাচিত হয়েছেন তারপর থেকে আজ পর্যন্ত তাকে এই এলাকার লোকজন দেখে নাই।

বিএনপির এই নেতা আরো বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যখন প্রথমে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় আসেন দেশের উন্নয়নের জন্য এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের লক্ষ্যে একসাথে পাঁচশত গার্মেটন্সকে লাইসেন্স প্রদান করেন। আজকে সে গার্মেন্টসগুলোতে প্রায় ৪০ লক্ষের অধিক মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। তারই সুযোগ্য সন্তান তারেক রহমান আজকে রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন। তিনিও এ দেশের